X
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ৩ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০৩

আফগানিস্তানে মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে মেয়েদের অধ্যয়ন নিষিদ্ধ করেছে তালেবান। শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে শুধু ছেলে ও পুরুষদের শ্রেণিকক্ষে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কট্টরপন্থী তালেবানের এমন ঘোষণায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন দেশটির কিশোরিরা। স্কুলে ফিরতে না পারা এক কিশোরী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসকে জানায়, তার কাছে এখন সবকিছু অন্ধকার লাগছে।

অবশ্য এক তালেবান মুখপাত্র বলেছেন, শিগগিরই মেয়েদের স্কুল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আফগানরা তালেবানের ১৯৯০ দশকের কঠোর শাসন ফিরে আসার আশঙ্কা করছেন। ওই সময় মেয়েদের স্কুলে পড়া নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

কেবল ছেলেদের স্কুলে ফিরতে বলার নির্দেশের পরে তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদকে উদ্ধৃত স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বাখতার বার্তা সংস্থা জানায়, মেয়েদের স্কুল শিগগিরই চালু হবে। এজন্য শিক্ষকদের বিভক্ত করাসহ বিভিন্ন ‘প্রক্রিয়া’ নিয়ে কাজ করছেন কর্মকর্তারা।

কিন্তু স্কুলগামী মেয়ে ও তাদের অভিভাবকরা বলছেন, এমনটি ঘটার সম্ভাবনা খুব কম।

আইনজীবী হতে চাওয়া এক আফগান মেয়ের কথায়, আমি নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব উদ্বিগ্ন। সবকিছুই মনে হচ্ছে অন্ধকার। প্রতিদিন ঘুম থেকে জেগে উঠি এবং নিজেকে প্রশ্ন করি আমি কেন বেঁচে আছি? আমার কী বাড়িতে বসে কারও অপেক্ষায় থাকা উচিত যে দরজার নক করে বলবে আমাকে বিয়ে করতে চায়? নারী হওয়ার এটাই কি উদ্দেশ্য?

এই কিশোরীরা বাবা বলেন, আমার মা ছিলেন অশিক্ষিত। আমার বাবা তাকে নিয়মিত নির্যাতন করতেন এবং গর্দভ বলতেন। আমি চাই না মায়ের মতো হোক আমার মেয়ে।

কাবুলের ১৬ বছর বয়সী আরেক স্কুলছাত্রী ভাষায়, এটি ছিল তার দুঃখজনক দিন। আমি চিকিৎসক হতে চাই! আমার স্বপ্ন ধূলিস্যাৎ হয়ে গেছে। আমার মনে হয় না আমি আর স্কুলে ফিরতে পারব। এমনকি যদি তারা আবার হাই স্কুল চালু করেও, তারা চায় না নারীরা শিক্ষিত হোক।

গত সপ্তাহে তালেবান ঘোষণা দেয়, নারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করতে পারবেন। কিন্তু পুরুষ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বসতে পারবে না এবং নতুন পোশাকবিধি মেনে চলতে হবে। অনেকেই মনে করছেন, এর মধ্য দিয়ে নারীদের শিক্ষা থেকে বাদ দেওয়া হবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পৃথক ক্লাস নেওয়ার মতো সক্ষমতা ও সামর্থ্য নেই। মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের শিক্ষা নিষিদ্ধ করার অর্থ হলো তারা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে না।

২০০১ সালে তালেবান ক্ষমতা থেকে উৎখাত হওয়ার পর আফগানিস্তানের শিক্ষা ও সাক্ষরতা হারের প্রভূত উন্নতি হয়। বিশেষ করে মেয়ে ও নারীদের। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেয়েদের সংখ্যা শূন্য থেকে ২৫ লাখে পৌঁছায়। এক দশকে নারীদের সাক্ষরতার হার প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়ায় ৩০ শতাংশে। যদিও এই অগ্রগতির বেশিরভাগ শহুরে অঞ্চলে হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক এক মুখপাত্র নোরোরিয়া নিজহাত বলেন, এটি আফগানিস্তানে নারী ও মেয়েদের শিক্ষার জন্য অবনতি। এটি তালেবানের ৯০ দশকের কথা সবাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। যার ফলে তখন আমরা নিরক্ষর ও অশিক্ষিত নারীদের একটি প্রজন্ম পেয়েছিলাম।

