X
সোমবার, ০২ আগস্ট ২০২১, ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ছবিতে মা-সন্তানের ভালোবাসা

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ১৮:২৭
image

মায়ের সঙ্গে সন্তানের বন্ধন চিরন্তন। একজন মা সবসময়ই তার সন্তানদের আগলে রাখেন পরম মমতায়। মা ও সন্তানের ভালোবাসার চমৎকার কিছু মুহূর্ত প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিন। দেখে নিন সেগুলো-

মা-সন্তানের ভালোবাসা

মা-সন্তানের ভালোবাসা

মা-সন্তানের ভালোবাসা

মা-সন্তানের ভালোবাসা

 

/এনএ/

সম্পর্কিত

বাহারি বরাতি রুটি (ফটোফিচার)

বাহারি বরাতি রুটি (ফটোফিচার)

বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংগ্রামী নারী (ফটোফিচার)

বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংগ্রামী নারী (ফটোফিচার)

টিউলিপ বাগানে একদিন (ফটোফিচার)

টিউলিপ বাগানে একদিন (ফটোফিচার)

ঐতিহ্যবাহী বাকরখানি তৈরি হয় যেভাবে (ফটোফিচার)

ঐতিহ্যবাহী বাকরখানি তৈরি হয় যেভাবে (ফটোফিচার)

বন্ধু আছে কতপ্রকার!

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ১৩:৪০

নিজের বন্ধুদের দিকেই তাকান। একেকজনের স্বভাব একেকরকম। সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যক্তিত্বের হয়েও একজন আরেকজনের কাঁধে হাত রেখে চলার নাম বন্ধুত্ব। আজ বন্ধু দিবসে নিজের কোন বন্ধুকে কোন কাতারে ফেলা যায় সেটাই দেখে নিন এবার।

 

সদা যত্নশীল

বন্ধুদের দলে এমন একজন সবসময়ই থাকে, যে বাকিদের একেবারে অভিভাবকের মতো আগলে রাখে। শারীরিক-মানসিক যাবতীয় খেয়াল রাখার পাশাপাশি বিপদে এগিয়েও আসে সবার আগে। এমন বন্ধুর কথা চোখ বুঁজে বিশ্বাস করা যায় ও এদের পরামর্শও নেওয়া যায় নির্দ্বিধায়।

 

ফূর্তিতে অটুট

এই ধরনের বন্ধুকে দেখলে মনে হয় তার জীবনে বুঝি কোনও ঝামেলাই নেই! তারা জানে কীভাবে জীবনকে উপভোগ করতে হয়। নিজের যাবতীয় ঝুট-ঝামেলাকে পকেটে ভরে এরা বন্ধুদের মাতিয়ে রাখতেই সদা সচেষ্ট। অবশ্য এমন বন্ধুরাই কিন্তু বাবা-মায়ের ব্ল্যাক লিস্টের শীর্ষে থাকে! চেষ্টা করুন, এ টাইপের বন্ধুদের সমস্যাগুলো খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে বের করার।

 

আচমকা গায়েব

একটু আগেই দেখলেন পাশে বসে আছে, কিছুক্ষণ পরই হাওয়া! ফোনে একটু পর টুং করে বেজে উঠলো নোটিফিকেশন। বন্ধু লিখেছেন, ‘সরি দোস্ত, জরুরি কাজ পড়ে গেছে।’ এ ধরনের বন্ধুরা স্যোশাল মিডিয়াতেও তেমন একটা সরব থাকে না। নিজে থেকেও আপনার খুব একটা খোঁজ নেবে না। তবে এটাকে পুরোপুরি দোষ দেওয়া যায় না, এমনটা ঘটে বন্ধুর অন্তর্মুখী স্বভাবের কারণেই। এমন বন্ধু আবার মাঝে মাঝে আপনার উপকারে কাজ করে যাবে নিস্বার্থভাবেই।

 

ছিঁচকাদুনে

এরা অতি আবেগী। কথাবার্তা বলতে হয় মেপেমেপে। এই অনুতপ্ত, আবার পরক্ষণেই মুখ গোমড়া। এদেরকে মাঝে মাঝে ক্ষ্যাপানোর মধ্যেও আছে মজা!

