X
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ৬ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

মেয়াদ শেষ, ছাত্রদল এখনও ‘আংশিক’

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২৫

চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে (১৯ সেপ্টেম্বর) ছাত্রদলের বর্তমান কেন্দ্রীয় সংসদের মেয়াদ শেষ হবে। ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সরাসরি ভোটে সংগঠনের সভাপতি হিসেবে ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন ইকবাল হোসেন শ্যামল। এর ২ মাস পর ৬০ সদস্যের ‘আংশিক’ কমিটি ঘোষিত হলেও এখনও তা ‘আংশিকই’ রয়ে গেছে।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের কয়েকজন নেতার সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, সংগঠনের অভিভাবক পর্যায় থেকে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার নির্দেশনা থাকলেও ‘আংশিক কমিটি’র টার্গেট এখন মেয়াদ দীর্ঘায়িত করা। আর এ কারণে সংগঠনে গতি আনার লক্ষে প্রতিষ্ঠিত ‘বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমে’র প্রস্তাবেও নজর দেওয়া হচ্ছে না। থেমে আছে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের কমিটি গঠনের কাজ।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সম্পাদকমণ্ডলীর একাধিক সদস্য জানান, রাজধানীর বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—ঢাকা কলেজ, তিতুমীর কলেজ, সরকারি কবি নজরুল কলেজ, বাঙলা কলেজসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কমিটি গঠনের বিষয়ে ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম-ক মতামত দিলেও এখনও এসব কমিটিগুলো দিতে পারেনি সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব। এ ছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিটের কমিটি গঠন হয়নি।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম-ক এর টিম প্রধান হাফিজুর রহমান হাফিজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মহানগরের অধীনে থাকা কিছু কলেজ কমিটির কাজ শেষ হয়েছে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটিগুলো জমা দিয়েছিলাম, সেগুলো ওভাবেই আছে। এটা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিবেচনা করে দেবেন। মহানগর কমিটি করার কাজ ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নিজেরাই দায়িত্ব নিয়ে কমিটি দিয়েছেন।  

হাফিজুর রহমান জানান, প্রায় আট-নয় মাস আগে সাংগঠনিক টিমের প্রস্তাবে ঢাকা কলেজ, বাঙলা কলেজ, তিতুমীর কলেজ, কবি নজরুল কলেজগুলো ছিল। ইডেন কলেজের কমিটি আগেই হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের কাজগুলো করে দিয়েছি। পরের কাজ সভাপতি, সেক্রেটারি ঠিক করবেন। আর বাস্তবতা হচ্ছে, পাশাপাশি কাজ করলেও সবাই সমান অবজারভেশন দিতে পারবে- বিষয়টা তো এমন না। যে কারণে তারা কী চিন্তা করছেন, সেটা সভাপতি-সেক্রেটারি বলতে পারবেন।’

কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের প্রধান ও ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জাকিরুল ইসলাম জাকির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অধীনস্থ সকল ইউনিট কমিটি জমা হয়েছে। জেলা কমিটি জমা হয়েছে, খুব দ্রুত প্রকাশ পাবে। কুমিল্লা মহানগরীর ২৭ ওয়ার্ড জমা পড়েছে কেন্দ্রে। কুমিল্লা দক্ষিণের ছাব্বিশটা ইউনিটের দশটি প্রকাশিত হয়েছে। বাকি ১৬টি ইউনিট জমা দেওয়া হবে। করোনার কারণে দেরি হয়েছে।’

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়ে বদ্ধপরিকর ছিলেন। ওই সময় সংগঠনে নির্বাচিত নেতৃত্বের কারণে আশাপ্রদ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও দিনে দিনে বর্তমান কমিটির সমালোচনা বাড়তে থাকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন যুগ্ম সম্পাদক বলেছেন, বর্তমান কমিটির নেতৃত্বে সাংগঠনিক কমিটি হয়েছে দশটি। এই কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সারা দেশে অন্তত ১৪ শ’ কমিটি হয়েছে। কিন্তু তৃণমূল থেকে বাণিজ্যের অভিযোগে পুরো প্রক্রিয়াটি প্রশ্নবিদ্ধ। এনিয়ে সংগঠনের অভ্যন্তরে নানা অভিযোগ করেও প্রতিকার পাওয়া যায়নি। 

তবে কেন্দ্র জানিয়েছে, সারা দেশে গতকাল (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত অন্তত পনের শ’ কমিটি হয়েছে। জেলার ৪০টি কমিটিও রয়েছে এই তালিকায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি হলেও সমন্বয় নেই। এখন পর্যন্ত এসএম হলের কমিটি দিতে পারেনি বর্তমান নেতৃত্ব।

কেন্দ্রীয় সংসদের আরেক নেতা বলেন, বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদকের মূল নজর এখন পরের ধাপে সভাপতি হওয়ার। ফলে সাংগঠনিক কাজে তিনি এখন সময়ক্ষেপণ করছেন। যদিও তিনি এ বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। সাধারণ সম্পাদকের ভাষ্য, পরের ধাপের বিষয় নিয়ে সংগঠনের অভিভাবক থেকে যা চিন্তা করা হবে সেটাই তিনি মেনে নেবেন।

