X
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

দুদকের মামলায় বাবরের ৮ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২১, ১৬:২১

দুই মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে দুদকের মামলার দুটি ধারায় মোট ৮ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে দুটি দণ্ড একই সঙ্গে চলায় তাকে মোট ৫ বছরের সাজা খাটতে হবে বলে আদালত জানিয়ে দিয়েছেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেল খাটতে হবে তাকে।

আজ মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের আদালত আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে বিচারক বলেন, আসামির বিরুদ্ধে দুদক দু’টি অভিযোগ করেন। এরমধ্যে দুদক আসামির ‘নালিশি বাড়ি’ নির্মাণে ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকার তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে অর্জন করার অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয় এবং গুলশান শাখার প্রাইম ব্যাংকের জমাকরা ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকার তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে অর্জনের দাবি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়।

আদালত আরও বলেন, আসামি লুৎফুজ্জামান বাবর বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক একজন আইন প্রণেতা ও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হয়েও সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়ের উৎসের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণভাবে সম্পদ অর্জন করায় তাকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর যথাক্রমে ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায় শাস্তি যুক্তিযুক্ত মনে করি। তবে আসামির ১৭ বছর কারাদণ্ড এবং অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তির বিষয়টি বিবেচনাক্রমে আসামির সম্পদের তথ্য গোপনের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৬ (২) ধারায় তিন বছর এবং ২৭ (১) ধারায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলাম বলে বিচারক উল্লেখ করেন।

এর আগে আজ সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে আসামি লুৎফুজ্জামান বাবরকে কারাগার থেকে সরাসরি আদালতের এজলাসে হাজির করা হয়। এসময় পুলিশের কড়া নিরাপত্তা দিয়ে তাকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। আদালতের রায় ঘোষণার পরে তাকে একইভাবে পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় মাধ্যমে সরাসরি কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আদালত বাবরকে দুদকের এই মামলায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের কারণে ৫ বছর ও তথ্য গোপনের কারণে ৩ বছর পৃথক দুই ধারায় মোট ৮ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের অভিযোগে ২০০৮ সালে জরুরি অবস্থা চলাকালে মামলাটি দায়ের করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই বছরই মামলাটিতে অভিযোগ গঠনের পর বিচার শুরু হয়। প্রায় একযুগ সময়ে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ মামলাটির রায় দিলেন আদালত।

এরই মধ্যে ২০০৪ সালের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা এবং ১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন নেত্রকোনা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত তিনবারের এই সংসদ সদস্য।

এর আগে গত ৪ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের আদালতে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্যে এই দিন ধার্য করেন। ২১ সেপ্টেম্বর একই আদালতে আসামি বাবর আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আদালতে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন।

মামলাটিতে সাত জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

মামলাটিতে বাবরের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদ রাখার অভিযোগ আনা হয়। তার মধ্যে প্রাইম ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংক দুইটি এফডিআরে ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা এবং বাড়ি নির্মাণ বাবদ ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকা গোপন করার অভিযোগ করা হয়। 

ওই ঘটনায় ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি এই আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপন করার অভিযোগে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করে দুদক। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আরও পড়ুন:
যে কারণে বাবরকে দুদকের মামলায় সাজা খাটতে হবে না  

/এমএইচজে/ইউএস/

সম্পর্কিত

সম্প্রীতি বজায় রাখতে মাদ্রাসা শিক্ষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান

সম্প্রীতি বজায় রাখতে মাদ্রাসা শিক্ষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান

সাবেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে দোকান মালিককে কোপানোর অভিযোগ

সাবেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে দোকান মালিককে কোপানোর অভিযোগ

সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য নিহতের হার বেড়েছে

সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য নিহতের হার বেড়েছে

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

সম্প্রীতি বজায় রাখতে মাদ্রাসা শিক্ষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৩

ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে মাদ্রাসা শিক্ষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ধর্মীয় মুল্যবোধ, দেশপ্রেম ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষকদের কাজ করতে হবে। সকল ধর্মের লোকদের মধ্যে বন্ধন জোরদার করতে তাদের আরও বেশি ভুমিকা রাখতে রাখতে হবে।

রবিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে অনলাইনে যুক্ত হয়ে মাদ্রাসা শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় একথা বলেন। সভায় দেশের ৩০০টি মাদ্রাসার শিক্ষক অংশ নেন।

সাম্প্রতিক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজা অনুষ্ঠানে সংঘঠিত সহিংসতা প্রসঙ্গে মো. আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে দেখে ষড়যন্ত্রকারীরা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টির অপচেষ্টায় অপপ্রচার চালাচ্ছে। মাদ্রাসা শিক্ষকদের এ বিষয়ে শুধু সচেতন হলেই চলবে না তাদের সঠিক নেতৃত্ব দিতে হবে।’

আমিনুল ইসলাম মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ ও প্রশিক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে শিক্ষকদের অবহিত করেন। এসময় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠায় শিক্ষকদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান সচিব।

/এসএমএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আজ

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আজ

সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য নিহতের হার বেড়েছে

সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য নিহতের হার বেড়েছে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু ২১ অক্টোবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু ২১ অক্টোবর

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

টিকায় ভালো পরিকল্পনার ঘাটতি আছে: অধ্যাপক ডা. বে-নজির

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০০

টিকার নিবন্ধন করে এসএমএস-এর অপেক্ষায় আছেন কয়েক লাখ বয়োবৃদ্ধ। তাদের টিকা নিশ্চিত না করেই টিকাগ্রহীতার বয়স কমিয়ে আনা হয়েছে। দেওয়া শুরু হলো স্কুল শিক্ষার্থীদের। এটাকে ভালো পরিকল্পনার ঘাটতি বলছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক ও জাতীয় টিকা পরামর্শক কমিটি (ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ) নাইট্যাগ-এর সদস্য অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ। ১৪ অক্টোবর বাংলা ট্রিবিউন-এর সিনিয়র সাংবাদিক জাকিয়া আহমেদকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, টিকার পরিকল্পনা হয়েছে খাপছাড়াভাবে।

বাংলা ট্রিবিউন: ঠিক কী কারণে খাপছাড়া?

ডা. বে-নজির আহমেদ: খাপছাড়া বলছি, কারণ টিকার পরিকল্পনার শুরুতেই কারা কারা অগ্রাধিকার পাবেন সেটা বলা হয়েছিল। সে তালিকায় কোন জনগোষ্ঠী কতটা টিকা পেয়েছে, তা নিয়ে আমাদের ধারণা নেই। আমরা কোনও তালিকাও করিনি।

শুরু থেকেই বিশ্বজুড়ে বলা হয়েছে করোনা আক্রান্ত হলে পঞ্চাশোর্ধ্বদের ঝুঁকি বেশি। যে কারণে টিকার পরিকল্পনা যখন হয়, তখন এ বয়সীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সে জনগোষ্ঠীর কোনও তালিকা হয়নি। বাড়িতে, থানায় জরিপ করে তালিকা করা গেলে স্পষ্ট ধারণা থাকতো—দেশে ৫৫ বছরের বেশি কত মানুষ আছে। এই কাজে দরকার হতো ১০-১৫ দিন বা সর্বোচ্চ একমাস।

বাংলা ট্রিবিউন: তালিকা করলে কী লাভ হতো?

