X
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৭ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

চুলের বাহার

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৩৮

ফাবিও গোমেজ একজন ব্রাজিলিয়ান চিত্রশিল্পী। প্রকৃতিপ্রেমী এ শিল্পীর দেখার চোখ একটু আলাদা। গাছকে তিনি গাছ হিসেবে দেখেন না, দেখেন ঝাঁকড়া চুল হিসেবে। তিনি সত্যিই এতটা গাছপ্রেমী যে গাছকে ‘মাথায় তুলে’ রাখতে চান।

ব্রাজিলের দেয়ালে ফাবিওর শিল্প

প্রকৃতির সঙ্গে স্ট্রিট আর্টের এই মেলবন্ধন নিয়ে ফাবিও কাজ করছেন গত ১০ বছর ধরে।

ফাবিওর স্ট্রিট আর্ট

তার আর্ট বেশ নিখুঁত। মনে করিয়ে দেবে আমাদের ঐতিহ্যবাহী রিকশা পেইন্টিংয়ের কথা।

ফাবিওর স্ট্রিট আর্ট

ব্রাজিলে যাওয়া পর্যটকদের অনেকেই খুঁজে বের করেন ফাবিওর দেয়ালচিত্র। সেটার সঙ্গে ছবি তুলে ইনস্টাগ্রামে দিতে পারলে বর্তে যান অনেকে।

 

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

এত কঠিন মা!

এত কঠিন মা!

যেখানে ছেলে-মেয়েরা এককথা বলে না

যেখানে ছেলে-মেয়েরা এককথা বলে না

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:১৮

নাম তার মিডলমিস্ট রেড। রঙটা কিন্তু লাল নয়, গোলাপি। আবার গোলাপের মতো মনে হলেও বেশ খানিকটা অমিলও আছে। বলা হয়, পরিচিত ফুলগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য। পৃথিবীর মাত্র দুটো জায়গায় পাওয়া যাবে এটি-নিউ জিল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য।

১৮০৪-০৫ সালের দিকে চীনে এ ফুল প্রথম আবিষ্কার করেন জীববিজ্ঞানী জন মিডলমিস্ট। তার নামেই রাখা হয় ফুলের নাম। কিন্তু আঁতুরঘর চীন থেকেই ধীরে ধীরে হারিয়ে যায় ফুলটি। পরে এটাকে বিশেষভাবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এখন বেশ কিছু মিডলমিস্ট আছে ইংল্যান্ডের চিসউইক হাউস অ্যান্ড গার্ডেনস-এ। আর আছে নিউ জিল্যান্ডের ওয়েইটাংগি শহরের ট্রিটি হাউসে।

ফুলপ্রেমীরা হা-পিত্যেশ করেন, আহা যদি একখানা ডাল পাওয়া যেতো! তবে বিশেষ অনুরোধ ও বিশেষ দামে মিডলমিস্টের ডাল দেওয়া হয়েছে কয়েকটি দেশকে। এর মধ্যে সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত রাফাল ভবনেও গেছে এর একটি ডাল। যা থেকে ইতোমধ্যে শেকড় গজিয়েছে বলেও জানা গেছে।

এখন এ ফুলগাছের একটি ডালের দাম ঠিক জানা না গেলেও শ’ খানেক বছর আগে বিক্রি হতো প্রায় ৪৪০০ ডলারে (প্রায় তিন লাখ ৮৭ হাজার টাকা)।

/এফএ/

সম্পর্কিত

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

এত কঠিন মা!

এত কঠিন মা!