বিএনপির প্রভাবশালী একজন দায়িত্বশীল বলেন, ছাত্রদল বিএনপির কাজের সহযোগী হিসেবে কাজ করে। মিটিং-মিছিল করে, কিন্তু মূল যে কাজ- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থী, সেখানেই তারা নেই। তবে, কেবল সময় দিয়ে বর্তমান কমিটিকে বিবেচনা করা ঠিক হবে না বলেও জানান এই দায়িত্বশীল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, ‘দীর্ঘ ২০ বছরের জঞ্জাল সরাতে সক্ষম হয়েছি আমরা। পূর্ণাঙ্গ কমিটি ও ঢাকার কতগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটি ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দিতে পারবো বলে আশা করছি। পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়ার বিষয়ে আপ্রাণ চেষ্টা করছি।’

/এনএইচ/

সম্পর্কিত

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

রাজশাহী-রংপুর বিভাগে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

রাজশাহী-রংপুর বিভাগে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৫

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সরকার প্রতিমুহূর্তে জনগণকে বিভ্রান্ত ও বিভাজন করার চেষ্টায় আছে। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি ও বিপক্ষের শক্তি এবং গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি ও বিপক্ষের শক্তি কথা বলেছেন তারা। এখন ধর্মীয় বিভাজন তৈরি করছে।’ শুক্রবার (২২ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ লেবার পার্টির ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুলের ভাষ্য, ‘দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, আমরা ভোট দিতে পারি না, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে; আমাদের অনেক সমস্যা। এর সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সংকট তৈরি করেছে সরকার। এটা তো পরিষ্কার যে, সরকারি মদদ ছাড়া সাম্প্রদায়িকতা তৈরি হয় না।’ 

সরকারকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি মহাসচিবের মন্তব্য, ‘সবাই সবার ধর্ম পালন করবে, এটাই তো বাংলাদেশ। কিন্তু আপনারা কী করছেন? পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করছেন।’

জ্যেষ্ঠ এই রাজনীতিবিদের কথায়, ‘জনগণের ঐক্য ছাড়া ফ্যাসিস্ট সরকার সরানো যাবে না। গণতন্ত্র উদ্ধারে সবাইকে এক হওয়ার আহ্বান জানাই।’

আলোচনা সভায় আরও ছিলেন ২০ দলীয় জোটের নজরুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ অনেকে।

/জেডএ/জেএইচ/

সম্পর্কিত

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

সব অপকর্মের জবাবদিহি করতে হবে সরকারকে: মির্জা ফখরুল

সব অপকর্মের জবাবদিহি করতে হবে সরকারকে: মির্জা ফখরুল

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

সরকারের পদত্যাগ চায় বামজোট

সরকারের পদত্যাগ চায় বামজোট

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৮:২২

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘কুমিল্লার পূজামণ্ডপের ঘটনায় আটক ইকবালকে “ভবঘুরে” আখ্যা দিয়ে তার অপরাধ বা পরিস্থিতিকে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই। এখন দেখা যাচ্ছে, কোরআন অবমাননার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি হিন্দু নয়, মুসলমান। কিন্তু এখন আর তথাকথিত ধর্মপ্রেমীদের মুখে কথা নেই। আমরা প্রথম থেকে বলে এসেছি, সব ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত। আটক ইকবালের পেছনে কারা আছে সেটা উদঘাটন করতে হবে।’

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বরিশালের উজীরপুর উপজেলার ধামুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর উজীরপুর উপজেলার এক কর্মী সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মেনন বলেন, ‘দেশের তরুণ সমাজ সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, অথচ তাদের মধ্যেই এখন সাম্প্রদায়িক মানসিকতার বিকৃতি ঘটেছে। স্বাধীনতার পরে রাষ্ট্রীয় মদদে মানুষের মধ্যে যে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের শুরু হয়, তাই আজ ফুলে-ফলে পল্লবিত হয়ে গোটা সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক বৈষম্য, লুটপাট, দুর্নীতি, বেকারত্ব জনমনে যে হতাশার সৃষ্টি করেছে, এর ফলে যুব সমাজ ধর্মবাদী-মৌলবাদী-জঙ্গিবাদী প্রচারণায় বিভ্রান্ত হচ্ছে। এর থেকে পরিত্রাণের উপায় যুবসমাজের কর্মের নিশ্চয়তার দাবিকে অভিন্ন দাবিতে ঐক্যবদ্ধ করে তাদের অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করা। যুবমৈত্রী অতি জরুরি কাজ, তা এখন আরও জোরদার করতে হবে।’

উপজেলা যুব মৈত্রীর সভাপতি জাহিদ হোসেন খান ফারুকের সভাপতিত্বে কর্মীসমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর বরিশাল জেলার সভাপতি ফায়জুল হক বালী ফারাহীন ও যুব মৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. জহুরুল ইসলাম টুটুল।

 

/এসটিএস/আইএ/

সম্পর্কিত

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি প্রজন্ম '৭১-এর

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি প্রজন্ম '৭১-এর

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

রাজশাহী-রংপুর বিভাগে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৪৯

তফসিল ঘোষিত এক হাজার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ইউপি চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) দলটির স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের দীর্ঘ মিটিংয়ে এসব ইউপিতে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করেন। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করা হয়।  

