ব্যাংকে অলস টাকার নতুন রেকর্ড, তবুও ঋণ নিচ্ছেন না উদ্যোক্তারা

গোলাম মওলা
১৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৩আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৯

ব্যাংকে আমানত বাড়ছে, কিন্তু সেই অর্থ ঋণ হিসেবে বিনিয়োগ হচ্ছে না। নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন কিংবা ব্যবসা সম্প্রসারণে উদ্যোক্তাদের আগ্রহ কমে যাওয়ায় ব্যাংক খাতে জমছে অতিরিক্ত তারল্য। গত জুন শেষে এই অলস বা উদ্বৃত্ত তারল্যের পরিমাণ প্রথমবারের মতো ৪ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। একই সময়ে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুন শেষে ব্যাংক খাতে উদ্বৃত্ত তারল্য দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৮ হাজার কোটি টাকা। মে শেষে যা ছিল প্রায় ৩ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ এক মাসেই উদ্বৃত্ত তারল্য বেড়েছে ৭০ হাজার কোটি টাকার বেশি।

অন্যদিকে জুনে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ব্যাংক আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ। বিপরীতে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে। অর্থাৎ ব্যাংকে যে হারে টাকা জমা হচ্ছে, সেই তুলনায় ঋণ হিসেবে অর্থ বের হচ্ছে অনেক কম।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা বলছেন, এই পরিস্থিতি শুধু ব্যাংক খাতে অতিরিক্ত টাকা জমে থাকার বিষয় নয়; বরং এটি দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতির দুর্বলতারও বড় একটি সংকেত। উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে চাইছেন না, আবার ব্যাংকগুলোও অতীতের ঋণ অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের অভিজ্ঞতায় নতুন ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক। ফলে ঋণের চাহিদা ও সরবরাহ— দুই দিক থেকেই বেসরকারি খাত চাপে রয়েছে।

কেন ঋণ নিতে চাইছেন না উদ্যোক্তারা?

ব্যাংকারদের মতে, নতুন বিনিয়োগে উদ্যোক্তাদের অনাগ্রহের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা গ্যাস ও বিদ্যুতের অনিশ্চিত সরবরাহ। একটি শিল্পকারখানা স্থাপন করে নিয়মিত উৎপাদন করা না গেলে ব্যাংক ঋণের সুদ পরিশোধ করাই উদ্যোক্তার জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।

এর সঙ্গে রয়েছে উচ্চ সুদহার, ব্যবসা পরিচালনার বাড়তি খরচ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং কর ও নীতির অনিশ্চয়তা। এসব কারণে নতুন বিনিয়োগের ঝুঁকি নিতে চাইছেন না অনেক উদ্যোক্তা।

ব্যাংকাররা জানান, বর্তমানে যে ঋণ বিতরণ হচ্ছে, তার বড় অংশই যাচ্ছে চলতি মূলধন, কাঁচামাল আমদানি ও ব্যবসার দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে। নতুন শিল্প স্থাপন বা বড় ধরনের ব্যবসা সম্প্রসারণে ঋণের চাহিদা তুলনামূলকভাবে কম।

ব্যাংকেও বাড়ছে সতর্কতা

উদ্যোক্তাদের ঋণ নেওয়ার আগ্রহ কমার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণেও এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। অতীতে পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিপুল পরিমাণ ঋণ বিতরণ করা হয়েছিল। এর একটি বড় অংশ প্রকৃত বিনিয়োগে ব্যবহার হয়নি। পরে এসব ঋণের অনেকটাই খেলাপিতে পরিণত হয়েছে।

বর্তমানে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের চাপ অনেক বেশি। ফলে নতুন ঋণ দেওয়ার আগে উদ্যোক্তার ব্যবসা, জামানত, নগদ প্রবাহ ও ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা যাচাইয়ে ব্যাংকগুলো বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে।

বিশেষ করে দুর্বল ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণ সক্ষমতা কমে যাওয়ায় বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ আরও সংকুচিত হয়েছে। ফলে ভালো ব্যাংকগুলোর কাছে অর্থ থাকলেও তারা ঝুঁকিপূর্ণ খাতে ঋণ দেওয়ার পরিবর্তে তুলনামূলক নিরাপদ সরকারি বিল ও বন্ডে অর্থ বিনিয়োগ করছে।

