X
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ৮ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

রেকর্ডের পর রেকর্ড শেয়ারবাজারে

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২১, ১৩:০০

করোনা মহামারিতে অর্থনীতির বেশিরভাগ সূচক দুরাবস্থায় পড়লেও রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়ছে শেয়ারবাজার। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ৬ হাজার ৬০০ পয়েন্টের কাছাকাছি চলে এসেছে।

বৃহস্পতিবার সূচকটি ৬০ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৫৯৬ পয়েন্টে উঠেছে। যা এ সূচকের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর পাশাপাশি ডিএসইএস সূচক ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৪৩৯ পয়েন্ট এবং ডিএস-৩০ সূচক ৫৮ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৩৮৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এই দুটি সূচকও রেকর্ড গড়েছে।

এর মাধ্যমে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হওয়া তিন কার্যদিবসে (ব্যাংক বন্ধ থাকায় রবি ও বুধবার লেনদেন হয়নি) ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক বেড়েছে ১৭১ পয়েন্ট।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের প্রকোপ রোধে সাপ্তাহিক ছুটির পাশাপাশি ১ আগস্ট ও ৪ আগস্ট ব্যাংক ও পুঁজিবাজারের লেনদেন বন্ধ ছিল। ফলে ২-৫ আগস্ট মোট তিন কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে পুঁজিবাজারে। তিনদিনেই দাম বেড়েছে বেশিরভাগ শেয়ারের।

এ ছাড়া বিনিয়োগকারীদের পুঁজি ফিরেছে ৯ হাজার ৯২১ কোটি টাকারও বেশি। শুধু তাই নয়, বাজার মূলধনও অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে এখন প্রায় ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৩২৬ কোটি টাকায় অবস্থান করছে। জুলাইতেই বিনিয়োগকারীদের পুঁজি ফিরেছে ২০ হাজার কোটি টাকা।

অপরদিকে, প্রায় দুই মাস ধরে দুই হাজার কোটি টাকার নিচে লেনদেন হওয়া ডিএসইর লেনদেন এখন আড়াই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখন সবচেয়ে ভালো অবস্থায় রয়েছে। বাজারে সার্বিক বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। তবে ভালো কোম্পানির চেয়ে দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়াটা ভালো নয়। সম্প্রতি এ ধরনের কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ছে, যা পুঁজিবাজারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। বিএসইসিকে বিষয়টি দেখতে হবে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে তিনদিনে প্রায় সাত হাজার ১৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এর আগের সপ্তাহে মোট পাঁচ কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল সাত হাজার ১২৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকারও বেশি। আগের সপ্তাহের চেয়ে লেনদেন কিছুটা কমলেও গড় লেনদেন বেড়েছে।

বিদায়ী সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা। তার আগের সপ্তাহের গড় লেনদেন ছিল ১ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। গড় লেনদেন বেড়েছে ৯শ কোটি টাকা।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৮১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৮৩টির, কমেছে ৮৩টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির।

বেশিরভাগ শেয়ারের দাম বাড়ায় সূচকের বাজার মূলধন ৯ হাজার ৯২১ কোটি টাকা বেড়ে ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৩২৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৩৪ হাজার ৪০৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

এদিকে অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) তিন কার্যদিবসে প্রায় ২৪৩ কোটি ৩০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৬৯টির, কমেছে ৫৯টির। অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টি কোম্পানির শেয়ারের।

বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় সিএসইর প্রধান সূচক সিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৯ হাজার ১৮৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

 

 

/এফএ/আপ-এনএইচ/

সম্পর্কিত

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

সঞ্চালনব্যবস্থা আধুনিক ও সমন্বিত করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

সঞ্চালনব্যবস্থা আধুনিক ও সমন্বিত করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

