X
বুধবার, ০৪ আগস্ট ২০২১, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

মাহফুজুল-মামুনুল পরিবারের দখলমুক্ত হচ্ছে রাহমানিয়া মাদ্রাসা

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২১, ২২:৩৫
দেশের প্রসিদ্ধ কওমি মাদ্রাসাগুলোর একটি মোহাম্মদপুরের জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া। ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ মাদ্রাসাটি ওয়াকফ প্রশাসনে নিবন্ধিত। ওয়াকফ সম্পত্তিতে গড়ে ওঠা এই মাদ্রাসাটি ২০০১ সালে নিয়ন্ত্রণে নেয় হেফাজত নেতা মাহফুজুল হক, মামুনুল হকের পরিবার। সেই সময় থেকে মাদ্রাসাটির পরিচালনার দায়িত্ব ফিরে পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যায় ওয়াকফ অ্যাস্টেট পরিচালনা কমিটি। আদালতের রায়, ওয়াকফ প্রশাসনের আদেশ থাকার পরও অদৃশ্য কারণে ব্যর্থ হয় তারা।
সম্প্রতি হেফাজেতের তাণ্ডব ও মামুনুল হকের রিসোর্ট কাণ্ডের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। মাদ্রাসা ভবন ওয়াকফ প্রশাসনের অনুমোদিত কমিটির কাছে বুঝিয়ে দিতে হবে মাদ্রাসাটির বর্তমান মুহতামিম মাওলানা মাহফুজুল হককে।

জানা গেছে, রাজধানীর লালবাগের ঐতিহ্যবাহী জামি’য়া কোরআনিয়া আরাবিয়া লালবাগ মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন মাহফুজুল হক ও মামুনুল হকের বাবা শাইখুল হাদিস আজিজুল হক। সেই মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিবাদের জেরে ১৯৮৪ সালে লালবাগের এ মাদ্রাসাটির শিক্ষকতা ছেড়ে চলে আসেন আজিজুল হক। তার সঙ্গে সঙ্গে মাদ্রাসাটি থেকে চলে আসেন মুফতি মনসূরুল হক ও মাওলানা হিফজুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক।

সেখান থেকে চলে আসার পর মোহাম্মদপুর মোহাম্মাদী হাউজিংয়ে জামিয়া মোহাম্মাদিয়া মাদ্রাসা পরিচালনার দায়িত্ব পান মুফতি মনসূরুল হক। তিনি তার সঙ্গে যুক্ত হতে অনুরোধ জানালে মাওলানা আজিজুল হক ও মাওলানা হিফজুর রহমান যোগ দেন। তবে বছর পার না হতেই মাদ্রাসাটি বন্ধ হয়ে যায়। সেখান থেকে ছাত্র-শিক্ষকদের নিয়ে মোহাম্মদপুর সাত গম্বুজ মসজিদে ভাসমান অবস্থায় মাদ্রাসা পরিচালনা করতে থাকেন তারা।

জানা গেছে, ভাসমান এই মাদ্রাসাটির জন্য সাহায্যের আবেদন করলে আলী অ্যান্ড নূর রিয়েল স্টেটের মালিক নূর হোসেন ও মোহাম্মদ আলী জমি দান করেন। তারা দশ কাঠা জমি মাদ্রাসাটির নামে ওয়াকফ করেন। ১৯৯২ সালে আরও সাড়ে ৬ কাঠা জমি তারা ওয়াকফ করেন মাদ্রাসার জন্য। জমি দান করার পাশাপাশি মাদ্রাসার ভবন নির্মাণের জন্য ব্যবসায়ী নূর হোসেন ও মোহাম্মদ আলী সহায়তা করেন। আরেক ব্যবসায়ী আবদুল মালেকও বড় অংকের টাকা দান করেন। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দানের টাকায় পাঁচ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়।