টাকা আছে, কিন্তু বিনিয়োগের জায়গা নেই

ব্যাংকে উদ্বৃত্ত তারল্য মানেই সব টাকা নগদ অবস্থায় পড়ে আছে– বিষয়টি এমন নয়। এই অর্থের বড় অংশ সরকারি ট্রেজারি বিল, বন্ড, কলমানি মার্কেটসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করা থাকে। প্রয়োজন হলে এসব বিনিয়োগ নগদায়ন করা যায়। তবে ব্যাংকের দৃষ্টিতে মূল সমস্যা হলো, উৎপাদনশীল খাতে ঋণের চাহিদা তৈরি হচ্ছে না। ফলে আমানতকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা অর্থ দিয়ে কাঙ্ক্ষিত হারে ঋণ বিতরণ করা যাচ্ছে না।

ব্যাংক এশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরফান আলী বলেন, ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নতি না হওয়ায় উদ্যোক্তারা এখন ঋণ নিতে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। একইসঙ্গে উদ্বৃত্ত তারল্যের বড় অংশ কয়েকটি ব্যাংকের কাছে রয়েছে। এসব ব্যাংক ঝুঁকি না নিয়ে সরকারি বিল ও বন্ডে অর্থ খাটানোকে বেশি নিরাপদ মনে করছে।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান না হলে বিনিয়োগের চাহিদা বাড়বে না। ঋণের সুদহার কমলেও বিনিয়োগের পরিবেশ ঠিক না হলে পরিস্থিতির বড় পরিবর্তন হবে না।

আমানত বাড়ছে, ঋণ বাড়ছে না

ব্যাংক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি সবচেয়ে পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় আমানত ও ঋণের প্রবৃদ্ধির তুলনা করলে।

জুনে ব্যাংক আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ। একই সময়ে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি মাত্র ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ। অর্থাৎ আমানতকারীরা ব্যাংকে টাকা রাখছেন, কিন্তু উদ্যোক্তারা সেই অর্থ ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করছেন না।

এই ব্যবধান যত বাড়ছে, ব্যাংকে উদ্বৃত্ত তারল্যও তত বাড়ছে।

দুই বছর আগেও ব্যাংক খাতে উদ্বৃত্ত তারল্যের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা। গত বছরের জুনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৩ হাজার ৬৪০ কোটি টাকায়। চলতি বছরের জুনে এসে তা ৪ লাখ ৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। অর্থাৎ মাত্র দুই বছরে ব্যাংক খাতে উদ্বৃত্ত তারল্য দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।

সুদ কমলেই কি বিনিয়োগ বাড়বে?

বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি নীতি সুদহার ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট কমিয়েছে। রেপো হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৯ শতাংশ করা হয়েছে।

এছাড়া অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে উদ্বৃত্ত তারল্য থাকা ব্যাংকগুলো প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা সরবরাহ করবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই উদ্যোগে ঋণের সুদ কমে উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঋণ নেওয়ার আগ্রহ বাড়তে পারে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু সুদহার কমিয়ে বিনিয়োগের স্থবিরতা কাটানো সম্ভব নয়।

একজন উদ্যোক্তার কাছে ঋণের সুদহার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ হলো সেই ঋণ নিয়ে উৎপাদন চালানোর পরিবেশ। গ্যাস-বিদ্যুৎ না থাকলে, পণ্য পরিবহনে সমস্যা হলে, ব্যবসার খরচ বাড়লে কিংবা নীতিতে ঘন ঘন পরিবর্তন হলে কম সুদের ঋণও বিনিয়োগে উৎসাহ তৈরি করবে না।

গ্যাস-বিদ্যুৎই বড় বাধা

অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ মনে করেন, ব্যাংক খাতের বর্তমান অতিরিক্ত তারল্য স্থায়ী নয়। বাজেট পাস হওয়া এবং রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়ার কারণে ব্যাংকগুলোতে আমানত বেড়েছে। তবে এসব অর্থ আমানতকারীদের, তাই ব্যাংকগুলোকে তা উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ করতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মাইক্রো, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বড় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আপাতত কিছুটা সতর্ক থাকা উচিত।

বিনিয়োগের পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি সরবরাহব্যবস্থা উন্নত করা এবং ব্যবসা পরিচালনার খরচ কমানো দরকার। এসব ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

শিল্পায়ন না হলে অলস টাকা আরও বাড়তে পারে

ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ উদ্বৃত্ত তারল্য থাকা আপাতদৃষ্টিতে ব্যাংকগুলোর তারল্য সক্ষমতার ভালো দিক মনে হতে পারে। কিন্তু অর্থনীতির জন্য এটি সবসময় সুখবর নয়।

