X
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

অবহেলায় পড়ে আছে মুন্সীগঞ্জের বধ্যভূমিগুলো

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০১৬, ২৩:৫৮

স্বাধীনতার ৪৫ বছর পেরিয়ে গেলেও সংরক্ষণের অভাবে অরক্ষিত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে মুন্সীগঞ্জের বধ্যভূমিগুলো। এমনকি অনেক বধ্যভূমি শনাক্ত করাও সম্ভব হয়নি। জেলার কেন্দ্রীয় বধ্যভূমিসহ মুন্সীগঞ্জ সরকারি হরগঙ্গা কলেজ ক্যাম্পাসের দক্ষিণে অবস্থিত বধ্যভূমিটি জেলার কেন্দ্রীয় বধ্যভূমি। যেখানে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ১৪ ডিসেম্বর শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এছাড়া সদর উপজেলার পাঁচঘড়িয়াকান্দি, সাতানিখীল, কেওয়ার, টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাহপুর, গজারিয়া উপজেলার নয়ানগর, গোসাইরচর, বালুরচর, নাগেরচর, কাজিপুরা, প্রধানেরচর, বাশঁগাও, সোনাইরকান্দি, দক্ষিণ ফুলদি গ্রামসহ অনেক জায়গাতেই হানাদার বাহিনী হত্যাযজ্ঞ চালায়। কিন্তু এ বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণ করা হয়নি আজও।

নামাঙ্কিত হয়নি এমন বধ্যভূমি

২০০৬ সালে সরকারি হরগঙ্গা কলেজের দেয়া ২০ শতাংশ জায়গার উপর ২৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় জেলার কেন্দ্রীয় বধ্যভূমি যেখানে ৩৬ জনের লাশ পাওয়া যায়, যখন পরাজিত পাকিস্তানিবাহিনী মুন্সীগঞ্জ ত্যাগ করে। ১৯৭১ সালের ৯ মে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী শহরে প্রবেশ করে হরগঙ্গা কলেজে ক্যাম্প স্থাপন করে। মুক্তিযোদ্ধা বা স্বাধীনতাকামী মানুষদের ধরে এনে এখানে নির্যাতন চালাতো। নির্যাতন শেষে তাদের গুলি করে হত্যা করার পর কলেজ ক্যাম্পাসের দক্ষিণ পূর্ব একটি গর্তের মধ্যে লাশগুলো ফেলা হতো।

প্রত্যক্ষদর্শী সরকারি হরগঙ্গা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সুখেন চন্দ্র ব্যানার্জী বলেন, ‘একাত্তরে পাকিস্তানি সৈন্যরা যখন ক্যাম্প স্থাপন করতে এই কলেজে আসে তখন আমি এই কলেজের ছাত্রাবাসে থাকতাম। তখন এসব দৃশ্য দেখে চোখের জল ফেলা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার ছিল না। নিরুপায় ছিলাম।’

প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর এখানে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করা হলেও বছরের বাকি সময়টা পড়ে থাকে অবহেলিতভাবেই। দুই পাশে সীমানা দেয়াল নেই, প্রধান ফটকও সবসময় খোলা থাকে। রাতের অন্ধকারে এখানে চলে মাদক সেবন। শ্রদ্ধার কোনও লেশ নেই।

সাতানিখীল ও পাঁচঘড়িয়াকান্দি বধ্যভূমি

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পাঁচঘড়িয়াকান্দি ও কেওয়ার সাতানিখীল গ্রামের বধ্যভূমি দুটি এখনও শনাক্ত করা হয়নি। এখানে এখন আর কোনও স্মৃতিচিহ্ন না থাকায় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণে এখন পর্যন্ত সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার কেওয়ার চৌধুরী বাড়ি পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ১৩ মে দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় ঘেরাও করে। ওই বাড়ি থেকে ডা. সুরেন্দ্র চন্দ্র সাহা ও তার দুই ছেলে শিক্ষক সুনিল কুমার সাহা, দ্বিজেন্দ্র লাল সাহা এবং অধ্যাপক সুরেশ ভট্টাচার্য, শিক্ষক দেব প্রসাদ ভট্টাচার্য, পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর শচীন্দ্র নাথ মুখার্জীসহ ১৭ জন বুদ্ধিজীবীকে ধরে নিয়ে আসে এবং ১৪ মে সকাল ১০টায় কেওয়ার সাতানিখীল গ্রামের খালের পাড়ে নিয়ে চোখ বেঁধে ১৬ জনকে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়।

