৫ বছর তালেবান শাসনে কতটা পাল্টেছে আফগানিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৫ আগস্ট ২০২৬, ১৮:২৪আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১৮:২৪

পাঁচ বছর আগে, ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট তালেবান যোদ্ধারা প্রায় কোনও বাধা ছাড়াই রাজধানী কাবুলে প্রবেশ করলে শহর ছেড়ে যেতে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাজার হাজার আফগান ভিড় জমান। দুই দশক ধরে তালেবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সমর্থিত আফগান সরকার মার্কিন বাহিনীর প্রত্যাহারের মুখে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ভেঙে পড়ে। ২০২৬ সালের ১৫ আগস্ট কাবুলের পতনের পাঁচ বছর পূর্ণ হলো। তালেবান এখন এই দিনটিকে তাদের ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে উদযাপন করে।

কাবুলে তালেবানের প্রবেশ

তালেবান নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর কাবুলজুড়ে চরম বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। দেশ ছাড়ার আশায় হাজার হাজার মানুষ বিমানবন্দরে ভিড় করায় বাণিজ্যিক ফ্লাইটগুলো বাতিল হয়ে যায়। বিমানবন্দর থেকে মার্কিন বিমানবাহিনীর সি-১৭ গ্লোবমাস্টার বিমানটি রানওয়ে দিয়ে যাওয়ার সময় মরিয়া আফগানদের বিমানে ঝুলে থাকার করুণ দৃশ্য সে সময় বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তৈরি করে। বিমানটি উড্ডয়ন করার পর অন্তত দুজন আকাশ থেকে নিচে পড়ে যান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাময়িকভাবে উড্ডয়ন স্থগিত করে মার্কিন বাহিনী। ওয়াশিংটন ৩১ আগস্টের মধ্যে প্রত্যাহার সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ধারণ করায় পরবর্তী দুই সপ্তাহ ধরে এই বিশৃঙ্খল স্থানান্তর প্রক্রিয়া চলে। এর মাঝেই তালেবান মুখপাত্র সোহেল শাহিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেছিলেন, আফগানদের সম্পত্তি, জীবন বা সম্মানের কোনও ঝুঁকি নেই। তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ইসলামি সরকার প্রতিষ্ঠা, যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক প্রশাসনের হয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের জন্য ক্ষমা প্রদর্শন এবং গত দুই দশকে নারী ও নারীদের অর্জিত অধিকার বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে সেই আশ্বাসগুলো দ্রুতই প্রশ্নের মুখে পড়ে।

 

ক্রমশ রাজনীতি ও সমাজ থেকে নারীদের বাদ পড়া

নারীদের অধিকার নিয়ে তালেবানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বেশি দিন টেকেনি। মাধ্যমিক শিক্ষা থেকে মেয়েদের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে এই নিষেধাজ্ঞা কর্মসংস্থান, চলাচল এবং পাবলিক স্পেসে যাওয়ার ক্ষেত্রেও সম্প্রসারিত হয়। তালেবানের ক্ষমতা দখলের পঞ্চম বার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত জাতিসংঘ নারী বিষয়ক সংস্থার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তালেবান আসার পর থেকে নারী ও মেয়েদের লক্ষ্য করে ১০০টিরও বেশি নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

এর প্রভাব অত্যন্ত মারাত্মক। জরিপ করা প্রতি ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জনই তাদের মানসিক স্বাস্থ্যকে ‘খারাপ’ বা ‘খুব খারাপ’ বলে বর্ণনা করেছেন। অর্ধেকেরও বেশি নারী জানিয়েছেন, তারা মাসে এখন মাত্র এক বা দুবার বাড়ি থেকে বের হন এবং প্রায় তিন-চতুর্থাংশ নারী জানিয়েছেন, পুরুষ অভিভাবক ছাড়া বাইরে বের হতে তারা অনিরাপদ বোধ করেন। আফগানিস্তানে যেখানে ৮৪ শতাংশ পুরুষ কর্মরত, সেখানে মাত্র ৭ শতাংশ নারী কর্মসংস্থানে যুক্ত রয়েছেন।

 