 

/এএ/

সম্পর্কিত

জাপান উপত্যকায় চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌমহড়া

জাপান উপত্যকায় চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌমহড়া

ভারত অধিকৃত কাশ্মিরে বিনিয়োগ করবে দুবাই

ভারত অধিকৃত কাশ্মিরে বিনিয়োগ করবে দুবাই

জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান বিষয়ক দূত জালমে খলিলজাদ

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান বিষয়ক দূত জালমে খলিলজাদ

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৩৯

উত্তর ইসরায়েলের সমুদ্রে সাঁতার কাটছিলেন এক শখের ডুবুরি। হঠাৎ করে একটি তলোয়ার পেয়ে যান তিনি। ধারণা করা হচ্ছে প্রায় নয়শ’ বছর আগের তলোয়ারটি ব্যবহার করেছে ক্রুসেডার যোদ্ধারা।

হাইফা এলাকার অগভীর সমুদ্রে প্রায় এক মিটার দীর্ঘ তলোয়ারটি খুঁজে পান ডুবুরি স্লোমি কাটজিন। ধারণা করা হচ্ছে সামুদ্রিক জীবে আবৃত হয়ে পড়ে তলোয়ারটি। বালু সরে যাওয়ায় এটি ডুবুরির দৃষ্টিগোচর হয়।

ইসরায়েলের পূরাকীর্তি কর্তৃপক্ষ (আইএএ) জানিয়েছে, তলোয়ারটি পরিষ্কার এবং বিশ্লেষণের পর মানুষের প্রদর্শণীর জন্য রাখা হবে।

১০৯৫ সালে শুরু হওয়া ক্রুসেড চলেছে প্রায় এক শতাব্দি। এতে ইউরোপের খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ঘুরে বেড়িয়েছে কেবল জেরুজালেম এবং মুসলমানদের অন্য পবিত্র ভূমির নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার চেষ্টায়।

আইএএ’র সামুদ্রিক পূরাকীর্তি ইউনিটের প্রধান কোবি শারভিট বলেছেন, তলোয়ারটি পাওয়া গেছে কারমেল উপকূলে। ওই এলাকাটি কয়েক শতাব্দি ধরে উপকূলীয় বাণিজ্যিক পরিবহনে ব্যবহৃত জাহাজগুলোকে ঝড়ের সময় আশ্রয় দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘এই কারণে যুগ যুগ ধরে বাণিজ্যিক জাহাজ এসেছে, পড়ে রয়েছে সমৃদ্ধ পূরাকীর্তি।’

গবেষকেরা অবাক হয়ে ধারণা করছেন তলোয়ারটির সঙ্গে সম্ভবত ক্রুসেডারদের আতলিট দুর্গের সম্পর্ক রয়েছে। কোবি শারভিট বলেন, ‘এতে লাগানো পাথরের কারণে অনেক ভারি আর এটির লোহার পাতটি খুবই বড়।’

কোবি শারভিট বলেন, ‘এর অর্থ হলো এই তলোয়ার যারা ব্যবহার করেছে তারা খুবই শক্তিশালী। তারা হয়তো আমাদের চেয়ে বড় ছিলো, কিন্তু আমাদের চেয়ে শক্তিশালী ছিলো তা নিশ্চিত।’

/জেজে/

সম্পর্কিত

সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সৌদি-চীন

সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সৌদি-চীন

কুয়েতে তেল শোধনাগারে আগুন

কুয়েতে তেল শোধনাগারে আগুন

লেবাননে গৃহযুদ্ধ হতে দেওয়া হবে না: হিজবুল্লাহ

লেবাননে গৃহযুদ্ধ হতে দেওয়া হবে না: হিজবুল্লাহ

ইরানের কর্মকাণ্ড নজরদারিতে গোপন ঘাঁটি তৈরি করছে ইসরায়েল!

ইরানের কর্মকাণ্ড নজরদারিতে গোপন ঘাঁটি তৈরি করছে ইসরায়েল!