আর ডা. সুরেন্দ্র চন্দ্র সাহাকে ধরে নিয়ে যায় শহরের হরগঙ্গা কলেজের পাকিস্তানি সেনাক্যাম্পে। সেখানে নির্যাতনে পর কলেজের পিছনে পাঁচঘড়িয়াকান্দি গ্রামের একটি আম বাগানের গাছে ঝুলিয়ে ব্রাশফায়ার করে তাকে হত্যা করে পাকিস্তানি-নরপশুরা। এরপর ওখানে আরো জানা-অজানা বুদ্ধিজীবীকে এনে হত্যা করে বলে জানা গেছে।

নামাঙ্কিত হয়নি বধ্যভূমি

শহীদ ডা. সুরেন্দ্র চন্দ্র সাহার ছোট ছেলে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চন্দ্র সাহা বলেন,‘মনে বড় কষ্ট। ৪৫ বছরে একটি ইটও গাঁথা হয়নি ওই বধ্যভূমিগুলোতে। এটা আমাদের জেলাবাসীর চরম ব্যর্থতা।’

সরকারি হরগঙ্গা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রবীর কুমার গাঙ্গুলী বলেন, ‘পাঁচঘড়িয়াকান্দির একটি আম বাগানে প্রায় ২৫-৩০ জনকে হানাদার বাহিনী মেরে ফেলে রাখে। সাতানিখীলেও তারা হত্যাযজ্ঞ চালায়। আমি মনে করি ১৯৭১ সালের সেই সব শহীদদের নামাঙ্কিত একটি স্মৃতিফলক অন্তত থাকা উচিত এবং বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণ করা উচিত।’

আব্দুল্লাপুরের পালবাড়ি বধ্যভূমি

আব্দুল্লাপুরের পালবাড়ি বধ্যভূমিটিও সংরক্ষিত নয়।পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণের রক্তাক্ত চিহ্ন বহন করছে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাহপুরের বাড়িটি। মুন্সীগঞ্জ শহর থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাহপুরের পালবাড়ি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানিসেনারা আক্রমণ চালিয়ে ওই বাড়ির মালিক ও আশ্রিতসহ ১৯ জনকে হত্যা করে।

বর্তমানে শহীদ অমূল্যধন পালদের নাতিসহ তার আত্মীয় স্বজনরা ওই বাড়িতে বসবাস করছেন। দীর্ঘ প্রায় ২৮ বছর পর আব্দুল্লাপুর ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান শহীদ মোল্লা একটি স্মৃতি ফলক নির্মাণ করেন পালবাড়ির পুকুর পারে। ১৯৯৮ সালের মহান স্বাধীনতা দিবসে এই স্মৃতিস্তম্ভটি উদ্বোধন করেছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা মো. লুৎফর রহমান।

এর পর থেকে স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে ওই এলাকার স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, স্থানীয় নেতাকর্মী ও জনগণ এই স্মৃতিস্তম্ভের বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন শহীদস্মৃতির উদ্দেশে।

গজারিয়া বধ্যভূমি

১৯৭১ সালের ৯ মে ভোরে পাকিস্তানি সেনারা মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় আক্রমণ চালিয়ে নৃশংসভাবে ৩৬০ জন নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিকে হত্যা করে। গজারিয়া, নয়ানগর, গোসাইরচর, বালুর চর, নাগেরচর, কাজিপুরা, প্রধানেরচর, বাশঁগাও, সোনাইরকান্দি, দক্ষিণ ফুলদিগ্রামের লোকজনকে পাকিস্তানিবাহিনী অর্তকিত হামলা চালিয়ে হত্যা করে। উপজেলার মোট ১০টি বধ্যভূমি অরক্ষিত ও অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। কেবলমাত্র একটি বধ্যভূমি চিহ্নিত করা হয়েছে।

বাকি বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণ করা হয়নি স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরও। কালের আবর্তে এসব বধ্যভূমি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণে নিহত ৩৬০ জনের মধ্যে ১০৩ জনের নাম পরিচয় পাওয়া গেলেও স্বাধীনতার ৪৫ বছরেও ২৫৭ জনের নাম পরিচয় পাওয়ার কোনর উদ্যোগ নেয়নি বর্তমান ও বিগত কোনও সরকার।

গজারিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান রেফায়েত উল্লাহ খান বলেন, ‘গোসাইরচর বধ্যভূমি সংরক্ষিত আছে। শহিদ নজরুলের কবরও সংরক্ষন করা হয়েছে। তবে ঐরকমভাবে কেউ কাজ করে নাই। তাই সব বধ্যভূমি সংরক্ষন করা সম্ভব হয় নাই।’

সংস্কারের অভাবে বিধ্বস্ত শহীদ নামফলক

গজারিয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আগে কে কী করেছে সেটা জানিনা। তবে আমি আজ থেকে শহীদ পরিবারদের স্বীকৃতি পাওয়ার ব্যাপারে প্রচেষ্টা চালাবো।’

তবে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান আনিস বলেন, ‘মোটামুটি সবগুলো বধ্যভূমি চিহ্নিত করা আছে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তেমন কোন আর্থিক বরাদ্দ না থাকায় বধ্যভূমি সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তবে আমরা সরকারের কাছে আবেদন করেছি যেন বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণে ব্যবস্হা নেওয়া হয়।’

/এইচকে/

বাগেরহাটে পানিবন্দি হাজারো পরিবার, টর্নেডোতে বিধ্বস্ত বাড়িঘর

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ০২:০৮

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাতে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার।

বুধবার (২৮ জুলাই) সারাদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছিল। বৃষ্টির পাশাপাশি রামপালে টর্নেডোর আঘাতে ২০টি কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শরণখোলা উপজেলায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়া সদর, রামপাল, মোংলা, চিতলমারীসহ অন্য আট উপজেলায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে সবজির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

সদর উপজেলার সুগন্ধি গ্রামের কৃষক শেখ আমজাদ আলী বলেন, বৃষ্টি এভাবে অব্যাহত থাকলে মাছের ঘের তলিয়ে যাবে। সবজি ফসলের ক্ষতি হবে। মাছ চাষিদেরও ক্ষতি হবে।

খানপুর ইউনিয়নের চাষি রফিকুল ইসলাম বলেন, গত দুই দিনে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। ঘেরের পাড়ের সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

কচুয়া উপজেলার লিটন শেখ বলেন, টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে আমাদের এলাকার বেশ কিছু মাছের পুকুর, ঘের, কৃষিক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বহু পরিবার।

চিতলমারী উপজেলার বারাশিয়া বিলের মাছ চাষি জাহিদুর রহমান বলেন, কয়েক দিন আগেই ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পানিতে আমাদের ঘের ও বাড়িঘর তলিয়ে যায়। অনেক টাকার মাছ ভেসে গেছে সেসময়। এখন যদি আবার ঘের তলিয়ে যায়, তাহলে আমাদের পথে বসতে হবে।

পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার

রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কবীর হোসেন বলেন, উপজেলার উজলকুড় ইউনিয়নের মিরাখালি গ্রামের উওর দিয়ে টর্নেডো বয়ে গেছে। এতে ২০টি কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রচণ্ড ঝড়ে প্রায় ৪০টির অধিক গাছপালা উপড়ে গেছে। টিনের চাল উড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ২০টির অধিক ঘরবাড়ি। বেশ কিছু গবাদি পশু ও হাস-মুরগির মৃত্যু হয়েছে।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, টানা বৃষ্টিতে আউশ-আমনের বীজতলা পানিতে ডুবে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে শরণখোলা উপজেলায়। এছাড়া জেলায় গড়ে ৯৩ দশমিক ৬৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যদি এভাবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকে তাহলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে।

/এএম/

সম্পর্কিত

দেয়ালেও করোনাভাইরাস, সাতক্ষীরা মেডিক্যালের ল্যাব বন্ধ

দেয়ালেও করোনাভাইরাস, সাতক্ষীরা মেডিক্যালের ল্যাব বন্ধ

এক কোটি খুঁজতে গিয়ে মিললো ৩ কোটি!

এক কোটি খুঁজতে গিয়ে মিললো ৩ কোটি!

