X
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

রোহিঙ্গা নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব

আরসার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মুহিবুল্লাহ 

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫৩

সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-এর নেতৃত্বে কাজ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচআর)-এর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহকে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুহিবুল্লাহ পরিচিত মুখ হওয়ায় কয়েকবারই তাকে প্রস্তাব দিয়েছিল আরসা। তবে আদর্শগত পার্থক্য থাকায় এক হতে পারেনি দুই সংগঠন। দিনে দিনে বেড়েছে শত্রুতা। সশস্ত্র হওয়ায় বিরুদ্ধমতকে সবসময় শক্তি দিয়েই দমানোর চেষ্টা করেছে আরসা। তারই ধারাবাহিকতায় মুহিবুল্লাহকে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা সাধারণ রোহিঙ্গাদের।

রোহিঙ্গাদের মধ্যে মুহিবুল্লাহর সমর্থক বেশি ছিল। তবে আরসার হাতে অস্ত্র থাকায় তাদের ভয়ে কোণঠাসা থাকতো মুহিবুল্লাহর অনুসারীরা। মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে আরও জানা গেছে, মুহিবুল্লাহর দাবি ছিল, মিয়ানমারে যারা প্রকৃত গণহত্যার শিকার ও শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশে এসেছে তাদের মধ্যেই কেউ নেতৃত্ব দিক। তাই আরসার প্রস্তাব নাকচ করেন তিনি। এ নিয়েই আরসা ও মুহিবুল্লাহর দ্বন্দ্ব শুরু।

হতে পারে এটাই আমার শেষ আওয়াজ’

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এক রোহিঙ্গা নেতাকে হোয়াটসঅ্যাপে অডিও বার্তা দিয়েছিলেন মুহিবুল্লাহ। মোবাইল নেটওয়ার্কের সমস্যা থাকায় রোহিঙ্গারা সাধারণত হোয়াটসঅ্যাপে সরাসরি কল না করে কথা রেকর্ড করে বার্তা আদান-প্রদান করে। মুহিবুল্লাহর এমন কয়েকটি অডিও বার্তা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আরসার কার্যক্রম নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন তিনি।

একটি বার্তায় তাকে বলতে শোনা যায়, ‘ক্যাম্পের ৯০-৯৫ ভাগ মানুষ আমাকে সমর্থন করে। আমার সঙ্গে তারা কাজ করে। কিন্তু ৫ ভাগ মানুষ তাদের (আরসার) সঙ্গে রয়েছে, তারা ক্যাম্পে মানুষ খুন, মাদক ব্যবসা ও অস্ত্র চোরাচালানে জড়িত। তারা সাধারণ রোহিঙ্গাদের শান্তিতে থাকতে দেয় না। যারাই তাদের বিপরীতে যায়, তাদের ধরে নিয়ে যায়। আমি তাদের বিরুদ্ধে কথা বলছি। তারা আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। আমি জানি না, আমার কখন মৃত্যু হবে। আমার শেলটারে আমি আছি। অনেকবার আমাকে মারার চেষ্টা করা হয়েছে। আরসার সদস্যরা আমাকে যেকোনও সময় মেরে ফেলতে পারে। হতে পারে এটাই আমার শেষ আওয়াজ (কথা)।’

অপর একটি অডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘কমিউনিটি ভিত্তিক যেসব সংগঠন রয়েছে, তাদেরও আরসা দলে ভেড়াতে চায়। তাদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে। হুমকি দেয়। এসব কারণে অনেকেই ভয়ে রয়েছে।’

অডিও বার্তাগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও তদন্ত সংশ্লিষ্টরা সংগ্রহ করেছেন। তারা মুহিবুল্লাহর বক্তব্য যাচাই করে দেখছেন।