. মাওলানা আবদুল গাফফার, মাওলানা আলী আসগর বিভিন্ন মেয়াদে মাদ্রাসার মুহতামিমের দায়িত্ব  পালন করেন। নায়েবে মুহতামিম ছিলেন মুফতি মনসূরুল হক। মুহতামিম হিসেবে দায়িত্বে আসার পর আজিজুল হকের ছেলে মাওলানা মাহফুজুল হক শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পান। তখন আজিজুল হকের ছোট ছেলে মাওলানা মামুনুল হক এ মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতেন।

হাফেজ্জী হুজুরের খেলাফত আন্দোলন থেকে বের হয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসে নামে রাজনৈতিক দল তৈরি করেন আজিজুল হক। তার ছেলেরাও এই দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। রাজনীতিতে যুক্ত হতে মাদ্রাসাটির ছাত্রদের চাপ দিতে থাকেন তারা। মাদ্রাসাটির ছাত্র-শিক্ষকদের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বিভিন্ন মিটিং মিছিলে নিয়ে যাওয়া হতো। মাদ্রাসার নীতি ভেঙে এভাবে রাজনীতি করায় মুফতি মনসূরুল হক, মাওলানা হিফজুর রহমানসহ অন্যান্য শিক্ষকরা এ বিষয়ে আজিজুল হককে আপত্তি জানান। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তখন বিএনপি নেতৃত্বের জোটের শরিক দল ছিলো। বিএনপির ডাকা হরতালে ক্রমাগত মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পিকিটিংয়ে পাঠানো হতো।

এসব ঘটনায় জরুরি বৈঠক ডাকে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি। তৎকালীন কমিটির সভাপতি আবদুল মালেকের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হয়, মাদ্রাসা রাজনীতি মুক্ত রাখা হবে। এরপরও রাজনৈতিক ভূমিকার জন্য পরিচালনা কমিটি আজিজুল হককে মাদ্রাসার মুহতামিম পদ থেকে সরিয়ে দেয়। মুহতামিমের দায়িত্বে আসেন মাওলানা হিফজুর রহমান। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকায় আজিজুল হকের ছেলে মাওলানা মাহফুজুল হকসহ ৪-৫ জন শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে অব্যাহতি নেন মাওলানা আজিজুল হক।

দৃশ্যপট বদলে যায় ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর। তৎকালীন সংসদ সদস্য মুফতি শহিদুল ইসলামের সহযোগিতায় নভেম্বরে মাদ্রাসাটি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন আজিজুল হক। মাদ্রাসায় দায়িত্ব পান তার চার ছেলে হাফেজ মাহমুদুল হক, হাফেজ মাহবুবুল হক, মাওলানা মাহফুজুল হক ও মাওলানা মামুনুল হক। পরবর্তীতে তাদের পরিবারের সদস্যরাই মাদ্রাসাটিতে শিক্ষকতা ও অন্যান্য দায়িত্বে প্রাধান্য পেয়েছেন। আজিজুল হক বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট নেতা হওয়ায় থানায় অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাননি তৎকালীন কমিটি ও শিক্ষকরা। আদালতে গেলেও অদৃশ্য কারণে দীর্ঘসূত্রতায় আটকে থাকে বিচার প্রক্রিয়া।

সে সময়ে ৩৫ জন শিক্ষককে মোহাম্মদপুরের জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। তবে তৎকালীন পরিচালনা কমিটির সহায়তায় মাদ্রাসাটির পাশেই একটি জায়গা ভাড়া নিয়ে জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া নামেই মাদ্রাসা পরিচালনা শুরু করেন মুফতি মনসূরুল হক।  একইসঙ্গে মাদ্রাসাটির পরিচালনা কমিটি দখল হয়ে যাওয়া ভবন উদ্ধারে আইনগত লড়াই চালিয়ে যান।
 
শায়খুল হাদিস মাওলানা আজিজুল হক মাদ্রাসাটি পরিচালনা করেন। তার মৃত্যুর পর বর্তমানে তার ছেলে মাওলানা মাহফুজুল হক মাদ্রাসাটির মুহতামিম হিসেবে দায়িত্বে পালন করছেন। এদিকে, মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটি এনিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হলে, তাদের পক্ষে রায়ও হয়। রায় হলেও মাদ্রাসাটির দায়িত্ব ফিরে পাননি সেই শিক্ষকরা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মামুনুল হকের রিসোর্ট কাণ্ডের পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। এরপর স্থানীয় প্রশাসন মাহফুজুল হককে মাদ্রাসা ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দেয়।