ডা. বে-নজির আহমেদ: তালিকা হওয়ার পর কত মানুষ টিকা পেলেন আর কারা পেলেন না-সেটা জানা গেলে প্রতিটি এলাকার ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা যেত। কিন্তু সেটা না হওয়ায় কোনও এলাকার ৯০ শতাংশ, আবার কোনও এলাকার ৪০ বা অন্য এলাকায় ৭০ শতাংশ টিকা পেলো। এতে ঝুঁকি থেকেই যাবে।

তালিকা না জেনে টিকার বয়সসীমা পর্যায়ক্রমে নামিয়ে আনা হলো ১৮ বছরে। এখন যদি আবার সংক্রমণের ঢেউ আসে তবে যারা নিবন্ধন করে বসে আছে মাসের পর মাস, সেই বয়োজ্যেষ্ঠদের কী হবে? ঝুঁকিটা থেকেই গেল। অথচ সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিকল্পনা হলে এমনটা থাকতো না।

বাংলা ট্রিবিউন: তবে কি নাইট্যাগ থেকে পরামর্শ নেওয়া হয় না?

ডা. বে-নজির আহমেদ: খাপছাড়াভাবে হয়। ইচ্ছা হলে নিলাম, ইচ্ছা হলে নিলাম না। টিকা নিলে করোনা হবে না-এরও কোনও গ্যারান্টি নেই। তবে টিকা নেওয়া থাকলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার হার কমে। আইসিইউতে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। অথচ এই জনগোষ্ঠীকে টিকা না দিয়ে যাদের সংক্রমণ হলে মৃত্যুঝুঁকি কম, যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি—তাদের টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। এটা শুধু ভালো পরিকল্পনার অভাবই নয়, দূরদর্শীতারও সংকট। এ সমস্যার সমাধানে দ্রুত আরও টিকা আনতে হবে, যেন ২০২২ সালের জানুয়ারির মধ্যে অনেকটা সুরক্ষিত অবস্থায় যেতে পারি।

প্রসঙ্গত, দেশে ৫৫ কিংবা তদূর্ধ্ব বয়সী ব্যক্তিদের জন্যই সুযোগ রেখেই করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদান কর্মসূচির নিবন্ধন শুরু হয় চলতি বছর ২৬ জানুয়ারি। পরে দ্বিতীয় দফায় বয়সসীমা কমিয়ে ৪০ বা তদূর্ধ্ব করা হয়, তৃতীয় দফায় কমিয়ে ৩৫ এবং চতুর্থ দফায় ৩০ বছর করা হয় গত ১৯ জুলাই। তবে মহামারি মোকাবিলায় সম্মুখসারিতে যারা কাজ করছেন, তাদের জন্য বয়সসীমা প্রযোজ্য নয়।

১৪ অক্টোবর ১২-১৭ বছর বয়সীদের পরীক্ষামূলকভাবে টিকা দেওয়া হয়েছে। তাদের আগামী ১০-১৪ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। পরীক্ষামূলক এই টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে ৩০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হবে। সারাদেশে এক কোটির বেশি ছেলেমেয়েকে  পর্যায়ক্রমে আমরা টিকা দেবো।

/এফএ/আপ-এমএস/

সম্পর্কিত

দুই ডোজ টিকার আওতায় ১ কোটি ৮৯ লাখ মানুষ

দুই ডোজ টিকার আওতায় ১ কোটি ৮৯ লাখ মানুষ

১৫ দিনে ৩ হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

১৫ দিনে ৩ হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

৬২ জেলায় শনাক্ত এক অঙ্কের ঘরে

৬২ জেলায় শনাক্ত এক অঙ্কের ঘরে

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

বদনজর থেকে শিশুকে বাঁচাতে টিপ দেওয়া যাবে?