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদ ওমর আলী, তোড়িয়া ইউনিয়নে মো. ফজলুল করিম, আলোয়াখোয়া ইউনিয়নে মো. মোজাক্কারুল আলম, রাধানগরে মো. আবু জাহেদ এবং ধামোর ইউনিয়নে মো. আবু তাহের মনোনয়ন পান।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নে মো. নুরুজ্জামান, হাফিজাবাদ ইউনিয়নে গোলাম মুছা কলিমুল্লা, পঞ্চগড় সদর ইউনিয়নে মো. নজরুল ইসলাম, কামাত কাজলদিঘীতে মো. নজরুল ইসলাম, চাকলাহাটে মো. আব্দুল কুদ্দুছ প্রামাণিক, সাতমেড়ায়  মো. ফজলুল হক, হাড়িভাসায় মো. মনির হোসেন, ধাক্কামারায়  মো. নূরল ইসলাম, মাগুড়ায় জ্যোতিষ চন্দ্র রায় এবং গরিনাবাড়ীতে    মো. আব্দুল লতিফকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নে মো. ফজলে রাব্বী, চাড়োলে দিলীপ কুমার চ্যাটার্জি, ধনতলায় সমর কুমার চট্টোপাধ্যায়, বড় পলাশবাড়িতে মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন মিয়া, দুওসুওতে মো. সোহেল রানা, ভানোরে মো. আব্দুল ওয়াহাব সরকার, আমজানাখোরে মো. আকালু এবং বড়বাড়িতে মো. আকরাম আলী নৌকা প্রতীক পান।

পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহে মো. হিটলার হক, কোষারাণীগঞ্জে মো. আজহারুল ইসলাম, খনগাঁওয়ে মো. সহিদ হোসেন, সৈয়দপুরে বিবেকানন্দ রায়, পীরগঞ্জ সদর ইউনিয়নে অরুন কুমার রায়, হাজীপুরে মো. জয়নাল আবেদীন, দৌলতপুরে, সনাতন চন্দ্র রায়, সেনগাঁওয়ে মো. মোস্তাফিজার রহমান, জাবরহাটে মো. জিয়াউর রহমান এবং বৈরচুনায় মোছা. টেলিনা সরকার হিমু মনোনয়ন পান। 

দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নে মো. আব্দুছ ছালাম প্রামাণিক, আলাদীপুরে সুকান্ত সরকার, কাজিহালে মো. মানিক রতন, বেতদীঘিতে শাহে মো. আব্দুল কুদ্দুস, খয়েরবাড়িতে মো. এনামুল হক, দৌলতপুরে মো. আব্দুল আজিজ মণ্ডল এবং শিবনগরে মো. মামুনুর রহমান চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

বিরামপুর উপজেলার মুকুন্দপুরে এম আব্দুল লতিফ মিয়া, কাটলায় মো. ইউনুছ আলী, খানপুরে চিত্তরঞ্জন পাহান, দিওড়ে মো. হাফিজুর রহমান, জোতবানীতে মো. হাসুন চৌধুরী এবং পলিপ্রয়াগপুরে মো. রহমত আলীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নে মো. আইনুল হক চৌধুরী, বিনোদনগরে মো. ছানোয়ার রহমান, গোলাপগঞ্জে মো. মোশারফ হোসেন, শালখুরিয়ায় মো. মোশফিকুর রহমান, পুটিমারায় মো. সরোয়ার হোসেন, ভাদুরিয়ায় মো. বাবুল আহসানুল কবির, দাউদপুরে মো. আব্দুল্লাহ হেল আজিম, মাহমুদপুরে মো. আমির হোসেন এবং কুশদহে আবু সাহাদত মোহাম্মদ সায়েম আলীকে নৌকা দেওয়া হয়।

নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নে মো. বেনজির আহম্মেদ, পুটিমারীতে  মো. জহুরুল ইসলাম, নিতাইয়ে মো. ফারুক উজ জামান, বাহাগিলীতে মো. আতাউর রহমান শাহ্, কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নে মো. আনিছুল ইসলাম (আনিছ), রনচণ্ডিতে মো. মোখলেছুর রহমান, গাড়াগ্রামে মো. মোজাহার হোসেন এবং মাগুড়ায় মো. আব্দুর রউফকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নে মো. আহাম্মেদ হোসেন, ডাউয়াবাড়ীতে মো. সাইফুল ইসলাম (মুকুল), ধর্মপালে মো. আবু তাহের, গোলমুণ্ডায় মো. মমিনুর রহমান, গোলনায় মো. মশিউর রহমান, কৈমারীতে মো. সাইদুর রহমান, কাঁঠালীতে মো. সোহরাব হোসেন (তুহিন), খুটামারায় মো. আবু সাইদ (শামীম), মীরগঞ্জে মীর হামিদুল এহসান (চানু), শিমুলবাড়ীতে মো. হামিদুল হক এবং শৌলমারীতে প্রাণজিৎ কুমার রায়কে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

