কী, কেন, কীভাবে

ভারতের কাছ থেকে কেন ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে চায় আমিরাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৮ জুন ২০২৬, ২১:০৯ আপডেট : ২৮ জুন ২০২৬, ২১:০৯

ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে ব্রাহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষা নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্ক আকাশতীর কেনার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা চলছে। গত ২২ জুন ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে। চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে তা হবে নয়া দিল্লির এযাবৎকালের অন্যতম বৃহত্তম সামরিক রফতানি চুক্তি এবং মধ্যপ্রাচ্যের কোনও দেশে প্রথম ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর, গত কয়েক মাস ধরে চলা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে আবুধাবি তাদের সামরিক প্রয়োজনীয়তা নতুন করে মূল্যায়ন করতে শুরু করেছে। এই প্রেক্ষাপটেই ভারতের সঙ্গে এই আলোচনা গতি পেয়েছে।

আমিরাতের জন্য এই আলোচনার উদ্দেশ্য কেবল অস্ত্র কেনা নয়, বরং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ক্ষমতা শক্তিশালী এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একীকরণ উন্নত করা। এর মাধ্যমে উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতকে একটি ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদার থেকে আরও বেশি প্রভাবশালী নিরাপত্তা সহযোগীতে রূপান্তর করতে চায় আবুধাবি। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা উৎপাদন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), জ্বালানি এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে ধারাবাহিক চুক্তির পর এই আলোচনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দিল্লি-আবুধাবি সম্পর্ক এখন এক নতুন কৌশলগত অধ্যায়ে প্রবেশ করছে।

অর্থনৈতিক অংশীদার থেকে কৌশলগত অংশীদার

উভয় দেশের বর্তমান আলোচনা মূলত গত এক বছর ধরে দ্রুত বাড়তে থাকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেরই ধারাবাহিকতা। গত জানুয়ারিতে আমিরাত ও ভারত একটি ব্যাপক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা রূপরেখা উন্মোচন করে। এর মধ্যে সামরিক উৎপাদন, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, ড্রোন প্ল্যাটফর্ম, আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এবং যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই চুক্তি আবুধাবির কেবল অস্ত্র ক্রয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে শিল্প সহযোগিতাকে আরও গভীর করতে চাওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষার ইঙ্গিত।

এর কয়েক সপ্তাহ পর এই অংশীদারত্ব উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও সম্প্রসারিত হয়। আবুধাবি সমর্থিত এআই কোম্পানি জি৪২ এবং তাদের ভারতীয় সহযোগীরা ভারতে একটি এআই সুপারকম্পিউটার স্থাপনের পরিকল্পনা ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক এজেন্ডায় ডিজিটাল অবকাঠামো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত হয়।

গত মে মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আবুধাবি সফরের সময় এই গতি আরও বৃদ্ধি পায়। সেই সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৫ বিলিয়ন ডলারের নতুন বিনিয়োগ প্যাকেজের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, কানেক্টিভিটি, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা-শিল্প সহযোগিতার বিষয়ে বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করেছে।

দুবাইভিত্তিক ওআরএফ মিডল ইস্টের ডেপুটি ডিরেক্টর কবির তানেজা বলেন, ভারত-আমিরাত সম্পর্ক একটি দ্রুত রূপান্তরশীল কৌশলগত সম্পর্ক। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মতো নিরাপত্তা ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা ক্রমাগত বেড়েছে। ভারতের প্রতিরক্ষা ইকোসিস্টেম বা শিল্প ব্যবস্থা এখনও তুলনামূলকভাবে নতুন হলেও, ব্রাহ্মোসের মতো ব্যবস্থা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ইতোমধ্যে রফতানি সাফল্য পেয়েছে। ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোর এ নিয়ে আগ্রহ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক।

ইরান যুদ্ধের শিক্ষা

এই আলোচনার সময়কালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা ইরানের সঙ্গে প্রায় চার মাসের সংঘাত থেকে আমিরাতের নেওয়া সামরিক শিক্ষার প্রতিফলন ঘটায়। যদিও আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের দিক থেকে আসা প্রায় ২ হাজার ৮০০ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে বহুলাংশে সফল হয়েছে, তবুও এই যুদ্ধ একটি বড় ধরনের বাস্তবতাকে সামনে এনেছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন দিক থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং আত্মঘাতী ড্রোনের মাধ্যমে চালানো বড় আকারের ও বহুমুখী হামলা প্রতিহত করার জটিলতা এই অভিযানে স্পষ্ট হয়েছে।

