X
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ৬ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

বিচারপতি আমির হোসেনের জানাজা সম্পন্ন 

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২১, ১৫:২৩

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেনের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের অধিকাংশ বিচারপতি, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হোসেন তালুকদার, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস  কাজলসহ অসংখ্য আইনজীবী অংশ নেন।

জানাজার আগে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান, বিচারপতি আমির হোসেনের ছেলে মোসাব্বির হোসেন রাফি স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন।

এর আগে সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিচারপতি আমির হোসেন মৃত্যুবরণ করেন।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি আমির হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

 

/বিআই/আইএ/

সম্পর্কিত

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

৬ মাস পাওনা টাকা চাইতে পারবেন না ইভ্যালির গ্রাহকরা: হাইকোর্ট

৬ মাস পাওনা টাকা চাইতে পারবেন না ইভ্যালির গ্রাহকরা: হাইকোর্ট

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১০:০৮

রিয়াদুল ইসলাম রিয়াদ (৩৩)। পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। ফেসবুকে পরিচয় হয় এক নারীর সঙ্গে। তারপর বন্ধুত্ব, বন্ধুত্ব থেকে প্রেম। সেখান থেকে ঘনিষ্ঠতা। দুজনই প্রাপ্তবয়স্ক ও কর্মজীবী হওয়ায় রিয়াদকে বিয়ের কথা বলেন নারী। তবে রিয়াদ ‘হ্যাঁ’ বললেও তা বাস্তবতায় রূপ নেয় না। উল্টো এই নারীর সঙ্গে কাটানো ঘনিষ্ঠ সময় বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করেন রিয়াদ। এ নিয়ে সম্পর্কে ধরে ফাটল। এক পর্যায়ে তাদের মাত্র ৩ মাসের সম্পর্ক ভেঙে যায়। এরপর ওই নারী প্রথমে রিয়াদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর করেন ধর্ষণ মামলা। যা কলাবাগান থানা পুলিশ তদন্ত করছে। এখনও পলাতক রয়েছে রিয়াদ।

রিয়াদের বিরুদ্ধে গত ৪ জুলাই ওই নারী কলাবাগান থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২০ সালের শেষের দিকে ফেসবুকের মাধ্যমে নীলফামারীর ছেলে রিয়াদের সঙ্গে তার পরিচয়। রিয়াদ তাকে প্রথমে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। ওই নারী জানান, ‘প্রেম না, বিয়ের কথা ভাবছেন’। গত ফেব্রুয়ারিতে জরায়ুর টিউমারের চিকিৎসার জন্য ভারতে যান, ওই নারী। চিকিৎসা শেষে তিনে ঢাকায় ফিরলে রিয়াদ তাকে খুব যত্ন করেন বলে মামলায় উল্লেখ করেছেন। এসময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর কিছুদিন পর তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন ডকুমেন্টারি কাজের সময় ওই নারীর সঙ্গে রিয়াদ সব জায়গায় যায়। সে বিভিন্নভাবে ওই নারীর বিশ্বাস অর্জন করেন। ওই নারীর অফিস, বাসা সব জায়গায় যাতায়াত ছিল রিয়াদের। গত রমজানে রিয়াদ বেকার হয়ে যান। তখন ওই  নারীকে আরও বেশি সময় দেন। গত মে মাসে ভাইয়ের বিয়ের কথা বলে রিয়াদ ওই নারীর কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা ধার নেয়। পরে বিয়ে আয়োজনের কথা বলে রিয়াদ তার গ্রামের বাড়ি নীলফামারীতে চলে যায়। বাড়ি থেকে ফিরে রিয়াদ ওই নারীকে বিয়ে করবেন বলে তারিখও নির্ধারণ করেছিলেন। তবে রিয়াদ আর বাড়ি থেকে এসে বিয়ে করেননি। এরমধ্যে আরেকজনের সঙ্গে রিয়াদের সম্পর্কের কথা জানতে পারেন ওই নারী। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হন। বিষয়টি জিজ্ঞাস করলে রিয়াদ তা অস্বীকার করেন।