লালমনিরহাট জেলা সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নে মো. হাবিবুর রহমান, কুলাঘাটে মো. শাহজাহান আলী সরকার, পঞ্চগ্রামে মো. গোলাম ফারুক বসুনিয়া, মহেন্দ্রনগরে মো. খলিলুর রহমান, হারাটীতে মো. সিরাজুল হক খন্দকার, খুনিয়াগাছে মো. মোজাম্মেল হক সরকার মানিক, রাজপুরে মো. মোফাজ্জল হোসেন, গোকুণ্ডায় গোলাম মোস্তফা স্বপন এবং বড়বাড়ীতে এস এম আশরাফুল হক (মিঠু)কে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারীতে মো. আহাদুল হোসেন চৌধুরী, মদাতীতে মো. আব্দুল কাদের, তুষভাণ্ডারে নূর ইসলাম আহমেদ, দলগ্রামে মো. আতাউর রহমান, চন্দ্রপুরে মো. মাহাবুবর রহমান, গোড়লে মো. মাহমুদুল ইসলাম, চলবলায় মো. মিজানুর রহমান মিজু এবং কাকিনায় মো. তাহির তাহু মানোনয়ন পান।

রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলার সারাই ইউনিয়নে মো. আশরাফুল ইসলাম, হারাগাছে মো. ইয়াছিন আলী, কুর্শায় মোহাম্মাদ হোসেন সরকার, শহীদবাগে মো. আব্দুল হান্নান, বালাপাড়ায় মো. আনছার আলী এবং টেপামধুপুরে মো. শফিকুল ইসলাম মানোনয়ন পান।

রংপুর সদর উপজেলার মমিনপুর ইউনিয়নে মো. মিনহাজুল এবং খলেয়ায় মো. হাসানুজ্জামান শাহ্ মানোনয়ন পান।

তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নে মো. দেলওয়ার হোসেন, কুর্শায় মো. আফজালুল হক সরকার, ইকরচালীতে মো. আতিউর রহমান লিংকন, হাড়িয়ারকুঠিতে মো. হারুন অর রশিদ এবং সয়ার মো. মোশফেকুর রহমান রনি মনোনয়ন পান। 

কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে মো. হাছেন আলী, শিমুলবাড়ীতে মো. এজাহার আলী, বড়ভিটায় মো. আতাউর রহমান, কাশিপুরে মো. রেয়াজুল ইসলাম, ফুলবাড়ীতে মো. হারুন অর রশিদ এবং ভাঙ্গামোড়ে মোহাম্মদ আলী শেখ মনোনয়ন পান। 

নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নে মো. আব্দুল আলীম সরকার, রায়গঞ্জে আ স ম আব্দুল্যাহ আল ওয়ালিদ, বেরুবাড়িতে মো. সোলায়মান আলী, সন্তোষপুরে মো. লিয়াকত আলী, নেওয়াশীতে মো. মাহফুজার রহমান, হাসনাবাদে মো. ইদ্রিস আলী মিয়া, ভিতরবন্দে মো. আব্দুল আলিম, নুনখাওয়ায় মো. আমিনুল ইসলাম, কালীগঞ্জে মো. জুলফিকার আলী সরদার, বামনডাঙ্গায় মো. মাইনুল হক প্রধান, কেদারে মো. মাহবুবুর রহমান, কচাকাটায় মো. রুহুল আমিন, বল্লভেরখাসে অমিত কুমার সরকার এবং নারায়নপুরে মো. জহিরুল ইসলাম ব্যাপারীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নে মো. রেদওয়ানুল হক, বেলগাছায় মো. লিটন মিয়া, হলোখানায় মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, মোগলবাসায় মো. এনামুল হক, ঘোগাদহে মো. শাহ আলম মিয়া, পাঁচগাছীতে মো. আমির হোসেন, ভোগডাঙ্গায় মো. গোলাপ উদ্দিন এবং যাত্রাপুরে মো. সাখাওয়াত হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নে এ. কে. এম আহমেদুল কবীর, মহদীপুরে মো. তৌহিদুল ইসলাম, মনোহরপুরে মো. আব্দুল ওহাবে, হরিনাথপুর মো. আতিকুর রহমান সরকার, বেতকাপায় মো. আব্দুল গনি সরকার এবং পবনাপুরে কে এম ছিদ্দিকুল ইসলামকে মানোয়নয় দেওয়া হয়। 

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে মো. শমেস উদ্দিন, সোনারায় রণজিৎ কুমার সরকার, তারাপুরে মো. সাইফুল ইসলাম, বেলকায় মো. মজিবর রহমান, দহবন্দে মো. রেজাউল আলম সরকার, সর্বানন্দে মো. চাঁদ মিঞা, রামজীবনে মো. সাদেকুল ইসলাম সরকার, ধোপাডাঙ্গায় মো. মোখলেছুর রহমান রাজু, ছাপরহাটীতে কনক কুমার গোস্বামী, শান্তিরামে মো. বিপ্লব খন্দকার, কঞ্চিবাড়ীতে মো. জয়নাল আবেদীন, শ্রীপুরে মো. শহিদুল ইসলাম এবং কাপাশিয়া মো. মনজু মিয়াকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। 

রাজশাহী বিভাগের জয়পুরহাট জেলার কালাই উপজেলার আহম্মেদাবাদ ইউনিয়নে মো. আলী আকবর মণ্ডল, মাত্রাইয়ে আ ন ম শওকত হাবিব তালুকদার, পুনটে মো. আব্দুল কুদ্দুস ফকির, উদয়পুরে মো. ওয়াজেদ আলী এবং জিন্দারপুরে মো. জিয়াউর রহমানকে নৌকা দেওয়া হয়।

বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার সদর ইউনিয়নে এস. এম. মাসুদ রানা, ভান্ডারবাড়িতে মো. আনোয়ার পারভেজ, চৌকিবাড়ীতে মো. কুদরত-ই-খুদা, চিকাশীতে মো. নাজমুল কাদির শিপন, এলাঙ্গীতে মো. তোজাম্মেল হক প্রামাণিক, গোপালনগরে মো. শাহ আলম, গোসাইবাড়িতে মো. সামছুল বারী শেখ, কালেরপাড়ায় মো. হারেজ উদ্দিন আকন্দ, মথুরাপুরে হাসান আহম্মেদ জেমস এবং নিমগাছীতে মোছা. সোনিতা নাসরিনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া ইউপিতে মো. নুরুজ্জামান, আমরুলে মো. রাকিবুল ইসলাম, আড়িয়ায় মো. জাহিদুল হক, গোহাইলে মো. আলী আতোয়ার তালুকদার ফজু, খোট্টাপাড়ায় মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক, মাদলায় মো. আব্দুল বারী মণ্ডল, খরনায় মো. সাজেদুর রহমান সাহীন, আশেকপুরে মো. ফিরোজ আলম এবং চুপিনগর মো. মাহফুজার রহমান বাবলুকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

বগুড়া সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউপিতে মো. কামরুল হাসান, গোকুলে মো. সওকাদুল ইসলাম সরকার, লাহিড়ীপাড়ায় মো. আজাহারুল হান্নান, নামুজায় মো. রফিকুল ইসলাম রফিক, নিশিন্দারায় মো. রিজু হোসেন, নুনগোলায় মো. আলীম উদ্দিন, শাখারিয়ায় মো. এনামুল হক এবং সাবগ্রামে মো. ইসরাইল হক সরকারকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার বদলগাছী ইউপিতে মো. আনোয়ার হোসেন, পাহাড়পুরে আবু হাসনাত মো. মিজানুর রহমান, বিলাশবাড়ীতে এস এম রাফিউল হাসান, মথুরাপুরে মো. মাসুদ রানা, কোলায় মো. শাহীনুর ইসলাম, বালুভরায় শেখ মো. আয়েন উদ্দীন, আধাইপুরে মো. শামছুল আলম এবং মিঠাপুরে মো. ফিরোজ হোসেনকে নৌকা প্রতীক দেওয়া হয়।

মান্দা উপজেলার ভালাইন ইউপিতে মো. ইব্রাহিম আলী মণ্ডল, ভারশোঁতে মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিষ্ণুপুরে মো. জাহাঙ্গীর আলম, গনেশপুরে মো. হানিফ উদ্দীন, কালিকাপুরে মোহাম্মাদ আব্দুল আলিম মণ্ডল, কাঁশোপাড়ায় মো. আব্দুল খালেক, কশবে মো. ফজলুর রহমান, কুশুম্বায় মো. ফরহাদ হোসেন, মৈনমে সামন্ত কুমার সরকার, মান্দা ইউপিতে মো. তোফাজ্জেল হোসেন, নুরুল্যাবাদে স্বাধীন কৃষ্ণ রায়, পরানপুরে মো. মাহফুজুর রহমান, প্রসাদপুরে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক এবং তেঁতুলিয়ায় মো. গাজীবুর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউপিতে মোহাম্মদ নিজামুল হক, দাইপুকুরিয়ায় মোহা. আলোমগীর, মোবারকপুরে মো. কামাল উদ্দিন, চককির্ত্তিতে মোহা. আনোয়ার হাসান, শ্যামপুরে মহা. আসাদুজ্জামান, বিনোদপুরে মহা. খাইরুল ইসলাম, দুর্লভপুরে আবু আহমদ নজমুল কবির, মনাকষায় মির্জা শাহাদাৎ হোসেন, উজিরপুরে মো. দুরুল হোদা, পাঁকায় মো. আতাউর রহমান, ঘোড়াপাখিয়ায় মো. মামুন অর রশিদ, ধাইনগরে আ. ক. ম তাবারিয়া চৌধরী, নয়ালাভাঙ্গায় মো. মোস্তাকুল ইসলাম এবং ছত্রাজিতপুরে মো. গোলাম রব্বানী মনোনয়ন দেওয়া হয়।

রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলার ধুরইল ইউনিয়নে মো. দেলোয়ার হোসেন, ঘাসিগ্রাম মো. আজাহারুল ইসলাম, রায়ঘাটিতে মো. বাবলু হোসেন, মৌগাছিতে মো. আল আমিন বিশ্বাস, বাকশিমইলে মো. আব্দুল মান্নান এবং জাহানাবাদে মো. হযরত আলীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

