নতুন মেরুকরণের পথে কওমি ঘরানার ৭ ইসলামপন্থি দল, লাভবান হবে কারা?

মহসীন কবির
২৫ জুলাই ২০২৬, ২০:১১ আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৬, ২০:১৩

সম্প্রতি চট্টগ্রামে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমিরের সঙ্গে কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়েছে। মূলত এসব দলের শীর্ষ নেতারাই হেফাজতের বিভিন্ন পদে রয়েছেন। এই দলগুলোর সমন্বয়ে আলাদা রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন সংগঠনটির আমির মহিবুল্লাহ বাবুনগরী। 

গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির জামেয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের আমিরের সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে অংশ নেন কওমি ধারার সাতটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। দলগুলো হলো— জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন এবং ইসলামী আন্দোলন। প্রতিটি দল থেকে তিনজন করে প্রতিনিধি অংশ নেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন হেফাজতের ২০ জন কেন্দ্রীয় নেতা। বৈঠক চলে সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত।

বৈঠকে হেফাজতের আমির সাত দলের নেতাদের আরও পরামর্শ দেন, ভিন্ন মতাবলম্বীদের অধীনে না গিয়ে সমমনা দলগুলোকে আরও শক্তিশালী হওয়া জরুরি। যেকোনও ইস্যুতে ভিন্ন অবস্থানে থেকে নিজেদের ভূমিকা রাখতে হবে। অবশ্য সেক্ষেত্রে দলগুলোর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াত জোটে যারা আছেন, তাদের সেখান থেকে সরাসরি বেরিয়ে আসার কথা বলেননি। তবে যেকোনও ইস্যুতে নিজেদের ঐক্য যেন সুসংহত থাকে, সেই পরামর্শ দিয়েছেন।

এ ধরনের জোট গঠনে তারা আগ্রহী কিনা, নিজ নিজ দলে বৈঠকের পর মতামত জানাবেন বলে কথা দিয়েছেন দলগুলোর নেতারা। অতীতে হেফাজতভুক্ত কওমি ধারার সংগঠনগুলোর সঙ্গে না থাকলেও চট্টগ্রামের ওই বৈঠকে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন। নতুন মেরুকরণ হলে তারাও থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, মূলত জামায়াতের সঙ্গে আকিদাগত মতবিরোধের কারণে, তাদের কাছ থেকে দেওবন্দি ধারার দলগুলোকে আলাদা দেখতে চান হেফাজত আমির। এ বিষয়ে আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে নিজেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে দলগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেদিনের সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে হেফাজতের মহাসচিব সাজিদুর রহমান জানান, সাতটি দল ঐক্যবদ্ধভাবে পথচলায় নীতিগত ঐকমত্যে পৌঁছেছে। শিগগিরই সেই ঐক্যের প্রক্রিয়া নির্ধারিত হবে।

এসব দলের সম্ভাব্য জোট হলে সেক্ষেত্রে বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে যেসব দলের রাজনৈতিক ঐক্য আছে, তাদের অবস্থান কী হবে? বা এর মাধ্যমে কারা লাভবান হবে, তারা কাদের মাথা ব্যথার কারণ হতে পারে? এ নিয়ে নতুন বিশ্লেষণ হচ্ছে। কারণ বিএনপি ও জামায়াত দুই জোটেই বিভক্ত রয়েছে হেফাজতপন্থী এই দলগুলো।

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এসব ইসলামপন্থি দল যদি নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম গড়তে পারে, সেটি ইতিবাচক হিসেবেই দেখি। তবে তারা যেন চব্বিশের আগের মিত্র বিএনপি বা অন্যান্য শক্তিগুলোকে শত্রু মনে না করে। যেকোনও বিষয়ে জটিলতা হলে তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। কারণ এর বিপরীত হলে আগের শত্রুরা আবারও সুযোগ নিতে পারে।’ এতে তারা লাভবান হলে কারও জন্যই মঙ্গল বয়ে আনবে না বলে মনে করেন তিনি।

হেফাজতের শীর্ষ নেতারা কে কোন দলে?

হেফাজতের প্রায় সব শীর্ষ নেতাই কোনও না কোনও ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে রয়েছেন। তাদের দলগুলোই আবার প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে আলাদা রাজনৈতিক ঐক্যে সক্রিয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জমিয়তে উলামায়ে বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক একইসঙ্গে হেফাজতে ইসলামের উপদেষ্টা, সহ-সভাপতি মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব ও মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব এবং যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসেন কাসেমী হেফাজতে ইসলামের অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে আছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমিয়তে উলামায়ের এই শীর্ষ চার নেতাই বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ নির্বাচন করেছেন। যদিও এই চার আসনে বিএনপি ছাড় দিলেও এদের কেউই জয়লাভ করতে পারেননি। তবে হেফাজত আমিরের সঙ্গে বৈঠকের পর থেকে বিএনপির সঙ্গে দলটির কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা। সর্বশেষ গত ২০ জুলাই দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমন্ত্রণে নৈশভোজে অংশ নেয়নি দলটি