 

খাওয়া এবং খাওয়া

এই প্রকার বন্ধুদের মাথাতেও একটা পাকস্থলী থাকে। দেখা হলে সবার আগে খাওয়ার প্রসঙ্গটাই নিয়ে আসবে ইনিয়ে বিনিয়ে। আপনি যদি বলেন-‘দোস্ত ভাল্লাগছে না।’ সে একগাল হেসে বলবে ‘কাচ্চি খেলে মন ভালো থাকে।’ তবে এদের কাছ থেকে জেনে নিতে পারবেন, কোন খাবারের জন্য কোন রেস্তোরাঁ বা কোন পেজটা বিখ্যাত।

 

সুপারহিরো

পরীক্ষার সাজেশন হোক, কিংবা বাবা-মায়ের কাছ থেকে বেড়াতে যাওয়ার অনুমতি- সব সমস্যার সমাধানে সিদ্ধহস্ত টাইপের বন্ধু এরা। প্রতিটি বিপদের জন্য একাধিক সমাধান মাথায় গিজ গিজ করে তাদের। বাসায় ঢোকার চাবি হারিয়ে গেলেও তাই এ ধরনের বন্ধুর কথা মাথায় আসবে সবার আগে।

 

সবসময় লেট

আপনি যতই দেরি করে কোনও গেট টুগেদারে হাজির হন না কেন, একজন আসবে আপনারও পরে (হতে পারে সেটা আপনি!) অবশ্য এ কারণে ওই বন্ধুর মধ্যে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা দেখবেন না। শত হলেও বন্ধুই তো। বড় করে হাই তুলতে তুলতে হয়তো বলবে, এই একটু লেট হয়ে গেলো।

 

পকেট ফাঁকা যার

এই বন্ধুর পকেট সবসময় গড়ের মাঠের মতো ফাঁকা থাকে। যথারীতি বাকি বন্ধুদের পকেটগুলোকে তার কাছে ক্রেডিট কার্ডের মতো মনে হয়। তবে এ ধরনের বন্ধু আবার আপনার বিপদে নিজের সবটুকু দিয়ে ঝাঁপিয়েও পড়বে।

 

অফিশিয়াল ফটোগ্রাফার

ট্যুরে আর কেউ যাক বা না যাক, ওই বন্ধুটা যাচ্ছে কিনা তার খোঁজ সবাই নেবে। এর সঙ্গে ওর, ওর পেছনে তাকে আর সবার সঙ্গে সবার ছবি তুলতে যার একটু ক্লান্তি নেই। এমন বন্ধু থাকলে আর নিজের ফোনের মেগাপিক্সেল নিয়েও ভাবতে হবে না।

/এফএ/

সম্পর্কিত

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

এই সময় আনারস কেন খাবেন?

এই সময় আনারস কেন খাবেন?

রেসিপি : মাখনের স্বাদে ডিম মাখানি

রেসিপি : মাখনের স্বাদে ডিম মাখানি

ডেস্কে বসেই ব্যায়াম করুন

ডেস্কে বসেই ব্যায়াম করুন

আজ বন্ধু দিবস

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৭:৩০

আমেরিকান লেখক, সমাজকর্মী ও শিক্ষক হেলেন কেলার বলেছিলেন, ‘আলোকিত পথে একা হাঁটার চেয়ে বন্ধুর সঙ্গে অন্ধকারে হাঁটা ভালো।’ এই আলো-আঁধারি বলতে তিনি মূলত সুদিন আর দুর্দিন বুঝিয়েছেন। কিন্তু করোনাকালের হিসাবটা একটু আলাদা। আপাতত আজকের বন্ধু দিবসে বন্ধুর সঙ্গে হাঁটার চেয়ে দুজন ঘরে বসে অনলাইনে আড্ডা দেওয়াই শ্রেয়।

 

কবে থেকে বন্ধু দিবস?