গুজবের সপ্তাহে শেয়ার বাজারের ১০ হাজার কোটি টাকা হাওয়া

গুজবের সপ্তাহে শেয়ার বাজারের ১০ হাজার কোটি টাকা হাওয়া

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ২২:৪৬

এলএনজিতে ভর্তুকির সামাল দিতে গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার। গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। জ্বালানি বিভাগের একটি সূত্র এ খবর নিশ্চিত করেছে। তবে দাম বাড়ানো নিয়ে এখনই সরাসরি মুখ খুলছেন না কেউ।

জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানায়, আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত এলএনজির জন্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি লাগছে। অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এই ভর্তুকির প্রয়োজন হলে শেষ ছয় মাসে আরও লাগবে। যদিও সেটার পরিমাণ নির্দিষ্ট হয়নি।

এখন খোলাবাজার থেকে প্রতি এমএস বিটিইউ এলএনজি ৩২ থেকে ৩৬ ডলারের নিচে কেনা সম্ভব হচ্ছে না। বাড়তি দামে তিনটি এলএনজির কার্গো কেনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে সরকারের দুই হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ হয়েছে। এর বাইরে জ্বালানি তেলেও বিপুল লোকসান গুনতে হচ্ছে সরকারকে।

এখন দেশে দিনে ১ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন হচ্ছে। বাকি ৮০০ থেকে ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি এলএনজি আমদানি করেই পূরণ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, বিশ্বে জ্বালানির ঊর্ধ্বমুখী দরের কারণে আমদানিনির্ভর দেশগুলো বেশি দামে গ্যাস এবং তেল কিনছে বলেও সরকারের লোকসান বেড়ে চলেছে।

জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানো নিয়ে একটি সভা হয়েছে। সেখানে জ্বালানি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিষয়ে তারা কাজ শুরু করেছে। জ্বালানি বিভাগ থেকে নীতিগত অনুমতি পেলেই বিইআরসির কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। তার আগে বিতরণ কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কথা হচ্ছে পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জ্বালানি বিভাগের সিনিয়র সচিব আনিছুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বেশি দামে গ্যাস কিনে কম দামে বিক্রি করায় লোকসান হচ্ছে। এটা কমিয়ে আনতে ভর্তুকির কথা ভাবা হচ্ছে। তবে বিশ্ববাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকলে দাম বাড়ানোর বিষয়ে আমাদের ভাবতে হতে পারে।

সচিব আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে ভারতসহ বেশকিছু দেশই জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ানো হবে কিনা সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

সবশেষ ২০১৯ সালের ১ জুলাই গ্যাসের দাম বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বাসাবাড়িতে দুই চুলার খরচ ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৭৫ টাকা আর এক চুলার খরচ ৭৫০ টাকা থেকে ৯২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ ছাড়া সিএনজি গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি ঘনমিটার ৪৩ টাকা এবং বিদ্যুৎ ও সারের জন্য ৪.৪৫ টাকা। হোটেল রেস্তোরাঁয় প্রতি ঘন মিটার ২৩ টাকা, ক্যাপটিভ পাওয়ারে ১৩.৮৫ টাকা, শিল্প ও চা বাগানে ১০.৭০ টাকা, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে ১৭.০৪ টাকা।

/এফএ/

সম্পর্কিত

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৫

বাংলা ভাষায় সাজানো হচ্ছে আয়কর আইন। করদাতাদের সুবিধার্থে শিগগিরই এটি প্রণয়ন করবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসেই জনগণের মতামতের জন্য আইনটির খসড়া প্রকাশ করা হবে। শনিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) কার্যালয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (করনীতি) আলমগীর হোসেন এই তথ্য জানান। এখানে তিনি ডিজিট্যাক্স অ্যাপের উদ্বোধন করেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (করনীতি) আলমগীর হোসেনের কথায়, ‘করহার কমানো ও প্রক্রিয়া সহজ না হলে করের আওতা বাড়বে না। তাই কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে করের হার কমানো হচ্ছে। কর প্রদান প্রক্রিয়া সহজ করে ইতিবাচক ফল পেয়েছি আমরা। ইতোমধ্যে ৬১ লাখ ব্যক্তি ই-টিআইএন নিবন্ধন নিয়েছেন।’

