X
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ৮ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২১, ০০:০০

আজ ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। ইতিহাসের জঘন্যতম, নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে ১৯৭৫ সালের এই কালরাতে। এ দিন গোটা বাঙালি জাতিকে কলঙ্কিত করেছিল সেনাবাহিনীর উচ্ছৃঙ্খল কিছু বিপথগামী সদস্য। সেদিন রাতে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কের ঐতিহাসিক ভবনে ঘাতকের নির্মম বুলেট বিদ্ধ করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বুক।

অকুতোভয় বঙ্গবন্ধু ঘাতকের বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েও খুনিদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন ‘তোরা কী চাস? আমাকে কোথায় নিয়ে যাবি?’ বঙ্গবন্ধুকে দেখেও হাত কাঁপেনি খুনিদের। গুলি চালিয়েছে খুনে চাহনীতে।

সেদিন ঘাতকের হাতে প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল, রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের, কর্নেল জামিল।

খুনিদের বুলেটে সেদিন আরও প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ রিন্টু খানসহ অনেকে। ওই সময় দেশে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা।

দিবসটি উপলক্ষে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করলেও তাঁর স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী চক্রের যে কোনও অপতৎপরতা-ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

স্বাধীন বাংলাদেশে কোনও বাঙালি তাঁর নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে না বলে দৃঢ়বিশ্বাস করতেন বঙ্গবন্ধু। সেজন্য তিনি গণভবনের পরিবর্তে থাকতেন ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসভবনে। যে বাড়িটি বাঙালির স্বাধিকার-স্বাধীনতা আন্দোলনের সূতিকাগার হিসেবে অসম্ভব প্রিয় ছিল বঙ্গবন্ধুর। এখানে থেকেই তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজে সর্বশক্তি নিয়ে ব্রতী ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমদ বিচারের হাত থেকে খুনিদের রক্ষা করতে কুখ্যাত ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করেন। পরে জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে ইনডেমনিটিকে আইন হিসেবে অনুমোদন দেন।

আজ সরকারি ছুটি। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার আগে রাষ্ট্রীয়ভাবে চরম অবহেলিত থাকতো জনক হারানোর দিনটি।

দিনটি সরকারিভাবে শোক দিবস হিসেবে পালিত হবে। আজ জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। সরকারি ও বেসরকারি ভবনে উড়বে কালো পতাকা।

আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রথম শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এসে সে সিদ্ধান্ত বাতিল করে। তবে ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এসে আবার রাষ্ট্রীয়ভাবে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০১১ সালের জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারবর্গের হত্যাকারী পাঁচ আত্মস্বীকৃত খুনির ফাঁসির দণ্ডাদেশ কার্যকর হয়।

দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতীম বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংগঠন। যথাযোগ্য মর্যাদা, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হবে।

করোনা মহামারির সংক্রমণ রোধে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাসব্যাপী শোক দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের জন্য আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী সমর্থক ও সকল সহযোগী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের সকল জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডসহ সমস্ত শাখার নেতৃবৃন্দকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নিজস্ব কর্মসূচি গ্রহণ করে দিবসটি স্মরণ ও পালন করার বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৮টায় ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। তার আগে ভোরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা নিবেদনের কথা রয়েছে। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। সকাল ১১টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধিদল শ্রদ্ধা নিবেদন করবে।

এ ছাড়াও ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৩টায় জাতীয় শোক দিবসের আলোচনাসভা হবে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকবেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

/পিএইচসি/এফএ/

সম্পর্কিত

সর্বাধিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু

সর্বাধিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু

মুজিবপিডিয়া প্রকাশে এগিয়ে এলো সিটি ব্যাংক

মুজিবপিডিয়া প্রকাশে এগিয়ে এলো সিটি ব্যাংক

সংঘাত নয়, সহযোগিতা ও শান্তি চাই: বঙ্গবন্ধু

সংঘাত নয়, সহযোগিতা ও শান্তি চাই: বঙ্গবন্ধু

প্রস্তুত জেলেরা, মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরা শুরু

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০০:০৪

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ সোমবার (২৫ অক্টোবর) মধ্যরাতে। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম রক্ষায় ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। আজ সোমবার মধ্যরাত ১২টা ১ মিনিট থেকে পুনরায় ইলিশ শিকার শুরু হচ্ছে। নদীতে নামার জন্য প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সেরে ফেলেছেন জেলেরা। সরব হয়ে উঠেছে জেলে পল্লীগুলো। ইলিশ অধ্যুষিত জেলাগুলোয় খোঁজ নিয়ে এমন খবর জানা গেছে। 