টানা বৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি-গাছ

টানা বৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি-গাছ

পানিতে থৈ থৈ করছে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল

পানিতে থৈ থৈ করছে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল

ক্যাম্প থেকে পালিয়ে কুড়িগ্রামে আটক ৯ রোহিঙ্গা

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ০১:৪০

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় পাঁচ শিশুসহ নয় রোহিঙ্গা নাগ‌রিক‌কে আটক ক‌রে‌ছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থে‌কে ফেরার প‌থে তাদের আটক ক‌রে পু‌লি‌শে দেওয়া হয়। 

আটককৃতরা কক্সবাজারের বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৮ ও টেংরাখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৩-এর বাসিন্দা। ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও‌সি) আলমগীর হো‌সেন এ তথ্য নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন। 

তিনি বলেন, তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প থে‌কে পা‌লি‌য়ে ভূরুঙ্গামারী উপ‌জেলার সীমান্ত প‌থে ভার‌তে যাওয়ার চেষ্টা ক‌রেছিল। কিন্তু বি‌জি‌বির কড়া নজরদা‌রি‌তে সীমান্ত অ‌তিক্রম কর‌তে ব্যর্থ হ‌য় তারা। ফি‌রে আসার সময় উপ‌জেলার তিলাই ইউ‌নিয়‌নের ছাট গোপালপুর এলাকার কাছুর মো‌ড়ে লকডাউন বাস্তবায়‌নে মা‌ঠে থাকা ভ্রাম্যমাণ আদালত তা‌দের আটক ক‌রে। 

পু‌লিশ জানায়, ভূরুঙ্গামারী উপ‌জেলা সহকারী ক‌মিশনারের (ভূ‌মি) নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত একটি অটোরিকশায় কিছু লোককে গাদাগাদি করে যে‌তে দে‌খেন। এ সময় অ‌টো‌রিকশা থা‌মি‌য়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কথাবার্তায় সন্দেহ হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, সলিম নামের এক ব্যক্তির সহায়তায় ভারত যাওয়ার জন্য সীমান্ত পা‌ড়ি দি‌তে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়েছে।

ও‌সি আলমগীর হো‌সেন বলেন, আটক রোহিঙ্গাদের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। তা‌দের‌  সং‌শ্লিষ্ট রো‌হিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠা‌নোর ব্যবস্থা নেওয়া হ‌চ্ছে।

/এএম/

সম্পর্কিত

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার

‘অপহরণের’ ৯ মাস পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, যুবক গ্রেফতার

‘অপহরণের’ ৯ মাস পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, যুবক গ্রেফতার

রংপুর মেডিক্যালে অক্সিজেন কিনে বাঁচার চেষ্টা রোগীদের

রংপুর মেডিক্যালে অক্সিজেন কিনে বাঁচার চেষ্টা রোগীদের

বিলের মাঝখানে উপহারের ঘর, ডুবলো পানিতে

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ০১:১৬

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত প্রধানমন্ত্রীর উপহারের অর্ধশতাধিক ঘর পানিতে ডুবে গেছে। সীমান্তের বেড়িবাঁধের স্লুইস গেট বন্ধ থাকায় এবং ঘরগুলো বিলের মাঝখানে নিচু জায়গায় হওয়ায় বৃষ্টির পানিতে তলিয়েছে। ঘরগুলোর চারপাশে পানি থৈ থৈ করছে। ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে বসবাসরত পরিবারগুলো।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, মুজিববর্ষে ভূমিহীন-গৃহহীনদের জন্য এ উপজেলায় মোট ২২৯টি ঘর বরাদ্দ এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। প্রথম পর্যায়ে ৫০টি পরিবারকে ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ঘরগুলোর কাজ সম্পন্ন হলে উপকারভোগীদের বুঝিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে।

বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার থেকে পূর্ব দিকে দেড় কিলোমিটার ভেতরে সীমান্ত সড়কের কাছাকাছি সরকারি উদ্যোগে নির্মিত ২৮টি ঘর পানিতে ডুবে রয়েছে। ঘরগুলোর চারপাশে পানি থৈ থৈ করছে। নৌকা ছাড়া বের হওয়ার উপায় নেই। সেখানে চার-পাঁচটা পরিবার ব্যতীত বাকিরা অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। একইভাবে ডুবে রয়েছে ওয়াব্রাংয়ের ২৮টি উপহারের ঘরও।