সর্বশেষ ১৮ মে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসন জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া সাত মসজিদ মাদ্রাসা ওয়াকফ অ্যাস্টেট পরিচালনার জন্য ২১ সদস্যের একটি পরিচালনা কমিটি অনুমোদন দেয়। তিন বছরের জন্য এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সেই কমিটির সভাপতি আব্দুর রহীম। কমিটির সহ-সভাপতি হারুনুর রশীদ, আলীমুজ্জামান, সম্পাদক কাজী সাহিদুর রহমান, অর্থ সম্পাদক হাফিয আব্দুল গাফফার, রঈস মাওলানা হিফজুর রহমান, শাইখ মুফতি মনসুরুল হক। কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন ক্বারী মুজাফ্ফর হুসাইন, ডা. আব্দুল কাইউম, মুজাম্মেল হুসাইন, আকরাম হুসাইন, উমর ফারুক মিল্কী, মুনীর সাঈদ, আলী হুসাইন, ডা. আহসানুল্লাহ, ডা. ইখলাসুর রহমান, আব্দুল হালীম, আব্দুর রব, হিফজুল বারী।

গত ২৯ জুন বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসন জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া সাত মসজিদ মাদ্রাসা ওয়াকফ অ্যাস্টেট’র সম্পত্তি অনুমোদিত কমিটির কাছে বুঝিয়ে দিতে ঢাকা জেলা প্রশাসককে চিঠি দেয়।  
এদিকে মাদ্রাসাটির হস্তান্তরের গুঞ্জনে মাদ্রাসা এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) হুট করেই গুঞ্জন ওঠে মাদ্রাসা ছেড়ে দিচ্ছেন মাহফুজুল হক। এ গুঞ্জনে মুফতি মনসূরুল হকের অনুসারীরাও জড়ো হতে থাকেন। পরিস্থিতি অনিয়ন্ত্রিত হওয়ার শঙ্কায় আসে পুলিশ। যদিও শেষ পর্যন্ত কিছু হয়নি।

ওয়াকফ প্রশাসনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে জানতে যোগাযোগ করলে ঢাকা জেলা প্রশাসক মিটিংয়ে ব্যস্ত থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে জেলা প্রশাসকের স্টাফ অফিসার ও সহকারী কমিশনার মো. আব্দুল হালিম জানান, এ বিষয়ে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসন ভালো বলতে পারবে।

এ বিষয়ে মুফতি মনসূরুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ওয়াকফ প্রশাসন কর্তৃক একটি অনুমোদিত কমিটি আছে। সেই কমিটি মাদ্রাসারার সম্পত্তি ফেরত পাবার জন্য আইনি লড়াই করছে। দখলমুক্ত করে কমিটির কাছে হস্তান্তর করা প্রশাসনের দায়িত্ব। আমার নিজে থেকে কোন ধরণের সংঘাত, বিরোধ, উচ্ছেদে যাইনি, যাবো না।

তবে এ বিষয়ে কোনও কথা বলতে চান না মাওলানা মাহফুজুল হক। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সময় হলে আমি সব বলবো।
 
/এনএইচ/

সম্পর্কিত

নির্মাণাধীন ৩৬ ভবনকে সোয়া ৫ লাখ টাকা জরিমানা

নির্মাণাধীন ৩৬ ভবনকে সোয়া ৫ লাখ টাকা জরিমানা

সেজান জুস কারখানা অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের লাশ কাল থেকে হস্তান্তর

সেজান জুস কারখানা অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের লাশ কাল থেকে হস্তান্তর

‘বিশ্ব প্রতারক’ রাকিবকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

‘বিশ্ব প্রতারক’ রাকিবকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

অ্যাম্বুলেন্স থেকে রোগীকে হাসপাতালে নেয় না কেউ!

