X
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

যুদ্ধাপরাধ বিচারে বিল উত্থাপন

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২১, ১৯:৫২

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ১৬ জুলাইয়ের  ঘটনা।)

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করতে এদিন জাতীয় সংসদে একটি বিল উত্থাপন করা হয়। বিলে এই বিচারের জন্য একটি বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের ব্যবস্থা রাখা হয়। অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করতে পারবে এই ট্রাইব্যুনাল। দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা যাবে।

আইনমন্ত্রী শ্রী মনোরঞ্জন ধর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭৩ নামে পরিচিত বিলটি সংসদে উপস্থাপন করেন। বিলটি উপস্থাপনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী এবং তাদের সহায়ক বাহিনী যে নৃশংস ও বর্বর মানবতাবিরোধী হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে তা মানবজাতির বিবেককে দারুণভাবে আঘাত করে।

তিনি বলেন, এ ধরনের অপরাধে দায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ও তাদের শাস্তি দেওয়া সব দেশের দায়িত্ব। বিলে এই ধরনের অপরাধের বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের একজন চেয়ারম্যান থাকবেন এবং সদস্য হবে কমপক্ষে দুজন ও সর্বোচ্চ চার জন। প্রয়োজন অনুযায়ী সরকার এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে। সরকারি গেজেটে ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা ঘোষণা করা হবে।

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে ছিল এমন কোনও হাইকোর্টের বিচারক বা বিচারক হওয়ার উপযুক্ত কোনও ব্যক্তি বা সামরিক আইন অনুযায়ী জেনারেল কোর্ট মার্শালের সদস্য হওয়ার উপযুক্ত যে কেউ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বা সদস্য নিযুক্ত হতে পারবেন।

গঙ্গার পানিবণ্টন প্রশ্নে বৈঠক শুরু

নয়াদিল্লিতে গঙ্গার পানি ভাগাভাগি নিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শুরু হচ্ছে। ঢাকায় অল ইন্ডিয়া রেডিওর খবরে জানানো হয়, নয়াদিল্লিতে উভয় দেশের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শুরু হবে।

সকালের অধিবেশনে বাংলাদেশের বন্যা নিয়ন্ত্রণমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক ভারতীয় পক্ষকে জানান, তার দেশের অগণিত মানুষের ভাগ্য এই নদীর সঙ্গে জড়িত। তারা বর্তমান আলোচনার অর্থবহ ফলাফল জানার জন্য গভীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে।

তিনি আরও বলেন, তার এই কথায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মনোভাবই ব্যক্ত হয়েছে। তিনি বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে এ আলোচনায় এসেছেন।

মোশতাক আহমেদ ১৯৭২ সালে তার সঙ্গে কে এল রাওয়ের গৃহীত সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে বলেন, গঙ্গার পানি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সুষম বণ্টনের বিষয়ে উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন।

বাংলাদেশের বন্যা নিয়ন্ত্রণমন্ত্রী আরও বলেন, গঙ্গার পানির সঙ্গে যেসব সমস্যা জড়িত, উভয় পক্ষের ভালোভাবে তা জানা আছে। উভয় দেশের মধ্যে পানির ভাগাভাগি সম্পর্কিত তথ্য বিনিময় হয়েছে।

ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের পরিণতি হিসেবেই গঙ্গার পানি ভাগাভাগি নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। কলকাতা বন্দর নৌ-চলাচলের উপযোগী রাখার জন্য ভগীরথী নদীতে পানি প্রবাহের উদ্দেশ্যেই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই আলোচনা দুদিন ধরে চলবে বলে আশা করা হয়। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর উক্ত সমস্যা সম্পর্কে এটাই হচ্ছে প্রথম পূর্ণাঙ্গ আলোচনা।

আন্তর্জাতিক আদালতের এখতিয়ার প্রশ্নে বিশেষ অধিবেশন

গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের প্রত্যাবর্তনের ব্যাপারে পাকিস্তান অনুরোধ জানিয়েছিল। এ সম্পর্কে রায় প্রদানের এখতিয়ার আন্তর্জাতিক আদালতের আছে কিনা তা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে আদালত বিশেষ অধিবেশনে মিলিত হবে বলে ঘোষণা করে। এক ইশতেহারে বলা হয়, আদালত ৮-৪ ভোটে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এবং নিজস্ব বক্তব্যের জন্য পাকিস্তানকে অক্টোবর পর্যন্ত এবং ভারতকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়।

ভারত এযাবৎ আদালতের সামনে বক্তব্য পেশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে। পাকিস্তান এই মর্মে আদালতের রুল ইনজাংশন দাবি করেছে যে ১৯৭১ সালের যুদ্ধে যেসব যুদ্ধাপরাধী ভারতে আটক রয়েছে এবং বাংলাদেশ যাদের বিচার করতে চাচ্ছে তাদের প্রেরণ করা উচিত।

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তখন আলোচনা ‍তুঙ্গে

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তখন আলোচনা ‍তুঙ্গে

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:২৭

গত একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে। তবে কমেছে দৈনিক শনাক্তের হার। এ সময় করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৩৮৩ জন, যা গতকাল (শনিবার) ছিল এক হাজার ১৯০ জন। একই সময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৩ জন, যা গতকাল ছিল ৩৫ জন। 