ফাঁকা ক্লাসরুম ও ক্রমবর্ধমান শিক্ষা সংকট

বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসেবে আফগানিস্তানে নারী ও মেয়েদের মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে। ইউনেস্কো সতর্ক করেছে যে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ভবিষ্যতে যোগ্য নারী শিক্ষকের সংকট তৈরি হতে পারে, যা আগে থেকেই জনাকীর্ণ ক্লাসরুম, অপর্যাপ্ত সুবিধা এবং ঝরে পড়ার উচ্চ হারের সঙ্গে লড়াই করা শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। এটি এখন অর্থনৈতিক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি তালেবান প্রশাসনের প্রতি ব্যাপকভাবে সহানুভূতিশীল আফগানরাও প্রশিক্ষিত পেশাদারদের হারানোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

 

চাপের মুখে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা

তালেবান শাসনের অধীনে সাংবাদিকতা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পেশাগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) আফগানিস্তানকে সাংবাদিকদের কাজের জন্য বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক ও কঠিন পরিবেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০২৪ সালে কর্তৃপক্ষ লাইভ রাজনৈতিক টেলিভিশন সম্প্রচার নিষিদ্ধ করে, তালেবান নেতৃত্বের সমালোচনাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে এবং সংবাদমাধ্যমগুলোকে অনুমোদিত তালিকার বিশ্লেষকদের ইন্টারভিউতে আমন্ত্রণ জানানোর নির্দেশ দেয়।

একই সময়ে তালেবান তাদের নিজস্ব মিডিয়া নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত করেছে। ২০২৫ সালের মধ্যে সিপিজে তালেবানের নিয়ন্ত্রণে প্রায় ১৫টি বড় টেলিভিশন ও রেডিও স্টেশন, সংবাদপত্র এবং ডিজিটাল আউটলেট গণনা করেছে। ২০২১ সাল থেকে শত শত আফগান সাংবাদিক দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন বলে ধারণা করা হয়।

 

কঠোর বিচার ব্যবস্থা

তালেবান শাসনে আফগানিস্তানের বিচার ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। জাতিসংঘ আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের (ইউএনএএমএ) তথ্যের বরাতে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, ২০২১ সালের আগস্ট থেকে ২০২২ সালের নভেম্বরের মধ্যে আদালত অন্তত ১৮টি পৃথক মামলায় শারীরিক শাস্তির নির্দেশ দিয়েছেন। এর বেশিরভাগই ছিল ‘নৈতিক অপরাধের’ অভিযোগে প্রকাশ্যে চাবুক মারা।

তালেবানের সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশের পর এই নীতি কার্যকর করা হয়, যেখানে ধর্মীয়-আইনি শর্ত পূরণ হলে বিচারকদের দৈহিক শাস্তি কঠোরভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে পারওয়ান প্রদেশের একটি স্টেডিয়ামে ভিড়ের সামনে ২৭ জনকে প্রকাশ্যে চাবুক মারা হয়। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ উল্লেখ করেছে যে আগের আফগান সরকারের আমলেও শারীরিক শাস্তি বিদ্যমান ছিল, তবে তালেবান প্রশাসনের অধীনে এটি প্রকাশ্যে এবং রুটিন হিসেবে কার্যকর করা হচ্ছে।

 

যুদ্ধ থামলেও আফগানিস্তান শান্ত নয়

কয়েক দশকের সংঘাতের পর কিছু আফগানের জন্য তালেবানের প্রত্যাবর্তন স্বস্তি এনে দিয়েছিল। তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রভিন্স (আইএসকেপি)-এর ক্রমাগত হামলার কথা নথিভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে চালানো হামলাও রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর চাপ এবং আফগানিস্তানের সীমান্তে ক্রমাগত উত্তেজনার মুখোমুখি হচ্ছে তালেবান।

ফলে আফগানিস্তানের সংঘাত শেষ হয়নি, বরং এর রূপ পরিবর্তিত হয়েছে। দেশটি বহু পাক্ষিক যুদ্ধ থেকে সরে এসে এখন সশস্ত্র হামলা, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, সীমান্ত উত্তেজনা এবং তালেবানের অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত শাসনের সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে। অন্যদিকে ক্ষুধা ও বাস্তুচ্যুতি এখনও ব্যাপক। ২০২৬ সালের মে মাসে বিশ্বব্যাংকের এক মূল্যায়নে দেখা গেছে, অর্থনীতি খুব ধীর গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে প্রায় ৩৭ লাখ আফগানের প্রত্যাবর্তন সম্পদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। সংস্থাটির প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ চরম খাদ্য অনিরাপত্তার মুখোমুখি হয়েছেন।