অ্যাম্বুলেন্স থেকে রোগীকে হাসপাতালে নেয় না কেউ!

দশ টাকার ভাড়া নিয়ে রিকশাচালককে রডের আঘাতে হত্যা

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২১, ০০:৪৮

অটোরিকশার ভাড়া নিয়ে তর্ক-বিতর্ক এরপর কিল-ঘুষি-লাথি  ও এক একপর্যায়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক আব্দুল হালিমকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন ফজলুল হক নামের এক ব্যক্তি। ফজলুল হককে একমাত্র আসামি করে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন নিহত আবদুল হালিমের ছোট ভাই মোহাম্মদ ওমর ফারুক। আসামি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে নিহত আব্দুল হালিমের ছোট ভাই ওমর ফারুক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমার ভাই আব্দুল হালিম শুধু আসামিকে বলেছিল, ‘একজন যাত্রী নিয়ে এতদূর এসেছি আমি। আমার কোনও লাভ হবে না ৫/১০ টাকার জন্য এমন কেন করছেন আপনি।’ একপর্যায়ে ভাড়া নিয়ে দুজনের তর্কবিতর্ক হয়। আসামি ফজলুল হক ভাইকে কিল-ঘুষি দেয়। এরপর ভাইকে লোহার রড দিয়ে কানের নিচে আঘাত করে। ভাইয়ের মাথা থেকে মগজ বের হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আমার ভাইটা চলে যায়।অল্প সময়ে ভাই হারানোর শোক এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবারের সবাই ভেঙে পড়েছি। ভাইয়ের দুই ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে। ছোট দুইটা ছেলে মেয়ে এখনও ছোট কিছুই বোঝে না বারবার বলে বাবা কোথায়? আবার কান্না করে বাবার জন্য।

তিনি আরও বলেন, ভাবির অবস্থা তেমন একটা ভাল না। ভাইকে হারিয়ে তিনি নিঃস্ব। রিকশাচালক হয়েছে এটাই কি তার ভুল ছিল? এর জন্যই কি তার এভাবে চলে যেতে হলো?

ওমর ফারুক আরও বলেন,৫/১০ টাকা ভাড়া নিয়ে রিকশাওয়ালাদের মাঝেমধ্যেই যাত্রীরা এভাবে চড়-থাপ্পড় দিয়ে নির্যাতন করে । এগুলো যদি জনগণ ও সরকারের নজরে আসতো। নির্যাতনকারীদের দি আগে থেকেই আইনের আওতায় এনে তাদের বিচার করতো তাহলে আর এভাবে আমার ভাইকে হারাতে হতো না। আমার ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করার জন্য আমরা আইনের কাছে আসামির সুষ্ঠু বিচার চাই।

এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এসআই আমিরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে যে ভিকটিমকে আসামি ফজলুল হক ভাড়া নিয়ে প্রথমে তর্ক-বিতর্কের পরে চড় থাপ্পড় কিল-ঘুষি দেয়। এক পর্যায়ে আসামি ভিকটিমের রিকশায় থাকা একটি রড নিয়ে তার মাথায় আঘাত করে । যার ফলে তার মাথা থেকে মগজ বের হয়ে যায়। আমরা লাশটিকে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই আমরা দ্রুত আদালতে চার্জশিট দাখিল করবো।

