X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

ই-কমার্সে লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নেই কেন?

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৬

মুন্সিজি ডট কমের হাত ধরে বাংলাদেশ ২০০০ সালে প্রথম ই-কমার্স জগতে প্রবেশ করে। সে সময় ই-কমার্সের পোশাকি নাম ছিল ‘অনলাইন স্টোর’। এরও অনেক পরে এসে দেশে ই-কমার্স ডালপালা মেললো, শক্ত ভিত পেলো, কিন্তু কখনোই ই-কমার্স খাতের কোনও অভিভাবক ছিল না। আজ এতদিনেও ই-কমার্সের কোনও লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নেই। খাত-সংশ্লিষ্টদের আশা— নিয়মতান্ত্রিক উদ্যোগ, লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ গঠন, শক্ত মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা, মার্কেট পুনর্নির্মাণ, ক্রেতাদের আস্থা ফিরিয়ে আনার মতো উদ্যোগ নিলে ই-কমার্স খাত আবারও ঘুরে দাঁড়াবে। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কিছুদিন আগে গঠন করেছে ‘ডিজিটাল কমার্স সেল’। অপরদিকে আছে ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের সংগঠন ই-ক্যাব। সফটওয়্যার ও সেবাপণ্য নির্মাতাদের সংগঠন বেসিস ২০১৫ সালে ‘বেসিস ই-কমার্স অ্যালায়েন্স’ গঠন করলেও সংগঠনটির তেমন কোনও সক্রিয় কার্যক্রম চোখে পড়েনি। ফলে ই-কমার্স খাতের সাম্প্রতিক সময়ের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে— তাহলে এই খাতের অভিভাবক কে? 

জানা গেছে, দেশে ই-কমার্সের জন্য ট্রেড লাইসেন্স নিলেই হয়। যদিও ট্রেড লাইসেন্সে ‘ই-কমার্স’ নামে কোনও অপশন নেই। আইটি ব্যবসা বা কোনও ব্যবসার কথা লিখে ব্রাকেটে ই-কমার্স লিখতে হয়। অপরদিকে সরকারের যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদফতর (আরজেএসসি) থেকে কোম্পানি নিবন্ধন নিয়েও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান চালু করা যাচ্ছে। ফলে কোথাও সরাসরি ই-কমার্স নিয়ে কাজ হচ্ছে না। সরকার বছর তিনেক আগে ‘ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা-২০১৮ (সংশোধিত -২০২১)’ করেছে। সংশোধিত নীতিমালা অনুসারে ই-কমার্স পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও সবাই তা মানেছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।     

দেশের সফটওয়্যার ও সেবাপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন বেসিসের সাবেক সভাপতি ও ই-কমার্স উদ্যোগ ‘আজকের ডিলের’ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফাহিম মাশরুর এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ই-কমার্সের জন্য নতুন কোনও লাইসেন্স করার প্রয়োজন নেই। লাইসেন্স করলে এই খাতে যে হাজার হাজার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা আছে, তাদের খরচ বাড়বে।’

তিনি বলেন, ‘যা দরকার সেটা হচ্ছে— বিদ্যমান আইনের প্রয়োগ বাড়াতে হবে। প্রতারণা ঠেকানোর জন্য অনেক আইন আছে, তার প্রয়োগ করতে হবে। বেশিরভাগ প্রতারণা ঘটে অ্যাডভান্স পেমেন্ট ব্যবহার করে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংককে দায়িত্ব নিতে হবে, যাতে কোনও পেমেন্ট অ্যাডভান্স নেওয়া হলে, সেটার ডেলিভারির আগে পর্যন্ত টাকা কোম্পানিগুলোর অ্যাকাউন্টে না দেওয়া হয়। সবচেয়ে বেশি দরকার— যেসব কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নিয়ে উদাহরণ তৈরি করা। যাতে অন্যরা তাদের অনুসরণ করতে না পারে।’

এদিকে ভিন্নমত পোষণ করেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান প্রিয়শপ ডট কমের প্রধান নির্বাহী আশিকুল আলম খাঁন। তিনি বলেন, ‘সারাবিশ্বে প্রি-পেমেন্ট সিস্টেম আছে, আমাদের দেশে সমস্যার কারণে বন্ধ করতে যাচ্ছি। কয়েকজন করাপটেড ই-কমার্স উদ্যোক্তার কারণে আজ এমনটা হয়েছে। মার্কেট নষ্ট হচ্ছে। তবে আমি মনে করি, এখনও সব শেষ হয়ে যায়নি। এখনও ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে।’  তিনি আরও বলেন, ‘ই-কমার্সে ক্রেতাদের আস্থা ভীষণভাবে নষ্ট হয়েছে। সেটা পুনরুদ্ধার করতে সময় লাগবে। এ সময়ে মনিটরিং বাড়াতে হবে।’