হ্নীলার মৌলভীবাজারের উপহারের ঘরে পানিবন্দি সমিরা বেগমের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘দুই দিন ধরে পানিবন্দি রয়েছি। নৌকায় করে খাবার এনে খেতে হচ্ছে। কেউ সহায়তা দিতে আসেনি। এখানে ২৮টি পরিবারের মধ্য আমরা চার পরিবার ছাড়া বাকিরা অন্যত্র চলে গেছেন। আমাদের কোনও স্বজন নেই, তাই পানিবন্দি থাকার পরও কোথাও যাওয়ার জায়গা পাচ্ছি না।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘মূলত এই এলাকায় কিছু সুবিধাভোগী লোক বেড়িবাঁধের স্লুইস গেট বন্ধ রাখার কারণে আমরা সবাই পানিবন্দি হয়ে পড়েছি। তাছাড়া সরকার আমাদের যেখানে ঘর দিয়েছে, সেটি ছিল অনেক নিচু এলাকা।’

পরিবারের সদস্যদের অন্যত্র পাঠিয়ে দিয়ে ঘর পাহারা দিচ্ছিলেন সৈয়দ আলম ওরফে লালু। তার অভিযোগ, ‘স্থানীয় একটি চক্র সীমান্তের বেড়িবাঁধের স্লুইস গেইট বন্ধ রাখায় পানিবন্দি হয়েছি! এ ঘরটি আমার একমাত্র সম্বল, তাই পরিবারের নারী সদস্যদের অন্যত্র পাঠিয়ে এখানে অবস্থান করছি। তাছাড়া অনেকে অন্যত্র চলে গেছেন। পানি নেমে গেলে হয়তো আবার ফিরবেন। আজকে দুই দিন ধরে ঘরে চুলা জ্বালাতে পারিনি। এখানে সুপেয় পানি ও কোনও খাবারের ব্যবস্থা নেই। কষ্টের দিন কাটাচ্ছি আমরা।’

ঘর বরাদ্দ পাওয়া মোহাম্মদ আক্কাস অভিযোগ করে বলেন, ‘জমি নির্ধারণকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনেকবার নিষেধ করেছি, এটি নিচু জায়গা, এখানে ঘর করার জন্য উপযোগী নয়। দীর্ঘদিন ধরে আমার এই এলাকায় বসতি। ফলে ধারণা ছিল, এখানে ঘর নির্মাণ করলে বৃষ্টিতে তলিয়ে যাবে এবং তাই হয়েছে।’

পানি ঢোকায় দুই দিন ধরে চুলাও জ্বালাতে পারেননি বসবাসকারীরা

স্থানীয়দের অভিযোগ, হ্নীলা ইউনিয়নের আবুল কালাম, মো. সাবের, সৈয়দুল আমিন ও হোসেন বলিসহ লবণ চাষিদের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত সড়কের বেড়িবাঁধের স্লুইস গেট বন্ধ রেখেছে। ফলে দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে এলাকাটি পানিতে তলিয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আমিন হোসেন বলেন, ‘কয়েকজন অসাধু লবণ চাষির জন্য তাদের পুরো এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পাঁচ শতাধিক মানুষ এখন পানিবন্দি দিন কাটাচ্ছেন। সেখানে খাবার পানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সংকট দেখা দিয়েছে।’
 
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বলেন, ‘বেড়িবাঁধের স্লুইস গেটের অভাবে এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের ঘরও রয়েছে। তবে বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পানি কারণে কমছে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরগুলো ইতোমধ্যে পরিদর্শন করেছেন উল্লেখ করে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী বলেন, ‘সীমান্ত সড়কে বেড়িবাঁধের স্লুইস গেটের যে সমস্যা সেটি সমাধানের কাজ চলছে। আর কারা গেট বন্ধ রাখছে সেটি খতিয়ে দেখা হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ বলেন, ‘সীমান্ত সড়কের বেড়িবাঁধের স্লুইস গেটের বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। যাতে পানি না জমে সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আর সেখানে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরগুলোর খোঁজ রাখছি। তাছাড়া টেকনাফে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে, ২০ বছরের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। সেখানে ৩২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই মুহূর্তে যেসব পরিবারে প্রাণহানি ঘটনা ঘটেছে তাদের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছি এবং পানিতে ডুবে যাওয়া সব জায়গায় খোঁজখবর নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

‘গরু বিক্রির ১২ লাখ টাকার জন্য মালিক-কর্মচারীকে হত্যা’

‘গরু বিক্রির ১২ লাখ টাকার জন্য মালিক-কর্মচারীকে হত্যা’

