X
শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

সেকশনস

গাইবান্ধায় রিকশাচালক হত্যার ঘটনায় দুই ভাই কারাগারে

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৭:২৭

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় রিকশাচালক ছকু মিয়া হত্যা মামলায় মন্টু মিয়া ও রনজু মিয়া নামে আপন দুই ভাইকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আশিকুল খবির শুনানি শেষে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মন্টু ও রনজু সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের পূর্ব দামোদরপুর গ্রামের মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ছকু হত্যা মামলার আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করে। কিন্তু হত্যার ঘটনাটি স্পর্শকাতর হওয়ায় বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এই মামলায় আলমগীরসহ তিন আসামি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছেন।

ছেলের প্রেমের খেসারত দিলেন রিকশাচালক বাবা, শেষ দেখা হলো না

গত ১৬ জুন ছকু মিয়াকে হত্যার অভিযোগে গাইবান্ধার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে (সাদুল্লাপুর) মামলা করেন তার ছেলে মোজাম্মেল হক। মামলায় পূর্ব দামোদরপুর গ্রামের ছয় ভাই আলমগীর, আঙ্গুর, রনজু, মনজু, সনজু ও মন্টু মিয়াসহ ৯ জনকে আসামি করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে সাদুল্লাপুর থানায় মামলা রেকর্ডভুক্ত করাসহ গত ২১ জুন কবর থেকে ছকু মিয়ার লাশ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। 

এ রআগে ছকু মিয়ার পারিবারিক ও দাদনের টাকা নিয়ে বিরোধ ছিল আলমগীর ও মন্টু মিয়াসহ তার ভাইদের। মন্টুর মেয়ের সঙ্গে ছকু মিয়ার ছেলে মোজাম্মেলের প্রেমের সম্পর্ক থাকায় তাদের বিরোধ আরও বাড়ে। এক পর্যায়ে গত ১৫ মে সন্ধ্যায় ছকু মিয়াকে আটক করে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাতভর অমানবিক নির্যাতন চালায় আলমগীর ও মন্টুসহ তার ছয় ভাই।

পরে এই ঘটনায় দামোদরপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম স্বাধীনের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠকে ‘ছেলের প্রেমের খেসারত' হিসেবে ছকু মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই টাকার জন্য ছকুর একমাত্র ঘরটিও ১৫ হাজারে বিক্রি করে দিতে হয়। এরপর ওই টাকা সংগ্রহে গাজীপুরের শ্রীপুরে রিকশা চালাতে গিয়ে ৩ জুন মৃত্যু হয় ছকু মিয়ার।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

বাল্যবিয়ে: ম্যাজিস্ট্রেট দেখে বরের পাশে বসলেন কনের ভাবি

বাল্যবিয়ে: ম্যাজিস্ট্রেট দেখে বরের পাশে বসলেন কনের ভাবি

তুলার দাম বেশি, লেপ-তোশক কিনতে এসে ফিরে যাচ্ছেন ক্রেতা

তুলার দাম বেশি, লেপ-তোশক কিনতে এসে ফিরে যাচ্ছেন ক্রেতা

হিলিতে বাড়ছে শীতজনিত রোগ

হিলিতে বাড়ছে শীতজনিত রোগ

একসঙ্গে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ৫০ আ.লীগ নেতাকর্মী

একসঙ্গে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ৫০ আ.লীগ নেতাকর্মী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

বাল্যবিয়ে: ম্যাজিস্ট্রেট দেখে বরের পাশে বসলেন কনের ভাবি

বাল্যবিয়ে: ম্যাজিস্ট্রেট দেখে বরের পাশে বসলেন কনের ভাবি

তুলার দাম বেশি, লেপ-তোশক কিনতে এসে ফিরে যাচ্ছেন ক্রেতা

তুলার দাম বেশি, লেপ-তোশক কিনতে এসে ফিরে যাচ্ছেন ক্রেতা

হিলিতে বাড়ছে শীতজনিত রোগ

হিলিতে বাড়ছে শীতজনিত রোগ

একসঙ্গে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ৫০ আ.লীগ নেতাকর্মী

একসঙ্গে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ৫০ আ.লীগ নেতাকর্মী

নির্বাচনের ৪ দিন পর ফল ঘোষণা, জামানত হারালেন নৌকার প্রার্থী

নির্বাচনের ৪ দিন পর ফল ঘোষণা, জামানত হারালেন নৌকার প্রার্থী

গাজীপুরে পাকবাহিনীকে পরাজিত করার বর্ণনা দিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

গাজীপুরে পাকবাহিনীকে পরাজিত করার বর্ণনা দিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

মদ খেয়ে মাতলামির দায়ে ১০ দিনের কারাদণ্ড

মদ খেয়ে মাতলামির দায়ে ১০ দিনের কারাদণ্ড

গৃহবধূকে হত্যা, স্বামী-শ্বশুর-ননদ আটক

গৃহবধূকে হত্যা, স্বামী-শ্বশুর-ননদ আটক

প্রবেশপত্র ছাড়াই পরীক্ষা দিলো দেড় শতাধিক এইচএসসি পরীক্ষার্থী

প্রবেশপত্র ছাড়াই পরীক্ষা দিলো দেড় শতাধিক এইচএসসি পরীক্ষার্থী

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

সর্বশেষ

বাড়ির সামনে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেলো বৃদ্ধের

বাড়ির সামনে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেলো বৃদ্ধের

আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ, সাগরে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা 

আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ, সাগরে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা 

অস্ট্রেলিয়ায় স্থানীয়ভাবে ছড়ালো ওমিক্রন

অস্ট্রেলিয়ায় স্থানীয়ভাবে ছড়ালো ওমিক্রন

পাহাড় ধসিয়ে বালু বিক্রি করছে ঠাকুর জসিম  

পাহাড় ধসিয়ে বালু বিক্রি করছে ঠাকুর জসিম  

অভিবাসী ইস্যুতে ট্রাম্পের নীতি ফেরালেন বাইডেন

অভিবাসী ইস্যুতে ট্রাম্পের নীতি ফেরালেন বাইডেন

© 2021 Bangla Tribune