বন্ধু মানেই ঠাট্টা-ভালোবাসা-দুষ্টুমি। বন্ধু ছাড়া জীবন চলতেই চায় না। তাই বন্ধুত্বকে ঘটা করে উদযাপন করতে চালু হয়েছিল বন্ধু দিবস।

প্যারাগুয়েতে ১৯৫৮ সালে বন্ধু দিবস পালনের প্রস্তাব রাখলেও, বড় পরিসরে এর চল শুরু হয় আমেরিকায়। বন্ধু দিবসের উৎপত্তি নিয়ে মতভেদও রয়েছে। অনেকের মতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা, বিশৃঙ্খলা ও হিংস্রতা মানুষের মধ্যে বন্ধ‍ুত্বের অভাব তৈরি করেছিল। সেটা ‍পূরণ করতেই বন্ধু দিবস পালনের ধারণা আসে।

আবার, ১৯১৯ সালের আগস্টের প্রথম রবিবার থেকেও কিছু দেশে চালু হয় বন্ধু দিবস। এদিন বন্ধুরা নিজেদের মধ্যে কার্ড, চকলেট ও ফুলসহ নানান উপহার বিনিময় করে।

আবার উপহার আদান-প্রদানের কথা মাথায় রেখে হলমার্কের প্রতিষ্ঠাতা জোয়েস হল ১৯৩০ সাল থেকে আগস্টের ২ তারিখ বন্ধু দিবসের ঘোষণা দেন। তার ঘোষণার পরপরই দিবসটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। রাতারাতি তার দোকানে কার্ড কেনার ধুম লেগে যায়৷ যদিও পরে মানুষ জানতে পারে এর পেছনের ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যের কথা।

১৯৯৮ সালে জাতিসংঘের এক অনুষ্ঠানে সাবেক জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনানের স্ত্রী ন্যানে আনান ডিজনি'র কার্টুন চরিত্র 'উইনি দ্যা পুহ'-কে বন্ধুত্বের মাস্কট হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেন।

আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি পালনের কথা তোলেন প্যারাগুয়ের চিকিৎসক রিম্যান আর্থেমিও ব্রেচকে। ১৯৫৮ সালের ২০ জুলাই বন্ধুদের নিয়ে এক নৈশভোজে বন্ধু দিবস পালনের প্রস্তাব তোলেন। সে রাতেই বিশ্বব্যাপী বন্ধুত্বের ঐক্য ছড়িয়ে দিতে ঘোষণা করা হয় 'ওয়ার্ল্ড ফ্রেন্ডশিপ ক্রুসেড।'

কিন্তু সমস্যা হলো একেক দেশে একেক তারিখে এ দিবস পালিত হচ্ছে। এই সমস্যা দূর করতে ২০১১ সালের ২৭ জুলাই জাতিসংঘের ৬৫তম সাধারণ সমাবেশে ৩০ জুলাইকে 'আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তবে জাতিসংঘের ঘোষণার পরও আগস্টের প্রথম রবিবারই বন্ধু দিবস পালন করে বাংলাদেশ, ভারত ও মালয়েশিয়াসহ আরও কিছু দেশের মানুষ।

 

কার কী প্ল্যান?

আগে স্কুল যখন খোলা থাকতো, তখন স্কুলেই বন্ধুদের সাথে বন্ধু দিবস উদযাপন করতো রাজধানীর কলেজপড়ুয়া ইকরা। কে কতগুলো ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ড পেলো, এ নিয়ে চলতো কাড়াকাড়ি। অবশ্য শিক্ষকদের চোখকে ফাঁকি দিয়ে খুব কম ব্যান্ডই সে নিজের কাছে রাখতে পারতো। এবার যেহেতু সামনা-সামনি দেখা হচ্ছে না, তাই ইকরা ও তার বন্ধুরা মিলে ঠিক করেছে ভিডিও কলে আড্ডা দেবে।