এর ফলে, উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা এখন কেবল একক কোনও সামরিক প্ল্যাটফর্ম বা অস্ত্র কেনার চেয়ে পুরো আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের একীকরণ, সক্ষমতা এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে মোড় নিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ‘আকাশতীর’ ব্যবস্থাটি এই সংঘাতের সবচেয়ে বড় পরিচালনাগত ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম। ভারতে তৈরি এই প্রযুক্তিটি একটি সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা কাঠামোর ডিজিটাল মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে, যা রাডার, সেন্সর ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারিগুলোকে একটি একক কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল নেটওয়ার্কে যুক্ত করে একই সঙ্গে একাধিক হুমকি চিহ্নিত ও প্রতিহত করতে পারে।

অন্য দিকে, যুদ্ধের দ্বিতীয় শিক্ষাটি পূরণ করবে ব্রাহ্মোস। যদিও আমিরাতের কাছে ইতোমধ্যে উন্নত আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সক্ষমতা রয়েছে, তবুও যুদ্ধটি প্রমাণ করেছে যে একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য প্রচলিত দূরপাল্লার আঘাত হানার সক্ষমতা থাকা কতটা জরুরি। শব্দের চেয়ে প্রায় তিন গুণ গতিসম্পন্ন (ম্যাক ৩) এবং এর সর্বশেষ সংস্করণে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার (৪৯৭ মাইল) পাল্লার এই ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রটি আবুধাবিকে আন্তর্জাতিক বাজারের অন্যতম দ্রুতগতির ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সুবিধা এনে দেবে।

প্রতিরক্ষা অংশীদার হিসেবে কেন ভারত?

এই সম্ভাব্য চুক্তিটি বিশ্বের একটি প্রধান প্রতিরক্ষা রফতানিকারক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ভারতের ক্রমবর্ধমান উচ্চাকাঙ্ক্ষাকেও তুলে ধরে। দীর্ঘকাল ধরে বিশ্বের বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিত নয়া দিল্লি গত এক দশক ধরে তাদের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের অধীনে অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। এর লক্ষ্য বিদেশি সরবরাহকারীদের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি একটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতাপূর্ণ প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলা।

সিপরি’র তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি ছিল মাত্র ৭.৩ মিলিয়ন ডলার, যা ২০২৬ সালের মার্চে সমাপ্ত হওয়া অর্থবছরে বেড়ে ৪ বিলিয়ন (৪০০ কোটি) ডলার ছাড়িয়েছে। ভারত এখনও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক দেশ (বৈশ্বিক আমদানির ৮ শতাংশের বেশি) হলেও, একই সঙ্গে এটি দ্রুত বর্ধনশীল প্রতিরক্ষা রফতানিকারক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করছে। আর ব্রাহ্মোস এই কৌশলের প্রধান প্রতীক হয়ে উঠেছে।

ভারত ২০২২ সালে প্রথম ফিলিপাইনের কাছে ব্রাহ্মোস রফতানি করে এবং গত বছর পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতে এটি যুদ্ধক্ষেত্রে সফলভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এরপর থেকে ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গেও এই ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের চুক্তি করেছে নয়া দিল্লি। এছাড়া ব্রাজিল, চিলি, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলোও এতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমিরাতের সঙ্গে চুক্তি হলে তা হবে মধ্যপ্রাচ্যে এই ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম রফতানি এবং এশিয়ার বাইরে দিল্লির অন্যতম হাই-প্রোফাইল প্রতিরক্ষা চুক্তি।

রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে ভারত এই ব্রাহ্মোস তৈরি করলেও আলজেরীয় প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক আকরাম খারিফ মনে করেন, মস্কো এই চুক্তিতে কোনও বাধা দেবে না। তিনি বলেন, যেহেতু ব্রাহ্মোস এবং আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রাশিয়ার রসোবোরনএক্সপোর্ট-এর রফতানি তালিকায় নেই, তাই এর জন্য রাশিয়ার অনুমোদনের প্রয়োজন হওয়ার কথা নয়। তাছাড়া আবুধাবির সঙ্গে মস্কোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে রাশিয়া এখানে কোনও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না বলেই তার ধারণা।

প্রথাগত অস্ত্র রফতানিকারকদের মতো না হয়ে ভারত এখন অস্ত্র বিক্রির পাশাপাশি প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্প সহযোগিতা এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের মতো অংশীদারত্বের প্রস্তাব দিচ্ছে। এই দৃষ্টিভঙ্গি উপসাগরীয় দেশগুলোর অগ্রাধিকারের সঙ্গে মিলে যায়, কারণ তারা এখন কেবল সরাসরি অস্ত্র কেনার চেয়ে যৌথ উন্নয়ন, যৌথ উৎপাদন এবং জটিল প্রযুক্তির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