এর আগে সোমবার ( ২ আগস্ট ) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম আসামি ফজলুল হককে হাজির করেন। এসময় আসামি স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামি ফজলুল হকের জবানবন্দি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে ভিকটিমের ছোট ভাই ওমর ফারুক উল্লেখ করেন, আব্দুল হালিম(৪০) পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক। গত ২ আগস্ট ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে আব্দুল হালিম অটোরিকশা নিয়ে ভেড়ামারার উদ্দেশে বের হন। এরপর সকাল ৭ টা ৪০ মিনিটে বাগবাড়ি মাদ্রাসা স্ট্যান্ড ধেতে যাত্রী ফজলুল হককে রিক্সায় তুলে ৮টার সময় আশুলিয়া থানাধীন ইউসুফ মার্কেটের তিন রাস্তার মোড় সংলগ্ন মঞ্জুর ইলেকট্রনিক অ্যান্ড হার্ডওয়ার দোকানের সামনে পৌঁছে দেন।  এরপর ফজলুল হক ভাড়ার টাকা নিয়ে ভিকটিমের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক করে। একপর্যায়ে ফজলুল হক ক্ষিপ্ত হয়ে  চালক আব্দুল হালিমকে লাথি মেরে নিচে ফেলে দেয়। এতে রিকশাচালক রাস্তার ওপর পড়ে যান। পরে ফজলুল হক রিকশা থাকায় লোহার রড দিয়ে আব্দুল হালিমকে মাথার ডান পাশে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করেন রিকশাচালক হালিম।

এ ঘটনায় ফজলুল হককে একমাত্র আসামি করে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।

/এমএইচজে/এমআর/

সম্পর্কিত

পুলিশের অনুরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

পুলিশের অনুরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩৬  জনকে জরিমানা

র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩৬  জনকে জরিমানা

রাজধানীতে আজ ৩৫৪ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে আজ ৩৫৪ জন গ্রেফতার

'রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন হেলেনা জাহাঙ্গীর'

'রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন হেলেনা জাহাঙ্গীর'

পুলিশের অনুরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ২১:৫৯

চলমান নিষেধাজ্ঞায় শিক্ষক-স্টাফদের কর্মস্থলে আসতে নির্দেশ দেওয়ার পর পুলিশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ প্রত্যাহারের অনুরোধ জানায়। পরে পুলিশের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া অ্যান্ড পাব‌লিক রি‌লেশন্স উইং‌য়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর ধানমন্ডির একটি খ্যাতনামা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত একটি ই-মেইল বার্তায় উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও স্টাফকে সশরীরে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে নিয়মিতভাবে তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যারা বাড়িতে বসে অনলাইনে অফিস করবেন তাদের বেতন কাটা হবে। তবে যারা সশরীরে কর্মস্থলে হাজির হয়ে অফিস করবেন তাদেরকে পুরো বেতন দেওয়া হবে। এ ধরনের একটি ই-মেইল বার্তা পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংয়ের হাতে আসে। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মচারী ও স্টাফদের এ ধরনের বার্তা দিয়ে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে কর্মস্থলে আসতে বাধ্য করা আইন বিরোধী। 

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) এই বার্তাটি পাওয়ার পর মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং তা কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্রকে পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলে। ওসি তার একটি টিমসহ কলাবাগানে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ব্রাঞ্চ পরিদর্শন করে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস ধানমন্ডি থানার অধীনে এবং সেখান থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্যাম্পাস‌কে নির্দেশটি দেওয়া হয়েছে। এরপর ওসি ধানমন্ডি মো. ইকরাম আলী মিয়াকে বিষয়টি জানিয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ধানমন্ডির ওসি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন এবং তাদের অফিস পাঠানো ইমেইল বার্তার বিষয়ে জানতে চান। পুলিশের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের ভুল বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে নতুন একটি ইমেইল বার্তায় পূর্বের আদেশ তুলে নিয়ে সকল স্টাফ, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম চলমান রাখতে অনুরোধ করেন।

/জেইউ/এমআর/

সম্পর্কিত

দশ টাকার ভাড়া নিয়ে রিকশাচালককে রডের আঘাতে হত্যা

দশ টাকার ভাড়া নিয়ে রিকশাচালককে রডের আঘাতে হত্যা

র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩৬  জনকে জরিমানা

র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩৬  জনকে জরিমানা

রাজধানীতে আজ ৩৫৪ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে আজ ৩৫৪ জন গ্রেফতার

'রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন হেলেনা জাহাঙ্গীর'

'রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন হেলেনা জাহাঙ্গীর'

নির্মাণাধীন ৩৬ ভবনকে সোয়া ৫ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ২১:২৩