চুলের বাহার

চুলের বাহার

যেখানে ছেলে-মেয়েরা এককথা বলে না

যেখানে ছেলে-মেয়েরা এককথা বলে না

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৫৩

দেখতে ভাস্কর্যের মতো মনে হলেও এটি পুরোপুরি প্রাকৃতিক। ছিল একটি, কোনও এক রহস্যজনক কারণে হয়ে গেছে দুটি। অতিকায় এই পাথরখণ্ডের নাম আল-নাসলা। কমপক্ষে চার হাজার বছর আগে থেকেই এটি পড়ে আছে সৌদি আরবের তায়মা মরুদ্যানে। দেখে মনে হবে, বড় একটি পাথরকে কেউ নিখুঁতভাবে দুই ফালি করে রেখেছে। ঘটনা এমন নয়। পাথরটির এমন গঠন সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বলেই ধারণা গবেষকদের।

দুটো বিশালাকার বেলেপাথর নিয়েই মূলত আল নাসলা। আয়তনের তুলনায় পাথর দুটোর ভিত্তি কিন্তু মোটেও বড় নয়। তবু এটি এভাবে সটান দাঁড়িয়ে আছে যুগের পর যুগ, শতকের পর শতক।

আল নাসলা, তায়মা মরুদ্যান

মাঝের ফাটল নিয়ে হয়েছে বিস্তর গবেষণা। এর মধ্যে সবচেয়ে কাছাকাছি ব্যাখ্যাটা হলো টেকটোনিক প্লেট ব্যাখ্যা। ভূতাত্ত্বিকরা জানালেন, ভূখণ্ডের নিচে বিশালাকার দুটো টেকটোনিক প্লেট খানিকটা সরে যাওয়াতেই একটি পাথর নিখুঁতভাবে দুই টুকরো হয়েছে। কেউ বলছেন, ফল্টলাইন থাকলেই নিখুঁতভাবে এভাবে দুটো পাথর আলাদা হতে পারে। তবে এর ভিত্তিতে কোনও ফাটল না থাকায় এ তত্ত্ব মানতে পারেনি অনেকে।

কেউ বলছেন চার হাজার বছর আগে এখানে এমন কোনও সভ্যতা ছিল যাদের কাছে লেজার বিমের মতো কোনও প্রযুক্তি ছিল যা দিয়ে তারা পাথরকে এভাবে কাটতে পারতো। তথাপি এমন পাথর-কাটার আর কোনও নজির না থাকায় এ তত্ত্বও বেশ দুর্বল।

আরেকটি ব্যাখ্যা হলো- পাথর আগে থেকেই দুটো ছিল। মাঝে গ্লু হিসেবে জুড়েছিল এমন কিছু খনিজ যা কিনা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাষ্পীভূত হয়ে গিয়েছিল।

রহস্য যা-ই হোক, আল নাসলা দেখতে তায়মা মরুদ্যানে পর্যটকের ভিড় লেগেই থাকে। নিত্য নতুন সব ব্যাখ্যা শুনে রোমাঞ্চপ্রেমীরাও হচ্ছেন পুলকিত।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

এত কঠিন মা!

এত কঠিন মা!

চুলের বাহার

চুলের বাহার

যেখানে ছেলে-মেয়েরা এককথা বলে না

যেখানে ছেলে-মেয়েরা এককথা বলে না

এত কঠিন মা!

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:২০

সন্তান ফিটফাট হবে, এমনটা কোন মা-বাবা না চাইবে। কিন্তু ফিটনেসের প্রতি মরিয়া হয়ে উঠলেই বিপদ। যেমন বিপদে পড়েছে চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী। ওই কিশোরী এমনিতে পাঁচ ফুট এক ইঞ্চি লম্বা। তবে ওজনটা বেড়ে হয়েছিল ১২০ কেজি। কিন্তু তাকে আরও লম্বা ও ফিটফাট বানাতে রীতিমতো বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন তার মা। মেয়েকে দিনে অন্তত তিন হাজারবার দড়িলাফ দিতে বাধ্য করতেন তিনি!