তিনি মনে করেন, শুধু ডিজিটাল কমার্স সেল থাকলেই হবে না। প্রয়োজন লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষও। তাহলে ই-কমার্স নিয়ে এখন যা হচ্ছে, সেসব হতো না।

লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ থাকা প্রয়োজন কিনা সে বিষয়ে জানতে চাইলে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, ‘‘অ্যাসোসিয়েশন হিসেবে আমরা মনে করি, ট্রেড লাইসেন্সে ‘ই-কমার্স’ নিয়ে একটা আলাদা ক্যাটাগরি করা যেতে পারে। তাহলে ই-কমার্সের জন্য ইতিবাচক হয় বিষয়টি। আমরা আরও মনে করি, দুই-একটি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির দায় কেন সব ই-কমার্সকে নিতে হবে। বড় বড় প্রতিষ্ঠান, যারা এ ধরনের দুর্নীতি করে বা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া, শক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পৃথক নিয়ম কানুন করা যেতে পারে।’ তিনি মনে করেন, সরকারের উচিত ই-কমার্সের এন্ট্রিটাকে আরও সহজ করা। কঠিন হলে এ খাতে উদ্যোক্তারা আসতে উৎসাহী হবে না।

নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা বলেন, এ দেশে কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানেরও লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ আছে। অথচ যে কুরিয়ার সেবা প্রতিষ্ঠান ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবা গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়, তাদের কোনও কর্তৃপক্ষ নেই। এটা থাকা দরকার। অনেক সময় পার হয়ে গেছে। তার বিশ্বাস, লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ থাকলে ই-কমার্স খাতে এ ধরনের নৈরাজ্য চলতো না। অভিযোগ উঠলে লাইসেন্স হারানোর ভয় থাকতো, কর্তৃপক্ষের কাছে জমা রাখা বন্ড এনক্যাশমেন্ট’র (নগদায়ন) ভয় থাকতো। ফলে একটা চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স থাকতো।

/এপিএইচ/ইউএস/

সম্পর্কিত

ইভ্যালিকাণ্ডে ই-কমার্সে আস্থার সংকট চরমে

ইভ্যালিকাণ্ডে ই-কমার্সে আস্থার সংকট চরমে

‘ফেসবুক প্রটেক্ট’ কেন প্রয়োজন?

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৯:২৭

ফেসবুক আইডি প্রটেক্টেড না থাকলে বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) থেকে তা লক হয়ে যাবে। এমনই একটি গুঞ্জন ছড়িয়েছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তবে সামাজিক মাধ্যমে এটি ছড়ালেও নির্ভরযোগ্য কোনও গণমাধ্যমে এটি নিয়ে কোনও সংবাদ এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। তাহলে এর সত্যতা কতটুকু?

ফেসবুক আইডি লক হয়ে যেতে পারে অবশ্যই, তবে তা শুধু প্রটেক্ট বা আনপ্রটেক্ট থাকার কারণে নয়, বরং যেকোনও কারণেই হতে পারে। আর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট প্রটেক্ট করার সুবিধাটি সব ব্যবহারকারীকে দেওয়াও হয়নি। এই সুবিধাটি বিশেষ করে তাদের— যারা নির্বাচনে প্রার্থী, তাদের প্রচারণা কর্মী এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এমন ব্যক্তিদের। এভাবেই উল্লেখ করা আছে ফেসবুকের ওয়েব সাইটে।

অ্যাকাউন্ট ঝুঁকিতে থাকার কারণে বিশেষত হ্যাকিংয়ের সম্ভাবনা থাকার কারণে ফেসবুক এই সুবিধাটি চালু করেছে। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়। ব্যবহারকারী চাইলে এটি চালু করে নিতে পারেন। তবে এটি চালু থাকলে আইডিটি ফেসবুকের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারিতে থাকে বলে অ্যাকাউন্টটি তুলনামূলক নিরাপদ বলা যায়।