‘গত ২৬ মে রিয়াদ ওই নারীর কলাবাগানের বাসায় আসেন। তাকে সবকিছুর জন্য ‘সরি’ বলেন। ওইদিন কথা বলতে বলতে রাত হয়ে গেলে রিয়াদ ওই নারীর বাসায় থেকে যান। ২৭ মে ভোরে রিয়াদ তাকে ধর্ষণ করেন’- বলে মামলায় অভিযোগ করেন ওই নারী।

২৭ মে সকালে রিয়াদকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে ওই নারীর একজন বান্ধবী। তবে রিয়াদ সময় চেয়ে সেখান থেকে চলে যান। তবে এরপর ওই নারীর সঙ্গে আর যোগাযোগ করেননি রিয়াদ। রিয়াদের মোহাম্মদপুরের বাসায় এবং স্থায়ী ঠিকানায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি ওই নারী।

মানহানির ভয়ে ধর্ষণের ঘটনার পর ওই নারী প্রথমে মামলা করেননি। তিনি ঘটনার প্রায় ১১ দিন পর ৮ জুন কলাবাগান থানায় রিয়াদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে তিনি রিয়াদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেন। ঘটনার এক মাস সাতদিন পর কলাবাগান থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলায় রিয়াদ একমাত্র আসামি। 

ঘটনার ২৫ দিন পর হাসপাতালে মেডিক্যাল রিপোর্টের জন্য গেলেও ধর্ষণের কোনও আলামত মেলেনি বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছে পুলিশকে। তবে আলামত হিসেবে টিস্যু, বিছানার চাদর ও  ট্রাউজার পুলিশকে দিয়েছেন ওই নারী। যার ডিএনএ করা হলে রিয়াদের ধর্ষণের বড় প্রমাণ মিলবে বলে ভুক্তভোগী নারী ও তার বন্ধুরা দাবি করেছেন।

মামলার তিন মাসেও আসামি রিয়াদকে গ্রেফতার করতে পারেনি কলাবাগান থানা পুলিশ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমিত আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। আমরা চেষ্টা করছি দোষীকে গ্রেফতারের।’

ওই নারীকে ঘটনার পর বিভিন্নভাবে কাউন্সেলিং করা হচ্ছে উল্লেখ করে তার এক বান্ধবী বলেন, ‘রিয়াদ যা করেছেন, তারপর থেকেই আমরা বান্ধবী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। সে একবার আত্মহত্যারও চেষ্টা করেছিল। আমরা তাকে চোখে চোখে রাখি। রিয়াদকে আমরা সবাই ভালো মনে করেছিলাম, তবে সে এত বড় প্রতারক তা আমরা বুঝতে পারিনি। আমরা তার বিচার চাই।’

ভুক্তভোগী ওই নারী ‘তালাকপ্রাপ্ত’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘রিয়াদ টার্গেট করে ডিভোর্সি ও কর্মজীবী নারীদের। যাদের কাছ থেকে সে অর্থ হাতিয়ে নিতে পারে।’

রিয়াদের গ্রামের বাড়ি নীলফামারী। তিনি বনানীর একটি সফটওয়্যার ফার্মে চাকরি করতেন।

রিয়াদের বিরুদ্ধে করা ওই নারীর অভিযোগের বিষয়ে জানতে কয়েক দফায় তার মোবাইল নম্বরে কল দিয়ে দুটি নম্বরই বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর তার ছোট ভাই নিসাদের নম্বরে ফোন দিলে তিনি কথা বলেন। নিসাদ ঘটনা সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা ভাই একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। তিনি ভালো চাকরি করতেন। কিন্তু তাকে ব্ল্যাকমেইল করে বিয়ের চেষ্টা করেছিল কলাবাগানের এক ডিভোর্সি নারী। আমরা এটুকু জানি। এরপর ওই নারী প্রথমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে জিডি করেছেন। তারপর এক মাস পর ধর্ষণের মামলা করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের মনগড়া কাহিনী লিখলেও কোনও মেডিক্যাল রিপোর্ট নেই। এসব ঘটনায় তো মেডিক্যাল রিপোর্ট থাকে, তারা মেডিক্যাল রিপোর্ট দেখাক। ওই মামলার পর থেকে আমার ভাইকে আমরাও খুঁজে পাচ্ছি না। আমরা একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান, তারা টাকা পেলে টাকা নিবে, কিন্তু এরকম ধর্ষণের মামলা দেওয়ার কারণ কী?’