আদর্শগত পার্থক্য

শুরু থেকেই আরসা বিতর্কিত সংগঠন। সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে তারা রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায় করতে চায়। মুহিবুল্লাহ চাইতেন রোহিঙ্গাদের এই সংকট রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় কূটনীতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নিয়ে হোক। যাতে রোহিঙ্গারা অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে নিজ দেশে ফিরতে পারে। এই আদর্শগত পার্থক্যের কারণেই আরসার সঙ্গে হাত মেলাননি মুহিবুল্লাহ।

মুহিবুল্লাহর অনুসারীরা আরও জানিয়েছেন, মুহিবুল্লাহ কখনও সশস্ত্র আন্দোলনের কথা ভাবেননি। শান্তিপূর্ণভাবে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যাবার কথা বলতেন।

সাধারণ রোহিঙ্গারা যেভাবে দেখছেন এই হত্যাকাণ্ড

মুহিবুল্লাহকে হত্যার পর সাধারণ রোহিঙ্গাদের অনেকে ভেঙে পড়েছেন। নেতৃত্ব সংকটে পড়েছেন তারা। অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেলো, মুহিবুল্লাহর নেতৃত্বে তারা আশা দেখেছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর এখন তারা ভীত।

রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে কাজ করেন এমন এক ব্যক্তি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে আরসার চাঁদা ওঠানোর কাজে বাধা দিতেন মুহিবুল্লাহ। এ ছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন ও কূটনীতিকদের সঙ্গে মুহিবুল্লাহর সুসম্পর্ক ছিল।’

এক রোহিঙ্গা বলেন, ‘যারা চায় না রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে যাক, তারাই আরসাকে দিয়ে এমনটা ঘটিয়েছে। কারণ আরসা চায় তারা বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মাদক, অস্ত্র ব্যবসা ও চাঁদাবাজী চালিয়ে যাবে, রোহিঙ্গাদের শাসন করবে। আরসার সদস্যরা অনেক নিরীহ রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে। ২০১৭ সাল থেকে তারা প্রায় ৭০-৮০ জন রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে। এ ছাড়া অনেককে তুলে নিয়ে গেছে।’

কেন রোহিঙ্গারা আরসাকে চায় না?

২০১৭ সালের প্রথম দিকে রোহিঙ্গাদের কাছে আরসা কিছুটা জনপ্রিয়তা পেলেও এখন তা তলানিতে। সাধারণ রোহিঙ্গাদের কাছে জানতে চাইলে আরসার বিরুদ্ধেই বলেন তারা। তারা মনে করেন, আরসা তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করছে না, মিয়ানমারের একটি পক্ষের হয়ে কাজ করছে।

জাহাঙ্গীর নামের এক রোহিঙ্গা বলেন, ‘তারা ভালো চাইলে রোহিঙ্গাদের মতামত নিয়ে কাজ করতো। তা তারা করে না। মিয়ানমার যখনই আলোচনায় বসে, যখনই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়, তখনই আরসা আরাকানে হামলা চালিয়ে বসে। এগুলো কেন হয়? রোহিঙ্গাদের অধিকারের জন্য? নিশ্চয়ই নয়।’

যেভাবে তৈরি হলো আরসা

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ তাদের এক রিপোর্টে বলছে, আরসা মূলত গড়ে উঠেছিল সৌদি আরবে চলে যাওয়া রোহিঙ্গাদের দিয়ে। মক্কায় থাকে এমন ২০ জন রোহিঙ্গা সংগঠনটি গড়ে তোলে। তারা বিভিন্ন দেশে থাকা রোহিঙ্গাদের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করে।

সংগঠনটির নেতা আতাউল্লাহ (আবু আমর জুনুনি নামেও পরিচিত)। তার বাবা রাখাইন থেকে পাকিস্তানের করাচিতে চলে গিয়েছিলেন। সেখানেই আতাউল্লাহর জন্ম। বেড়ে উঠেছেন মক্কায়। ২০১২ সালে হঠাৎ নিখোঁজ হন আতাউল্লাহ। এরপর ২০১৭ সালে আরাকানে হামলার পর তার নাম আবার চাউর হয়।