কারণ ব্যাংকের টাকা যদি শিল্প, ব্যবসা ও উৎপাদনে না যায়, তাহলে কর্মসংস্থান তৈরি হবে না। উৎপাদন বাড়বে না। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে না। অর্থনীতিতে চাহিদা সৃষ্টি হবে না। এর ফলে ব্যাংকেও নতুন ঋণের চাহিদা তৈরি হবে না।

বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেখানে একদিকে ব্যাংকে আমানত বাড়ছে, অন্যদিকে বিনিয়োগ কমছে। ফলে ব্যাংকের অর্থ সরকারি ঋণ বা নিরাপদ বিনিয়োগে আটকে থাকছে। এতে বেসরকারি খাতের সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সমাধান কোথায়?

ব্যাংকে জমে থাকা ৪ লাখ কোটি টাকার বেশি উদ্বৃত্ত অর্থ অর্থনীতির উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করতে হলে প্রথমে বিনিয়োগের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ, স্থিতিশীল করনীতি, উন্নত অবকাঠামো, নিরাপদ ব্যবসায়িক পরিবেশ এবং ব্যবসার খরচ কমানো– এসব বিষয়ে দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন।

একইসঙ্গে ব্যাংক খাতেও আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। ঋণ বিতরণে রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপ বন্ধ করে প্রকৃত উদ্যোক্তাদের ঋণ পাওয়ার সুযোগ বাড়াতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে।

সবচেয়ে বড় কথা, ব্যাংকে টাকা থাকলেই অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ায় না। সেই টাকা যখন কারখানার মেশিন কেনা, নতুন ব্যবসা শুরু, উৎপাদন বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, তখনই তা অর্থনীতির জন্য কার্যকর হয়।

তাই ব্যাংকে অলস টাকার নতুন রেকর্ড আসলে শুধু ব্যাংক খাতের সমস্যা নয়; এটি দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতিরও একটি বড় সতর্কবার্তা। উদ্যোক্তাদের আস্থা ফিরিয়ে এনে বিনিয়োগ বাড়ানো না গেলে ব্যাংকে জমে থাকা এই বিপুল অর্থ অর্থনীতির গতি বাড়ানোর বদলে আরও দীর্ঘ সময় অলস পড়ে থাকার ঝুঁকি রয়েছে।

/আরকে/
সম্পর্কিত
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
টাইগারদের গর্জন, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়
১৩৫০ টাকার সার ১৭০০ টাকায় কিনছেন কৃষকরা, সিন্ডিকেটের নেপথ্যে কারা
সর্বশেষ খবর
ম্যানচেস্টার সিটিকে উড়িয়ে মৌসুমে প্রথম ট্রফি আর্সেনালের
ম্যানচেস্টার সিটিকে উড়িয়ে মৌসুমে প্রথম ট্রফি আর্সেনালের
মিসরে হামাস নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের দূত কুশনারের বিরল বৈঠক
মিসরে হামাস নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের দূত কুশনারের বিরল বৈঠক
দেশের চ্যানেলে বাংলাদেশের খেলা না দেখানো নিয়ে যা বললেন তামিম
দেশের চ্যানেলে বাংলাদেশের খেলা না দেখানো নিয়ে যা বললেন তামিম
এলসি খোলার অনুমতি পেলো এসএস পাওয়ার
এলসি খোলার অনুমতি পেলো এসএস পাওয়ার
সর্বাধিক পঠিত
বগুড়ার না, তানজিদ বাংলাদেশের ছেলে: তামিমের মন্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী 
বগুড়ার না, তানজিদ বাংলাদেশের ছেলে: তামিমের মন্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী 
কাঁচা মরিচের কেজি ৬০ টাকা
কাঁচা মরিচের কেজি ৬০ টাকা
কারাগার থেকে কীভাবে গাড়ি পোড়ান সাবেক মেজর সাদিক, ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ  
কারাগার থেকে কীভাবে গাড়ি পোড়ান সাবেক মেজর সাদিক, ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ  
৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের আগ পর্যন্ত তফসিল স্থগিতের রিট নিয়ে যা বললেন ইসি সচিব
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের আগ পর্যন্ত তফসিল স্থগিতের রিট নিয়ে যা বললেন ইসি সচিব
ম্যারাডোনার সতীর্থ ক্যানিজিয়া আসছেন বাংলাদেশে
ম্যারাডোনার সতীর্থ ক্যানিজিয়া আসছেন বাংলাদেশে