অপরদিকে জামায়াতের প্ল্যাটফর্মে রয়েছে কওমিভিত্তিক বেশ কয়েকটি দল। তারাও হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। গত নির্বাচনে তারা ৩টি আসন লাভ করে।

এর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক একইসঙ্গে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব, মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন হেফাজতের সহকারী মহাসচিব, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ হেফাজতের নায়েবে আমির, নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী ও ড. আহমদ আবদুল কাদের হেফাজতের নায়েবে আমির, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির হাবিবুল্লাহ মিয়াজী ও মহাসচিব ইউসুফ সাদেক হাক্কানীও হেফাজতের পদে রয়েছেন।

তবে জামায়াত জোটে থাকলেও কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে না আবদুল বাছিত আজাদ ও আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিস। কী কারণে এমনটি হচ্ছে এর সুনির্দিষ্ট কারণ জানাচ্ছেন না দলটির নেতারা। তবে শনিবার (২৫ জুলাই) জামায়াত জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আবদুল বাছিত আজাদ ও অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিস। তারা আপাতত নিজেদের ব্যানারে কাজ করবে বলে জানিয়েছে।

এর বাইরেও জামায়াত জোটে আছেন নেজামে ইসলামী বাংলাদেশের একাংশ। এই দলের শীর্ষ নেতারাও হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

এছাড়া মাওলানা আব্দুল কাদির ও মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি এবং অপর অংশের নেতা হাসনাত আমিনী হেফাজতের সঙ্গে থাকলেও বিএনপি ও জামায়াত জোটে নেই বলে জানা গেছে।

নতুন মেরুকরণে ইসলামী আন্দোলন, নেপথ্যে জামায়াত ঠেকাও?

২০১০ সালে যাত্রা করে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক ‘অরাজনৈতিক’ সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। পরবর্তীকালে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর সমাবেশ এবং বিভিন্ন সময়ে নারী নীতি ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী শক্তিতে পরিণত হয় সংগঠনটি। শুরুতে জামায়াত ছাড়া অন্যান্য ধর্মভিত্তিক ইসলামপন্থি দলগুলোর সঙ্গে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনও সম্পৃক্ত ছিল। যদিও এক সময় তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। তবে তাদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ছিল বলে জানা গেছে। গত নির্বাচনের আগে দলটি জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক গাঁটছড়াও বেঁধেছিল। পরবর্তীতে শরিয়া আইনে রাষ্ট্র চলবে কিনা এ বিতর্কে সেই নির্বাচনি সমঝোতা থেকে বের হয়ে যায় দলটি। নির্বাচনের পর জামায়াতের আক্বিদা ও বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেন দলটির নেতারা৷ তারা জামায়াতকে ইসলামপন্থি দল নয় বলেও মন্তব্য করেছেন।

এরই মধ্যে হেফাজতের আমন্ত্রণে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দলটির নবনির্বাচিত মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির একজন যুগ্ম মহাসচিব জানান, জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা আবুল আ'লা মওদুদির কিছু ভ্রান্ত মতভেদ নিয়ে দেওবন্দি ধারার আলেমরা বরাবরই একমত। তাই সেই ফেতনা থেকে উম্মাহকে রক্ষায় সবাইকে এক হওয়ার পক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

ভিন্ন কথা বলেছেন দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘‘কারও বিরোধিতা বা পক্ষ নেওয়া আমাদের কাজ নয়। তবে কওমি ধারার দলগুলো একই আকিদায় বিশ্বাসী। তাই হেফাজত আমির সবাইকে এক প্ল্যাটফর্মে থাকতে বলেছেন।’’ দলগুলো মোটামুটি ঐকমত্যে পৌঁছলেও আগামী ৩ আগস্ট লিখিতভাবে তা হেফাজত আমিরকে অবহিত করা হবে বলে তিনি জানান।

বিএনপি ও জামায়াত জোটে থাকা দলগুলোর কী হবে?

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমিরের সঙ্গে সাতটি ইসলামপন্থি দলের বৈঠক নিয়ে অনেকে নানা বিশ্লেষণ করছেন। তাদের মতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীতে থাকা দলগুলোকে আলাদা মঞ্চে স্বতন্ত্র অবস্থানে দেখতে চান হেফাজত আমির। সেক্ষেত্রে তাদেরকে সেসব জোট ত্যাগ করতে হবে। 

তবে এ বিষয়ে ভিন্ন কথা বলেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘হেফাজত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। কিন্তু এর বিভিন্ন সাংগঠনিক পদে রয়েছেন বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। তারা মূলত কওমি ও দেওবন্দি মতাদর্শের। বিগত নির্বাচনের আগে তারা দুটি বড় রাজনৈতিক জোট বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছে। তাই হেফাজতে ইসলামের আমির মনে করেছেন এতে করে ক্বওমি ও হেফাজত অঙ্গন দুর্বল হয়ে যেতে পারে।’

‘তাই তাদের ডেকেছেন। তবে তিনি কারও রাজনৈতিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে চাননি। তিনি শুধু বলেছেন— যেকোনও ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় ইস্যুতে নিজেরা ঐক্যবদ্ধ থাকতে। এতে অনেকে সম্মতি দিয়েছেন। সম্ভাব্য এ জোটের রূপরেখা তাদেরকেই তৈরি করার নির্দেশনা দিয়েছেন হেফাজত আমির।’— এমনটি জানান আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

টার্গেট স্থানীয় নির্বাচন?