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০০

বদনজর থেকে বাঁচাতে আমাদের সমাজে শিশুর কপালে কালো টিপ দেওয়ার রীতি আছে, যা ঠিক নয়। ইসলামে এর কোনও ভিত্তি নেই। কালো টিপ বদনজর থেকে রক্ষা করতে পারে না। বরং শিশুর সুরক্ষার জন্য মহানবী (সা.) দোয়া শিখিয়েছেন। হাদিসেও প্রসঙ্গটি এসেছে। রাসুল (সা.) তাঁর প্রিয় দুই দৌহিত্র হাসান-হুসাইনের সুরক্ষার জন্য এই দোয়া পাঠ করতেন। বাংলা উচ্চারণ, ‘উয়িজুকুমা বি-কালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শাইতানিউ ওআহাম্মাতিউ ওয়ামিন কুল্লি আইনিন লাম্মাহ’ অর্থাৎ: সকল শয়তান, কীটপতঙ্গ ও বদনজর থেকে তোমাদেরকে আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালিমাসমূহের আশ্রয়ে দিচ্ছি। (সহিহ বুখারি)

এ দোয়াটি এক সন্তানের আশ্রয়ের জন্য পাঠ করলে ‘উয়িজুকা’, দু’জনের জন্য ‘উয়িজুকুমা’ আর তিন বা তিনের বেশি হলে- ‘উয়িজুকুম’বলতে হবে। বদনজর থেকে সুরক্ষার জন্য তিন কুল (সুরা কাফিরুন, সুরা ফালাক ও সুরা নাস), আয়াতুল কুরসি এবং হাদিসে আরও বিভিন্ন দোয়া বর্ণিত আছে।

 

তথ্যসূত্র: আল কাউসার ডিসেম্বর ২০১২ সংখ্যা

/এফএ/

সম্পর্কিত

পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

শান্তি-সম্প্রীতির জন্য প্রার্থনা মসজিদে

শান্তি-সম্প্রীতির জন্য প্রার্থনা মসজিদে

কলাবাগান ক্রীড়াচক্র মাঠে দুর্গাপূজা উদযাপন নিয়ে যা বললো ডিএসসিসি

কলাবাগান ক্রীড়াচক্র মাঠে দুর্গাপূজা উদযাপন নিয়ে যা বললো ডিএসসিসি

২০ অক্টোবর ঈদে মিলাদুন্নবী

২০ অক্টোবর ঈদে মিলাদুন্নবী

ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত ৩০

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:১৮

ফেনী শহরের ট্রাংক রোডে কেন্দ্রীয় কালীবাড়ির সামনে পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিবাদ মিছিলকে কেন্দ্র করে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে ইটপাটকেল নিক্ষেপে পুলিশ ও সাংবাদিকসহ প্রায় ২৫-৩০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১৬ অক্টোবর) বিকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে এ সংঘর্ষ চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছুড়ে। এ ঘটনায় শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

সূত্র জানায়, শনিবার বিকালে শহরের ট্রাংক রোডে পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিবাদ মিছিল হওয়ার কথা ছিল। সে সময় একই স্থানের বড় মসজিদের সামনে কয়েকজন যুবক অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। খবর পেয়ে ফেনী থানার ওসি মো. নিজাম উদ্দিনের  নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়।

এ সময় ট্রাংক রোডের ওই অংশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দোকানপাটও বন্ধ করে দেওয়া হয়। থেমে থেমে পুলিশের ওপর ইটপাটকেলও নিক্ষেপ হয়। এ সময় পুলিশও ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছুড়তে থাকে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য উপস্থিত হয়। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর আওয়ামী লীগ-যুবলীগের একটি মিছিল ওই স্থান দিয়ে যাওয়ার সময় মসজিদের সামনের যুবকদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময়ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। 

এতে ফেনী মডেল থানার ওসি মো. নিজাম উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য, বেসরকারি একটি টিভি চ্যানেলের স্থানীয় ক্যামেরা পারসন রিয়াদ মোল্লা, যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন ডালিমসহ ২৫-৩০ জন আহত হন।

এদিকে শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পারভেজুল হাজারী গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে অভিযোগ করেছেন, সন্ধ্যার পর থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শহরের বড় বাজারে ২০টি দোকানে লুটপাট ও অর্ধশতাধিক দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এতে কারা জড়িত সে বিষয়ে অবশ্য তিনি কোনও মন্তব্য করেননি। 