মানুষের মধ্যে কর দেওয়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন আলমগীর হোসেন। তার মন্তব্য, ‘বিপুলসংখ্যক করদাতাকে প্রচলিত পদ্ধতিতে করসেবা দেওয়া সম্ভব নয়। করদাতাকে সেবা দিতে সব কিছু অনলাইনে আনা ও রিটার্ন দাখিল স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে করার বিকল্প নেই। এনবিআর অনেক আগেই এই উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা অনলাইনের মাধ্যমে রিটার্ন ফরম পূরণ, দাখিল ও পেমেন্ট সিস্টেম চালু করছি। বেসরকারিভাবে ডিজিট্যাক্স এগিয়ে আসায় করসেবাকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ আরও সহজ হবে।’

আয়কর রিটার্ন দাখিল আরও সহজ করতে দেশ ইউনিভার্সেল নামে একটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে এসেছে ‘ডিজিট্যাক্স’ অ্যাপ। এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত আয়কর রিটার্ন ফরম এবং সম্পদের হিসাব-নিকাশ এখন অনলাইনে পূরণ করা যাবে। ঘরে বসেই আয়কর পরিশোধ ও রিটার্ন ফাইল দাখিলের পাশাপাশি নেওয়া যাবে আয়কর সংক্রান্ত যেকোনও সেবা।

ডিজিট্যাক্সের মূল ফিচার বর্ণনা করেন প্রতিষ্ঠানটির টিম মেম্বার সৈয়দা নুসরাত হায়দার, ‘আমাদের সিস্টেমে আইন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় আয়কর গণনা পদ্ধতি রয়েছে, যাতে ব্যবহারকারীরা সহজেই আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে বাংলা ভাষায়ও সফটওয়্যারটি ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। করদাতা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে রিটার্ন ফরম পূরণ করে নিজে আয়কর অফিসে জমা দিতে পারেন। কেউ চাইলে ডিজিট্যাক্সের পেশাদার আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।’

সৈয়দা নুসরাত হায়দার যোগ করেন, ‘ডিজিট্যাক্সের পদ্ধতি এনবিআরের সঙ্গে একীভূত করতে পারলে ভবিষ্যতে এই অ্যাপের মাধ্যমে করদাতারা অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। এতে কাগজে জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না এবং সরকার ডাটা এন্ট্রি ছাড়াই রিয়েল টাইম আপডেট পাবেন বলে আশাবাদী তিনি।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে ডিজিট্যাক্সের অ্যাডভাইজার ও দেশ ইউনিভার্সেলের নির্বাহী পরিচালক মোসারাত নাইমা বলেন, ‘ডিজিট্যাক্স একটি স্বয়ংক্রিয় ট্যাক্স রিটার্ন ফরম পূরণের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন। এতে নিবন্ধন করার পর করদাতা নিজের আয়ের তথ্য দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর গণনা হয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) সভাপতি মাহমুদুল হাসান খসরু, ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একে এম আজিজুর রহমান, ডিজিট্যাক্সের পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার রঞ্জু, ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশিদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন।

/এসআই/জেএইচ/

সম্পর্কিত

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

সঞ্চালনব্যবস্থা আধুনিক ও সমন্বিত করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৪

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সঞ্চালনব্যবস্থা আধুনিক ও সমন্বিত করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ, পরমাণু বিদ্যুৎ, তেলের বিদ্যুৎ বা গ্যাসের বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য সঞ্চালনে অটোমেটিক ফ্রিকোয়েন্সি কন্ট্রোল থাকা অপরিহার্য।