জাপান উপত্যকায় চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌমহড়া

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৫২

জাপানের মূল ভূখণ্ড এবং এর উত্তরাঞ্চলীয় হোকাইদো দ্বীপ পৃথক করা উপত্যকার মধ্যে মহড়া দিয়েছে চীন ও রাশিয়ার নৌবাহিনীর দশটি জাহাজ। সোমবার জাপান এই তথ্য জানিয়ে বলেছে, তারা এধরণের কার্যক্রমের ওপর নিবিড় নজর রাখছে।

তুসাগারু উপত্যকা দিয়ে চীন ও রাশিয়ার জাহাজ চলাচলের কথা প্রথমবারের মতো নিশ্চিত করলো জাপান। এই উপত্যকাটি প্রশান্ত মহাসাগর থেকে জাপান সাগরকে পৃথক করেছে।

ওই উপত্যকাটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র বলে বিবেচিত হয়। তবে পূর্ব চীন সমুদ্রের ছোট ছোট দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে চীন ও জাপানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি দাবি রয়েছে। এছাড়া মস্কোর সঙ্গেও আঞ্চলিক বিতর্ক রয়েছে টোকিওর।

মঙ্গলবার নিয়মিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাপানের ডেপুটি চিফ কেবিনেট সেক্রেটারি ইয়োশিহিকো ইসোজাকি বলেন, ‘জাপান ঘিরে চীন ও রাশিয়ার জাহাজের কার্যক্রমের ওপর নিবিড় নজর রাখছে সরকার, সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এটা করা হচ্ছে।’ তিনি জানান, জাপানের আকাশ ও সমুদ্রসীমায় এই ধরণের নজরদারি অব্যাহত রাখা হবে।

জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, চীন ও রাশিয়ার জাহাজ চলাচলে জাপানের আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা লঙ্ঘিত হয়নি। এছাড়া কোনও আন্তর্জাতিক আইনও ভঙ্গ হয়নি।

পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক নাজুক হয়ে পড়ায় মস্কো এবং বেইজিং গত কয়েক বছর ধরেই ঘনিষ্ঠ সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক চর্চা করছে।

/জেজে/

সম্পর্কিত

ভারত অধিকৃত কাশ্মিরে বিনিয়োগ করবে দুবাই

ভারত অধিকৃত কাশ্মিরে বিনিয়োগ করবে দুবাই

জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান বিষয়ক দূত জালমে খলিলজাদ

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান বিষয়ক দূত জালমে খলিলজাদ

সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সৌদি-চীন

সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সৌদি-চীন

ভারত অধিকৃত কাশ্মিরে বিনিয়োগ করবে দুবাই

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৪৪

ভারত অধিকৃত অশান্ত কাশ্মিরে বড় ধরনের বিনিয়োগ করবে দুবাই। এরইমধ্যে কাশ্মিরের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ ব্যাপারে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে দুবাইয়ের কর্তৃপক্ষ। সোমবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল।

তিনি জানান, কাশ্মিরে শিল্প খাত এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগ বিকাশের লক্ষ্যে এই স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এরইমধ্যে দুবাইয়ের বিভিন্ন সংস্থা অঞ্চলটিতে বিনিয়োগের ব্যপারে গভীর আগ্রহ দেখিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, কাশ্মির যে গতিতে উন্নয়নের পথে হাঁটছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তার স্বীকৃতি দিতে শুরু করেছে।

পীযূষ গয়াল বলেন, এটি একটি মাইলফলক। এর ধারবাহিকতায় ভবিষ্যতে পুরো দুনিয়া থেকে বিনিয়োগ আসবে।

দুবাইয়ের সঙ্গে এই সমঝোতা স্মারক অঞ্চলটির উন্নয়নে প্রথম কোনও বিদেশি বিনিয়োগ চুক্তি। এর আওতায় কাশ্মিরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, আইটি টাওয়ার, মাল্টিপারপাস টাওয়ার, লজিস্টিক সেন্টার, একটি মেডিক্যাল কলেজ ও একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করবে দুবাই।