বিদেশে সৃষ্ট এই সংগঠন রোহিঙ্গাদের তেমন একটা টানে না। তাছাড়া তাদের সাংগঠনিক কাঠামোও দুর্বল।

ইউনুস আরমান নামের এক তরুণ রোহিঙ্গা বলেন, ‘সশস্ত্র হয়ে আরসা রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী জাতিতে পরিণত করতে চায়। আমরা এভাবে অধিকার আদায় করতে চাই না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করলেই তারা বাধ্য হবে আমাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি জাতিসংঘ এ সমস্যা সমাধানে কিছু করতে না পারে, তবে আমাদের পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে। মুহিবুল্লাহকে হত্যার পর ক্যাম্পের সন্ত্রাসীদের জন্য নিরীহ রোহিঙ্গাদের এখন শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে।’

গ্রেফতার ১০ জন রিমান্ডে

মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এর মধ্যে ৩ অক্টোবর দুই সন্দেহভাজন মোহাম্মদ সলিম উল্লাহ প্রকাশ, লম্বা সেলিম (৩৩) ও শওকত উল্লাহ (২৩) নামের দুই রোহিঙ্গা গ্রেফতার হয়। ৬ অক্টোবর হয় তিনজন—জিয়াউর রহমান, আব্দুস সালাম ও মো. ইলিয়াস। ৯ অক্টোবর গ্রেফতার পাঁচজন হলো —  খালেদ হোসেন (৩৩), সৈয়দ আমিন (৩৮), শাকের (৩৫), মোহাম্মদ কলিম (১৮) এবং মো. ইলিয়াস (২২)। তারা সবাই পুলিশের রিমান্ডে রয়েছে।

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ১৪-এর অধিনায়ক পুলিশ সুপার নাঈমুল হক জানান,  ‘আটক ব্যক্তিরা ক্যাম্প এলাকায় আরসা সংগঠনের নামে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিল। তাদের উখিয়া থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তার করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মুহিবুল্লাহকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে একদল অস্ত্রধারী। এ ঘটনায় নিহত মুহিবুল্লাহর ভাই হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে উখিয়া থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

আরও পড়ুন

মুহিবুল্লাহ হত্যা: তিন মিনিটে শেষ হয় কিলিং মিশন

মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্র সচিব

মুহিবুল্লাহ হত্যার পূর্ণ তদন্ত চায় যুক্তরাষ্ট্র

/এফএ/

সম্পর্কিত

সাবেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে দোকান মালিককে কোপানোর অভিযোগ

সাবেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে দোকান মালিককে কোপানোর অভিযোগ

সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য নিহতের হার বেড়েছে

সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য নিহতের হার বেড়েছে

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

টিকায় ভালো পরিকল্পনার ঘাটতি আছে: অধ্যাপক ডা. বে-নজির

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০০

টিকার নিবন্ধন করে এসএমএস-এর অপেক্ষায় আছেন কয়েক লাখ বয়োবৃদ্ধ। তাদের টিকা নিশ্চিত না করেই টিকাগ্রহীতার বয়স কমিয়ে আনা হয়েছে। দেওয়া শুরু হলো স্কুল শিক্ষার্থীদের। এটাকে ভালো পরিকল্পনার ঘাটতি বলছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক ও জাতীয় টিকা পরামর্শক কমিটি (ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ) নাইট্যাগ-এর সদস্য অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ। ১৪ অক্টোবর বাংলা ট্রিবিউন-এর সিনিয়র সাংবাদিক জাকিয়া আহমেদকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, টিকার পরিকল্পনা হয়েছে খাপছাড়াভাবে।

বাংলা ট্রিবিউন: ঠিক কী কারণে খাপছাড়া?