ফেনীর পুলিশ সুপার খন্দকার নুরুজ্জামান বলেন, দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। তবে সঠিক সংখ্যাটা এখনই বলা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে টিয়ার শেল, ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে বলেও জানান তিনি।

/এমএস/টিটি/

সম্পর্কিত

রফিকুল ইসলাম মাদানীর ফের ৪ দিনের রিমান্ড

রফিকুল ইসলাম মাদানীর ফের ৪ দিনের রিমান্ড

রাজধানীর নিকুঞ্জ থেকে চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:২৪

রাজধানীর খিলক্ষেত নিকুঞ্জ এলাকার একটি বাসা থেকে এক চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ওই ব্যক্তির নাম জয়দেব চন্দ্র দাস। শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুন্সি সাব্বির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিকুঞ্জ-২ এর ১৫ নম্বর সড়কের একটি ফ্ল্যাট বাড়ির কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ আসছিল। পরে অনুসন্ধানে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই কক্ষের দরজা ভেঙে খাট থেকে ওই চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওসি সাব্বির বলেন, নিহত চিকিৎসক সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাস করেছেন। লাশটি যেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সেখানে চিকিৎসকরা মেস করে থাকতেন।

/এমএস/

সম্পর্কিত

‘হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা লাগানোর ষড়যন্ত্র করছে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি’ 

‘হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা লাগানোর ষড়যন্ত্র করছে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি’ 

‘ঢাকামুখী অভিবাসন বন্ধ না হলে কোনও পরিকল্পনাই কার্যকর হবে না’ 

‘ঢাকামুখী অভিবাসন বন্ধ না হলে কোনও পরিকল্পনাই কার্যকর হবে না’ 

‘ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং থাকলে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত’

‘ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং থাকলে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত’

হানিফ ফ্লাইওভারে বাস উল্টে দুই কাবাডি খেলোয়াড় আহত

হানিফ ফ্লাইওভারে বাস উল্টে দুই কাবাডি খেলোয়াড় আহত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সম্প্রীতি বজায় রাখতে মাদ্রাসা শিক্ষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান

সম্প্রীতি বজায় রাখতে মাদ্রাসা শিক্ষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান

সাবেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে দোকান মালিককে কোপানোর অভিযোগ

সাবেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে দোকান মালিককে কোপানোর অভিযোগ

সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য নিহতের হার বেড়েছে

সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য নিহতের হার বেড়েছে

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

যাত্রাবাড়ীতে ৩ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

যাত্রাবাড়ীতে ৩ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

আইস ধরা পড়লে দাম নেয় না মিয়ানমারের সরবরাহকারীরা

আইস ধরা পড়লে দাম নেয় না মিয়ানমারের সরবরাহকারীরা

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকটে চালু হয় না আইসিইউ

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকটে চালু হয় না আইসিইউ

সর্বশেষ

শাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের দায়িত্ব নিলেন অধ্যাপক জাকারিয়া

শাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের দায়িত্ব নিলেন অধ্যাপক জাকারিয়া

সম্প্রীতি বজায় রাখতে মাদ্রাসা শিক্ষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান

সম্প্রীতি বজায় রাখতে মাদ্রাসা শিক্ষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান

খালেদা জিয়াকে দেখে এলেন মির্জা ফখরুল, দুপুরে সংবাদ সম্মেলন

খালেদা জিয়াকে দেখে এলেন মির্জা ফখরুল, দুপুরে সংবাদ সম্মেলন

নিজ ঘরে মিললো ভ্যানচালকের অর্ধগলিত লাশ 

নিজ ঘরে মিললো ভ্যানচালকের অর্ধগলিত লাশ 

ছবি তোলার কথা বলে প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে কাশবনে ধর্ষণ 

ছবি তোলার কথা বলে প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে কাশবনে ধর্ষণ 

© 2021 Bangla Tribune