সূত্র জানিয়েছে, প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ রাখতে চলতি অক্টোবরের ৪ তারিখ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ ধরা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন-সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, বিপণন, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ ছিল। ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রে সব ধরনের মৎস্য আহরণও এ সময় নিষিদ্ধ ছিল। ইলিশের নিরাপদ প্রজননের স্বার্থে এ সময় মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।

ইলিশ গবেষকেরা বলছেন, ইলিশ মূলত সারা বছরই ডিম ছাড়ে। তবে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর এই দুই মাসের চারটি অমাবস্যা-পূর্ণিমায় ডিম ছাড়ে বেশি। বিশেষ করে অক্টোবরের মানে আশ্বিনের দুটি অমাবস্যা-পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এই সময় ইলিশ ধরা থেকে বিরত থাকার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে মা ইলিশ রক্ষা করা, যাতে তারা নিরাপদে নদীতে এসে ডিম ছাড়তে পারে। এই ডিম রক্ষা করতে পারলে তা থেকে জাটকার জন্ম হবে। সেই জাটকা রক্ষা করা গেলে দেশে বড় আকারের ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। এই ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর আবার জাটকা ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। দুই ধাপের এই নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশে ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে, ওজন-আকারও বেড়েছে ইলিশের।

মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, এ বছর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে ৪ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত ১ হাজার ৮৯২টি মোবাইল কোর্ট ও ১৫ হাজার ৩৮৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এবং ৮৮৪ লাখ মিটার অবৈধ জাল আটক করা হয়। বাংলাদেশে ২০০৩-০৪ সাল থেকেই জাটকা রক্ষার কর্মসূচি শুরু করা হয়। তখন থেকেই ধীরে ধীরে ইলিশের উৎপাদন বাড়ছিলো। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্যানুযায়ী দেশের মোট মাছ উৎপাদনের প্রায় ১২ শতাংশ আসে ইলিশ থেকে।

মৎস্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী গত এক দশকে বাংলাদেশে ইলিশের উৎপাদন প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ইলিশ সংরক্ষণের উদ্দেশে গত কয়েক বছর নেওয়া পদক্ষেপগুলো আগামীতেও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে এবং দামও কম থাকবে।

মৎস্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিশের হিসাবে, বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশ এখন বাংলাদেশে আহরিত হচ্ছে। বাংলাদেশের পরই ইলিশের উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারত। ৫ বছর আগে দেশটিতে বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ ইলিশ উৎপাদিত হতো।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী জানিয়েছেন, মৎস্য খাতকে কোনোভাবেই ধ্বংস হতে দেওয়া হবে না। মৎস্যসম্পদ রক্ষার মাধ্যমে খাদ্যের চাহিদা পূরণ হচ্ছে, বেকারত্ব দূর হচ্ছে, উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে এবং দেশের রফতানি আয় বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন ইলিশ মাছ সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি, এর নিরাপদ আশ্রয় ও নিরাপদ প্রজননের জন্য সরকার নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। মা ইলিশ রক্ষা, ইলিশের অভয়াশ্রম সৃষ্টি করা, ইলিশ গবেষণা, জাটকা সংরক্ষণসহ বিভিন্ন ভাবে আমরা কাজ করছি। ইলিশের পরিসর বাড়াতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সকল প্রকার আগ্রহ রয়েছে, পরিকল্পনা রয়েছে।

/এমআর/

সম্পর্কিত

৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ

৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ

চাঁদপুরের সব ইলিশ পদ্মার নয়

চাঁদপুরের সব ইলিশ পদ্মার নয়

নদীতে ইলিশের ঘনত্ব বেড়েছে

নদীতে ইলিশের ঘনত্ব বেড়েছে

ইলিশ সব গেলো কোথায়?

ইলিশ সব গেলো কোথায়?

