পোল্যান্ডের কোতোপি নামের এক ছোট্ট গ্রামে উদ্বোধন করা হয়েছে ইউরোপের সবচেয়ে উঁচু ভার্জিন মেরির মূর্তি। মাত্র ১৫০ জনের কম মানুষের বাস যে গ্রামে, সেখানে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে ৫৫.৬ মিটার (১৮২ ফুট) উঁচু এই সুবিশাল ভাস্কর্যটি, যার মধ্যে রয়েছে ১৫ মিটার উঁচু মুকুট আকৃতির একটি বেদি। মূর্তিটির অর্থায়ন করেছেন পোল্যান্ডের অন্যতম শীর্ষ ধনী ব্যবসায়ী দম্পতি রোমান ও গ্রাজিনা কারকোসিক।
ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর বিখ্যাত ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার (৩৮ মিটার) এবং ২০১০ সালে পোল্যান্ডের শ্বেবোদজিনে নির্মিত ক্রাইস্ট দ্য কিং (৫২ মিটার) মূর্তির চেয়েও এটি উঁচু। যদিও ফিলিপাইনে ৯৮ মিটার উঁচু ভার্জিন মেরির একটি মূর্তি রয়েছে, তবে ইউরোপের মধ্যে এটিকেই এই ধরনের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য বলে মনে করা হচ্ছে।
১৯৮৯ সালে সাম্যবাদের পতনের পর থেকেই ক্যাথলিক প্রধান দেশ পোল্যান্ডে গির্জার প্রভাব বেশ প্রবল। যদিও সম্প্রতি তরুণ ও শহুরে জনগোষ্ঠীর মধ্যে ধর্মের প্রভাব কিছুটা কমেছে, তবুও গ্রামীণ সমাজে এর প্রভাব এখনও অটুট। ৯০-এর দশকে প্লাস্টিক বোতল ও শেয়ারবাজারের ব্যবসায় সাফল্য পেয়ে ধনী হওয়া রোমান কারকোসিক এক মারাত্মক অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠার পর ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এই মূর্তি তৈরির উদ্যোগ নেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আশা, মূর্তিটির বেদির ভেতরে পর্যবেক্ষণ প্ল্যাটফর্ম থাকায় এটি শিগগিরই একটি প্রধান তীর্থস্থান ও জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হবে।
সূত্র: এপি

ল্যাপটপ ছেড়ে ‘হাতুড়ি-শাবল’ ধরছে জেন-জি
বদলে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রামের প্রথাগত চিত্র