ডা. বে-নজির আহমেদ: খাপছাড়া বলছি, কারণ টিকার পরিকল্পনার শুরুতেই কারা কারা অগ্রাধিকার পাবেন সেটা বলা হয়েছিল। সে তালিকায় কোন জনগোষ্ঠী কতটা টিকা পেয়েছে, তা নিয়ে আমাদের ধারণা নেই। আমরা কোনও তালিকাও করিনি।

শুরু থেকেই বিশ্বজুড়ে বলা হয়েছে করোনা আক্রান্ত হলে পঞ্চাশোর্ধ্বদের ঝুঁকি বেশি। যে কারণে টিকার পরিকল্পনা যখন হয়, তখন এ বয়সীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সে জনগোষ্ঠীর কোনও তালিকা হয়নি। বাড়িতে, থানায় জরিপ করে তালিকা করা গেলে স্পষ্ট ধারণা থাকতো—দেশে ৫৫ বছরের বেশি কত মানুষ আছে। এই কাজে দরকার হতো ১০-১৫ দিন বা সর্বোচ্চ একমাস।

বাংলা ট্রিবিউন: তালিকা করলে কী লাভ হতো?

ডা. বে-নজির আহমেদ: তালিকা হওয়ার পর কত মানুষ টিকা পেলেন আর কারা পেলেন না-সেটা জানা গেলে প্রতিটি এলাকার ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা যেত। কিন্তু সেটা না হওয়ায় কোনও এলাকার ৯০ শতাংশ, আবার কোনও এলাকার ৪০ বা অন্য এলাকায় ৭০ শতাংশ টিকা পেলো। এতে ঝুঁকি থেকেই যাবে।

তালিকা না জেনে টিকার বয়সসীমা পর্যায়ক্রমে নামিয়ে আনা হলো ১৮ বছরে। এখন যদি আবার সংক্রমণের ঢেউ আসে তবে যারা নিবন্ধন করে বসে আছে মাসের পর মাস, সেই বয়োজ্যেষ্ঠদের কী হবে? ঝুঁকিটা থেকেই গেল। অথচ সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিকল্পনা হলে এমনটা থাকতো না।

বাংলা ট্রিবিউন: তবে কি নাইট্যাগ থেকে পরামর্শ নেওয়া হয় না?

ডা. বে-নজির আহমেদ: খাপছাড়াভাবে হয়। ইচ্ছা হলে নিলাম, ইচ্ছা হলে নিলাম না। টিকা নিলে করোনা হবে না-এরও কোনও গ্যারান্টি নেই। তবে টিকা নেওয়া থাকলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার হার কমে। আইসিইউতে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। অথচ এই জনগোষ্ঠীকে টিকা না দিয়ে যাদের সংক্রমণ হলে মৃত্যুঝুঁকি কম, যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি—তাদের টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। এটা শুধু ভালো পরিকল্পনার অভাবই নয়, দূরদর্শীতারও সংকট। এ সমস্যার সমাধানে দ্রুত আরও টিকা আনতে হবে, যেন ২০২২ সালের জানুয়ারির মধ্যে অনেকটা সুরক্ষিত অবস্থায় যেতে পারি।

প্রসঙ্গত, দেশে ৫৫ কিংবা তদূর্ধ্ব বয়সী ব্যক্তিদের জন্যই সুযোগ রেখেই করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদান কর্মসূচির নিবন্ধন শুরু হয় চলতি বছর ২৬ জানুয়ারি। পরে দ্বিতীয় দফায় বয়সসীমা কমিয়ে ৪০ বা তদূর্ধ্ব করা হয়, তৃতীয় দফায় কমিয়ে ৩৫ এবং চতুর্থ দফায় ৩০ বছর করা হয় গত ১৯ জুলাই। তবে মহামারি মোকাবিলায় সম্মুখসারিতে যারা কাজ করছেন, তাদের জন্য বয়সসীমা প্রযোজ্য নয়।