সকালে হাজারবার, দুপুরে ও রাতে হাজার বার করে মোট তিন হাজার। দিনের পর দিন এভাবে লাফাতে গিয়ে মেয়েটা একন হাঁটুর ব্যথায় জর্জরিত। এমনকি জয়েন্টের আরও কিছু স্থায়ী জটিলতাও দেখা দিয়েছে তার মধ্যে।

শুরুতে ওই কিশোরী সে তার ব্যথার কথা মাকে জানালেও মা ভাবতো- ব্যায়াম না করার জন্য এ বুঝি এক অজুহাত। ডাক্তার দেখাতে গিয়ে জানতে পারলেন ভুলটা তার নিজের। এ নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়ে যায় চীনের ফিটনেস জগতে। সবাই সবাইকে সতর্ক করতে লাগলো এই বলে যে, লম্বা বা ফিটনেস যেটাই বলুন, এর জন্য সারাদিন বাঁদরের মতো লাফালেই হবে না। সঙ্গে চাই উপযুক্ত পুষ্টি, ডায়েট ও পর্যাপ্ত ঘুম। সেইসঙ্গে বংশগত ব্যাপারটাও এড়িয়ে যেতে পারে না কেউ।

 

সূত্র: সিনহুয়া

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

চুলের বাহার

চুলের বাহার

যেখানে ছেলে-মেয়েরা এককথা বলে না

যেখানে ছেলে-মেয়েরা এককথা বলে না

যেখানে ছেলে-মেয়েরা এককথা বলে না

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২৮

গ্রামের নাম উবাং। নাইজেরিয়ার এ গ্রামের লোকজন এখনও ধরে আছে বাপ-দাদার অতি প্রাচীন এক সংস্কৃতি। যে সংস্কৃতিতে নারী ও পুরুষকে ধরা হয় একেবারে আলাদা দুটি সত্তা। সেই ‘পার্থক্য’টা টিকিয়ে রাখতে আদিকাল থেকেই এ গ্রামে চালু আছে দুটো ভাষা। এক ভাষায় কথা বলবে পুরুষ, আরেক ভাষায় নারী!

একজন আরেকজনের ভাষা বুঝলেও বলতে পারবে না। যেমন, গাছ বোঝাতে উবাং গ্রামের পুরুষরা বলবেন ‘কিচি, নারীরা বলবে ‘ওকওয়েং’। একইভাবে পোশাক বোঝাতে পুরুষরা বলবেন ‘ইংকি’, আর নারীরা বলবেন ‘আরিগা।’ মোটকথা, একটি শব্দের সঙ্গে আরেকটির উচ্চারণগত মিলও নেই।

কেন এমন অদ্ভুত নিয়ম? কেনই বা নারী-পুরুষকে একই বস্তুর দুটি ভিন্ন শব্দ শিখতে হবে? এ নিয়ে নাইজেরিয়ান নৃবিজ্ঞানী চি চি বিবিসিকে জানালেন দুটো কারণ। একটি হলো আগাগোড়া মিথ। স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, সৃষ্টিকর্তা প্রথম যে নারী-পুরুষ তৈরি করেন তারা দুজনই ছিলেন উবাং সম্প্রদায়ের। এরপর তিনি দুজনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ভাষা ঠিক করে দেন।

চিচির আরেকটি ব্যাখ্যা হলো, আফ্রিকার কিছু আদিবাসীর মধ্যে প্রচলিত ‘ডুয়েল-সেক্স কালচার’। যে সংস্কৃতিতে নারী-পুরুষে বৈষম্য না থাকলেও দুই লিঙ্গের বাসিন্দারা নিজেদের জন্য আলাদা দুটি জগৎ তৈরি করে রাখে।

শিশুরা কী করে? জানা গেলো, ১০ বছর বয়স পর্যন্ত উবাংয়ের শিশুরা দুটো ভাষাই শেখে। এরপর যখন তারা নিজেদের লিঙ্গ পরিচয়টাকে বড় করে ভাবতে শুরু করে, তখনই বেছে নেয় যার যার শব্দভান্ডার।

 

সূত্র: বিবিসি

 

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

এত কঠিন মা!

এত কঠিন মা!

