X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

কুমিল্লার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৪৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কুমিল্লার ঘটনার তদন্ত হচ্ছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। যে ধর্মের হোক না কেন বিচার করা হবে।’

বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপে ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

মহানগর সর্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শৈলেন্দ্রনাথ মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ মহারাজ, মহানগর সর্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক কিশোর রঞ্জন মণ্ডল।

কুমিল্লার ঘটনায় সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কুমিল্লার ঘটনায় ব্যাপক তদন্ত চলছে। এ ধরনের ঘটনা যারা ঘটাবে, তাদের আমরা খুঁজে বের করবো। যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ঘটনায় জড়িত যেই হোক না কেন, যে ধর্মের হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা অবশ্যই নেওয়া হবে। এমন শাস্তি দেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে সাহস না পায়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কুমিল্লায় যে ঘটনা ঘটছে তার তদন্ত হচ্ছে। ব্যাপকভাবেই তদন্ত হচ্ছে। অনেক তথ্যই আমরা পাচ্ছি এবং অবশ্যই এই ধরনের ঘটনা যারা ঘটাবে, তাদের আমরা খুঁজে বের করবো। এটা আমরা করতে পারবো। প্রযুক্তির যুগে এটা বের করা যাবে। সেই যেই হোক না কেন, যে ধর্মের হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা অবশ্যই নেওয়া হবে। আমরা তা করেছি এবং করবো। কিছু মানুষের মধ্যে এই দুষ্ট বুদ্ধিটা আছে। যখন একটা জিনিস সুন্দরভাবে চলছে সেটাকে নষ্ট করা। বাংলাদেশ যখন উন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, এই যাত্রাটাকে ব্যাহত করা আর দেশের ভেতরে একটা সমস্যা সৃষ্টি করা, এ ধরনের কিছু লোক আছে। যারা জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে না, বিশ্বাস অর্জন করতে পারে না। যাদের রাজনীতি নেই, কোনও আদর্শ নেই, তারাই এ ধরনের কাজ করে। এটা অনেকটাই তাদের এক ধরনের দুর্বলতা। কিন্তু এর বিরুদ্ধে যদি সবাই সচেতন থাকেন, তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, ‘হিন্দু ধর্ম কল্যাণ ট্রাস্ট আইন আমরা করে দিয়েছি। এর তহবিলে ১০০ কোটি টাকা আমরা দিয়েছি। আপনাদের অনেকে অর্থ ও সম্পদশালী আছেন। তারা পূজামণ্ডপ করতে গিয়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করেন। এত টাকা খরচ না করে আপনারা কল্যাণ ট্রাস্টে অনুদান দিতে পারেন। তাহলে ট্রাস্টের ফান্ড বেড়ে যাবে। এতে যার যা প্রয়োজন সেই সহযোগিতা দেওয়া সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে ঢাকেশ্বরী মন্দির ধ্বংস করা হয়েছিল। আমরা ওই মন্দিরটি পরে তৈরি করে দেই। এই মন্দিরের উন্নয়ন কাজ এখনও চলমান রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে এ বছর পূজায় তিন কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেখা যায় দুর্গাপূজার সময় সর্বজনীন পূজামণ্ডপ হয়, আবার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনেক পূজামণ্ডপ হয়। বছর বছর এই পূজামণ্ডপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনারাই বলেছেন, ৩২ হাজার ১১৮টি মণ্ডপে এবার দুর্গাপূজা হচ্ছে। এটা খুবই ভালো কথা। কিন্তু একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতিটি জায়গায় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হয়। এক্ষেত্রে সর্বজনীন পূজামণ্ডপগুলোতে কোনও অসুবিধা হয় না। কিন্তু অস্থায়ী মন্দিরগুলোতে পূজা হলে কিছু লোক সুযোগ পায় সেখানে সমস্যা সৃষ্টি করার। কাজেই এ ক্ষেত্রে আপনাদের পক্ষ থেকে কিছুটা বোধহয় নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। আর এই ব্যবস্থা কিন্তু ভারতে আছে। কলকাতায় আছে। সেখানে সরকারের অনুমোদন ছাড়া নতুন করে পূজামণ্ডপ করতে পারে না। কিন্তু আমাদের এখানে স্বাধীনতা আছে। আপনারা করতে পারেন। কাজেই বলবো—এ ব্যাপারে আপনারাই পদক্ষেপ নেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে একটি নীতিমালা বা নির্দেশনা থাকা দরকার, কতটা পূজামণ্ডপ হবে। এটা সীমিত হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে সুবিধা হয়।’

পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা দিতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বলবো—যার যার এলাকায়, যেখানে পূজা হচ্ছে, প্রত্যেকে যেন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে। সকলের সঙ্গে মিলে যেন শান্তিপূর্ণভাবে পূজা হয়, সেই ব্যবস্থা করবে। সেটা নিশ্চয়ই তারা করবেন এবং করে থাকেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘গতবার করোনার কারণে পূজা সীমিত হয়েছিল। এবার একটু উৎসাহ পেয়ে বেশি বেড়ে গেছে। এবার এক হাজার ৯০৫টি অতিরিক্ত পূজামণ্ডপ তৈরি হয়েছে।’

পঁচাত্তরের পরে বিএনপি ধর্মের নামে বিভেদ ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করেছিল অভিযোগ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘সারা বিশ্বে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস বৃদ্ধি পাওয়ায় তার একটি প্রভাব এসে পড়েছে। এ জন্য কেবল আমাদের নিজেদের দেশই নয়, প্রতিবেশী দেশকেও এ ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। সচেতন থাকতে হবে। প্রতিবেশী ভারত আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় সহযোগিতা করেছে। তাদের কথা আমরা সব সময় কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি। কাজেই সেখানে এমন কিছু যেন না করা হয়, তার প্রভাব আমার দেশে এসে পড়ে। আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আঘাত আসে। এজন্য তাদেরও একটু সচেতন থাকতে হবে। আমি চাই, আমাদের দেশে মানুষ সুন্দরভাবে জীবনযাপন করবে। সব ধর্মের মানুষ তার ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করবে।’

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা কখনোই নিজেদের সংখ্যালঘু ভাববেন না। আমরা আপনাদের সংখ্যালঘু নয়, নিজেদের আপনজন হিসেবে মানি। এই দেশের নাগরিক হিসেবে মানি। সমঅধিকারে এই দেশে বসবাস করেন। আপনারা সমঅধিকার ভোগ করবেন। সমঅধিকার নিয়ে আপনাদের ধর্ম পালন করবেন। উৎসব করবেন। সেটাই আমরা চাই। এটাই হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশের আসল নীতি ও আদর্শ।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইসলাম ধর্ম কিন্তু বিভেদের কথা বলে না। ইসলাম ধর্মে সব ধর্মের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। আমাদের নবী করিম (সা.) সেটাই বিশ্বাস করতেন। কিন্তু আমাদের কিছু লোক ধর্মান্ধতায় ভোগে এবং সব সময় তারা একটি সাম্প্রদায়িক তাণ্ডব সৃষ্টি করতে চায়। এটা শুধু মুসলমানদের মধ্যে তা নয়, সব ধর্মেই কিন্তু এই ধর্মান্ধ শ্রেণি আছে। তারা সময় সময় একটা গোলমাল, একটা কিছু করার চেষ্টা করে। যদি সকলে আমরা এক হয়ে চলি, তাহলে তারা নিশ্চয়ই কোনও ক্ষতি করতে পারবে না।’

কুমিল্লায় ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। সার্বক্ষণিক আমরা যোগাযোগ রেখেছিলাম। এ ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। যেখানে যেখানে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হবে, সঙ্গে সঙ্গে তাদের খুঁজে বের করা হবে। অতীতেও আমরা করেছি। ভবিষ্যতেও আমরা করবো। যথাযথ শাস্তি তাদের আমরা দিতে চাই। এমন শাস্তি, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ সাহস না পায়।’

বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার। বাংলাদেশে সব সময় এই বিষয়টি আছে। প্রত্যেকে সব সময় শামিল হয়ে উৎসবে আনন্দ উপভোগ করে। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু কিছু দুষ্টচক্র কিছু ঘটনা ঘটিয়ে মানুষের ভেতরের এই চেতনাটাকে নষ্ট করতে চায়। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’