এডিস মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত রাজধানীর রেলওয়ে অফিসার্স কোয়ার্টার, জিগাতলা স্টাফ কোয়ার্টারের সভাপতি ও ৩৬টি নির্মাণাধীন ভবনের কর্তৃপক্ষ ও বাসা-বাড়ির মালিককে ৫ লাখ ২৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

মঙ্গলবার (৩ অগাস্ট) দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬ জন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও ৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসব ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।  

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে অঞ্চল-১ এর পশ্চিম মালিবাগে মাহফুজুল আলম মাসুম, অঞ্চল-২ এর কমলাপুর রেলওয়ে অফিসার্স কোয়ার্টারে মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, অঞ্চল-৩ এর ইডেন কলেজ স্টাফ কোয়ার্টার ও চাঁদনিঘাটে তৌহিদুজ্জামান পাভেল, অঞ্চল-৫ এর আর এম দাস রোড, লালমোহন দাস রোড ও ঠাকুর দাস রোডে শাহিন রেজা, অঞ্চল-৬ এর পশ্চিম দোলাইড় পাড়ে মুহাম্মদ হাসনাত মোর্শেদ ভূঁইয়া, অঞ্চল-৮ এর পশ্চিম বক্স নগরে কাজী হাফিজুল আমিন এবং অঞ্চল-১০ ও ২ এর উত্তর শাজাহানপুর ও শান্তিনগর এলাকায় বিকাশ বিশ্বাস এসব ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

এছাড়াও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের (আনিক) মধ্যে অঞ্চল-১ এর মেরীনা নাজনীন ধানমন্ডির স্বর্ণপট্টি ও সেন্ট্রাল রোডে, অঞ্চল-৩ আনিক-৩ এর আনিক বাবর আলী মীর জিগাতলা স্টাফ কোয়ার্টারে, অঞ্চল-৪ এর আনিক মো. হায়দর আলী বেচারাম দেউড়ি ও আলী হাজি লেনে, অঞ্চল-৫ এর আনিক টিপু সুলতান রোডে, অঞ্চল-৭ এর আনিক ড. মোহাম্মদ মাহে আলম উত্তর মান্ডায় এবং অঞ্চল-৯ এর আনিক মো. খায়রুল হাসান ভাঙা প্রেস এলাকার আব্দুল গনি ভবনসহ আশপাশের এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন কমলাপুর রেলওয়ে অফিসার্স কোয়ার্টারে মশার লার্ভা পাওয়ায় একটি মামলায় ১০ হাজার টাকা এবং আনিক-৩ বাবর আলী মীর ময়লা-আবর্জনার জঞ্জাল সৃষ্টির মাধ্যমে এডিসের লার্ভা বিস্তার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করায় জিগাতলা স্টাফ কোয়ার্টারের সভাপতির বিরুদ্ধে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতগুলো এ সময় ৬৬৩টি নির্মাণাধীন ভবন, বাসাবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন এবং মশার লার্ভা পাওয়ায় ৩৬টি নির্মাণাধীন ভবন ও বাসাবাড়ির বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলায় মোট ৫ লাখ ২৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

এছাড়া এ সময় এডিস মশার লার্ভার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ বিরাজ করায় মোট ৫১টি বাসার মালিক ও নির্মাণাধীন ভবনের কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়।

এডিসের লার্ভাবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে।

 

/এসএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

সেজান জুস কারখানা অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের লাশ কাল থেকে হস্তান্তর

সেজান জুস কারখানা অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের লাশ কাল থেকে হস্তান্তর

‘বিশ্ব প্রতারক’ রাকিবকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

‘বিশ্ব প্রতারক’ রাকিবকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

অ্যাম্বুলেন্স থেকে রোগীকে হাসপাতালে নেয় না কেউ!

অ্যাম্বুলেন্স থেকে রোগীকে হাসপাতালে নেয় না কেউ!