পবা উপজেলার দর্শনপাড়া ইউপিতে মো. কামরুল হাসান, হুজুরীপাড়ায় মো. গোলাম মোস্তফা, হড়গ্রামে মো. ফারুক হোসেন, হরিপুরে মো. বজলে রেজবি আল হাসান,  দামকুড়ায় মো. রফিকুল ইসলাম, পারিলায় মোসা. ফাহিমা বেগম এবং বড়গাছিতে    মো. শাহাদৎ হোসাইনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার লালপুর ইউপিতে মো. আবু বকর সিদ্দিক, ঈশ্বরদীতে মো. আমিনুল ইসলাম জয়, চংধুপইলে মো. রেজাউল করিম, অড়বাবে মো. ইমদাদুল হক, বিলমাড়িয়ায় মোছা. পারভীন আকতার বানু, দুয়ারিয়ায় মো. নুরুল ইসলাম, ওয়ালিয়া    মো. আনিছুর রহমান, দুড়দুড়িয়া মো. আব্দুল হান্নান, অর্জুনপুর-বরমহাটিতে মো. আব্দুস সাত্তার এবং কদিমচিলানে মো. সেলিম রেজাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা ইউপিতে মো. মেহেদী হাসান দোলন, জামনগরে মো. আব্দুল কুদ্দুস, বাগাতিপাড়ায় মো. মজিবর রহমান, দয়ারামপুরে মো. মাহাবুর ইসলাম (মিঠু) এবং ফাগুয়াড়দিয়াড়ে মো. জহুরুল ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। 

সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার বেলকুচি সদর ইউপিতে মীর্জা মো. সোলায়মান হোসেন, রাজাপুরে মোছা. ছনিয়া সবুর, ভাঙ্গাবাড়ীতে গাজী খোন্দকার ফজলুল হক ভাষানী, দৌলতপুরে মো. আশিকুর রহমান বিশ্বাস, ধুকুরিয়াবেড়ায় মো. জিল্লুর রহমান এবং বড়ধুলে মো. আছির উদ্দিন মোল্লাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

উল্লাপাড়া উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউপতে মো. রফিকুল ইসলাম, বাঙ্গালায় মো. সোহেল রানা, উধুুনিয়ায় মো. রেজাউল করিম, বড়পাংগাশীতে মো. হুমায়ুন কবির লিটন, মোহনপুরে মো. আবুল কালাম আজাদ, দুর্গানগরে মো. আফছার আলী, পুর্নিমাগাতীতে মো. রেজাউল ইসলাম তপন, সলংগায় মো. মোখলেছুর রহমান তালুকদার, হাটিকুমরুলে মো. হেদায়েতুল আলম, উল্লাপাড়ায় মো. আব্দুস সালেক, পঞ্চক্রোশীতে মো. ফিরোজ উদ্দিন, সলপে মো. শওকাত ওসমান এবং কয়ড়ায় মো. হোলাল উদ্দিনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া ইউপিতে মো. এমদাদুল হক, পাকশীতে মো. সাইফুজ জামান, ছলিমপুরে মো. আব্দুল মজিদ, লক্ষ্মীকুণ্ডা য় মো. আনিস-উর-রহমান শরীফ, দাশুড়িয়ায় মো. বকুল সরদার, সাহাপুতে মো. আকাল উদ্দিন সরদার এবং মুলাডুলিতে মো. আব্দুল খালেক মালিথাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমরা ইউপিতে মো. হারুন অর রশিদ, কাশিনাথপুরে মীর মনজুর এলাহী, ক্ষেতুপাড়ায় মো. মুনসুর আলম, নন্দনপুরে মো. রবিউল ইসলাম, ভুলবাড়ীয়ায় মো. আবু ইউনুস, গৌরীগ্রামে মো. আব্দুল ওয়াহাব, ধোপাদহে মো. সাইদুজ্জামান, আর-আতাইকুলায় মো. মিরাজুল ইসলাম এবং ধুলাউড়ীতে জরিফ আহম্মদকে নৌকা প্রতীক দেওয়া হয়। 

চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল ইউডিতে মো. রবিউল করিম, ছাইকোলায় মো. নুরুজ্জামান, নিমাইচরায়    নূরজাহান বেগম, গুনাইগাছায় মো. নুরুল ইসলাম, হরিপুরে মো. মকবুল হোসেন বাচ্চু, ডিবিগ্রামে মো. নবীর উদ্দিন, মূলগ্রামে মো. রাশেদুল ইসলাম, পার্শ্বডাঙ্গায়    মো. আজাহার আলী, ফৈলজানায় মো. হানিফ উদ্দিন, মথুরাপুরে মো. শাহ আলম এবং বিলচলনে মো. আবুল কালাম আজাদকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।
 

/ইএইচএস/আইএ/

সম্পর্কিত

মনোনয়ন ফরমে অ্যানালগই রয়ে গেলো আওয়ামী লীগ

মনোনয়ন ফরমে অ্যানালগই রয়ে গেলো আওয়ামী লীগ

সরকারও চায় দেশে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকুক: ওবায়দুল কাদের

সরকারও চায় দেশে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকুক: ওবায়দুল কাদের

আ. লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভা বৃহস্পতিবার

আ. লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভা বৃহস্পতিবার

বিএনপি নেতারা মিথ্যাচারকে শিল্পে রূপ দিয়েছে: ওবায়দুল কাদের

বিএনপি নেতারা মিথ্যাচারকে শিল্পে রূপ দিয়েছে: ওবায়দুল কাদের

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৮:১৪

তারা এখনও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক। তাদের প্রত্যেকেরই দল আছে। তবে দলীয় আদর্শ ও নীতি প্রায় অভিন্ন হওয়ায় বিএনপিতে যোগ দিয়েই রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হতে চাইছেন তারা। সেক্ষেত্রে বিএনপির পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া দেওয়া হলে তারা যেকোনও সময় দলটিতে যোগ দিতে প্রস্তুত রয়েছেন।