এমন সময়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলো যখন সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কাশ্মিরে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি অঞ্চলটিতে স্বাধীনতাকামী বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন সেনাসদস্য নিহত হয়েছে। বেসামরিক মানুষেরও প্রাণহানির ঘট্না ঘটেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, ১৯৮৯ সাল থেকে বিরোধপূর্ণ এই উপত্যকায় নানা সংঘাতে প্রাণ গেছে হাজারো মানুষের।

জম্মু-কাশ্মিরের উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের মাত্র কয়েক মাসের মাথায় জম্মু-কাশ্মির প্রায় চার বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি, ইয়েনি সাফাক।

/এমপি/

সম্পর্কিত

জাপান উপত্যকায় চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌমহড়া

জাপান উপত্যকায় চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌমহড়া

জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান বিষয়ক দূত জালমে খলিলজাদ

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান বিষয়ক দূত জালমে খলিলজাদ

আফগানিস্তানে আগামী মাস থেকেই পোলিও টিকাদান: জাতিসংঘ

আফগানিস্তানে আগামী মাস থেকেই পোলিও টিকাদান: জাতিসংঘ

অনূর্ধ্ব ১২ বছরের শিশুদেরও ভ্যাকসিন দেওয়ার চিন্তা ইইউ-এর

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৪৪

অনূর্ধ্ব ১২ বছরের শিশুদের ফাইজার-বায়োএনটেকের উৎপাদিত  করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। সোমবার থেকে বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সি (ইএমএ)।

সংস্থাটির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইএমএ-র হিউম্যান মেডিসিনস কমিটি ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের নিয়ে চলমান ক্লিনিক্যাল স্টাডির ফলাফলসহ ভ্যাকসিনের তথ্য পর্যালোচনা করবে। ইএমএ এই বয়সসীমার শিশুদের জন্য এটি ব্যবহারের সুপারিশ করবে কিনা সে ব্যাপারেই সিদ্ধান্ত নিতেই এই পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইএমএ-র আশা, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সমর্থ হবে সংস্থাটি।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী, বর্তমানে অঞ্চলটিতে ১২ বছর এবং এর বেশি বয়সের শিশুরা ফাইজার ভ্যাকসিন নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এখন পাঁচ বছর বয়স থেকেই শিশুদের এর আওতায় নিয়ে আসতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

/এমপি/

সম্পর্কিত

জার্মানিতে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু এ সপ্তাহেই!

জার্মানিতে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু এ সপ্তাহেই!

পতিতাবৃত্তি বিলুপ্তির অঙ্গীকার স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রীর

পতিতাবৃত্তি বিলুপ্তির অঙ্গীকার স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রীর

ঔপনিবেশিক অপরাধ, ফ্রান্সকে আন্তর্জাতিক আদালতের মুখোমুখি করার দাবি

ঔপনিবেশিক অপরাধ, ফ্রান্সকে আন্তর্জাতিক আদালতের মুখোমুখি করার দাবি

ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে বেলারুশ ত্যাগের নির্দেশ

ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে বেলারুশ ত্যাগের নির্দেশ

প্রতিশোধের অঙ্গীকার নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্টের

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০০

নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ৪৩ জন নিহতের ঘটনায় প্রতিশোধের অঙ্গীকার করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারি। সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, তার সরকার শিগগিরই এই দস্যুদের পরাজিত করবে।

তিনি বলেন, দস্যুদের দিন গণনার সময় চলে এসেছে। কারণ উন্নত সরঞ্জাম সংগ্রহ ও মোতায়েনের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। এতে করে দস্যুদের পতন ঘণ্টা বেজে উঠেছে।  তাদের আর লুকানোর জায়গা অবশিষ্ট থাকবে না।

মুহাম্মাদু বুহারি বলেন, দস্যুরা বোকার স্বর্গে বাস করছে। শিগগিরই তাদের আগের চেয়ে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে।

এর আগে রবিবার নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় সোকোতো প্রদেশে বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ৪৩ জন নিহত হয়। এদিন স্থানীয় গরন্য এলাকার একটি সাপ্তাহিক বাজারে হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। সোমবার সকাল পর্যন্ত সেখানে তাণ্ডব চালায় তারা।