তবে নতুন শনাক্ত ও মৃত্যু বাড়লেও গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় শনাক্তের হার তার আগের ২৪ ঘণ্টার চেয়ে কম। এ সময়ে করোনায় রোগী শনাক্তের হার পাঁচ দশমিক ৬২ শতাংশ, আর গতকাল ছিল ছয় দশমিক পাঁচ শতাংশ। 

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত হওয়া এক হাজার ৩৮৩ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৪২ হাজার ৬৮৩ জন। এই সময়ে মারা যাওয়া ৪৩ জনকে নিয়ে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট ২৭ হাজার ২২৫ জন মারা গেলেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৮৮৭ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৫ লাখ এক হাজার ৫৪১ জন।

একদিনে করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৪ হাজার ১২৮টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৪ হাজার ৬২৩টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৪ লাখ ৩৭ হাজার ৬৫৬টি জানিয়ে অধিদফতর জানাচ্ছে, এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৬৯ লাখ ৬৬ হাজার ৮০৪টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২৪ লাখ ৭০ হাজার ৮৫২টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার পাঁচ দশমিক ৬২ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার ৯৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৬ শতাংশ।

/জেএ/এনএইচ/

সম্পর্কিত

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৫৫

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর শুরু করেছে সরকার। তাদের দেখভালের বিষয়ে সরকার ও জাতিসংঘের মধ্যে আলোচনা চলছে। একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর পর সেখানে দ্রুত কাজ শুরু করবে জাতিসংঘ বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো। তিনি বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।’

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে ডিক্যাব আয়োজিত ‘ডিক্যাব টকে’ তিনি বলেন, ‘ভাসানচর নিয়ে সরকারের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। গত মার্চে জাতিসংঘের টেকনিক্যাল মিশন তাদের কাজ শেষ করেছে।’

মিয়া সেপ্পো বলেন, ‘ভাসানচর নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার পর আমরা সেখানে দ্রুত সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বে কাজ শুরু করবো।’

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারে জাতিসংঘের যে ভূমিকা, তা থেকে ভাসানচরে ভূমিকা ভিন্ন হবে। কারণ, দু’টি জায়গার পরিস্থিতি ভিন্ন।’

রোহিঙ্গা সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের বিষয়ে মিয়া সেপ্পো বলেন, ‘মিয়ানমারের সঙ্গে কীভাবে এই সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হবে, সেটি নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে মতভেদ আছে।’ এটি একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও মানবিক সমস্যা। মিয়ানমার ও বাংলাদেশে অনেক লোকের মানবিক সহায়তার দরকার আছে বলে তিনি জানান।

 

/এসএসজেড/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

‘নির্বাচনে কোনও সহায়তা করতে পারে কিনা জানতে চায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়’

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:২১

বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনও সহায়তা করতে পারে কিনা সেটি জানতে চেয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ডিক্যাব আয়োজিত ডিক্যাব টকে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘যে কোনও দেশের নির্বাচনের আগে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কোনও সহায়তা করতে পারে কিনা সেটি জানতে চায়। আমি নিশ্চিত বাংলাদেশেও এটি হবে।’

মিয়া সেপ্পো জানান, ‘এই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে রয়েছে জাতিসংঘ ও কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত।’

জাতিসংঘের এই আবাসিক প্রতিনিধি জানান, ‘বাংলাদেশের কিছু ক্ষেত্রে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ উদ্বিগ্ন। এর মধ্যে রয়েছে নারীদের প্রতি সহিংসতা, বৈষম্য বৃদ্ধি।’ এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা বলেও উল্লেখ্য করেন তিনি।

মিয়া সেপ্পো বলেন, ‘আমরা আশা করি সরকার ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন পুনর্বিবেচনা করবে’। এটি নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করছেন বলেও উল্লেখ্য করেন তিনি।

/এসএসজেড/এনএইচ/

সম্পর্কিত

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

বিশ্বব্যাংকের বৈশ্বিক উদ্বাস্তু নীতি সমর্থন করে জাতিসংঘ

বিশ্বব্যাংকের বৈশ্বিক উদ্বাস্তু নীতি সমর্থন করে জাতিসংঘ

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

বিশ্বব্যাংকের বৈশ্বিক উদ্বাস্তু নীতি সমর্থন করে জাতিসংঘ

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৫৪

রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য উদ্বাস্তুদের জন্য বিশ্বব্যাংকের বিতর্কিত বৈশ্বিক নীতি সমর্থন করে জাতিসংঘ। শুধু তাইনা ওই উদ্বাস্তু নীতি প্রণয়নে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা সরাসরি জড়িত বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো।

আজ রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ডিপ্লোমেটিক করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ-ডিক্যাব আয়োজিত ডিক্যাব টকে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক উদ্বাস্তু নীতির ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ একই মনোভাব পোষণ করে।’