আর অন্য যেসব কারণে যে কারও অ্যাকাউন্ট লক হয়ে যেতে পারে, তা হলো ফেসবুক ব্যবহারের শর্তাবলী না মানলে। এর মধ্যে রয়েছে— ফেসবুকে ভুয়া নাম ব্যবহার করলে, অন্য কারও পরিচয়ে অ্যাকাউন্ট খুললে, অবৈধ কিছু পোস্ট করলে, কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘন করলে, কিংবা কাউকে হয়রানি করলে ইত্যাদি। মূলত ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে শর্তের লঙ্ঘন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ যখনই খুঁজে পাবে, তখনই সেই অ্যাকাউন্ট লক করে দেবে।

আর ফেসবুকের শর্তে এমন কোনও কথা পাওয়া যায়নি, যেখানে বলা আছে— অ্যাকাউন্ট প্রটেক্ট না করলে তা সাময়িক বা স্থায়ীভাবে লক হয়ে যেতে পারে। আবার নির্ভরযোগ্য কোনও সূত্রেও এমন কোনও কথা পাওয়া যায়নি।

/এইচএএইচ/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

মোবাইল গেমিংয়ের বাজারে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ

মোবাইল গেমিংয়ের বাজারে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ

তবু আয় বাড়ছে ফেসবুকের

তবু আয় বাড়ছে ফেসবুকের

নভেম্বরে তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্ব আসর বসছে ঢাকায়

নভেম্বরে তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্ব আসর বসছে ঢাকায়

বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ডের নিবন্ধন শুরু

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৭

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়ার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) উদ্যোগে সপ্তমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড-২০২১।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর কাওরান বাজারের বেসিস অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীরের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ফারহানা এ রহমান, বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড-২০২১ -এর আহ্বায়ক ও বেসিস পরিচালক রাশাদ কবির, সহ-সভাপতি মুশফিকুর রহমান, ব্যাংক এশিয়ার সিনিয়র কার্যনির্বাহী সহ-সভাপতি ও আন্তর্জাতিক বিভাগীয় প্রধান জিয়া আরফিন প্রমুখ। 

শুরুতে বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড-এর আহ্বায়ক রাশাদ কবির বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড আয়োজন ও প্রস্তুতিবিষয়ক নানা দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিচারকদের মাধ্যমে ধাপে ধাপে দুটি ভাগে ১০০টি পুরষ্কার প্রদান করা হবে। এরমধ্যে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে থাকবে ২০টি এবং ব্যক্তি পর্যায়ে ৮০টি।

বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, সরকার ২০২৫ সাল নাগাদ ৫ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ইতিমধ্যে এ খাতে অর্জিত আয়ের ওপর ১০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা চালু করেছে। তিনি এই প্রণোদনা ২০ শতাংশে উন্নীত করার অনুরোধ জানান।

বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও নিবন্ধন করা যাবে এই  https://outsourcingaward.basis.org.bd/ লিংকে গিয়ে।

 

/এইচএএইচ/এমআর/

সম্পর্কিত

‘ফেসবুক প্রটেক্ট’ কেন প্রয়োজন?

‘ফেসবুক প্রটেক্ট’ কেন প্রয়োজন?

হোয়াটসঅ্যাপের হিস্টোরি পিক্সেলেও স্থানান্তর করা যাবে

হোয়াটসঅ্যাপের হিস্টোরি পিক্সেলেও স্থানান্তর করা যাবে

ডিজিটাল আইনের অপব্যবহার হয়: মোস্তাফা জব্বার

ডিজিটাল আইনের অপব্যবহার হয়: মোস্তাফা জব্বার

রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব নিয়ে কী বলছে টুইটার?

রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব নিয়ে কী বলছে টুইটার?

হোয়াটসঅ্যাপের হিস্টোরি পিক্সেলেও স্থানান্তর করা যাবে

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:২৫

স্যামসাং গ্যালাক্সির মাধ্যমে হোয়াসটঅ্যাপের হিস্টোরি  আইওএসে স্থানান্তরের সুবিধা চালু করার পর এর পরিধি এখন আরও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে হোয়াটসঅ্যাপের সম্পূর্ণ মেসেজ হিস্টোরি, ভয়েস মেমো, ছবি ও ভিডিও সবই আইফোন থেকে অ্যান্ড্রয়েডে স্থানান্তর করা যাবে।

তবে এই ফিচারটি এ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল স্যামসাং ডিভাইসে অন্তত অ্যান্ড্রয়েড ১০ অথবা তার ওপরে থাকলে। এখন এই সীমাবদ্ধতা উঠেছে অ্যান্ড্রয়েড ১২-তে। এর অর্থ দাঁড়ায় এই মুহূর্তে যাদের গুগল পিক্সেল ডিভাইস রয়েছে শুধু তারাই পারবে।