আজ শনিবার (২২ অক্টোবর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘সঞ্চালন পরিকল্পনা ও পিজিসিবি’র জন্য প্রকল্প সমীক্ষা’ শীর্ষক চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. নূরুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে প্ল্যানিং কমিশনের সদস্য শরীফা খান ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি ইন্ডিয়া লিমিটেডের পরিচালক অভয় চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের ফুয়েল মিক্সে নতুন নতুন সংযোজন আসছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ক্লিন এনার্জির অংশ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিবেশী দেশ হতে ক্লিন এনার্জি আমদানি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন, সমন্বিত মাস্টার প্ল্যানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও তার সঞ্চালনব্যবস্থা সন্নিবেশন ঘটবে। ২০৪১ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে ৪০ ভাগ বিদ্যুৎ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের চ্যালেঞ্জ হলো সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা। সঞ্চালন ও বিতরণব্যবস্থা আধুনিক করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিতরণব্যবস্থার উন্নয়নে নানাবিধ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। 

/এসএনএস/এমএস/

সম্পর্কিত

নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সৌর বিদ্যুতের সম্ভাবনাই বেশি: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সৌর বিদ্যুতের সম্ভাবনাই বেশি: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে অনুকরণীয় নেতা পেতাম: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে অনুকরণীয় নেতা পেতাম: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

পিক আওয়ারের চার ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকে না রংপুরে!

পিক আওয়ারের চার ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকে না রংপুরে!

গুজবের সপ্তাহে শেয়ার বাজারের ১০ হাজার কোটি টাকা হাওয়া

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২০:১২

দীর্ঘদিন পর গুজবের সপ্তাহ পার করলো দেশের শেয়ার বাজার। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যানের পদত্যাগের গুজবে গত সপ্তাহটি এই বাজারের জন্য মোটেও ভালো ছিল না। অবশ্য সপ্তাহের শেষ দিনে বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়,  গেল সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন হারিয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন শেষে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৫৫ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ৭ হাজার ৭৬ পয়েন্টে। অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১৭২ পয়েন্ট।

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) সূচকের বড় উত্থানকে মিলিয়ে দেয় ‘গুজব’। তাও লেনদেনের শেষ এক ঘণ্টায়। এ সময় বাজারে ব্যাপকভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেছেন। এ গুজবের সত্যতা নিশ্চিত না হয়েই একদল বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রিতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। তাতে ওইদিন শেষে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স হারায় ৭৭ পয়েন্ট বা ১ শতাংশ।

বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা যায়,  গেল সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজার বড় ধরনের মন্দার মধ্যে দিয়ে পার করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন হারিয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকার ওপরে। শুধু তাই নয়, বড় অংকের মূলধন হারানোর পাশাপাশি কমেছে সবকটি মূল্যসূচক। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের গতিও। এর আগের সপ্তাহও মন্দার মধ্য দিয়ে পার করে দেশের শেয়ারবাজার। এতে ডিএসইর বাজার মূলধন কমে ২ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ টানা দুই সপ্তাহে ১২ হাজার কোটি টাকার ওপরে মূলধন হারালো ডিএসই।

বাজারের তথ্য বলছে, গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। যা এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৫ লাখ ৮০ হাজার ১১২ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেল সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ১০ হাজার ২৬১ কোটি টাকা।

বাজার মূলধন কমার পাশাপাশি গেল সপ্তাহে ডিএসইতে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে প্রায় তার চেয়ে ১১ গুণ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে ৩৩৮টির। আর ৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৬৭ দশমিক শূন্য ৪ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমেছিল ৯৯ দশমিক ৭০ পয়েন্ট। অর্থাৎ টানা দুই সপ্তাহের পতনে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ২৬৬ পয়েন্ট।

প্রধান মূল্য সূচকের পাশাপাশি গত সপ্তাহে কমেছে ইসলামী শরিয়াহ্ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও। গত সপ্তাহজুড়ে সূচকটি কমেছে ৪৯ দশমিক ২৭ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমেছিল ২৮ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট। এছাড়া বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকও টানা পতনের মধ্যে রয়েছে। গত সপ্তাহজুড়ে এ সূচকটি কমেছে ১৯ দশমিক ৮০ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৪৮ দশমিক ২৫ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