১৪ অক্টোবর ১২-১৭ বছর বয়সীদের পরীক্ষামূলকভাবে টিকা দেওয়া হয়েছে। তাদের আগামী ১০-১৪ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। পরীক্ষামূলক এই টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে ৩০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হবে। সারাদেশে এক কোটির বেশি ছেলেমেয়েকে  পর্যায়ক্রমে আমরা টিকা দেবো।

/এফএ/আপ-এমএস/

সম্পর্কিত

দুই ডোজ টিকার আওতায় ১ কোটি ৮৯ লাখ মানুষ

দুই ডোজ টিকার আওতায় ১ কোটি ৮৯ লাখ মানুষ

১৫ দিনে ৩ হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

১৫ দিনে ৩ হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

৬২ জেলায় শনাক্ত এক অঙ্কের ঘরে

৬২ জেলায় শনাক্ত এক অঙ্কের ঘরে

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

বদনজর থেকে শিশুকে বাঁচাতে টিপ দেওয়া যাবে?

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০০

বদনজর থেকে বাঁচাতে আমাদের সমাজে শিশুর কপালে কালো টিপ দেওয়ার রীতি আছে, যা ঠিক নয়। ইসলামে এর কোনও ভিত্তি নেই। কালো টিপ বদনজর থেকে রক্ষা করতে পারে না। বরং শিশুর সুরক্ষার জন্য মহানবী (সা.) দোয়া শিখিয়েছেন। হাদিসেও প্রসঙ্গটি এসেছে। রাসুল (সা.) তাঁর প্রিয় দুই দৌহিত্র হাসান-হুসাইনের সুরক্ষার জন্য এই দোয়া পাঠ করতেন। বাংলা উচ্চারণ, ‘উয়িজুকুমা বি-কালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শাইতানিউ ওআহাম্মাতিউ ওয়ামিন কুল্লি আইনিন লাম্মাহ’ অর্থাৎ: সকল শয়তান, কীটপতঙ্গ ও বদনজর থেকে তোমাদেরকে আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালিমাসমূহের আশ্রয়ে দিচ্ছি। (সহিহ বুখারি)

এ দোয়াটি এক সন্তানের আশ্রয়ের জন্য পাঠ করলে ‘উয়িজুকা’, দু’জনের জন্য ‘উয়িজুকুমা’ আর তিন বা তিনের বেশি হলে- ‘উয়িজুকুম’বলতে হবে। বদনজর থেকে সুরক্ষার জন্য তিন কুল (সুরা কাফিরুন, সুরা ফালাক ও সুরা নাস), আয়াতুল কুরসি এবং হাদিসে আরও বিভিন্ন দোয়া বর্ণিত আছে।

 

তথ্যসূত্র: আল কাউসার ডিসেম্বর ২০১২ সংখ্যা

/এফএ/

সম্পর্কিত

পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

শান্তি-সম্প্রীতির জন্য প্রার্থনা মসজিদে

শান্তি-সম্প্রীতির জন্য প্রার্থনা মসজিদে

কলাবাগান ক্রীড়াচক্র মাঠে দুর্গাপূজা উদযাপন নিয়ে যা বললো ডিএসসিসি

কলাবাগান ক্রীড়াচক্র মাঠে দুর্গাপূজা উদযাপন নিয়ে যা বললো ডিএসসিসি

২০ অক্টোবর ঈদে মিলাদুন্নবী

২০ অক্টোবর ঈদে মিলাদুন্নবী

ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত ৩০

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:১৮

ফেনী শহরের ট্রাংক রোডে কেন্দ্রীয় কালীবাড়ির সামনে পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিবাদ মিছিলকে কেন্দ্র করে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে ইটপাটকেল নিক্ষেপে পুলিশ ও সাংবাদিকসহ প্রায় ২৫-৩০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১৬ অক্টোবর) বিকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে এ সংঘর্ষ চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছুড়ে। এ ঘটনায় শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