অন্যদিকে ভালো আঁকতে পারে দেখে বন্ধুমহলে সুখির বেশ সুনাম। তাই বন্ধু দিবসে সে তার প্রত্যেক বন্ধুকে কার্ড বানিয়ে উপহার দিতো। এবার হাতে হাতে কার্ড দিতে না পারার কারণে তার একটু মন খারাপ। কিন্তু বন্ধুদের সঙ্গে তোলা ছবিগুলো দিয়ে একটি ভিডিও বানিয়েছে সে। সেটা আপলোড দেবে ফেসবুকে।

রায়তা ঠিক করেছে জুম কলে একসঙ্গে বন্ধুদের সঙ্গে মজার কোনও সিনেমা দেখবে। সামনা-সামনি উপহার দিতে না পারায় জোয়া তার প্রিয় বন্ধু মালিহার জন্য অনলাইনে কেক ও বই অর্ডার করে পাঠিয়ে দিয়েছে তার বাসায়।

ঘরবন্দি হোক আর ঘরের বাইরে থেকে, বন্ধু দিবসের ষোলোআনা আনন্দটা আদায় করা চাই-ই।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

বন্ধু আছে কতপ্রকার!

বন্ধু আছে কতপ্রকার!

এই সময় আনারস কেন খাবেন?

এই সময় আনারস কেন খাবেন?

রেসিপি : মাখনের স্বাদে ডিম মাখানি

রেসিপি : মাখনের স্বাদে ডিম মাখানি

ডেস্কে বসেই ব্যায়াম করুন

ডেস্কে বসেই ব্যায়াম করুন

এই সময় আনারস কেন খাবেন?

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ২৩:১২

বাইরে যত শক্তই দেখাক, ভেতরটা টসটসে। অনেক আগে শুধু হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে এ ফলের চাষ হলেও এখন সবখানেই পাওয়া যায় আনারস। জেনে নেওয়া যাক রসালো ফলটির নানা গুণের কথা।  

  • আনারসকে বলা হয় পুষ্টির আধার। এতে আছে প্রচুর ভিটামিন এ, সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস।
  • ভিটামিন সি থাকার কারণে আনারস ঠান্ডা, সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা করবে। পাশাপাশি ভাইরাসজনিত রোগ থেকেও বাঁচাবে।
  • আনারসে রয়েছে মিনারেল, ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। যা কোলেস্টেরলের পাশাপাশি ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়।
  • দাঁত ও মাড়ির সমস্যা সমাধানে আনারস ভালো কাজ করে।
  • আনারসে থাকা ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ হাড় বা বাতের ব্যথা প্রতিরোধ করে।
  • আনারসে থাকা বিটা ক্যারোটিন আমাদের চোখের রেটিনা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনে ও ম্যাক্যুলার ডিগ্রেডেশন থেকে রক্ষা করে।
  • জ্বর, জন্ডিস, পেটে ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়াসহ নানা সমস্যায় আনারস উপকার করে।
  • চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যাও দূর করে। ত্বক টানটান রাখে আনারস।
  • আনারসে থাকা ব্রোমেলানিন এনজাইম সাইনোসাইটিস, ব্রঙ্কাইটিস ও আলঝেইমার্স-এর ঝুঁকি কমায়।
  • আনারস হজমশক্তি বাড়ায়।
/এফএ/

সম্পর্কিত

বন্ধু আছে কতপ্রকার!

বন্ধু আছে কতপ্রকার!

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

রেসিপি : মাখনের স্বাদে ডিম মাখানি

রেসিপি : মাখনের স্বাদে ডিম মাখানি

ডেস্কে বসেই ব্যায়াম করুন

ডেস্কে বসেই ব্যায়াম করুন

রেসিপি : মাখনের স্বাদে ডিম মাখানি

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ১৬:০০

ডিমের প্রচলিত তরকারি খেয়ে বিরক্ত? ডিম দিয়েও চাইলে করা যায় একেবারে নতুন কিছু। রান্না করতে পারেন ডিম মাখানি। পরোটা বা বাটার গার্লিক নানের সঙ্গে উপভোগ করতে পারেন খাবারটি।

 