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ২৩:১৬

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ.কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন, আসুন আমরা একসঙ্গে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। এই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী যেন বাংলাদেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে না পারে, অতীতে যা করেছে ভবিষ্যতে তা যেন না করতে পারে।

রবিবার  (২৪ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাব জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ঢাকাবাসী সংগঠন আয়োজিত জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ড. এ .কে. আব্দুল মোমেন বলেন, কুমিল্লায় যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে কিন্তু কোনও জবানবন্দি দেয়নি। অথচ কোনও কোনও গোষ্ঠী অহেতুক এটা নিয়ে কথা বলছে। ‘ঠাকুর ঘরে কে রে, না আমি কলা খাই না’- এমন একটা অবস্থা দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র ৭৫’র পর থেকে শুরু হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা যদি মুক্তিযুদ্ধের কথা বলি, তখন বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসিতে ঝুলানোর পায়তারা করা হয়েছিল। তখন কিন্তু আমাদের ১ কোটি উদ্বাস্তু তৈরি হয়েছিল। পাক হানাদাররা যেভাবে হামলা চালিয়েছে, তখন কিন্তু জাতিসংঘ তাদের সনদ অনুযায়ী ভূমিকা পালন করতে পারেনি। হয়তো কিছু মুরুব্বি দেশের কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। তার পরেও আমি স্বীকার করি, সন্ত্রাস দমনে, জঙ্গি দমনে, বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমাদের শান্তিরক্ষী বাহিনী বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতিসংঘের অনন্য ভূমিকা প্রশংসার দাবিদার। এটা স্বীকার করতেই হবে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্য অ্যাড. কামরুল ইসলাম এমপি), আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক বাবু সুজিত রায় নন্দি, ঢাকাবাসীর সভাপতি মো. শুকুর সালেকসহ আরও অনেকে।

/জেডএ/এমআর/

সম্পর্কিত

ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বে নাম্বার ওয়ান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বে নাম্বার ওয়ান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের কপ-২৬ এজেন্ডাকে সমর্থনে ইইউ’র প্রতি ঢাকার আহ্বান

বাংলাদেশের কপ-২৬ এজেন্ডাকে সমর্থনে ইইউ’র প্রতি ঢাকার আহ্বান

সার্বিয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

সার্বিয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

জার্মানি থেকে ফিরতে হচ্ছে ৮৬০ বাংলাদেশিকে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জার্মানি থেকে ফিরতে হচ্ছে ৮৬০ বাংলাদেশিকে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

‘সংখ্যালঘু’ নয়, ‘সাক্ষী সুরক্ষা’ আইনের বিষয়ে ভেবেছিলেন আইনমন্ত্রী

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ২২:২৩

‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা’ নয়, মূলত সাক্ষী সুরক্ষা আইনের বিষয়ে ভেবে এ নিয়ে জবাব দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। রবিবার (২৪ অক্টোবর) আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ (২৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকবৃন্দের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন। এরই মাঝে এক সাংবাদিক বন্ধু সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইনের বিষয়ে মন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন। এসময় পাশ থেকেও কথার শব্দ আসছিল। ফলে মন্ত্রী সংখ্যালঘু শব্দটি শুনতে পাননি।

‘তিনি (মন্ত্রী) আসলে সাক্ষী সুরক্ষা আইনের বিষয়ে উত্তর দিয়েছেন। আইনমন্ত্রী তার জবাবে সংখ্যালঘু শব্দটি একবারের জন্যেও ব্যবহার করেননি।’

তাই এ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।
 
এর আগে সম্প্রতি কুমিল্লার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সার্বিক নিরাপত্তার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন’ পাসের বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ‘ত্বরিত ব্যবস্থা’ নেওয়ার কথা জানান। তবে মন্ত্রী ভেবেছেন তাকে সাক্ষী সুরক্ষা আইনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। তাই তিনি আইনটির নাম উল্লেখ না করে উত্তর দেওয়ায় এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোতে সঠিক তথ্য প্রচার হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে আইন মন্ত্রণালয়।

/বিআই/এমআর/

সম্পর্কিত

সাম্প্রদায়িক হামলা-মামলার বিচার হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে: আইনমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক হামলা-মামলার বিচার হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে: আইনমন্ত্রী

শেখ রাসেলের মতো আর কোনও মৃত্যু দেখতে চাই না: আইনমন্ত্রী

শেখ রাসেলের মতো আর কোনও মৃত্যু দেখতে চাই না: আইনমন্ত্রী

ইসি গঠনে সার্চ কমিটির বিকল্প নেই: আইনমন্ত্রী

ইসি গঠনে সার্চ কমিটির বিকল্প নেই: আইনমন্ত্রী

‘শর্ত ছাড়া দণ্ড স্থগিত চাইলে খালেদা জিয়াকে জেলে গিয়ে আবেদন করতে হবে’ 

‘শর্ত ছাড়া দণ্ড স্থগিত চাইলে খালেদা জিয়াকে জেলে গিয়ে আবেদন করতে হবে’ 