উল্লেখ্য, বিশ্ব ব্যাংকের রিফিউজি পলিসি রিভিউ ফ্রেমওয়ার্কের তিনটি উদ্দেশ্য হলো ‑ উদ্বাস্তু  ও হোস্ট কমিউনিটির জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করা, উদ্বাস্তুরা যেদেশে অবস্থান করছে সেই সমাজে অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া অথবা তাদের ফেরত পাঠানো, এবং দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা যাতে করে নতুন উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দেওয়া সম্ভব হয়।

বিশ্ব ব্যাংকের নীতি বাংলাদেশ প্রত্যাখ্যান করলেও জাতিসংঘ কর্মকর্তা আশা প্রকাশ করে বলেন যে, ‘এই অর্থায়ন কক্সবাজারের রোহিঙ্গাদের জন্য অত্যন্ত দরকারি। বিশ্বব্যাংকের এই অর্থ রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জন্য দরকারি। আমরা আশা করি, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকার সংলাপ অব্যাহত রাখবে।’

তিনি জানান, বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মানবিক সহায়তা বজায় রাখার জন্য অর্থায়ন সংগ্রহ করা।

তবে ‘বাংলাদেশ সরকার তাদের অবস্থান পরিষ্কারভাবে ব্যক্ত করেছে কিভাবে তারা রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবিলা করবে।’ বলেও জানান তিনি।

/এসএসজেড/এমএস/

সম্পর্কিত

অস্থিতিশীল আফগানিস্তান নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি: বাংলাদেশ

অস্থিতিশীল আফগানিস্তান নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি: বাংলাদেশ

প্রস্তাব থেকে সরে এসেছে বিশ্বব্যাংক: পররাষ্ট্র সচিব

প্রস্তাব থেকে সরে এসেছে বিশ্বব্যাংক: পররাষ্ট্র সচিব

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে রেখে দেওয়ার প্রস্তাব বিশ্বব্যাংকের

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে রেখে দেওয়ার প্রস্তাব বিশ্বব্যাংকের

জাতিসংঘে দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা নিয়ে বাংলাদেশের রেজুলেশন গৃহীত

জাতিসংঘে দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা নিয়ে বাংলাদেশের রেজুলেশন গৃহীত

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:২৯

স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কিনা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হচ্ছে কিনা, শ্রেণি পাঠদান ঠিকমতো হচ্ছে কিনা, তা যাচাইয়ে কাউকে না জানিয়েই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যাবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।

গত সাত দিনে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কত জানতে চাইলে  শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কত শতাংশ শিক্ষার্থী আসছে, আমরা তথ্য পাচ্ছি। আমরা শিগগিরই (দুই-একদিনের মধ্যে) সঠিত তথ্য তুলে ধরে ব্রিফ করবো। সেই সংখ্যার দিকে এখন আমি যাচ্ছি না।’

পরিদর্শন করা বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা মাস্ক পরেছে, তারা সবাই বলেছে— হাত সেনিটাইজড করেছে। পরিষ্কারের কাজ সব সময় চলতে থাকবে। এক দিনেই সবটা আশা করতে পারি, তা নয়। তবে সবার চেষ্টা রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কেউ কেউ খুব ভালো করছেন। কেউ কেউ কোনোদিনই আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেননি, তারাও এখন পরিষ্কার-পচ্ছিন্ন করছেন। অনাভ্যাসের কারণে আমাদের প্রত্যাশার স্তরের হয়তো অনেকে পৌঁছাতে পারছেন না।  তবে এই অভ্যাসগুলো সমাজে বিস্তৃত করতে হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখানে জানিয়ে এসেছি। অনেক জায়গায় না জানিয়ে চলে যাবো। গ্রামাঞ্চলের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অনেক ভালো।’

/এসএমএ/এপিএইচ/  

সম্পর্কিত

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তখন আলোচনা ‍তুঙ্গে

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তখন আলোচনা ‍তুঙ্গে

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলো মিসর ও সিরিয়া

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলো মিসর ও সিরিয়া

সমাজবিরোধীদের দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

সমাজবিরোধীদের দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধীদের নির্মূলের আহ্বান

সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধীদের নির্মূলের আহ্বান

জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনের ঘোষণাপত্র প্রকাশ

জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনের ঘোষণাপত্র প্রকাশ

মুজিববর্ষে শতকোটি টাকায় বিদেশে ৫ স্কুল

মুজিববর্ষে শতকোটি টাকায় বিদেশে ৫ স্কুল

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে তিনদলীয় জোটের কর্মসূচি

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে তিনদলীয় জোটের কর্মসূচি

সর্বশেষ

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

মানুষকে আতঙ্কে রাখতে চাই না: তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ প্রধান

মানুষকে আতঙ্কে রাখতে চাই না: তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ প্রধান

রাজারবাগ দরবারের বিষয়ে দুদক, সিটিটিসি ও সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ

রাজারবাগ দরবারের বিষয়ে দুদক, সিটিটিসি ও সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ

হাজার কোটি টাকা ফেরত চান গ্রাহকরা

হাজার কোটি টাকা ফেরত চান গ্রাহকরা

ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

© 2021 Bangla Tribune