 

সার্বিক সমৃদ্ধি ছাড়া অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি

আফগানিস্তানের অর্থনীতি পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি, কিছু ক্ষেত্রে পুনরুদ্ধারের লক্ষণ দেখা গেছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, মূলত অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং প্রত্যাবর্তনকারী অভিবাসীদের কারণে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৮ শতাংশে পৌঁছেছে। ২০২৫ সালে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহ বেড়ে জিডিপির ১৯.৮ শতাংশে পৌঁছেছে। তবে এই প্রবৃদ্ধি সব মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। মাথাপিছু আয় কমেছে, মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং আফগানিস্তান এখনও ব্যাপকভাবে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ সংকট, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সীমিত প্রবেশাধিকার, অনানুষ্ঠানিক নগদভিত্তিক অর্থনীতি এবং বৈদেশিক সাহায্য কমে যাওয়াকে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্বব্যাংক।

 

আফিম বাণিজ্য ও পপি চাষে নিষেধাজ্ঞা

জাতিসংঘের ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম অফিসের (ইউএনওডিসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সাল পর্যন্ত বিশ্বের প্রায় ৮০ শতাংশ আফিম সরবরাহ করত আফগানিস্তান। ২০২২ সালের এপ্রিলে তালেবানের পপি চাষের ওপর নিষেধাজ্ঞা এই খাতকে মারাত্মকভাবে বদলে দেয়। ইউএনওডিসির ২০২৩ সালের জরিপে পপি চাষ ৯৫ শতাংশ কমে যাওয়ার কথা বলা হয়, যার ফলে আফিম সংগ্রহের আনুমানিক মূল্য ২০২২ সালের ১.৩৬ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২০২৩ সালে ১১০ মিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।

তবে এই হ্রাসের ফলে পপি চাষের ওপর নির্ভরশীল কৃষকদের বিশাল মূল্য দিতে হয়েছে। কিছু এলাকায় শস্য চাষ সম্প্রসারিত হলেও বিকল্প উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে ফুলকপি, ভুট্টা, হাঁস-মুরগি পালন এবং ফলের বাগানের মতো খাতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়। তবুও চারটি প্রধান প্রদেশে কৃষকরা আনুমানিক ১ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য আয় হারিয়েছেন। ইউএনওডিসি সতর্ক করেছে যে, পপি চাষের নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখতে হলে গ্রামীণ সম্প্রদায়গুলোকে নির্ভরযোগ্য ও টেকসই বিকল্প দিতে হবে।

 

আফগানিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান

রাশিয়া একমাত্র দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে তালেবান প্রশাসনকে স্বীকৃতি দিয়েছে, যদিও তালেবান উপ-মন্ত্রী মৌলভি হায়াতুল্লাহ মহাজর ফারাহি বলেছেন যে তার সরকার প্রায় ৪০টি দেশের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে এবং মনে করে তারা স্বীকৃতির শর্ত পূরণ করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি না দিলেও ভারতও কাবুলের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ গভীর করেছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে তালেবান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি নয়াদিল্লি সফর করেন, যা কোনও জ্যেষ্ঠ তালেবান প্রশাসনিক কর্মকর্তার প্রথম ভারত সফর ছিল।

এই সফরের পর ভারত কাবুলে তাদের কারিগরি মিশনকে পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসে উন্নীত করে এবং তালেবান নিযুক্ত কূটনীতিকদের ভারতে কাজ করার অনুমতি দেয়। তালেবান নিযুক্ত কূটনীতিকরা এখন মুম্বাই ও হায়দরাবাদে আফগান কনস্যুলেটের দায়িত্বে রয়েছেন। এ ছাড়া শিল্প, স্বাস্থ্য ও কৃষিমন্ত্রীসহ আরও তিন তালেবান মন্ত্রী ভারত সফর করেছেন।