বাজারের তথ্য বলছে, গত সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৮১২ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এই হিসেবে প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ৩০১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬ হাজার ৪৩ কোটি ৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ৯ হাজার ৬২ কোটি ১১ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন বেড়েছে ৩ হাজার ১৯ কোটি ৮ লাখ টাকা বা ৩৩ দশমিক ৩২ শতাংশ। মোট লেনদেন বেশি হারে কমার কারণ গত সপ্তাহে ঈদে মিলাদুন্নবীর কারণে এক কার্যদিবস কম লেনদেন হয়েছে।

/এমএস/

সম্পর্কিত

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

সঞ্চালনব্যবস্থা আধুনিক ও সমন্বিত করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

সঞ্চালনব্যবস্থা আধুনিক ও সমন্বিত করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ফের বাড়লো চালের দাম

ফের বাড়লো চালের দাম

ফের বাড়লো চালের দাম

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৩০

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে অস্বস্তি কাটছে না সাধারণ মানুষের। সয়াবিন, চাল, সবজি ও মুরগি বেশ কিছু দিন ধরে নিম্ন আয়ের মানুষদের ভোগাচ্ছে। এরমধ্যে আবারও বেড়েছে চাল, চিনি, মুরগি, সয়াবিন তেলসহ আরও কিছু নিত্যপণ্যের দামও।

বাজারের তথ্য বলছে, নতুন করে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকার মতো। এছাড়া গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে নতুন করে চিকন চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩ টাকা। খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতিলিটারে বেড়েছে ৫ টাকার বেশি। একইভাবে ১ লিটার ওজনের বোতলজাত সয়াবিনের দাম বেড়েছে ৫ টাকা। প্রতি লিটার খোলা পাম অয়েলের দাম বেড়েছে ৫ টাকা। চিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ৩ টাকা। শুধু তা-ই নয়, রাজধানীর বাজারগুলোতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির আজকের তথ্য বলছে, গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

এদিকে ব্যবসায়ীরা পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা। আর লাল লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ২২০ থেকে ২৩০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আদা, পেঁয়াজ ও রসুন ছাড়া প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। তারা বলছেন, গত সপ্তাহে যে সরু চাল বিক্রি হয়েছে ৫৫ টাকা কেজি দরে, সেই চাল আজ বিক্রি হচ্ছে ৫৮ টাকা দরে। অর্থাৎ এই সপ্তাহে নতুন করে সরু চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩ টাকা।

টিসিবির হিসাব বলছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি চালের দাম বেড়েছে প্রায় তিন শতাংশের মতো। আর খোলা সয়াবিন তেলের দাম এখন ১৪৫ টাকা লিটার। গত সপ্তাহে এই সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা লিটার। অর্থাৎ গত সপ্তাহের তুলনায় দাম বেড়েছে ৫ টাকার বেশি। একইভাবে ১ লিটার ওজনের বোতলজাত সয়াবিনের দাম এখন ১৫৫ টাকা। গত সপ্তাহে ছিল  ১৫০ টাকা। প্রতি লিটার খোলা পাম অয়েলের দাম এখন ১৩২ টাকা লিটার। আগের সপ্তাহে ছিল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা লিটার। চিনির দাম এখন ৮২ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে প্রতিকেজি চালের দাম ছিল ৭৯ টাকা। অর্থাৎ প্রতিকেজিতে দাম বেড়েছে ৩ টাকা।

জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় বেশ কিছু দিন ধরে হতাশা ব্যক্ত করছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। মানিকনগর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কিনতে আসা সালমান রব্বানি বলেন, বিনা কারণে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। এটা আমাদের মতো সীমিত আয়ের মানুষদের জন্য অস্বস্তিকর।