৭৭৫ জন জনবল চেয়েছে ডিএনসিসির করোনা হাসপাতাল

৭৭৫ জন জনবল চেয়েছে ডিএনসিসির করোনা হাসপাতাল

ভারতের লাভলি বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন করা হবে

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ২০:৩২

ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের লাভলি প্রফেশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন করা হবে। লাভলি প্রফেশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ ইমরান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর অশোক মিত্তালের মধ্যে বৈঠকে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ওই কর্নারকে ধীরে ধীরে একটি সেন্টারে পরিণত করার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রাজি হয়েছে।

লাভলি প্রফেশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী পড়ে। এরমধ্যে প্রায় সাড়ে সাতশ বাংলাদেশিও রয়েছে। ওই কর্নারে বঙ্গবন্ধুর ছবি, ‘অসমাপ্ত জীবনী’ ও অন্যান্য বই রাখা হবে।

/এসএসজেড/এমআর/

সম্পর্কিত

দশ টাকার ভাড়া নিয়ে রিকশাচালককে রডের আঘাতে হত্যা

দশ টাকার ভাড়া নিয়ে রিকশাচালককে রডের আঘাতে হত্যা

পুলিশের অনুরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

পুলিশের অনুরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

নির্মাণাধীন ৩৬ ভবনকে সোয়া ৫ লাখ টাকা জরিমানা

নির্মাণাধীন ৩৬ ভবনকে সোয়া ৫ লাখ টাকা জরিমানা

সেজান জুস কারখানা অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের লাশ কাল থেকে হস্তান্তর

সেজান জুস কারখানা অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের লাশ কাল থেকে হস্তান্তর

সেজান জুস কারখানা অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের লাশ কাল থেকে হস্তান্তর

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ২১:১১

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মারা যাওয়া শ্রমিকদের লাশ বুধবার (৪ আগস্ট) সকাল থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রথমদিন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে লাশ হস্তান্তর শুরু হবে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি মৃত শ্রমিকদের ডিএনএ প্রোফাইলিং সম্পন্ন করে লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (ফরেনসিক) রুমানা আক্তার বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে আমরা ৪৮টি মরদেহের মধ্যে ৪৫ জন শ্রমিকের লাশ শনাক্ত করেছি। আমাদের রিপোর্ট  রূপগঞ্জ থানায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। রূপগঞ্জ থানা হয়ে রিপোর্টটি আবার সিআইডিতে এসেছে। কারণ, মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে।’

তিনি বলেন, ‘মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লাশ হস্তান্তর শুরু করবেন। বাকি তিন জনের লাশ শনাক্তের কাজ চলছে। তাদের স্বজনদের পুনরায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের সেজান জুস কারখানায় গত ৮ জুলাই বিকাল সাড়ে ৫টায় আগুনের সূত্রপাত হয়। কারখানার ছয়তলা ভবনটিতে তখন প্রায় ৪০০-এর বেশি কর্মী কাজ করছিলেন। কারখানায় প্লাস্টিক, কাগজসহ পণ্যের মোড়ক তৈরির প্রচুর সরঞ্জাম থাকায় আগুন মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সব ফ্লোরে।

প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকায় কয়েকটি ফ্লোরের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিটের ২০ ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় ৫২ জনের লাশ উদ্ধার হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করছে।

 

/এআরআর/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

নির্মাণাধীন ৩৬ ভবনকে সোয়া ৫ লাখ টাকা জরিমানা

নির্মাণাধীন ৩৬ ভবনকে সোয়া ৫ লাখ টাকা জরিমানা

‘বিশ্ব প্রতারক’ রাকিবকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

‘বিশ্ব প্রতারক’ রাকিবকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

অ্যাম্বুলেন্স থেকে রোগীকে হাসপাতালে নেয় না কেউ!

অ্যাম্বুলেন্স থেকে রোগীকে হাসপাতালে নেয় না কেউ!

৭৭৫ জন জনবল চেয়েছে ডিএনসিসির করোনা হাসপাতাল

৭৭৫ জন জনবল চেয়েছে ডিএনসিসির করোনা হাসপাতাল

সর্বশেষ

আফগান প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাড়িতে বন্দুকধারীদের হামলা

আফগান প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাড়িতে বন্দুকধারীদের হামলা

আমিরাতি জাহাজ ছিনতাই, অভিযোগ ইরানের বিরুদ্ধে  

আমিরাতি জাহাজ ছিনতাই, অভিযোগ ইরানের বিরুদ্ধে  

পেন্টাগনের কাছে হামলায় পুলিশ কর্মকর্তা নিহত

পেন্টাগনের কাছে হামলায় পুলিশ কর্মকর্তা নিহত

নাসুমের সাফল্যে গর্বিত সুনামগঞ্জবাসী

নাসুমের সাফল্যে গর্বিত সুনামগঞ্জবাসী

নিউ ইয়র্ক গভর্নরের বিরুদ্ধে একাধিক নারীকে যৌন হয়রানির প্রমাণ

নিউ ইয়র্ক গভর্নরের বিরুদ্ধে একাধিক নারীকে যৌন হয়রানির প্রমাণ

ঢাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিক্যালে ভর্তি

ঢাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিক্যালে ভর্তি

মিতু হত্যা মামলা: গায়ত্রী সম্পর্কে পিবিআইকে তথ্য দিয়েছে ইউএনএইচসিআর

মিতু হত্যা মামলা: গায়ত্রী সম্পর্কে পিবিআইকে তথ্য দিয়েছে ইউএনএইচসিআর

স্বামীর ৪ ঘণ্টা পর শ্বাসকষ্টে স্ত্রীরও মৃত্যু

স্বামীর ৪ ঘণ্টা পর শ্বাসকষ্টে স্ত্রীরও মৃত্যু

দশ টাকার ভাড়া নিয়ে রিকশাচালককে রডের আঘাতে হত্যা

দশ টাকার ভাড়া নিয়ে রিকশাচালককে রডের আঘাতে হত্যা

কাবুলে শক্তিশালী বিস্ফোরণ, গোলাগুলি, নিহত ৩

কাবুলে শক্তিশালী বিস্ফোরণ, গোলাগুলি, নিহত ৩

বৃদ্ধ বাবা-মাকে আশ্রয়হীন করায় ৩ ছেলেকে পুলিশে দিলেন ইউএনও

বৃদ্ধ বাবা-মাকে আশ্রয়হীন করায় ৩ ছেলেকে পুলিশে দিলেন ইউএনও

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের বাইরে গোলাগুলি

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের বাইরে গোলাগুলি

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

নির্মাণাধীন ৩৬ ভবনকে সোয়া ৫ লাখ টাকা জরিমানা

নির্মাণাধীন ৩৬ ভবনকে সোয়া ৫ লাখ টাকা জরিমানা

সেজান জুস কারখানা অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের লাশ কাল থেকে হস্তান্তর

সেজান জুস কারখানা অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের লাশ কাল থেকে হস্তান্তর

‘বিশ্ব প্রতারক’ রাকিবকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

সাংবাদিক পরিচয়ে এমএলএম ব্যবসা‘বিশ্ব প্রতারক’ রাকিবকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

অ্যাম্বুলেন্স থেকে রোগীকে হাসপাতালে নেয় না কেউ!

অ্যাম্বুলেন্স থেকে রোগীকে হাসপাতালে নেয় না কেউ!

৭৭৫ জন জনবল চেয়েছে ডিএনসিসির করোনা হাসপাতাল

৭৭৫ জন জনবল চেয়েছে ডিএনসিসির করোনা হাসপাতাল

জালিয়াতির কারণে আরও এক মাদ্রাসার এমপিও স্থগিত

জালিয়াতির কারণে আরও এক মাদ্রাসার এমপিও স্থগিত

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতায় ঢাবি দল চ্যাম্পিয়ন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতায় ঢাবি দল চ্যাম্পিয়ন

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় আরও ২৪৮ ডেঙ্গু রোগী 

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় আরও ২৪৮ ডেঙ্গু রোগী 

১৭ মামলায় ৩ লাখ টাকা জরিমানা

১৭ মামলায় ৩ লাখ টাকা জরিমানা

© 2021 Bangla Tribune