চলতি বছরের বাজেটে আফগানিস্তানের জন্য ১৫০ কোটি রুপি বরাদ্দ করেছে নয়াদিল্লি। এ ছাড়া নয়াদিল্লিতে আফগান দূতাবাস আগামী ১৭ আগস্ট ভারতে তাদের প্রথম ‘বিজয় দিবস’ সংবর্ধনার আয়োজন করতে যাচ্ছে, যেখানে ভারত সরকারের প্রতিনিধিদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এর পাশাপাশি চীন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি না দিয়েও তালেবান নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের গ্রহণ করেছে।

 

পাঁচ বছর পর

কাবুলের পতনের পাঁচ বছর পর আফগানিস্তান এক জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তালেবান দেশের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ সংহত করেছে এবং মার্কিন নেতৃত্বাধীন যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটিয়েছে, পাশাপাশি অর্থনীতিতে কিছুটা প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে এবং পপি চাষ নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে।

একই সঙ্গে নারী ও মেয়েদের শিক্ষা এবং জনজীবন থেকে দূরে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়েছে, বিচার ব্যবস্থায় শারীরিক শাস্তি নিয়মিত বিষয় হয়ে উঠেছে এবং লাখ লাখ মানুষ খাদ্য অনিরাপত্তা ও বাস্তুচ্যুতির মুখোমুখি হচ্ছেন। জাতিসংঘ বারবার বলেছে যে, টেকসই স্থিতিশীলতা নির্ভর করবে তালেবান নারীদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত উদ্বেগ মোকাবিলার ওপর। আফগান সরকারের পতনের পাঁচ বছর পর সেই দাবিগুলো এখনও অনেকাংশেই অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

সূত্র: উইয়ন নিউজ

/এএ/
সম্পর্কিত
পোল্যান্ডের ছোট গ্রামে ইউরোপে ভার্জিন মেরির সবচেয়ে উঁচু মূর্তি
ল্যাপটপ ছেড়ে ‘হাতুড়ি-শাবল’ ধরছে জেন-জি
বদলে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রামের প্রথাগত চিত্র
সর্বশেষ খবর
৪২ স্বর্ণপদক জেতা আর্চারিতে শিগগিরই নির্বাচন
৪২ স্বর্ণপদক জেতা আর্চারিতে শিগগিরই নির্বাচন
ইইউর পোশাক বাজারে ধস, ছয় মাসে বাংলাদেশের রফতানি কমলো ১৬.৪৩ শতাংশ
ইইউর পোশাক বাজারে ধস, ছয় মাসে বাংলাদেশের রফতানি কমলো ১৬.৪৩ শতাংশ
সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
সুকান্ত ভট্টাচার্য: জন্মশতবর্ষসুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
বঙ্গবন্ধুর অবদান স্বীকারের পাশাপাশি তার শাসনামলের মূল্যায়ন জরুরি: সিপিবি
বঙ্গবন্ধুর অবদান স্বীকারের পাশাপাশি তার শাসনামলের মূল্যায়ন জরুরি: সিপিবি
সর্বাধিক পঠিত
বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন সদস্য কে এই ফরহাদ হালিম ডোনার
বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন সদস্য কে এই ফরহাদ হালিম ডোনার
আবার খোলা হলো শাহজালাল মাজারের দানবাক্স
আবার খোলা হলো শাহজালাল মাজারের দানবাক্স
গুলিভর্তি ব্যাগ নিয়ে চেকিং পয়েন্ট পার হয়েছেন আশিয়ানের এমডি, শাস্তি পাচ্ছেন ২ অপারেটর
গুলিভর্তি ব্যাগ নিয়ে চেকিং পয়েন্ট পার হয়েছেন আশিয়ানের এমডি, শাস্তি পাচ্ছেন ২ অপারেটর
ঋণের চাপে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন দেওয়াও কঠিন হতে পারে: বিদ্যুৎমন্ত্রী
ঋণের চাপে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন দেওয়াও কঠিন হতে পারে: বিদ্যুৎমন্ত্রী
আবার বন্ধ এক্সিলারেটের এলএনজি টার্মিনাল
আবার বন্ধ এক্সিলারেটের এলএনজি টার্মিনাল