হঠাৎ কওমিভিত্তিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে হেফাজত আমিরের বৈঠক নিয়ে প্রধান কারণ নিজেদের ঐক্য সুদূঢ় করা। বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট থাকলেও নিজেদের বোঝাপড়া যাতে ঠিক থাকে, সেই উপলব্ধি থেকেই এমন উদ্যোগ নিয়েছেন হেফাজতের আমির। তবে এর বাইরেও আরেকটি ভিন্ন আদর্শ লক্ষ্য আছে বলে জানান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রচার সম্পাদক মাওলানা হাসান জুনাইদ। বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঐক্যের পাশাপাশি আগামী স্থানীয় নির্বাচনেও এসব দলগুলোর মধ্যে জোটগত প্রার্থী দেওয়ার চিন্তাভাবনা আছে। কারণ বিএনপি ও জামায়াত একক প্রার্থী দিতে পারে। সেক্ষেত্রে কওমি ঘরানার দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে একক প্রার্থী দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন কেউ কেউ। এতে করে আমাদের নেতাকর্মীরা আরও সক্রিয় হতে পারেন।’

লাভবান হতে পারেন কারা?

কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামপন্থি দলের জোট হলে লাভবান হতে পারেন কারা। এ নিয়ে একেকজন একেকভাবে বিশ্লেষণ করছেন। কেউ বলেন এতে লাভের কিছু নেই। নিজেদের প্রয়োজনেই একই মতাদর্শে বিশ্বাসীদের এক থাকতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, অতীতে এ ধরনের দলগুলো বিএনপির সঙ্গেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছে। কিন্তু ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে তাদের বিপরীত আদর্শের জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচন করেছে কমপক্ষে ৫টি দল। তাই তাদেরকে সেই জোট থেকে আলাদা করার চেষ্টা থাকতে পারে সরকারের পক্ষ থেকে। আবার ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ তাদেরকে দিয়ে নতুন কোনও কৌশল নেয় কিনা, সেটিও বিশ্লেষণসাপেক্ষ।

তবে এমন ধারণাকে উড়িয়ে দিয়ে খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক কৌশলের বিষয়ে হেফাজত আমির কিছু বলেননি। তিনি শুধু আমাদের ঐক্যটা চেয়েছেন। আর এর মাধ্যমে কেউ লাভবান হবে কিনা, সেটা বলা কঠিন।’ এতে বিএনপি বা তৃতীয় পক্ষের কোনও ইন্ধন নেই বলে তিনি মনে করেন।

জানতে চাইলে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, ‘আগে তাদের ঐক্য হোক, তারপর কথা। তাদের ঐক্যে কেউ লাভবান হবেন কিনা, সেটা আমি বলতে পারবো না। তবে তারা যদি নিজস্ব শক্তি নিয়ে চলতে পারে, সেটাতো ভালো দিক।’

/এপিএইচ/ইউএস/
সম্পর্কিত
নারীর সঙ্গে ভিডিও কলে আপত্তিকর কথা, ইসলামী আন্দোলনের নেতা বহিষ্কার
এই সরকার শহীদদের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি করেছে: মামুনুল হক 
‘এই দেশে বেকারদের ঠকানো সবচেয়ে সহজ’
সর্বশেষ খবর
দুপুরে রাজশাহী আসছেন প্রধানমন্ত্রী, নজরদারিতে ৪০০ ক্যামেরা
দুপুরে রাজশাহী আসছেন প্রধানমন্ত্রী, নজরদারিতে ৪০০ ক্যামেরা
রাত জাগা ও রিল দেখার অভ্যাসে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি
রাত জাগা ও রিল দেখার অভ্যাসে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি
চাকচিক্যময় উন্নয়ন বনাম নগরে মানুষের দৈনন্দিন স্বস্তি 
চাকচিক্যময় উন্নয়ন বনাম নগরে মানুষের দৈনন্দিন স্বস্তি 
নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক
নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক
সর্বাধিক পঠিত
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক তা চাই না’ মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন এমপি রতন
‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক তা চাই না’ মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন এমপি রতন
চট্টগ্রামে জন্ম, ঢাকায় বসবাস-এমপি হতে ঠাকুরগাঁওয়ে আলীম নিজামী
চট্টগ্রামে জন্ম, ঢাকায় বসবাস-এমপি হতে ঠাকুরগাঁওয়ে আলীম নিজামী
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে যা বললেন জামায়াত আমির
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে যা বললেন জামায়াত আমির
বাবার চোখ এড়াতে ঢোলা জামা, আড়ালে চলতো শিশুর ওপর নির্যাতন
বাবার চোখ এড়াতে ঢোলা জামা, আড়ালে চলতো শিশুর ওপর নির্যাতন