/পিএইচসি/ ইএইচএস/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

দ্বিতীয় ধাপে ৮১ চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০২:৫৯

দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৬ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৮১ জন চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের সকলেই আওয়ামী লীগ প্রার্থী। মঙ্গলবার শেষ দিনে বাকি প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় এসব জনপ্রতিনিধি একক প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন। বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে তিন হাজার ৩১০ জন, সংরক্ষিত সদস্য পদে নয় হাজার ১৬১ জন এবং সদস্য পদে ২৮ হাজার ৭৪৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়েছে মঙ্গলবার। বুধবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এদিন থেকেই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার কার্যক্রম। আগামী ১১ নভেম্বর এসব ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৬ ইউনিয়ন পরিষদে চার হাজার ৭৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনই ৩১টি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে একজন করে প্রার্থী হন। তারা সবাই আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী।

মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৫৭২ জন নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। এতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১ জনে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের ১৩টি উপজেলার ৮৯টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ২১টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তারা জয় পেয়েছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৮১টি বাদে বাকি ৭৬৫ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন হাজার ৩১০ প্রার্থী।

ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৯৩ জন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ভোটের মাঠে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন নয় হাজার ১৬১জন প্রার্থী। আর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন ৭৬ জন। একইভাবে সাধারণ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ২৮ হাজার ৭৪৭ জন। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এক হাজার ৬৬৪জন। এ পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ৩০ হাজার ৮৮৩জন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ২০৩ জন। বাকিদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে।

/ইএইচএস/এলকে/

সম্পর্কিত

খুলনা ও বরিশাল বিভাগে আওয়ামী লীগের ইউপি প্রার্থী যারা

খুলনা ও বরিশাল বিভাগে আওয়ামী লীগের ইউপি প্রার্থী যারা

ইউপি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে আ.লীগের ৩১ প্রার্থী

ইউপি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে আ.লীগের ৩১ প্রার্থী

দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ৪২ হাজার প্রার্থী

দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ৪২ হাজার প্রার্থী

১০০৭ ইউপিতে ভোট ২৮ নভেম্বর

১০০৭ ইউপিতে ভোট ২৮ নভেম্বর

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:১০

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে (এলডিসি গ্রাজুয়েশন) জাতিসংঘের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছে তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) গুলশানে বিজিএমইএ পিআর অফিসে সংগঠনটির সভাপতি ফারুক হাসানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো। এ সময় বিজিএমইএ সভাপতি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জগুলো এবং সাবলীল উত্তরণ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশকে কোন কোন ক্ষেত্রে দৃষ্টি দিতে হবে, সেসব নিয়ে আলোচনা করেন ফারুক হাসান ও মিয়া সেপ্পো।

তারা এলডিসি পরবর্তী তৈরি পোশাক শিল্পকে প্রতিযোগিতামূলক রাখতে কৌশল নির্ধারণে গবেষণা এবং নীতি সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেন।

বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে তৈরি পোশাক খাত কীভাবে আরও বেশি অবদান রাখতে পারে সে বিষয়ে জাতিসংঘের সহযোগিতাও চান বিজিএমইএ সভাপতি।

/জিএম/এফএ/

সম্পর্কিত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০

বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা চলমান কয়েকটি মামলা সম্পর্কে জানতে চেয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

মঙ্গলবার ব্রাসেলসে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে এক বৈঠকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উইগ্যান্ড গুনার এ বিষয়ে জানতে চান।

বৈঠকের পর যৌথ এক বিবৃতিতে বলা হয় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ইইউ জানায় ওই আইনের কয়েকটি ধারা ডিজিটাল অপরাধ দমনের থেকে অন্য কাজে বেশি ব্যবহার হচ্ছে।

গত ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউতে বাংলাদেশ যেসব সুপারিশ বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছিল সেগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য ইইউ উৎসাহ প্রদান করেছে। এ ছাড়া কোভিড-পরবর্তী পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক সুশাসন শক্তিশালীর বিষয়ে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে।

সম্প্রতি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উভয়পক্ষ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও যেকোনও ধরনের বৈষম্যের প্রতি নিন্দা জানায়।

/এসএসজেড/এফএ/

সম্পর্কিত

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২৩:৫১

দক্ষ ও স্বল্প-দক্ষ বাংলাদেশিদের বৈধভাবে ইউরোপে কর্মসংস্থানের আরও সুযোগ তৈরির প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উইগ্যান্ড গুনারের সঙ্গে বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এই প্রস্তাব করেন।

বৈঠকের পর যৌথ এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইউরোপে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফেরত আনার জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বাস্তবায়নে বাংলাদেশে যে অগ্রগতি হয়েছে সেটাকে স্বাগত জানায় ইইউ।