সূত্র জানায়, শনিবার বিকালে শহরের ট্রাংক রোডে পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিবাদ মিছিল হওয়ার কথা ছিল। সে সময় একই স্থানের বড় মসজিদের সামনে কয়েকজন যুবক অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। খবর পেয়ে ফেনী থানার ওসি মো. নিজাম উদ্দিনের  নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়।

এ সময় ট্রাংক রোডের ওই অংশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দোকানপাটও বন্ধ করে দেওয়া হয়। থেমে থেমে পুলিশের ওপর ইটপাটকেলও নিক্ষেপ হয়। এ সময় পুলিশও ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছুড়তে থাকে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য উপস্থিত হয়। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর আওয়ামী লীগ-যুবলীগের একটি মিছিল ওই স্থান দিয়ে যাওয়ার সময় মসজিদের সামনের যুবকদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময়ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। 

এতে ফেনী মডেল থানার ওসি মো. নিজাম উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য, বেসরকারি একটি টিভি চ্যানেলের স্থানীয় ক্যামেরা পারসন রিয়াদ মোল্লা, যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন ডালিমসহ ২৫-৩০ জন আহত হন।

এদিকে শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পারভেজুল হাজারী গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে অভিযোগ করেছেন, সন্ধ্যার পর থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শহরের বড় বাজারে ২০টি দোকানে লুটপাট ও অর্ধশতাধিক দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এতে কারা জড়িত সে বিষয়ে অবশ্য তিনি কোনও মন্তব্য করেননি। 

ফেনীর পুলিশ সুপার খন্দকার নুরুজ্জামান বলেন, দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। তবে সঠিক সংখ্যাটা এখনই বলা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে টিয়ার শেল, ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে বলেও জানান তিনি।

/এমএস/টিটি/

সম্পর্কিত

রফিকুল ইসলাম মাদানীর ফের ৪ দিনের রিমান্ড

রফিকুল ইসলাম মাদানীর ফের ৪ দিনের রিমান্ড

রাজধানীর নিকুঞ্জ থেকে চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:২৪

রাজধানীর খিলক্ষেত নিকুঞ্জ এলাকার একটি বাসা থেকে এক চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ওই ব্যক্তির নাম জয়দেব চন্দ্র দাস। শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুন্সি সাব্বির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিকুঞ্জ-২ এর ১৫ নম্বর সড়কের একটি ফ্ল্যাট বাড়ির কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ আসছিল। পরে অনুসন্ধানে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই কক্ষের দরজা ভেঙে খাট থেকে ওই চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওসি সাব্বির বলেন, নিহত চিকিৎসক সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাস করেছেন। লাশটি যেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সেখানে চিকিৎসকরা মেস করে থাকতেন।

/এমএস/

সম্পর্কিত

‘হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা লাগানোর ষড়যন্ত্র করছে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি’ 

‘হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা লাগানোর ষড়যন্ত্র করছে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি’ 

‘ঢাকামুখী অভিবাসন বন্ধ না হলে কোনও পরিকল্পনাই কার্যকর হবে না’ 

‘ঢাকামুখী অভিবাসন বন্ধ না হলে কোনও পরিকল্পনাই কার্যকর হবে না’ 

‘ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং থাকলে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত’

‘ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং থাকলে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত’

হানিফ ফ্লাইওভারে বাস উল্টে দুই কাবাডি খেলোয়াড় আহত

হানিফ ফ্লাইওভারে বাস উল্টে দুই কাবাডি খেলোয়াড় আহত

দিনে মনোনয়নপত্র জমা, রাতে গুলিতে আ.লীগ প্রার্থীর মৃত্যু

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০০

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার চিৎমরম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী নেথোয়াই মারমাকে (৫৬) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টার দিকে ওই প্রার্থীর নিজ বাড়িতে হত্যার এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তি ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ছিলেন তিনি।

কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, আমরা জেনেছি আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী নেথোয়াই মারমাকে গুলি করে হত্যা করেছে একদল দুর্বৃত্ত, পুলিশ সেখানে যাচ্ছে। সেখানে থেকে ফিরে এলে বিস্তারিত জানাতে পারব।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অংসুচাইন চৌধুরী জানিয়েছেন, নেথোয়াই মারমা এতদিন উপজেলা রেস্ট হাউজে ছিলেন। আজই (শনিবার) ইউপি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে চিৎমরমে আগাপাড়া এলাকায় গিয়েছিলেন নেতাকর্মী ও স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে। রাতে তার নিজ বাড়িতে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও চিৎমরম ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান থোয়াই চিং মারমা জানান, ঘটনা শুনে তার বাড়িতে ফোন দিয়ে খোঁজ নেই। তখন তার ছেলে ফোন ধরে কান্নাকাটি করে জানালো ‑ একদল সন্ত্রাসী তার বাবাকে বাসায় ঢুকে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।

রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মুছা মাতব্বর এই হত্যাকাণ্ডের জন্য জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে বলেছেন, পাহাড়ে নির্বাচন আসলেই হত্যাকাণ্ডে মেতে ওঠে এই সন্ত্রাসী সংগঠনটি। তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পার্বত্য জেলার সকল ইউনিয়নের প্রার্থীদের নিরাপদে ও সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও অনুরোধ জানান তিনি।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বারবার চেষ্টা করেও সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির দায়িত্বশীল কাউকে পাওয়া যায়নি। নিহত নেথোয়াই মারমা

/এমএস/

সম্পর্কিত

রাজধানীতে ঠেলাগাড়ির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু

রাজধানীতে ঠেলাগাড়ির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু

তেজগাঁওয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু

তেজগাঁওয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু

আঙ্গুলের অপারেশন করাতে গিয়ে জুডো খেলোয়াড়ের মৃত্যু

আঙ্গুলের অপারেশন করাতে গিয়ে জুডো খেলোয়াড়ের মৃত্যু

ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন আর নেই

ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন আর নেই

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সাবেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে দোকান মালিককে কোপানোর অভিযোগ

সাবেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে দোকান মালিককে কোপানোর অভিযোগ

সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য নিহতের হার বেড়েছে

সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য নিহতের হার বেড়েছে

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

যাত্রাবাড়ীতে ৩ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

যাত্রাবাড়ীতে ৩ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

আইস ধরা পড়লে দাম নেয় না মিয়ানমারের সরবরাহকারীরা

আইস ধরা পড়লে দাম নেয় না মিয়ানমারের সরবরাহকারীরা

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকটে চালু হয় না আইসিইউ

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকটে চালু হয় না আইসিইউ

যাত্রাবাড়ীতে ৫ কেজি আইসসহ দু’জন গ্রেফতার

যাত্রাবাড়ীতে ৫ কেজি আইসসহ দু’জন গ্রেফতার

সর্বশেষ

নিজ ঘরে মিললো ভ্যানচালকের অর্ধগলিত লাশ 

নিজ ঘরে মিললো ভ্যানচালকের অর্ধগলিত লাশ 

ছবি তোলার কথা বলে প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে কাশবনে ধর্ষণ 

ছবি তোলার কথা বলে প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে কাশবনে ধর্ষণ 

টিকায় ভালো পরিকল্পনার ঘাটতি আছে: অধ্যাপক ডা. বে-নজির

টিকায় ভালো পরিকল্পনার ঘাটতি আছে: অধ্যাপক ডা. বে-নজির

বাঙালিদের শুভেচ্ছা নিয়ে জাপানে রওয়ানা দেন বঙ্গবন্ধু

বাঙালিদের শুভেচ্ছা নিয়ে জাপানে রওয়ানা দেন বঙ্গবন্ধু

বদনজর থেকে শিশুকে বাঁচাতে টিপ দেওয়া যাবে?

বদনজর থেকে শিশুকে বাঁচাতে টিপ দেওয়া যাবে?

© 2021 Bangla Tribune