/এমআর/ইউএস/

সম্পর্কিত

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০০

করোনার মহামারিতে মক্কা মুকাররমার পবিত্র মসজিদুল হারামে মুসল্লিদের উপস্থিতিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছিল। গত রবিবার (১৭ অক্টোবর) সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারও করা হয়। এখন স্বাভাবিকভাবেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। একই চিত্র দেখা যাচ্ছে মসজিদে নববীতেও।

দীর্ঘদিন পর আপন চেহারায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে কিছু নতুনত্বও এসেছে। মুসল্লিদের তিলাওয়াত ও অধ্যায়নের জন্য স্থাপিত মসজিদের বুকসেলফ ও বইয়ের তাকগুলো সাজানো হয়েছে নতুন সাজে। সংযোজিত হয়েছে বিভিন্ন ভাষার নতুন বই ও পবিত্র কোরআনের তরজমার প্রতিলিপি। এরমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর হলো, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের তিলাওয়াতের জন্য তাকগুলোতে রাখা হয়েছে ব্রেইল বর্ণমালার পবিত্র কোরআনের বেশকিছু প্রতিলিপি। মহৎ কাজটি করেছে সৌদি আরবের সর্ববৃহৎ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান কিং ফাহাদ কোরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স।

এ প্রসঙ্গে মসজিদুল হারামের ‘জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কোরআনস অ্যান্ড বুকস’-এর প্রধান পরিচালক গাজি বিন ফাহাদ আজ জিবইয়ানি জানান, ‘মসজিদে ব্রেইল বর্ণমালার কোরআন শরিফ সরবরাহ করা হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মুসল্লিদের তিলাওয়াতের সুবিধার্থে এর ব্যবস্থা করেছি আমরা।’

পবিত্র হজ ও ওমরাহকারী দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের সময়টা যেন সুন্দরভাবে কাটে সেদিকে লক্ষ্য রেখে দুই মসজিদটির পরিচালনা পর্ষদ এই আয়োজন করেছে বলে জানা গেছে।

 

তথ্যসূত্র: আল মুওআতিন আরবি

/এফএ/

সম্পর্কিত

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

‘বিচার বিলম্ব হওয়ায় মৌলবাদী শক্তি সাহস পাচ্ছে’

‘বিচার বিলম্ব হওয়ায় মৌলবাদী শক্তি সাহস পাচ্ছে’

সাংবাদিক কাজলের বিরুদ্ধে ৩ মামলায় অভিযোগ গঠন পেছালো

সাংবাদিক কাজলের বিরুদ্ধে ৩ মামলায় অভিযোগ গঠন পেছালো

৮০ কোটি টাকায় যেভাবে বদলে যাবে ধূপখোলা মাঠ

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০০

আমূল বদলে যাবে রাজধানীর পুরান ঢাকার ধূপখোলা মাঠ। দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা মাঠটি নিয়ে বড় মাপের কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এটিকে উন্নত বিশ্বের বড় মাঠ ও পার্কের আদলে গড়ে তোলার চিন্তা আছে প্রতিষ্ঠানটির। এরই মধ্যে নকশা তৈরি হয়েছে। শুরু হয়েছে নির্মাণকাজও। এক বছরের মধ্যে যা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ৩০ হাজার ২১০ বর্গমিটার আয়তনের মাঠটিকে কয়েকটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। মাঠে ফুটবল খেলার সব আয়োজনের পাশাপাশি বহুমুখী ভবন, বিনোদন কর্নার, বাস্কেটবল ও ব্যাডমিন্টন কোর্ট, নেট ক্রিকেট, ওয়াকওয়ে, কফি হাউস, ফুড কোর্ট, গ্রিন জোন, বাগান, ওয়াটার বডি, এলইডি লাইটিং, পার্কিং জোনসহ আরও কিছু আধুনিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮০ কোটি টাকা।

ডিএসসিসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাঠের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা ৩৯৪টি দোকান এক জায়গায় নিয়ে আসা হবে। এর জন্য মাঠের এক পাশে প্রায় ৬২ শতাংশ জমিতে পাঁচতলা মার্কেট বানানো হবে। একপাশে থাকবে কফি হাউজ। মাঠ রক্ষণাবেক্ষণেই ব্যয় করা হবে ওটার আয়।

নিরাপত্তায় থাকবেন আনসার বা নিরাপত্তাকর্মীরা। মাঠ পরিচালনায় স্থানীয়দের সমন্বয়ে কমিটি থাকবে। চারপাশে থাকবে সুউচ্চ লোহার নেট। ভেতরে বোনা হবে সবুজ ঘাস।

মাঠের নকশায় ২৮ হাজার ৭১৮ বর্গফুট ওয়াকওয়ে রাখা হয়েছে হাঁটার জন্য। বসার জন্য মার্বেল টাইলসের বেঞ্চ থাকবে। সেটাকে ঘিরে থাকবে ফুল ও ফলের গাছ। ওয়াকওয়ের নিচে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনে থাকবে গভীর ড্রেন। জমা হওয়া পানি ফিল্টারিংয়ের মাধ্যমে মাঠের ঘাসে চলে যাবে।

মাঠে প্রবেশের জন্য প্রায় তিন হাজার ৭৬২ বর্গফুটের তিনটি গেট থাকবে। সাত হাজার ৭৩০ বর্গফুটের একটি বাস্কেটবল কোর্ট ও ৩৩ হাজার ৪৬৩ বর্গফুটের সবুজ এলাকা থাকবে। দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে শিশুদের প্লে-জোনের জন্য রাখা হয়েছে ২৬ হাজার ১৪৫ বর্গফুট জায়গা। এ ছাড়া মার্কেটের বেজমেন্টে ৫৮টি এবং মাঠের কিছু নির্দিষ্ট স্থানে ৩১টি গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা থাকবে।

মাঠটির তিনটি ভাগ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাঠ, ইস্ট এন্ড ক্লাব খেলার মাঠ ও আরেকটি অংশ সবার জন্য উন্মুক্ত। তিনটি অংশের প্রতিটিই আকারে ফুটবল মাঠের সমান। নতুন পরিকল্পনায় মাঠের তিনটি অংশ এক করা হবে। এতে ধূপখোলা হয়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মাঠের চেয়েও বড়। এমনটাই জানালো ডিএসসিসি।

সরেজমিন দেখা গেছে, ধূপখোলা মাঠটি এখন নানামুখী দখলের শিকার। খোলা মাঠটিতে এখনও মাদকসেবীদের আনাগোনা দেখা যায়। জনসাধারণের জন্য রাখা অংশটি গাড়ি রাখার গ্যারেজ হিসেবে ভাড়া দেওয়া হতো। প্রধান তিনটি ফটকের দুটিই ভাঙা। চারপাশের গ্যালারি ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। গ্যালারির ছাদে খোলা স্থানে মলত্যাগও করছে অনেকে। চারপাশে বেশ কয়েক বছর ধরে বসেছে অবৈধ বাজার ও দোকানপাট। সেখান থেকে আসা আবর্জনাও মাঠে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। কোথাও আবার নির্মাণসামগ্রীও রাখা।

মাঠের অপর অংশ ‘ইস্ট এন্ড ক্লাবের খেলার মাঠ’ নামে পরিচিত। স্থানীয়রা জানান, এখানে খেলার টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন তা হচ্ছে না। কোরবানির ঈদে বসতো পশুর হাট, শীতের মৌসুমে মেলা। অনেক সময় বিয়ে-গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানও হতে দেখা গেছে। কিছু অংশ ব্যবহার করা হতো গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য। তবে এসব অপসারণ করে সেখানে এখন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। মার্কেট নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে।

জানতে চাইলে ডিএসসিসির অঞ্চল-৫ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম জয় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ধূপখোলা মাঠটি দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে ছিল। মাঠটিকে বিশ্বমানের করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। চারপাশে থাকা দোকানগুলোকে পাঁচতলা ভবনে নিয়ে আসা হবে।’