প্রতিরক্ষা ছাড়াও ভারতের সঙ্গে আমিরাতের অন্যান্য বড় সুবিধা রয়েছে। আমিরাতের তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হলো ভারত এবং ৩৫ লাখের বেশি ভারতীয় নাগরিক আমিরাতে বসবাস ও কাজ করেন। এই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তি নতুন যেকোনও নিরাপত্তা অংশীদারত্বের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ফলে এই আলোচনা ভারতের বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা রফদানিকারক হওয়ার লক্ষ্য এবং আমিরাতের নিরাপত্তা অংশীদারত্ব বহুমুখীকরণ ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের একটি মেলবন্ধন।

সমান্তরাল নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক

জর্জ মেসন ইউনিভার্সিটির অ্যাডজান্ট প্রফেসর রেজা খানজাদেহের মতে, আমিরাত-ভারত অংশীদারত্বকে পাকিস্তানের সঙ্গে আমিরাতের বা ভারতের সঙ্গে সৌদি আরবের সামরিক সম্পর্কের কোনও ফাটল হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।

খানজাদেহ বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো দ্বিমুখী উপায়ে চিন্তা করছে না। তারা মূলত নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অংশীদারত্ব বহুমুখী করছে। সৌদি আরব এখনও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে মূল্য দেয়, আবার আমিরাতও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে। পরিবর্তন শুধু এটাই যে, প্রতিটি উপসাগরীয় দেশ দক্ষিণ এশিয়ার ভিন্ন ভিন্ন অংশীদারদের ভিন্ন ভিন্ন কৌশলগত প্রয়োজনে ব্যবহার করছে।

গত কয়েক মাসে এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয়েছে। আবুধাবি যখন নয়া দিল্লির সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াচ্ছে, ঠিক একই সময়ে সৌদি আরব পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের সামরিক অংশীদারত্বকে আরও জোরদার করেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে স্বাক্ষরিত স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্টের অধীনে পাকিস্তান ইতোমধ্যে সৌদি আরবে সেনা, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং চীনের তৈরি এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে।

অন্যদিকে আমিরাত হাঁটছে ভিন্ন পথে। ভারতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে প্রতিরক্ষা, উন্নত প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিনিয়োগ, জ্বালানি এবং কানেক্টিভিটির মতো বহুমুখী খাতের সমন্বয়ে। প্রতিরক্ষা এখানে একক কোনও বিষয় নয়, বরং একটি বৃহত্তর কাঠামোর অংশ।

খানজাদেহ মনে করেন, ইরান যুদ্ধের সবচেয়ে বড় প্রভাব হলো এর মাধ্যমে উপসাগর ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একটি অত্যন্ত আন্তঃসংযুক্ত নিরাপত্তা সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে। এটি পাকিস্তানকে সরিয়ে ভারতের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার সাধারণ কোনও গল্প নয়, বরং উপসাগরীয় দেশগুলোর কৌশলগত বিকল্প বৃদ্ধির একটি বাস্তব চিত্র।

সূত্র: আল মনিটর

 

/এএ/
সম্পর্কিত
অস্ত্র সমর্পণে ইরানি গোষ্ঠীগুলোকে নতুন সময় দিলো ইরাক
ব্রাজিলের নির্বাচনে প্রার্থী ‘ট্রাম্প’, ‘ওবামা’, কেন জানেন?
যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে আরও কঠোর জবাবে প্রস্তুত ইরান, অনিশ্চিত কূটনীতি
সর্বশেষ খবর
‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের
‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের
বাংলামোটরে ওষুধ ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, বহিষ্কৃত যুবদল নেতা আটক
বাংলামোটরে ওষুধ ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, বহিষ্কৃত যুবদল নেতা আটক
বিয়ের পর স্বামীর পদবি নেওয়ার রীতি এলো যেভাবে
বিয়ের পর স্বামীর পদবি নেওয়ার রীতি এলো যেভাবে
দুই মন্দিরে চুরির ঘটনায় চার জন গ্রেফতার 
দুই মন্দিরে চুরির ঘটনায় চার জন গ্রেফতার 
সর্বাধিক পঠিত
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘বের করে দিলেন’ রুবিও
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘বের করে দিলেন’ রুবিও
এলপিজি: বেশি দামে বিক্রি হলে কঠোর ব্যবস্থা
এলপিজি: বেশি দামে বিক্রি হলে কঠোর ব্যবস্থা
‘আম্মার উড়ে আসা নেতা’, কার ওপর গজব পড়ার কথা বললেন উমামা
‘আম্মার উড়ে আসা নেতা’, কার ওপর গজব পড়ার কথা বললেন উমামা
স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে বের হয়ে যা বললেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি
স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে বের হয়ে যা বললেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি
বিএনপির রাজনীতিতে যেভাবে উত্থান ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির
বিএনপির রাজনীতিতে যেভাবে উত্থান ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির