X
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

৪৮ টাকার নিচে চাল নেই

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২১, ১৮:০২

একদিকে বোরোর বাম্পার ফলন, অন্যদিকে উদ্বৃত্ত ৩০ লাখ টন, তারওপর ১০ লাখ টন আমদানিও করছে সরকার; এরপরও বাড়ছে চালের দাম। কার ইশারায় বাড়ছে? সরকার দেখাচ্ছে মিলারদের, মিলাররা দেখাচ্ছে কৃষকদের, কৃষকরা আঙুল তুলছেন পাইকারদের দিকে, আবার পাইকাররা দায়ী করছেন আড়তদারদের। চালের দাম জড়িয়ে পড়েছে এক মহাচক্রে। যার মূল্য দিতে হচ্ছে মহামারিতে আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত মানুষদেরকেই। বাজারের সবচেয়ে কমদামি চালের কেজিই এখন ৪৮ টাকা। আগে যা ছিল বড়জোর ২৮-৩০ টাকা।

বাজার ঘুরে দেখা গেলো ৪৮ টাকা দামের চালটা বেশ লাল ও মোটা। এক বেলায় রান্না করা ভাত আরেক বেলায় খাওয়া যায় না। নাজিরশাইল বা মিনিকেটের দিকে হাত বাড়ালেই কেজিপ্রতি গুনতে হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকা।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতবছরের ডিসেম্বর থেকে এ বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের চাহিদা মিটিয়ে আরও ৩০ লাখ টন চাল উদ্বৃত্ত থাকার কথা।

দেশে একমাসে চালের চাহিদা এখন প্রায় ২০ লাখ ২৮ হাজার টন। সেই হিসাবে বছরে চাহিদা প্রায় ২ কোটি ৪৩ লাখ ৩৬ হাজার টন।

২০১৯-২০ অর্থবছরে ধান ও গম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৯৫ কোটি ৫৩ লাখ টন। উৎপাদন হয়েছে ৩৭৬ কোটি ৩২ লাখ টন। সদ্যবিদায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরের মে পর্যন্ত খাদ্য আমদানি হয়েছে ৬১ লাখ ৮২ টন। এর আগের ২০১৯-২০ অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৬০ লাখ ৪০ হাজার টন।

এর মধ্যেই ১০ লাখ টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। আবার ২০২০-২১ অর্থবছরে বোরোর বাম্পার ফলনও হয়েছে। ধানের সংগ্রহও সন্তোষজনক। মোটকথা, মহামারির মধ্যেও ধান-গমের সরবরাহ স্বাভাবিক। তবু কেন কমছে না চালের দাম? খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিলার ও ব্যবসায়ীদের যোগসাজসও বাড়াচ্ছে চালের দাম। কোনওভাবেই তাদের নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। সরকারের নীতিনির্ধারকরাও বলছেন, মিলারদের কারসাজিতেই চালের বাজারে স্থিতিশীলতা আসছে না। 

মিলাররা বলছেন, বাম্পার ফলন হলেও সেই ধান এখনও কৃষকের গোলায়। বেশি দামের আশায় কৃষকরা মজুত করে রেখেছে।

স্পষ্ট জবাব দিয়েছেন কৃষকরাও। তারা বললেন, ধান না বেচলে আমরা খাচ্ছি কী? ধার-দেনা শোধ করছি কী দিয়ে? মিলারদের অভিযোগ ঠিক নয়। কৃষকরা কখনোই মজুত করে না। কৃষকের ঘরে সেই ব্যবস্থাও নেই। ধান উঠতে শুরু করলে একদিকে কাটা হয়, অন্যদিকে হাটে বিক্রি হয়। দাম বাড়ায় পাইকাররা।

জয়পুরহাটের মিলার লায়েক আলী জানিয়েছেন, ধানের উৎপাদন ভালো। কিন্তু সেই ধান কৃষকরা বিক্রি করছেন না। মিলাররা বাধ্য হয়ে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে বেশি দামে ধান কিনছে। এতে চালের দাম বাড়ছে।

বাদামতলীর পাইকার নিজাম উদ্দিন জানিয়েছেন, বাজারে চালের ঘাটতি নেই। তবু মিলাররা দাম বাড়াচ্ছেন। যে কারণে আমাদেরও বাড়াতে হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জানিয়েছেন, মিলারদের কারসাজিতেই মূলত দামটা বাড়ছে। কিন্তু কোনোভাবেই বাজার অস্থিতিশীল করতে দেওয়া হবে না। তাই আমরা অভ্যন্তরীণ চাল সংগ্রহ জোরদার করছি।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রান্তিক কৃষক অনেক আগেই ধান বিক্রি করেছেন। মিল মালিকরা বলছেন অতিরিক্ত লাভের আশায় কৃষক নয়, এমন অনেকেই ধান মজুত করেছে। কেউ যদি অবৈধ মজুত করে তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।’

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, বাজার স্থিতিশীল রাখতে ২৫ শতাংশ করারোপ করে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় শিগগিরই ১০ লাখ টন নন-বাসমতি সেদ্ধ চাল আমদানি করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মিলার ও ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পড়ে সরকারকে চাল আমদানি করতে হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে নানামুখী কর্মসূচির আওতায় কর্মহীন পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা বাবদ চাল দিচ্ছে সরকার। করোনা যতদিন থাকবে এসব কর্মসূচিও ততদিন চলবে। এ কারণেই চালের নিজস্ব মজুত গড়তে চায় সরকার।

খাদ্য সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বাংলা ট্রিবিউনকে এ খবর নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ‘প্রাথমিকভাবে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহে ৫ লাখ টন ও ৫ লাখ টন আমদানি করে চালের নিজস্ব মজুত গড়া হবে। বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনে খাদ্য মন্ত্রণালয় এর পরিমাণ বাড়াবে। এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, যারা কারসাজি করে চালের দাম বাড়াচ্ছেন তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হচ্ছে না দেখেই লাখ লাখ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। খাদ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারিতেও কাজ হচ্ছে না। মহামারির মাঝেও অসাধু ব্যবসায়ীরা হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার কোটি টাকা। বাম্পার ফলন ও আমদানির মতো সরকারি প্রচেষ্টাগুলোর সুফল পাচ্ছেন না দরিদ্ররা।

 

 

 
 
/এফএ/

সম্পর্কিত

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত  খোলা

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

বিমা অফিসও খোলা

বিমা অফিসও খোলা

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

পাঁচদিন পর খুলেছে পুঁজিবাজার, লেনদেন ১টা পর্যন্ত

পাঁচদিন পর খুলেছে পুঁজিবাজার, লেনদেন ১টা পর্যন্ত

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১১:০৮

আজ রবিবার (২৫ জুলাই) থেকে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের মতো নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানও খোলা রয়েছে। এগুলো বেলা দুইটা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

এর আগে ১৪ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত) সকাল ১০টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে।

বিধিনিষেধ চলাকালে গ্রাহকের হিসাবে মেয়াদপূর্তিতে স্থায়ী আমানত নগদায়ন, ঋণের কিস্তি জমা গ্রহণসহ জরুরি কাজ সম্পাদন করা যাবে। তবে অফিস খোলা রাখার ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে সেবা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বোচ্চ দুটি শাখা (একটি ঢাকায় ও অপরটি ঢাকার বাইরে) ও প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ খোলা রাখা যাবে। বিধিনিষেধ চলাকালে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চলাচলের সময় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র বহন করতে হবে।

প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে ৩৩টি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

বিমা অফিসও খোলা

বিমা অফিসও খোলা

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

পাঁচদিন পর খুলেছে পুঁজিবাজার, লেনদেন ১টা পর্যন্ত

পাঁচদিন পর খুলেছে পুঁজিবাজার, লেনদেন ১টা পর্যন্ত

এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারি ‍উদ্যোগ থামাতে চায় লোয়াব, বিইআরসির না

এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারি ‍উদ্যোগ থামাতে চায় লোয়াব, বিইআরসির না

বিমা অফিসও খোলা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১১:০৭

ব্যাংক ও পুঁজিবাজারের পাশাপাশি আজ রবিবার (২৫ জুলাই) থেকে বিমা কোম্পানির অফিসও খোলা থাকছে। চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিমা কোম্পানির প্রধান কার্যালয়সহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শাখা সকাল ১০ থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। 

এ ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট বিমা প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করার জন্য বিমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষকে (আইডিআরএ) নির্দেশ দেয়। 

সংস্থাটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ সময় বিমা কোম্পানির প্রধান কার্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ শাখা অফিস সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

/জিএম/ইউএস/

সম্পর্কিত

বিমা খাতের গ্রাহকদের জন্য সরকারের টার্গেট নির্ধারণ

বিমা খাতের গ্রাহকদের জন্য সরকারের টার্গেট নির্ধারণ

এমডি নিয়োগ না দেওয়ায় মার্কেন্টাইল লাইফ ইন্স্যুরেন্সকে শোকজ

এমডি নিয়োগ না দেওয়ায় মার্কেন্টাইল লাইফ ইন্স্যুরেন্সকে শোকজ

বিমা অফিস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান আড়াইটা পর্যন্ত খোলা

বিমা অফিস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান আড়াইটা পর্যন্ত খোলা

বিমা অফিসও খুলে দেওয়া হচ্ছে

বিমা অফিসও খুলে দেওয়া হচ্ছে

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১০:২৫

আজ রবিবার (২৫ জুলাই) থেকে যথারীতি খোলা রয়েছে ব্যাংক। সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হবে। লেনদেনের পর আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করার জন্য বিকেল ৩টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা থাকবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনায় ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত) বিধিনিষেধ চলাকালে সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ব্যাংক। রবিবার থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হবে। লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য বিকেল ৩টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে,  মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালন করে সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অত্যাবশ্যকীয় বিভাগসহ ব্যাংক স্বীয় বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, কঠোর লকডাউন চলাকালে প্রতিটি ব্যাংকের প্রধান শাখা, সব বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা এবং জেলা ও উপজেলা সদরে একটি করে শাখা খোলা রাখতে হবে।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

ব্যাংক লেনদেন ফিরল স্বাভাবিক সময়ে

ব্যাংক লেনদেন ফিরল স্বাভাবিক সময়ে

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

পাঁচদিন পর খুলেছে পুঁজিবাজার, লেনদেন ১টা পর্যন্ত

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১০:২০

ঈদুল আজহা ও সাপ্তাহিক ছুটি উপলক্ষ্যে টানা পাঁচদিনের ছুটি শেষে আজ রবিবার (২৫ জুলাই) দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে। করোনাভাইরাসের প্রকোপ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধের এই দিন সকাল ১০টায় লেনদেন শুরু হয়েছে, চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে সমন্বয় রেখে পুঁজিবাজারের লেনদেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খোলা রাখা হবে। তার সঙ্গে প্রথম ও শেষের ১৫ মিনিট প্রি ও পোস্ট ক্লোজিং সেশন থাকবে।

এর আগে গত ১৯ জুলাই সর্বশেষ পুঁজিবাজারে লেনদেন অনুষ্ঠিত হয়। সেই দিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত লেনদেন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২০ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত মোট তিনদিন এর সঙ্গে শুক্র ও শনিবার দুদিন সাপ্তাহিক ছুটির কারণেও লেনদেন বন্ধ ছিল।

/জিএম/ইউএস/

সম্পর্কিত

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত  খোলা

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

বিমা অফিসও খোলা

বিমা অফিসও খোলা

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারি ‍উদ্যোগ থামাতে চায় লোয়াব, বিইআরসির না

এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারি ‍উদ্যোগ থামাতে চায় লোয়াব, বিইআরসির না

এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারি ‍উদ্যোগ থামাতে চায় লোয়াব, বিইআরসির না

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২১:২০

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারি ‍উদ্যোগকে থামিয়ে দিতে তৎপরতা চালাচ্ছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-লোয়াব। সম্প্রতি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত দরে অটোগ্যাস বিক্রি করায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর জরিমানা করতে শুরু করেছে। আর এ ধরনের অভিযান ঠেকাতে বিইআরসির হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিয়েছে লোয়াব। তবে কমিশন পাল্টা এক চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছে, এ ধরনের অভিযান তারা বন্ধ করবেন না। উল্টো তাদের ঘোষিত দরে এলপিজি বিক্রি না করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

চলতিবছর এপ্রিলে প্রথমবার দেশে সরকারিভাবে এলপিজির দর নির্ধারণের ঘোষণা আসে বিইআরসির পক্ষ থেকে। ২০২০ সালের ২০ আগস্ট উচ্চ আদালতের দেওয়া এক আদেশ বাস্তবায়ন করতে বিইআরসি এই ঘোষণা দেয়। এপ্রিলের পর জুন পর্যন্ত আরও তিনবার এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়। আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী সৌদি সিপি অনুসারে এই দাম নির্ধারণ করা হয়। তবে শুরু থেকেই দাম নির্ধারণের বিষয়টি মেনে নেয়নি বেসরকারি এলপিজি বিক্রেতারা। বাজারে দাম কমানোতো দূরের কথা কোনও ক্রমেই দাম কমানো হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়।

ফলে ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় সরকারের এ ধরনের ‘ভালো উদ্যোগটি’ প্রশ্নের মুখে পড়ে। তীব্র সমালোচনার মধ্যেই জ্বালানি বিভাগ সরকারের তরফ থেকে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেয়। গত ১২ জুলাই জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এক অভিযানে এ এইচ সি এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করে। ওই জরিমানার কাগজে দেখা যায়, অভিযোগ নম্বর দেওয়া হয়েছে ০০৪৪৯২২, আর অভিযোগকারীর নাম লেখা রয়েছে ‘রাষ্ট্র’। এ এইচ সি ফিলিং স্টেশনকে জরিমানাই বাড়তি দরে এলপিজি বিক্রি রুখতে প্রথম কোনও অভিযান, যা গণমাধ্যমের খবরে এসেছে।

একই দিন ই-মেইলের মাধ্যমে বিইআরসিকে একটি চিঠি পাঠায় লোয়াব। চিঠিতে বলা হয়, গত ১২ এপ্রিল ঘোষিত মূল্য সংশোধনের জন্য এলপি গ্যাস অপারেটরদের ১৮টি আবেদন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। তাই বিষয়টির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ১২ এপ্রিলের মূল্যকে ভিত্তি ধরে অনুষ্ঠিতব্য যে কোনও মাসিক সভায় অংশগ্রহণ করা থেকেও লোয়াব বিরত রয়েছে।

চিঠিতে লোয়াব বলে, ‘আমরা ১২ এপ্রিলের এমআরপি (সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য) বিষয়ে পেশকৃত আবেদন দ্রুততম সময়ের মধ্যে যৌক্তিকভাবে বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি এবং বিষয়টির সন্তোষজনক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভোক্তা অধিকারের অভিযান বন্ধ রাখার ব্যবস্থা নেবেন আশা করি। এ বিষয়ে লোয়াবের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিইআরসির চেয়ারম্যানের আলোচনা অনুযায়ী ধারণা করা হয়েছিল যে, ডিসপিউটেড এমআরপির বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভোক্তা অধিকার অধিদফতর কোনও প্রকার অভিযান পরিচালনা করবে না। কিন্তু এখনও অভিযান চলছে। আজকের অভিযানে যে জরিমানা করা হয়েছে তার একটি রশিদ সংযুক্ত করা হলো।

লোয়াব বলছে, লকডাউনের কারণে বিইআরসি শুনানির তারিখ বাতিল করেছে এবং কখন শুনানি হবে তা অনির্দিষ্ট রয়ে গেছে। সেজন্য অন্তর্বর্তী সময়ে কোনও অভিযান না চালানোর ব্যবস্থা করবে বলে আশা করছে লোয়াব।

এই চিঠির জবাবে বিইআরসির সচিব রুবিনা ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের ২০ আগস্টে উচ্চ আদালতের দেওয়া আদেশে গণশুনানি করে এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথমবার ১২ এপ্রিল, পরে ২৯ এপ্রিল, ৩১ মে এবং ৩০ জুন আরও তিন দফা দর সমন্বয় করা হয়েছে। এখন বিইআরসির কাছে ১৮টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন রয়েছে। যে আবেদনগুলোর শুনানির জন্য ৭-৮ জুলাই গণশুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু অতিমারি পরিস্থিতির কারণে গনশুনানির করা সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে শুনানি হলে সেখানে সকলের মতামত দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে এখন যে দাম ঘোষণা করা হয়েছে ওই দামে এলপিজি বিক্রি করতে হবে। অন্যথায় কমিশন আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

প্রসঙ্গত, রান্নার এলপিজি ছাড়াও পরিবহনের জন্য অটোগ্যাসের দামও নির্ধারণ করে দেয় কমিশন। কিন্তু আগে থেকেই বেশি দামে বিক্রি হওয়া এসব পেট্রোলিয়াম গ্যাসের দাম কমায়নি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো। সঙ্গত, কারণে এখন মাঠে নেমেছে সরকারি প্রতিষ্ঠান।

/ইউএস/

সম্পর্কিত

বিধি ছাড়াই নিধিরাম সর্দার কমিশন!

বিধি ছাড়াই নিধিরাম সর্দার কমিশন!

এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণে অনুষ্ঠেয় গণশুনানি স্থগিত

এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণে অনুষ্ঠেয় গণশুনানি স্থগিত

এলপিজির দাম নির্ধারণে ৭ জুলাই আবার গণশুনানি

এলপিজির দাম নির্ধারণে ৭ জুলাই আবার গণশুনানি

আরও কমলো এলপিজির দাম, কমেছে অটোগ্যাসের দামও

আরও কমলো এলপিজির দাম, কমেছে অটোগ্যাসের দামও

সর্বশেষ

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

দাঁড়াতে পারছেন না শুভ, বিছানায় এক সপ্তাহ

দাঁড়াতে পারছেন না শুভ, বিছানায় এক সপ্তাহ

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আমি নেতা বানাইনি: চুমকি

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আমি নেতা বানাইনি: চুমকি

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত  খোলা

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

বিমা অফিসও খোলা

বিমা অফিসও খোলা

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

পাঁচদিন পর খুলেছে পুঁজিবাজার, লেনদেন ১টা পর্যন্ত

পাঁচদিন পর খুলেছে পুঁজিবাজার, লেনদেন ১টা পর্যন্ত

এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারি ‍উদ্যোগ থামাতে চায় লোয়াব, বিইআরসির না

এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারি ‍উদ্যোগ থামাতে চায় লোয়াব, বিইআরসির না

© 2021 Bangla Tribune