অবশ্য গুগল জানিয়েছে শিগগিরই তারা অন্যান্য স্মার্টফোনেও নতুন ওএস অ্যান্ড্রয়েড-১২ চালু করবে।

তবে এই প্রক্রিয়াটি অন্যান্য চ্যাট অ্যাপের মতো অতটা সহজ নয়। এজন্য দুটো ফোনকে লাইটেনিং ইউএসবি ক্যাবল দিয়ে সংযোগ করতে হবে। প্রথমবার সেটআপের জন্য কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে।

/এইচএএইচ/এমআর/

সম্পর্কিত

হোয়াটসঅ্যাপে আসছে প্রোফাইল পিকচার লুকানোর ফিচার

হোয়াটসঅ্যাপে আসছে প্রোফাইল পিকচার লুকানোর ফিচার

হোয়াটসঅ্যাপের ব্যাকআপেও এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন

হোয়াটসঅ্যাপের ব্যাকআপেও এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন

হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হলে আবেদন করবেন যেভাবে

হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হলে আবেদন করবেন যেভাবে

স্বয়ংক্রিয়ভাবে হোয়াটসঅ্যাপ লগআউট হয়ে যেতে পারে যে কারণে

স্বয়ংক্রিয়ভাবে হোয়াটসঅ্যাপ লগআউট হয়ে যেতে পারে যে কারণে

ডিজিটাল আইনের অপব্যবহার হয়: মোস্তাফা জব্বার

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৩৬

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ‘ডিজিটাল আইনের অপব্যবহার হয়। কিন্তু এর অপব্যবহার হওয়া উচিত নয়। যারা এটি প্রয়োগের সঙ্গে যুক্ত তারা সচেতন থাকলে অপব্যবহার হবে না। তবে কোথাও অপব্যবহার হলে এবং আমাদের কাছে অভিযোগ এলে আমরা তা গুরত্ব দিয়ে দেখবো।’ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন। বুধবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোটার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) কার্যালয়ে সংগঠনটি আয়োজিত সংলাপে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। 

দেশে ডিজিটাল বিপ্লবের শুরু, ডিজিটাল বাংলাদেশ আন্দোলন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, সোসাইটি ৫.০, বিশ্বের ৮০টি দেশে সফটওয়্যার রফতানি, দেশে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ উৎপাদন, দেশে মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশ মোবাইল ফোনের উৎপাদন, মোবাইল ফোনের কল ড্রপ, নেটওয়ার্ক সমস্যা, ফোরজি নেটওয়ার্ক, ফাইভজি প্রযুক্তি ইত্যাদি বিষয়ে কথা বলেন মোস্তাফা জব্বার। তিনি উল্লেখ করেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে আমরা পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভজি চালু করবো। টেলিটক ঢাকার ৫ বা ১০টি সাইটে ভাইভজি চালু করবে।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে প্রশ্নে মন্ত্রীর উত্তর, ‘আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় আছি। আমি আগেও বলেছি, এখনও বলি- আমরা যত ডিজিটাল হচ্ছি, ততই ডিজিটাল খাতে ঝুঁকিপর্ণ হয়ে পড়ছি।’

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানান, কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার ঘটনায় ৩০০টি লিংকের বিরুদ্ধে ফেসবুকের কাছে রিপোর্ট করে সরকার। সেগুলোর মধ্যে ২৬৪টি বন্ধ করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। কুমিল্লার ঘটনার পর ফেসবুককে কড়া ভাষায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। 

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রীর ভাষ্য, ‘আমরা ফেসবুকের ভিডিও, ছবি ও লাইভ বন্ধ করতে পারবো এমন সক্ষমতা অর্জন করেছি। আমরা চাইলে কঠোর হয়ে ফেসবুক ও ইউটিউব বন্ধ করে দিতে পারি। তখন সবাই ভিপিএন (ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক) প্রযুক্তি দিয়ে এগুলোতে ঢুকবে। তখন ভিপিএন বন্ধের দাবি উঠবে। ভিপিএন বন্ধ করলে ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে সমস্যা তৈরি হবে। তাই আমরা এসব বন্ধ করবো না। প্রযুক্তি দিয়েই আমরা প্রযুক্তিকে মোকাবিলা করবো। মাথাব্যথা হলে আমি মাথা কেটে ফেলার পক্ষে নই।’

সংলাপে বক্তব্য রাখেন বিএসআরএফ সভাপতি তপন বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।

/এইচএএইচ/জেএইচ/

সম্পর্কিত

‘ফেসবুক প্রটেক্ট’ কেন প্রয়োজন?