এ বিষয়ে আরও ভালো ফলাফলের জন্য বাংলাদেশকে আহবান জানায় ইউরোপীয় দেশগুলোর সংগঠনটি এবং একইসঙ্গে ইউরোপে অবস্থানরত যে অবৈধ ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে সেটার বিষয়ে প্রতিবেদ্ন দেওয়ার তাগাদাও দিয়েছে তারা।

বৈঠকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন তাদের নতুন ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি বাংলাদেশের কাছে উপস্থাপন করে। মিয়ানমার ও আফগানিস্তানের পরিস্থিতিসহ এই অঞ্চলে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা, সমুদ্র নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদ দমন ও সহযোগিতার বিষয়ে উভয়পক্ষ আলোচনা করে।

নিরাপদে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসনের বিষয়ে উভয়পক্ষ জোর দিয়েছে এবং ভাসানচরে কাজ করা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরকেও স্বাগত জানিয়েছে ইইউ।

/এসএসজেড/এফএ/

সম্পর্কিত

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৫৫

বৈশ্বিক তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে, গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস, প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যগুলো অর্জন এবং প্যারিস রুলবুকের চূড়ান্তকরণে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ), ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) এবং গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপটেশন (সিসিএ)-এর উদ্যোগে ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম-গ্লোবাল পার্লামেন্টারি গ্রুপ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন স্পিকার। বৈশ্বিক জলবায়ুর বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ফোরামে নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন, সেখানে তিনি এসব দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই আমরা কপ-২৬ প্লাটফর্মে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য তড়িৎ সমাধান হিসেবে ভর্তুকির আহ্বান জানিয়েছি। বাংলাদেশ শক্তির স্বাধীনতা অর্জন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং শক্তিবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে ইতোমধ্যে ‘মুজিব ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্ল্যান’ গ্রহণ করেছে। প্ল্যানিটারি ইমার্জেন্সি মোকাবিলার মাধ্যমে গ্রহ রক্ষা এবং এর যথাযথ সংরক্ষণে বৈশ্বিক সম্মিলিত প্রয়াস অত্যন্ত জরুরি।’

অনারারি আইপিইউ প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জিসিএ সভাপতি বান কি মুন, আইপিইউ মহাসচিব মার্টিন চুংগঙ, মালদ্বীপের স্পিকার মোহাম্মদ নাশিদ, ফিলিপাইনের ডেপুটি স্পিকার লরেন লেগার্দা এবং ইউকে হাউজ অব কমন্সের সংসদ সদস্য ডেরেন জোন্স কি-নোট বক্তব্য রাখেন। সিভিএফ প্রেসিডেন্সি অব বাংলাদেশের স্পেশাল এনভয় আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

/ইএইচএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

সম্প্রীতির পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার সবকিছু করবে: ধর্ম-প্রতিমন্ত্রী

সম্প্রীতির পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার সবকিছু করবে: ধর্ম-প্রতিমন্ত্রী

আমরা চাই রোহিঙ্গারা ভালো থাকুক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমরা চাই রোহিঙ্গারা ভালো থাকুক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনায় আরও ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৬ 

করোনায় আরও ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৬ 

পাসপোর্ট অধিদফতরে নতুন মহাপরিচালক

পাসপোর্ট অধিদফতরে নতুন মহাপরিচালক

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদটিকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করার সুপারিশ

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদটিকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করার সুপারিশ

সর্বশেষ

পশ্চিম তীরে অবৈধ ইহুদি বসতি, কঠোর প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রের

পশ্চিম তীরে অবৈধ ইহুদি বসতি, কঠোর প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রের

সিরিয়া ও ইরাকে দু’বছর সামরিক মিশন বাড়ালো তুরস্ক

সিরিয়া ও ইরাকে দু’বছর সামরিক মিশন বাড়ালো তুরস্ক

রাঙামাটিতে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ গেলো ইউপি সদস্যের

রাঙামাটিতে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ গেলো ইউপি সদস্যের

সাতক্ষীরায় ১০ সাংবাদিক পেলেন মিডিয়া ফেলোশিপ

সাতক্ষীরায় ১০ সাংবাদিক পেলেন মিডিয়া ফেলোশিপ

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

© 2021 Bangla Tribune