আগ্রহী এই নেতারা হলেন—এলডিপি (একাংশ) মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা। যোগ দেওয়ায় আগ্রহীদের মধ্যে আলোচনায় আছেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকনের নামও।

সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংসদীয় আসনের রাজনীতিকে সামনে রেখে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি সামনে আনতে চান তারা। এক্ষেত্রে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ইতিবাচক অবস্থান থাকার পাশাপাশি দলীয়ভাবে মর্যাদা প্রাপ্তির বিষয়টিও যুক্ত রয়েছে বলে মনে করেন তারা।

২০ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) একটি সূত্র জানায়, দলের মধ্যে দুই ধরনের চিন্তা রয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, অবস্থান স্পষ্ট হলে দলের সাত-আট জন সাবেক সংসদ সদস্য মূল জাতীয় পার্টিতে যোগ দিতে চান। আর মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন চাইছেন বিএনপিতে যোগ দিতে। তিনি কুষ্টিয়া-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।

জানতে চাইলে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন বলেন, ‘এ ধরনের আলোচনা দলের কারও সঙ্গে আমার হয়নি। এমন কোনও উদ্যোগ দলে আছে কিনা, তাও জানা নেই।’

বিএনপিতে নিজের যোগদান প্রসঙ্গে লিংকন বলেন, ‘এটা তো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। রাজনৈতিক পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী হয়ে থাকে। এখন তো বিএনপিও যোগদান করাচ্ছে না। এখানে অনেক বিষয় আছে।’

সে বিষয়গুলো কী? এমন প্রশ্নে আহসান হাবিব বলেন, ‘বিএনপি একটি বড় দল। যোগ দিলেই তো আর পদে বসিয়ে দেবে না। আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি অনেক আগে, যখন হয়তো এই দলের এখনকার বড় নেতাও তরুণ ছিলেন। আমি সামাজিক মর্যাদা রক্ষা করে চলতে চাই। নীতি-নৈতিকতার ব্যাপারে জাপা থেকে চলে এসেছি। আমি যে রাজনীতিতে বিশ্বাস করি, সে রাজনীতিতে আছি। এটা রক্ষা করার চেষ্টা করবো।’

বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে থাকলেও নীতি ও আদর্শের দিক দিয়ে এলডিপির (একাংশ) নেতাদের কোনও পার্থক্য নেই। আর দলের মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম নিয়মিত তার প্রোগ্রাম, বিবৃতিগুলোয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করে থাকেন, তাকে উদ্দেশ্য করে রাজনৈতিক বক্তব্যও দেন। ইতোমধ্যে তার সংসদীয় এলাকা লক্ষ্মীপুর-১ আসনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন সেলিম।

এলডিপির একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ একমাত্র বিএনপি। সেক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলোকে এক হয়ে বিএনপির সঙ্গে থাকাই রাজনৈতিকভাবে মঙ্গলজনক। দল চালাতে যে অর্থ, মেধা ও শ্রম ব্যয় হয়, সেক্ষেত্রে বিএনপিতে তা কাজে লাগানোই রাজনৈতিকভাবে সুফল আনবে।’

এ প্রসঙ্গে দলের অন্যতম একজন উদ্যোক্তা বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী ছোট ছোট রাজনৈতিক দলগুলো শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারছে না। পরিস্থিতি এখন আওয়ামী লীগ বনাম অ্যান্টি আওয়ামী লীগ মানে বিএনপিকে বোঝায়। নিজেরা দল চালাতে যে অর্থ, পরিশ্রম ও সময়ের বিনিয়োগ হয়, সেক্ষেত্রে বিএনপির হাতকেই শক্তিশালী করা রাজনৈতিকভাবে জরুরি। আমি ইতিবাচক চিন্তা করছি। বাকিটা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করছে। আমার ক্ষেত্রে যদি ডাক আসে বা সুযোগ হয়, তাহলে আমি ইতিবাচক থাকবো।’

জানতে চাইলে এলডিপি মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা এখনও বিএনপির জোটে আছি। মূল নেতৃত্বের আস্থাভাজন ও সহযোদ্ধা হিসেবে জোটে আছি। যদি কখনও বিএনপি আহ্বান জানায় বা সুযোগ আসে—সেক্ষেত্রে আমি ইতিবাচক।’

২০১৮ সালের ৫ নভেম্বর বিএনপি-জোটে যোগ দেয় সৈয়দ এহসানুল হুদার নেতৃত্বাধীন জাতীয় দল। জাতীয়তাবাদী ঘরানার প্রবীণ রাজনীতিক ও আইনজীবী সৈয়দ সিরাজুল হুদার ছেলে সৈয়দ এহসানুল হুদার নেতৃত্বাধীন জাতীয় দলের সভা-সেমিনার কেন্দ্রিক সক্রিয়তা আছে। তার সংসদীয় আসন কিশোরগঞ্জ-৫। আলাদা দল পরিচালনা করলেও সৈয়দ এহসানুল হুদা বিএনপিতে যোগ দিতে আগ্রহী।