‘ফেসবুক প্রটেক্ট’ কেন প্রয়োজন?

বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ডের নিবন্ধন শুরু

বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ডের নিবন্ধন শুরু

হোয়াটসঅ্যাপের হিস্টোরি পিক্সেলেও স্থানান্তর করা যাবে

হোয়াটসঅ্যাপের হিস্টোরি পিক্সেলেও স্থানান্তর করা যাবে

রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব নিয়ে কী বলছে টুইটার?

রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব নিয়ে কী বলছে টুইটার?

রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব নিয়ে কী বলছে টুইটার?

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:১১

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ডানপন্থীরা তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাচ্ছে। দেখা গেছে, টুইটারের অ্যালগরিদম বামঘেঁষা দলগুলোর চেয়ে ডানঘেঁষা দলগুলোর টুইট ও অন্যান্য খবরাখবর বেশি পরিমাণে ব্যবহারকারীদের কাছে তুলে ধরছে। নিজেদের এক গবেষণায় তারা এ তথ্য জানিয়েছে।

অবশ্য সংস্থাটি দাবি করছে যে, তারা এর কার্যকরণ এখনও ধরতে পারছে না। অ্যালগরিদমের এই বিপত্তি ইতোমধ্যে তাদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

টুইটার বিশ্বের ৭টি দেশের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা, জাপান ও স্পেন) রাজনৈতিক দলগুলো ও তাদের কর্মীদের টুইট পর্যবেক্ষণ করেছে। গত বছরের ১ এপ্রিল থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত করা লাখ লাখ টুইট বিশ্লেষণ করে তারা এই অ্যালগরিদম-বিভ্রাট সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছে।

টুইটারের মেটা টিম জানিয়েছে, অ্যালগরিদমের এই বিস্ময়কর ব্যাপারটির কারণ অনুসন্ধান করা কোম্পানিটির পরবর্তী লক্ষ্য। এ-সংক্রান্ত কোনও প্রশ্নের উত্তর এখন পর্যন্ত তাদের কাছে নেই।

গবেষকেরা ধারণা করছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের কৌশলের পার্থক্যই হয়তো তাদের করা টুইটগুলোর প্রচার-প্রসারের পার্থক্যের একটা কারণ হতে পারে। তারা আরও বলছেন, টুইটারের অ্যালগরিদম উগ্রবাদীদের রাজনৈতিক মতাদর্শকে লালন করে, গবেষণা এমনটা বলে না

সূত্র: বিবিসি

 

/এইচএএইচ/আইএ/

সম্পর্কিত

টুইটারের স্পেসেস এখন সবার জন্য উন্মুক্ত

টুইটারের স্পেসেস এখন সবার জন্য উন্মুক্ত

স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‌‌‌‌‌‘আর্কাইভ’ হয়ে যাবে টুইটার পোস্ট

স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‌‌‌‌‌‘আর্কাইভ’ হয়ে যাবে টুইটার পোস্ট

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ইভ্যালিকাণ্ডে ই-কমার্সে আস্থার সংকট চরমে

ইভ্যালিকাণ্ডে ই-কমার্সে আস্থার সংকট চরমে

সর্বশেষ

প্রেমিকাকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির: র‌্যাব

প্রেমিকাকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির: র‌্যাব

‘চোখ খুইল্লা লা’ স্লোগান দিয়ে নৌকার গণসংযোগে হামলার অভিযোগ

‘চোখ খুইল্লা লা’ স্লোগান দিয়ে নৌকার গণসংযোগে হামলার অভিযোগ

পুলিশ সুপারকে ডিআইজি পরিচয়ে ফোন দিয়ে ধরা

পুলিশ সুপারকে ডিআইজি পরিচয়ে ফোন দিয়ে ধরা

‘সিনহা হত্যা মামলার আসামিরা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিয়েছিল’

‘সিনহা হত্যা মামলার আসামিরা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিয়েছিল’

শপথ নিলেন বাগেরহাটের নবনির্বাচিত ৬৬ ইউপি চেয়ারম্যান

শপথ নিলেন বাগেরহাটের নবনির্বাচিত ৬৬ ইউপি চেয়ারম্যান

© 2021 Bangla Tribune