রবিবার সাপ্তাহিক হাটের দিন হওয়ায় হামলার সময় বাজারে অনেক মানুষ উপস্থিত ছিল। ক্রেতা ও বিক্রেতার উপস্থিতিতে হাট যখন সরগরম তখনই সেখানে হাজির হয়ে তাণ্ডব শুরু করে বন্দুকধারীরা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী ইলিয়াসু আব্বা রয়টার্সকে জানান, হামলার পর গরন্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ৬০টি মরদেহ পড়েছিল। এছাড়া হামলার সময় প্রাণে বাঁচতে পালাতে গিয়ে আহত হয় আরও অনেকে।

তার ভাষায়, ‘চারদিক থেকে বাজারটি ঘিরে ফেলে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে শুরু করে বন্দুকধারীরা। লোকজনকে হত্যা করতে তারা সবদিকেই গুলি চালাচ্ছিল।’

তিনি জানান, পুলিশ হস্তক্ষেপের চেষ্টা করলেও সেখানে বন্দুকধারীরাই অধিক শক্তিশালী ছিল। সংখ্যায়ও তারা পুলিশের চেয়ে বেশি ছিল।

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং সেন্ট্রাল নাইজেরিয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরনের হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। স্কুল শিক্ষার্থীদের অপহরণ, গবাদি পশু চুরি, লুটপাট, বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগের মতো অপরাধ প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে। গত এক দশকে সন্ত্রাসীরা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। দেশজুড়ে সহিংসতার ঘটনায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় ২০ লাখ মানুষ। দৃশ্যত সন্ত্রাসীদের মোকাবিলায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কর্মকর্তারা বলছেন, দেশটিতে সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি বোকো হারাম ও আইএসের মতো জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো তৎপর রয়েছে। সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি তারাও এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। এর মধ্যেই রবিবার বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ৪৩ জন নিহতের ঘটনায় নড়েচড়ে বসে সরকার। প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারি। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, রয়টার্স।

/এমপি/

সম্পর্কিত

নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ৪৩

নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ৪৩

ঔপনিবেশিক অপরাধ, ফ্রান্সকে আন্তর্জাতিক আদালতের মুখোমুখি করার দাবি

ঔপনিবেশিক অপরাধ, ফ্রান্সকে আন্তর্জাতিক আদালতের মুখোমুখি করার দাবি

আমেরিকান মিশনারি অপহরণে হাইতির গ্যাং জড়িত: কর্মকর্তা

আমেরিকান মিশনারি অপহরণে হাইতির গ্যাং জড়িত: কর্মকর্তা

কঙ্গোতে নতুন করে ইবোলা শনাক্ত

কঙ্গোতে নতুন করে ইবোলা শনাক্ত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

জাপান উপত্যকায় চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌমহড়া

জাপান উপত্যকায় চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌমহড়া

ভারত অধিকৃত কাশ্মিরে বিনিয়োগ করবে দুবাই

ভারত অধিকৃত কাশ্মিরে বিনিয়োগ করবে দুবাই

জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান বিষয়ক দূত জালমে খলিলজাদ

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান বিষয়ক দূত জালমে খলিলজাদ

আফগানিস্তানে বিকল্প পথে ত্রাণ সহায়তা পাঠালো জাতিসংঘ

আফগানিস্তানে বিকল্প পথে ত্রাণ সহায়তা পাঠালো জাতিসংঘ

নারীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফেরা নিয়ে যা বললো তালেবান

নারীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফেরা নিয়ে যা বললো তালেবান

আফগানিস্তানে আগামী মাস থেকেই পোলিও টিকাদান: জাতিসংঘ

আফগানিস্তানে আগামী মাস থেকেই পোলিও টিকাদান: জাতিসংঘ

সর্বশেষ

টান দিলেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের কার্পেটিং

টান দিলেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের কার্পেটিং

পেঁয়াজের ক্রেতা সংকট, আরেক দফা কমেছে দাম

পেঁয়াজের ক্রেতা সংকট, আরেক দফা কমেছে দাম

সব সম্প্রদায়ের ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি

সব সম্প্রদায়ের ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি

খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৫ লাখ টনে উন্নীত হবে: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৫ লাখ টনে উন্নীত হবে: খাদ্যমন্ত্রী

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

© 2021 Bangla Tribune