এ ব্যাপারে সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, ‘আমরা জাতীয়তাবাদী আদর্শ ধারণ করি এবং বিশ্বাস করি। এই আদর্শের ধারক-বাহক বিএনপি। আমার ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও বেশি প্রাসঙ্গিক—রাজনৈতিক জীবনের সূত্রপাত ঘটেছে ছাত্রদল করার মাধ্যমে। এখন জোটে থাকলেও পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ইতিবাচক সাড়া আসলে এবং উপযুক্ত-যথাযথ সম্মান, মর্যাদা পেলে বিএনপিতে এক হওয়ার ব্যাপারে আমরা আন্তরিক। 

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি-জোটে যোগ দিলেও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে রংপুরে একটি সংসদীয় আসন শূন্য হলে ‘পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশ’কে বিএনপিতে একীভূত করেন দলটির উদ্যোক্তা রিটা রহমান।

/এমএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি প্রজন্ম '৭১-এর

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি প্রজন্ম '৭১-এর

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

সরকারের পদত্যাগ চায় বামজোট

সরকারের পদত্যাগ চায় বামজোট

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি প্রজন্ম '৭১-এর

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৪০

সাম্প্রদায়িকতার সংস্কৃতি রুখতে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল করে বাহাত্তরের সংবিধানে প্রত্যাবর্তন করাসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তানদের সংগঠন প্রজন্ম'৭১। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘বঙ্গবন্ধু প্রণীত '৭২-এর সংবিধানে প্রত্যাবর্তন ও ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িকতা বন্ধের দাবি’তে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এসব দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক নুজহাত চৌধুরী শম্পা বলেন, যে মূলনীতিকে ভিত্তি করে, যে অসাম্প্রদায়িকতাকে প্রগতিশীল বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নকে বারবার ভূলুণ্ঠিত করে, আক্রমণ করে একই চেনা শত্রু। প্রতিবছর আমরা পূজামণ্ডপে হামলা করতে দেখছি। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই সেই চেনা শত্রুদের, বারবার ছোবল দেওয়ায় আমরা বিষে নীল হয়ে মরে যাবো- সেটা কিন্তু না। আমরা বারবার ফিনিক্স পাখির মতো উঠে দাঁড়াবো। আমরা এ দেশ ছাড়বো না।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ করে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির সংস্কৃতি বন্ধ করা যাবে না। বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা ও বলবৎ রাখার মধ্যে দিয়ে সংবিধানের চার মূলনীতির অংশ ধর্মনিরপেক্ষতার মুখে কালিমা লেপন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি ও রাজনীতির চর্চাকে অবাধ করা হয়েছে সমাজের সব স্তরে। একইসঙ্গে আমরা দেখেছি সুপরিকল্পিতভাবে এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংশ্লিষ্ট কোনও সিলেবাস প্রণয়ন তো হয়ইনি, বরং সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িকতা থেকে মুক্ত হয়নি বরং সাম্প্রদায়িকতার রূপ আরও জটিল এবং গভীর হয়েছে।

সংগঠনের অন্যান্য দাবিগুলো হচ্ছে— সকল ধর্মের মানুষের নির্ভয়ে ধর্মীয় উৎসব পালনের নিশ্চয়তা দিতে হবে; স্কুল পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত করে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস অবশ্য পাঠ্য করতে হবে এবং এলাকাভিত্তিক ও দেশ জুড়ে সম্মিলিত সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রজন্ম'৭১ এর সভাপতি আসিফ মুনীর তন্ময়, সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইফুদ্দিন আব্বাস ও যুগ্ম সম্পাদক বশীর আহমেদ প্রমুখ।

/জেডএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

সরকারের পদত্যাগ চায় বামজোট

সরকারের পদত্যাগ চায় বামজোট

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

রাজশাহী-রংপুর বিভাগে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

রাজশাহী-রংপুর বিভাগে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি প্রজন্ম '৭১-এর

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি প্রজন্ম '৭১-এর

পূজামণ্ডপে হামলা বিশেষ মহলের যড়যন্ত্র: জি এম কাদের

পূজামণ্ডপে হামলা বিশেষ মহলের যড়যন্ত্র: জি এম কাদের

মনোনয়ন ফরমে অ্যানালগই রয়ে গেলো আওয়ামী লীগ

মনোনয়ন ফরমে অ্যানালগই রয়ে গেলো আওয়ামী লীগ

নেতা কানাডায়, রাজনৈতিক কার্যালয়ে বেসরকারি শিক্ষক সমিতির অফিস

২০ দলীয় জোটনেতা কানাডায়, রাজনৈতিক কার্যালয়ে বেসরকারি শিক্ষক সমিতির অফিস

সব অপকর্মের জবাবদিহি করতে হবে সরকারকে: মির্জা ফখরুল

সব অপকর্মের জবাবদিহি করতে হবে সরকারকে: মির্জা ফখরুল

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

সর্বশেষ

সালিশে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সিএনজিচালক নিহত

সালিশে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সিএনজিচালক নিহত

পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি বানভাসি মানুষের

পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি বানভাসি মানুষের

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

আসামে রকেট সিস্টেম বসাচ্ছে ভারত

আসামে রকেট সিস্টেম বসাচ্ছে ভারত

১৪ বছর পর প্রথম বিজ্ঞাপন!

১৪ বছর পর প্রথম বিজ্ঞাপন!

© 2021 Bangla Tribune