এদিকে, ডিএসসিসির মাঠটি নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব রয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, মাঠটি ১৯৮৪ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মাঠের কিছু অংশ শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে মৌখিকভাবে অনুমতি দিয়েছিলেন। তখন থেকে মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে বলে দাবি বিশ্ববিদ্যালয়টির। তবে সিটি করপোরেশন বলছে, মাঠটির প্রকৃত মালিক সিটি করপোরেশন। মাঠের উন্নয়নের পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এটি ব্যবহার করতে পারবে।

এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, ‘এই মাঠ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

 
/এফএ/

সম্পর্কিত

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

ধর্মব্যবসায়ীদের প্রতিহত করতে হবে: মেয়র আতিক

ধর্মব্যবসায়ীদের প্রতিহত করতে হবে: মেয়র আতিক

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ২২:০২

তিন কন্যা সন্তানের জিম্মা চেয়ে জাপানি মা ডা. এরিকো নাকানো ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক ওই শিশুদের বাবা ইমরান শরীফের দায়ের করা পৃথক রিটের শুনানির জন্য আগামী ২৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। একইদিন উভয়পক্ষকে লিখিতভাবে তাদের যুক্তিতর্ক আদালতে দাখিল করতে বলেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে শিশুদের বাবার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ। অন্যদিকে জাপানি মায়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

এর আগে দুই মেয়েকে হাইকোর্টে হাজির করাতে রিট করেছিলেন জাপান থেকে আসা ডা. এরিকো নাকানো। ওই রিটের প্রেক্ষিতে দুই মেয়েকে হাজিরের পর এখন গুলশানের একটি ভাড়া বাসায় দিন ও রাত হিসাব করে এরিকো ও ইমরান শরীফ মেয়েদের দেখাশোনা করছেন।

গত ১৯ আগস্ট শরীফ ইমরানের জিম্মায় থাকা দুই শিশু সন্তানকে ৩১ আগস্ট হাজির করার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন আদালত। শিশুদের মা জাপানি নাগরিক নাকানো এরিকোর করা রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এসব আদেশ দেন।

পরে দুই শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে তাদের মা পৃথক মামলা দায়ের করলে শিশুদের উদ্ধার করে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি। এরপর তাদেরকে তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছিলো।

এরপর শরীফ ইমরানের জিম্মা থেকে দুই শিশু সন্তানকে সিআইডি কর্তৃক উদ্ধারের পর গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে উন্নত পরিবেশে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তাদের মা ও বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বাবা শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন বলেও আদালত সময় বেধে দিয়েছিলেন। এছাড়াও ৩১ আগস্ট শিশুদেরকে হাইকোর্টে হাজির করতে এবং এ সময়ের মধ্যে আদালত উভয়পক্ষের আইনজীবীদের বিষয়টি সমাধান করতে ভূমিকা রাখার প্রচেষ্টা চালাতে পরামর্শ দিয়েছিলেন।

গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশি বাবা ও জাপানি মায়ের দুই শিশুকে তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিবর্তে গুলশানস্থ বাসায় একসঙ্গে ১৫ দিন বসবাস করার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ঢাকার সমাজ সেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক পদের একজনকে বিষয়টি তদারকির নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ডিএমপি কমিশনারকে তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়।

ওই সময়ের মধ্যে তাদেরকে বিষয়টির সুরাহা করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন আদালত। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় দুপক্ষের আইনজীবীদের আলোচনায় বসার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। তবে এ বিষয়ে কোন সুরাহা না হওয়ায় মামলাটি পুনরায় শুনানিতে ওঠে।

এদিকে জাপানে থাকা তার তৃতীয় ছোট কন্যাকে হাজির করানোর ও দেখা করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে পৃথক আরেকটি রিট দায়ের করেন শিশুদের বাবা ইমরান শরীফ।

/বিআই/এমএস/

সম্পর্কিত

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

৬ মাস পাওনা টাকা চাইতে পারবেন না ইভ্যালির গ্রাহকরা: হাইকোর্ট

৬ মাস পাওনা টাকা চাইতে পারবেন না ইভ্যালির গ্রাহকরা: হাইকোর্ট

যৌনকর্মীদের খুনের নেপথ্যে তাদের ‘বাবুরা’