যা যা লাগবে

  • ৪টি সিদ্ধ ডিম
  • ১ চা চামচ মাখন
  • ২ টেবিল চামচ ফ্রেশ ক্রিম
  • ১ চা চামচ মরিচের গুড়াঁ
  • ১ চা চামচ ধনিয়া গুড়াঁ
  • ১/৪ চা চামচ জিরা
  • ১/৪ চা চামচ গরম মশলার গুঁড়া
  • ১ ইঞ্চি আদা কুচি
  • ৩ কোয়া রসুন কুচি
  • ১টি মাঝারি আকৃতির পেঁয়াজ কুচি
  • ২টি কাঁচা মরিচ
  • ২টি টমেটো কুচি
  • প্রয়োজনমতো লবণ
  • এক চিমটি গোল মরিচ
  • ২ টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুচি
  • ১ টেবিল চামচ ঘি

 

প্রস্তুত প্রণালী

  • ব্লেন্ডারে আদা, জিরা, কাঁচামরিচ, রসুনের পেস্ট তৈরি করুন।
  • প্যানে ঘি গরম করে পেঁয়াজ দিন। বাদামি না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। তারপর প্যানে আদা রসুনের পেস্ট যোগ করুন।
  • মিশ্রণটিতে টমেটো দিয়ে নাড়ুন। আলু মিক্সড করার জন্য প্রয়োজনে ভেজিটেবল ম্যাশার ব্যবহার করুন। সবকিছু ভালোভাবে মিশে গেলে গুঁড়ো মরিচ, গরম মশলা, ধনিয়ে গুঁড়া, লবণ, গোল মরিচ দিন।
  • মাঝারি আঁচে পাঁচ মিনিট রান্না করুন। তেল ভেসে উঠলে তাতে সেদ্ধ ডিম দিন। এরপর আরও পাঁচ মিনিট রাখুন। ধনিয়া পাতা কুচি দিয়ে সাজিয়ে নিন।
  • রান্না হয়ে গেলে সবার উপরে মাখন (তরল করা) এবং ধনিয়ো পাতা দিয়ে ফ্রেশ ক্রিম ঢেলে দিন।
/এফএ/

সম্পর্কিত

বন্ধু আছে কতপ্রকার!

বন্ধু আছে কতপ্রকার!

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

এই সময় আনারস কেন খাবেন?

এই সময় আনারস কেন খাবেন?

ডেস্কে বসেই ব্যায়াম করুন

ডেস্কে বসেই ব্যায়াম করুন

ডেস্কে বসেই ব্যায়াম করুন

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ১৩:৫৯

কাজের জন্য দিনের একটা বড় অংশ আমাদের কম্পিউটারের সামনেই কেটে যায়। ফলাফল- ঘাড়, কোমরসহ নানা জায়গায় জুড়ে বসে ব্যথা। চেয়ার ছেড়ে উঠে নড়াচড়া না করতে চাইলে, চেয়ারে বসে কিংবা এর কাছেই সেরে নিতে পারেন ব্যায়াম।

 

কাঁধের ব্যায়াম

হাঁটার সময় আপনার হাত দুটো যেভাবে নড়তে থাকে, সেভাবেই হাতজোড়া জোরে জোরে সামনে-পেছনে আনবেন। টানা ২০ সেকেন্ড এমন করতে থাকবেন।

 

ডেস্ক পুশ আপ

ডেস্ক পুশ আপ

ডেস্কের ওপর ভর দিয়ে পা দুটো পেছনে নিন। আপনার পুরো ভর হাতে ও ডেস্কের ওপর থাকবে। এরপর ২০টা পুশ আপ দিন।

 

স্কোয়াট

স্কোয়াট

চেয়ার পেছনে রেখে বসার মতো করে হাঁটু ভাঁজ করে কোমর ও পিঠ সোজা রেখে দাঁড়ান। দাঁড়ানোর সময় হাত দুটো একেবারে সামনের দিকে টানটান করে ছড়িয়ে দিন। এভাবে ৩০ বার এ কাজ করুন।

 

