১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ঢাকার বসুন্ধরার আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেফতার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের আরও ২২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান রিমান্ডের আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামাল হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন— মো. তারেক, তারেক, শাহিন, ফয়সাল, মামুন মিয়া, মুন্না, তামজিদ মিয়া নয়ন, ইয়াছিন, জামিল, রাকিবুল হাসান রাতুল, ফয়সাল, সিয়াম, শরিফ, সাদিকুর রহমান পায়েল, শাহিন আলম, আব্দুল আলী বাবু, অনিক, তারিকুল ইসলাম, আ. রহমান, ইয়ামিন মিয়া, আতিক, আশিক।
গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা একটি বাসা থেকে এই ২২ জনসহ ৫৪ জনকে গ্রেফতারের কথা জানায় পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন বয়সে কিশোর।
পুলিশের দাবি, গ্রেফতার ব্যক্তিরা ১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন।
গ্রেফতারের পরের দিন সবাইকে আদালতে তুলে ৫২ জনকে কারাগারে ও দুজনকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আবেদন করা হয়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।
গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে গত ১৯ আগস্ট যুবলীগ নেতা মোতালিব, মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান, শাহিন হোসেন ইমনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়।
আর ২৩ আগস্ট লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাকিব ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজিব, সানি ও রাজন মিয়াকে দেয়া হয় এক দিনের রিমান্ড।
১৫ আগস্ট এই ২২ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই হাফিজুর রহমান। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখেন মঙ্গলবার।
এদিন শুনানিকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। আসামিপক্ষের তাদের আইনজীবী ইসলাম মিয়া রাকিব রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।