কক্সবাজারে পানিবন্দি ২ লাখ, আরও ১২ জনের মৃত্যু

কক্সবাজারে পানিবন্দি ২ লাখ, আরও ১২ জনের মৃত্যু

দেয়ালেও করোনাভাইরাস, সাতক্ষীরা মেডিক্যালের ল্যাব বন্ধ

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ০০:৫২

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আরটি পিসিআর ল্যাব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে তিন দিন ল্যাবটি বন্ধ থাকবে।

ল্যাবটি জীবাণুমুক্ত হলে করোনা পরীক্ষা শুরু হবে। বুধবার (২৮ জুলাই) বিষয়টি জানিয়েছেন স্বাস্থ্য দফতরের খুলনা বিভাগের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মুরশিদ। 

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় ল্যাবটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ল্যাবের ফ্রিজে জমে থাকা নমুনাগুলো পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার নমুনা পরীক্ষার সময় পিসিআর ল্যাবে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ল্যাবের সব নমুনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ল্যাবে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে সন্দেহে ল্যাবের দেয়াল থেকে নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করা হলে পজিটিভ আসে। পরে ল্যাবটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন সাফায়াত বলেন, ল্যাবটি ভাইরাসমুক্ত করার কাজ চলছে। আগামী শনিবার থেকে ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার চেষ্টা করা হবে। ফল সন্তোষজনক হলে ল্যাব চালু রাখা হবে। সন্তোষজনক না হলে ল্যাবটি আরও দুই দিন বন্ধ রাখা হবে।

গত দুই মাস ধরে সাতক্ষীরা, যশোর, মাগুরা ও নড়াইলের করোনা পরীক্ষার একমাত্র ল্যাব হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব। ল্যাবে প্রতিদিন ৯৪টি নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও প্রতিদিন দ্বিগুণ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

এদিকে, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় ল্যাবের ফ্রিজে জমে থাকা পাঁচ শতাধিক নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। খুলনা মেডিক্যাল কলেজের (খুমেক) পিসিআর ল্যাব কর্তৃপক্ষ এসব নমুনা পরীক্ষা করতে অস্বীকার করায় ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে সাতক্ষীরার ল্যাবে জমে থাকা নড়াইল ও মাগুরার বিপুল পরিমাণ নমুনা পরীক্ষা করে জট কমিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।

/এএম/

সম্পর্কিত

বাগেরহাটে পানিবন্দি হাজারো পরিবার, টর্নেডোতে বিধ্বস্ত বাড়িঘর

বাগেরহাটে পানিবন্দি হাজারো পরিবার, টর্নেডোতে বিধ্বস্ত বাড়িঘর

এক কোটি খুঁজতে গিয়ে মিললো ৩ কোটি!

এক কোটি খুঁজতে গিয়ে মিললো ৩ কোটি!

পানিতে থৈ থৈ করছে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল

পানিতে থৈ থৈ করছে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল

খালাস শেষে অক্সিজেন নিয়ে নারায়ণগঞ্জের পথে শেষ ট্যাংকলরিটি

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ০০:২৫

সিরাজগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে ভারত থেকে দ্বিতীয় বারের মতো রেলপথে আসা ২০০ টন তরল অক্সিজেন খালাস শেষ হয়েছে। এরপর ভারতে ফিরে গেছে অক্সিজেনবাহী ইন্দো-বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি।

বুধবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে শুরু হয় ট্রেন থেকে সড়ক পথে পরিবহনের জন্য ট্যাংকলরিতে অক্সিজেন লোড করা। রাত সাড়ে ৮টার দিকে খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন করে পৌনে ৯টার দিকে সর্বশেষ ট্যাংকলরিটি ২০ টন অক্সিজেন নিয়ে যাওয়া হয় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্টের উদ্দেশে।

এছাড়াও আগামী সপ্তাহের শুরুতেই রেলপথে দেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে আরও ২০০ টন তরল অক্সিজেন। যা এই বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনেই এসে পৌঁছাবে ও খালাস হয়ে সড়ক পথে নারায়ণগঞ্জে যাবে।

তরল অক্সিজেন লোড করা হয় ট্যাংকলরিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান লিন্দে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও প্রশাসন বিভাগের ব্যবস্থাপক সুফিয়া আক্তার ওহাব এবং গ্যাস শাখার সরবরাহ ব্যবস্থাপক মো. খাররুম বিন আব্দুল কাইয়ুম মণ্ডল।

সুফিয়া আক্তার ওহাব বলেন, ‘বুধবার সকাল থেকে রাত পৌনে ৯টা নাগাদ ১০টি ট্যাংকলরিতে করে মোট ২০০ টন তরল অক্সিজেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্টের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু এবার বাল্ব বক্স স্টেশনের উলটো দিকে করে আনা হয়েছিল তাই একসঙ্গে ছয়টি ট্যাংকলরিতে লোড করা সম্ভব হয়েছে। আগামীতে ভারত থেকে অক্সিজেন নিয়ে আসা ট্রেনগুলোও এখানেই খালাস হবে।’ প্রতি সপ্তাহে ২০০ টন করে অক্সিজেন নিয়ে দুই থেকে তিনটি ট্রেন বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, এর আগে ভারত থেকে আসা ২০০ টন তরল অক্সিজেন সিরাজগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে গত রবিবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে পৌঁছায়। এরপর বুধবার সকালে আরেকটি অক্সিজেনবাহী ট্রেন আসার পর চলে খালাস কার্যক্রম। এ দিয়ে দুবারে ২০০ টন করে সর্বমোট ৪০০ টন অক্সিজেন রেলপথে দেশে আসলো। ইন্দো-বাংলা ট্রেনটি দুবারই ভারতের ঝাড়খণ্ড প্রদেশের জামশেদপুর টাটানগর থেকে দশটি কন্টেইনারে করে এই তরল অক্সিজেন নিয়ে সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে অক্সিজেন খালাস করে।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

রাজশাহীতে বিক্রি হয়নি ৭৩ হাজার কোরবানির পশু

রাজশাহীতে বিক্রি হয়নি ৭৩ হাজার কোরবানির পশু

কার্ভাডভ্যান চাপায় প্রাণ গেলো ব্যাংক কর্মকর্তার

কার্ভাডভ্যান চাপায় প্রাণ গেলো ব্যাংক কর্মকর্তার

জামায়াত-শিবিরের ২০ নেতাকর্মী গ্রেফতার

জামায়াত-শিবিরের ২০ নেতাকর্মী গ্রেফতার

সর্বশেষ

বাগেরহাটে পানিবন্দি হাজারো পরিবার, টর্নেডোতে বিধ্বস্ত বাড়িঘর

বাগেরহাটে পানিবন্দি হাজারো পরিবার, টর্নেডোতে বিধ্বস্ত বাড়িঘর

ক্যাম্প থেকে পালিয়ে কুড়িগ্রামে আটক ৯ রোহিঙ্গা

ক্যাম্প থেকে পালিয়ে কুড়িগ্রামে আটক ৯ রোহিঙ্গা

করোনায় আটকে আছে ত্রিদেশীয় বৈঠক

করোনায় আটকে আছে ত্রিদেশীয় বৈঠক

কিউকম ও রানার এর মধ্যে ব্যবসায়িক চুক্তি

কিউকম ও রানার এর মধ্যে ব্যবসায়িক চুক্তি

বলপূর্বক কাবুল দখল করলে তালেবান স্বীকৃতি পাবে না: যুক্তরাষ্ট্র

বলপূর্বক কাবুল দখল করলে তালেবান স্বীকৃতি পাবে না: যুক্তরাষ্ট্র

বিলের মাঝখানে উপহারের ঘর, ডুবলো পানিতে

বিলের মাঝখানে উপহারের ঘর, ডুবলো পানিতে

নতুন রূপে ‘বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের’ পথ চলা

নতুন রূপে ‘বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের’ পথ চলা

পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৯ ওভারের ম্যাচটিও শেষ হলো না

পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৯ ওভারের ম্যাচটিও শেষ হলো না

দেয়ালেও করোনাভাইরাস, সাতক্ষীরা মেডিক্যালের ল্যাব বন্ধ

দেয়ালেও করোনাভাইরাস, সাতক্ষীরা মেডিক্যালের ল্যাব বন্ধ

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় পরিবেশমন্ত্রীর

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় পরিবেশমন্ত্রীর

সেই লাকী আক্তারের কণ্ঠে কন্যা ও কান্নার গল্প (ভিডিও)

সেই লাকী আক্তারের কণ্ঠে কন্যা ও কান্নার গল্প (ভিডিও)

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেখভালে জাতিসংঘ-সরকার একমত

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেখভালে জাতিসংঘ-সরকার একমত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

© 2021 Bangla Tribune