সিটেড বাইসাইকেল ক্রাঞ্চ

সিটেড বাইসাইকেল ক্রাঞ্চ

হাত দুটো মাথার পেছনে রাখুন। দুই পা সোজা করে একটু ওপরে উঠান। এবার বাম পা সোজা রেখে ডান পা ভেঙে বুকের কাছে নিয়ে আসুন। এসময় আপনার কোমর থেকে উপরিভাগ বাম দিকে একটু কাত করুন। একইভাবে ডান পা সোজা রেখে বাম পা ভেঙে পুনরায় করুন। যেন মনে হয়, আপনি সাইকেল চালাচ্ছেন। এই কাজ ৩০ সেকেন্ড ধরে করুন।

 

স্ট্রেচিং

স্ট্রেচিং

হাত, পা, ঘাড়, কোমর ও কাঁধের স্ট্রেচিং করতে পেশি ৩-৫ সেকেন্ড টান টান করে আবার ছেড়ে দিতে হবে। তারপর বড় করে শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছেড়ে দিতে হবে। তারপর আবার স্ট্রেচিং করতে হবে।/এফএ/

/এফএ/

সম্পর্কিত

বন্ধু আছে কতপ্রকার!

বন্ধু আছে কতপ্রকার!

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

এই সময় আনারস কেন খাবেন?

এই সময় আনারস কেন খাবেন?

রেসিপি : মাখনের স্বাদে ডিম মাখানি

রেসিপি : মাখনের স্বাদে ডিম মাখানি

সর্বশেষ

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

তালেবান অগ্রযাত্রা ঠেকাতে আফগান বাহিনীর বোমাবর্ষণ

তালেবান অগ্রযাত্রা ঠেকাতে আফগান বাহিনীর বোমাবর্ষণ

‘রাতের রানী পিয়াসা ও মৌয়ের কাজ ছিল ব্ল্যাকমেইল করা’

‘রাতের রানী পিয়াসা ও মৌয়ের কাজ ছিল ব্ল্যাকমেইল করা’

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

ব্রাজিলের নির্বাচন ব্যবস্থা বদলের দাবি বলসোনারো সমর্থকদের

ব্রাজিলের নির্বাচন ব্যবস্থা বদলের দাবি বলসোনারো সমর্থকদের

খুলনায় জুনের চেয়ে জুলাইয়ে তিন গুণ বেশি মৃত্যু

খুলনায় জুনের চেয়ে জুলাইয়ে তিন গুণ বেশি মৃত্যু

ট্যাংকারে হামলা নিয়ে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা

ট্যাংকারে হামলা নিয়ে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা

পর্নোগ্রাফিতে রাজি না হওয়ায় স্ত্রীকে নির্যাতন, স্বামীর কারাদণ্ড

পর্নোগ্রাফিতে রাজি না হওয়ায় স্ত্রীকে নির্যাতন, স্বামীর কারাদণ্ড

মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

সিআরবিতে নলকূপ স্থাপন বন্ধে ওয়াসার এমডির কাছে অভিযোগ

সিআরবিতে নলকূপ স্থাপন বন্ধে ওয়াসার এমডির কাছে অভিযোগ

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মা-মেয়ে নিহত, গুরুতর আহত ১

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মা-মেয়ে নিহত, গুরুতর আহত ১

ফের হামাস প্রধান নির্বাচিত হলেন ইসমাইল হানিয়া

ফের হামাস প্রধান নির্বাচিত হলেন ইসমাইল হানিয়া

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বাহারি বরাতি রুটি (ফটোফিচার)

বাহারি বরাতি রুটি (ফটোফিচার)

বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংগ্রামী নারী (ফটোফিচার)

বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংগ্রামী নারী (ফটোফিচার)

টিউলিপ বাগানে একদিন (ফটোফিচার)

টিউলিপ বাগানে একদিন (ফটোফিচার)

ঐতিহ্যবাহী বাকরখানি তৈরি হয় যেভাবে (ফটোফিচার)

ঐতিহ্যবাহী বাকরখানি তৈরি হয় যেভাবে (ফটোফিচার)

হলুদ পদ্মের রাজ্যে (ফটোফিচার)

হলুদ পদ্মের রাজ্যে (ফটোফিচার)

© 2021 Bangla Tribune