যৌনকর্মীদের খুনের নেপথ্যে তাদের ‘বাবুরা’

ধর্মব্যবসায়ীদের প্রতিহত করতে হবে: মেয়র আতিক

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ২১:৫০

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে ধর্মব্যবসায়ীদের প্রতিহত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত উত্তরা আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে প্রণোদনা সহযোগিতা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে, এ বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

আতিকুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে, প্রতিষ্ঠা করতে হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা।

ডিএনসিসি মেয়র প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে উত্তরা আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে ভালবাসার প্রণোদনা হিসেবে ৭ লাখ টাকার একটি চেক তুলে দেন।

এই প্রণোদনায় ডিএনসিসির মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ২ লাখ টাকা, ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. আফসার উদ্দিন ১ লাখ টাকা, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. ইসহাক মিয়া ১ লাখ টাকা, ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. জয়নাল আবেদীন ৫০ হাজার টাকা, ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. জাইদুল ইসলাম মোল্লা ৫০ হাজার টাকা, ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ডিএম শামীম ৫০ হাজার টাকা এবং ১, ১৭ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর হাছিনা বারী চৌধুরী ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন।

/এসএস/এমএস/

সম্পর্কিত

ভবনে ৬ মাসের মধ্যে সেপটিক ট্যাংক না বসালে ব্যবস্থা: মেয়র আতিক

ভবনে ৬ মাসের মধ্যে সেপটিক ট্যাংক না বসালে ব্যবস্থা: মেয়র আতিক

রূপনগর খাল পুনরুদ্ধারে ডিএনসিসির অভিযান

রূপনগর খাল পুনরুদ্ধারে ডিএনসিসির অভিযান

‘নতুন ওয়ার্ডে একটি করে রাস্তা নির্মাণ শুরু ২০ নভেম্বর’ 

‘নতুন ওয়ার্ডে একটি করে রাস্তা নির্মাণ শুরু ২০ নভেম্বর’ 

ডিএনসিসি এলাকায় ১১ মামলায় ৫ লাখ টাকা জরিমানা

ডিএনসিসি এলাকায় ১১ মামলায় ৫ লাখ টাকা জরিমানা

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

৬ মাস পাওনা টাকা চাইতে পারবেন না ইভ্যালির গ্রাহকরা: হাইকোর্ট

৬ মাস পাওনা টাকা চাইতে পারবেন না ইভ্যালির গ্রাহকরা: হাইকোর্ট

যৌনকর্মীদের খুনের নেপথ্যে তাদের ‘বাবুরা’

যৌনকর্মীদের খুনের নেপথ্যে তাদের ‘বাবুরা’

মণ্ডপে হামলার উসকানিদাতা মাওলানা রহিম বিপ্লবী গ্রেফতার

মণ্ডপে হামলার উসকানিদাতা মাওলানা রহিম বিপ্লবী গ্রেফতার

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ১১ মামলার শুনানি ২২ নভেম্বর

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ১১ মামলার শুনানি ২২ নভেম্বর

কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে চাঁদা বা অর্থ সহায়তা না নেওয়ার নির্দেশ

কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে চাঁদা বা অর্থ সহায়তা না নেওয়ার নির্দেশ

সামিয়া রহমানের গবেষণা জালিয়াতি সংক্রান্ত সব নথি হাইকোর্টে

সামিয়া রহমানের গবেষণা জালিয়াতি সংক্রান্ত সব নথি হাইকোর্টে

বদরুন্নেসার সহকারী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

বদরুন্নেসার সহকারী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

সর্বশেষ

চীনের আক্রমণ থেকে তাইওয়ানকে রক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের আক্রমণ থেকে তাইওয়ানকে রক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

ফারহান ও ফারিণ দম্পতির গল্প...

ফারহান ও ফারিণ দম্পতির গল্প...

হাটহাজারীতে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার

হাটহাজারীতে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার

© 2021 Bangla Tribune