এদিকে সবজি ব্যবসায়ীরা আগের মতোই বেশি দামে বিক্রি করছেন গাজর ও টমেটো। মানভেদে এক কেজি গাজর ১০০ থেকে ১৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা। এর বাইরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য সব সবজি। শীতের আগাম সবজি শিম গত সপ্তাহের মতো কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা। ঝিঙের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ছোট ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়সের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে, বরবটির কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। কাঁচকলার হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লাল শাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাকা, মুলা শাকের আঁটি ১৫ থেকে ২০ টাকা, কলমি শাকের আঁটি ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা হয়ে গিয়েছিল। সরকার শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার পর ৬০ টাকায় নেমেছে। বাজারের তথ্য বলছে, গত সপ্তাহের তুলনায় পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা কমে এখন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রভাবে দেশেও চাল, ডাল, তেল, আটাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অস্থির হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বলছে, সর্বশেষ সেপ্টেম্বর মাসে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ দাঁড়িয়েছে, যা আগস্টে ছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশে দাঁড়ানোর অর্থ হলো গত বছরের সেপ্টেম্বরে যে পণ্যটি ১০০ টাকায় কেনা যেত, সেটি কিনতে এ বছরের সেপ্টেম্বরে লেগেছে ১০৫ টাকা ৫৯ পয়সা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ওয়েবসাইটে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে বিবিএস। এতে দেখা যাচ্ছে, শহর ও গ্রাম দুই জায়গাতেই খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে।

খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার সেপ্টেম্বরে বেড়ে ৫ দশমিক ২১ শতাংশ হয়েছে, যা আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ১৩ শতাংশ। বিবিএসের তথ্য বলছে, নিত্যপণ্যের চেয়ে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের পেছনে বেশি টাকা খরচ হচ্ছে মানুষের। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবহন, আসবাব ও বিনোদনের পেছনে খরচ বেড়েছে।

/এমআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

পেঁয়াজ নিয়ে খেলে কারা?

পেঁয়াজ নিয়ে খেলে কারা?

নতুন পেঁয়াজ আসার আগে দাম কমার সম্ভাবনা নেই: বাণিজ্য সচিব

নতুন পেঁয়াজ আসার আগে দাম কমার সম্ভাবনা নেই: বাণিজ্য সচিব

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছেই

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছেই

দাম বেড়েছে নিত্যপণ্যের, নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি

দাম বেড়েছে নিত্যপণ্যের, নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি

সর্বশেষ

ক্যাম্পে ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় মামলা

ক্যাম্পে ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় মামলা

উগ্রবাদের স্থান বাংলাদেশে হবে না: হানিফ

উগ্রবাদের স্থান বাংলাদেশে হবে না: হানিফ

মালদ্বীপে আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ ঘোষণা ইউএস-বাংলার

মালদ্বীপে আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ ঘোষণা ইউএস-বাংলার

‘ইলেকট্রনিক্স শিল্প গার্মেন্টসকে ওভারটেক করবে’

সালমান এফ রহমানের ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শন‘ইলেকট্রনিক্স শিল্প গার্মেন্টসকে ওভারটেক করবে’

এসডিজি অর্জনে ভূমিকা রাখবে উম্মুক্ত ডেটা

এসডিজি অর্জনে ভূমিকা রাখবে উম্মুক্ত ডেটা

নৌকা পেলেন ‘রাজাকার পরিবারের’ দুই সন্তান, মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষোভ

নৌকা পেলেন ‘রাজাকার পরিবারের’ দুই সন্তান, মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষোভ

পরীমণির জন্মদিনে বোর্ডিং পাস ও ভিউকার্ড সংস্কৃতি!

পরীমণির জন্মদিনে বোর্ডিং পাস ও ভিউকার্ড সংস্কৃতি!

ইউপি নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবক খুন

ইউপি নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবক খুন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

সঞ্চালনব্যবস্থা আধুনিক ও সমন্বিত করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

সঞ্চালনব্যবস্থা আধুনিক ও সমন্বিত করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

গুজবের সপ্তাহে শেয়ার বাজারের ১০ হাজার কোটি টাকা হাওয়া

গুজবের সপ্তাহে শেয়ার বাজারের ১০ হাজার কোটি টাকা হাওয়া

ফের বাড়লো চালের দাম

ফের বাড়লো চালের দাম

© 2021 Bangla Tribune