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৪৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বরেণ্য অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা এক শোকবার্তায় বলেন, ‘স্বীয় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।’

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মাহমুদ সাজ্জাদ রবিবার বিকাল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। খবর: বাসস

 

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

একশ’ কোটি মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ায় মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

একশ’ কোটি মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ায় মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

মান বজায় রেখে ‘বীর নিবাস’ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

মান বজায় রেখে ‘বীর নিবাস’ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

বিএনপির দৃষ্টিসীমা এখন কুয়াশাচ্ছন্ন: ওবায়দুল কাদের

বিএনপির দৃষ্টিসীমা এখন কুয়াশাচ্ছন্ন: ওবায়দুল কাদের

একশ’ কোটি মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ায় মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ২০:১৬

ভারত সরকার চলতি বছরের গত ২১ অক্টোবরের মধ্যে জনগণকে একশ’ কোটি ডোজ কোভিড-১৯ টিকা প্রদানের ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) মোদিকে পাঠানো এক বার্তায় শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, মানবজাতির ওপরে কোভিড-১৯ মহামারির সব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। তিনি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ‘এটি ভারত ও এই অঞ্চলের পুনরুদ্ধার এবং স্বাভাবিকতার পথে একটি বড় পদক্ষেপ হবে।’ মোদিকে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, তার সরকার বাংলাদেশে একটি গণটিকাকরণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত করোনার টিকা ৬ কোটিরও বেশি মানুষকে দেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘টিকাকরণ কর্মসূচির প্রথম থেকেই ভারত বাংলাদেশের জন্য কোভিড-১৯ টিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড টিকা রফতানি পুনরায় শুরু করায় ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং আশা করেন, আগামী দিনে এই ক্রয় নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত থাকবে। কোভিড-১৯ মহামারির প্রকোপ থেকে এই অঞ্চলের জনগণকে রক্ষা করতে এবং এই মহামারির বহুমুখী প্রতিকূল পরিণতি মোকাবিলায় ভারতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন। খবর: বাসস

 

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

মান বজায় রেখে ‘বীর নিবাস’ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

মান বজায় রেখে ‘বীর নিবাস’ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

বিএনপির দৃষ্টিসীমা এখন কুয়াশাচ্ছন্ন: ওবায়দুল কাদের

বিএনপির দৃষ্টিসীমা এখন কুয়াশাচ্ছন্ন: ওবায়দুল কাদের

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বাধিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু

সর্বাধিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু

মুজিবপিডিয়া প্রকাশে এগিয়ে এলো সিটি ব্যাংক

মুজিবপিডিয়া প্রকাশে এগিয়ে এলো সিটি ব্যাংক

সংঘাত নয়, সহযোগিতা ও শান্তি চাই: বঙ্গবন্ধু

সংঘাত নয়, সহযোগিতা ও শান্তি চাই: বঙ্গবন্ধু

সফরকালে জাপানি গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রশংসা

সফরকালে জাপানি গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রশংসা

বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে জয়বাংলা ধ্বনিতে মুখর জাপান

বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে জয়বাংলা ধ্বনিতে মুখর জাপান

বঙ্গবন্ধুর সফরে জাপানের বাড়িয়ে দেওয়া হাত

বঙ্গবন্ধুর সফরে জাপানের বাড়িয়ে দেওয়া হাত

সর্বশেষ

পাকিস্তানি সমর্থকদের ওপর ভারতীয় সমর্থকদের হামলায় দুই ভাই আহত

পাকিস্তানি সমর্থকদের ওপর ভারতীয় সমর্থকদের হামলায় দুই ভাই আহত

পুকুরে নয়, ঝোপের ভেতর হনুমানের গদা দেখিয়ে দিলেন ইকবাল

পুকুরে নয়, ঝোপের ভেতর হনুমানের গদা দেখিয়ে দিলেন ইকবাল

টাইগ্রে অঞ্চলে নতুন অভিযান শুরু ইথিওপিয়ার

টাইগ্রে অঞ্চলে নতুন অভিযান শুরু ইথিওপিয়ার

ইসরায়েলের সঙ্গে আরব দেশের সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত: খামেনি

ইসরায়েলের সঙ্গে আরব দেশের সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত: খামেনি

ম্যানইউকে গোল বন্যায় ভাসালো লিভারপুল

ম্যানইউকে গোল বন্যায় ভাসালো লিভারপুল

© 2021 Bangla Tribune