চুলের বাহার

চুলের বাহার

এ কবুতর শুধু ডিগবাজিই দেয় (ভিডিও)

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪০

এক জাতের সঙ্গে আরেক জাতের মিশ্রণে কবুতরের তৈরি হয়েছে হরেক প্রজাতি। কিন্তু সাধারণ বৈশিষ্ট্য সবারই এক। সবাই কমবেশি উড়তে পারে। কিন্তু পার্লার রোলার জাতের এ কবুতর একটা কাজই জানে, সেটা হলো উল্টো ডিগবাজি দেওয়া। ইংরেজিতে যাকে বলে ব্যাকফ্লিপ। ওড়ার প্রতি বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই এদের।

কেউ জানে না পার্লার রোলার জাতের জন্ম ঠিক কোন কোন জাত থেকে এসেছে। তবে যত পার্লার রোলার দেখা গেছে, প্রায় প্রত্যেককেই দেখা গেছে ব্যাকফ্লিপ দিয়ে যেতে, যতক্ষণ না ওরা ক্লান্ত হচ্ছে।

পাখি বিশেষজ্ঞদের মতে উনিশ শতরে মধ্যভাগে স্কটল্যান্ডে প্রথম এ জাতের কবুতরের জন্ম হতে পারে। ওই সময় মাটিতে গড়াগড়ি খেতে পছন্দ করে এমন কোনো একটি জাতের কবুতরের সঙ্গে অন্য জাতের ক্রস-ব্রিডিং ঘটিয়ে এ জাতের উদ্ভাবন করে থাকতে পারেন কেউ।

পার্লার রোলার দেখতে সাধারণ কবুতরের মতোই। উল্টো ডিগবাজি খাওয়াটা তাদের কাছে স্বাভাবিক আচরণের মতোই। কারণ তাদের পাখা কিংবা শরীরে কোনো অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায়নি। এমনকি এটা তাদের কোনো রোগও নয়। পাখি বিশারদরা বলছেন, এ কবুতর ‘চাইলে’ উড়তে পারবে, কিন্তু তাদের ওই চাওয়ার ক্ষমতাটাই নেই। কিন্তু উল্টো ডিগবাজি খেয়ে অনায়াসে তারা চলে যায় কয়েক শ’ ফুট। এমনকি একনাগাড়ে ৬৬২ ফুট যাওয়ার রেকর্ডও আছে একটি পার্লার রোলারের।

 

 

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

এত কঠিন মা!

এত কঠিন মা!

চুলের বাহার

চুলের বাহার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য ফুল

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

সৌদি আরবের রহস্য পাথর (ভিডিও)

এত কঠিন মা!

এত কঠিন মা!

যেখানে ছেলে-মেয়েরা এককথা বলে না

যেখানে ছেলে-মেয়েরা এককথা বলে না

এ কবুতর শুধু ডিগবাজিই দেয় (ভিডিও)

এ কবুতর শুধু ডিগবাজিই দেয় (ভিডিও)

সবচেয়ে সুন্দর মশা

সবচেয়ে সুন্দর মশা

৮০ বছর পর!

৮০ বছর পর!

ড্রয়িং করা মুরগি!

ড্রয়িং করা মুরগি!

বিলাসি ব্র্যান্ডে ছেঁড়াফাটা সোয়েটার, দামটা?

বিলাসি ব্র্যান্ডে ছেঁড়াফাটা সোয়েটার, দামটা?

করোনা থেকে বাঁচতে ম্যারাথন টিকা!

করোনা থেকে বাঁচতে ম্যারাথন টিকা!

সর্বশেষ

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল মা, বিছানায় শিশুর লাশ

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল মা, বিছানায় শিশুর লাশ

ভালো স্কোর করতে পারেননি রোমান সানা

ভালো স্কোর করতে পারেননি রোমান সানা

সৌদিতে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে পড়ে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

সৌদিতে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে পড়ে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

মোস্তাফিজদের অধিনায়কের জরিমানা  

মোস্তাফিজদের অধিনায়কের জরিমানা  

তালেবানের অংশগ্রহণ চায় পাকিস্তান, বাতিল হলো সার্ক বৈঠক: এএনআই

তালেবানের অংশগ্রহণ চায় পাকিস্তান, বাতিল হলো সার্ক বৈঠক: এএনআই

© 2021 Bangla Tribune