মার্কিন বিমানবাহী রণতরিতে হামলা উদযাপন ইরানি মিডিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:২৮আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:১৯

মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ও ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঘিরে ইরানের কট্টর রক্ষণশীল গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ব্যাপক উল্লাস দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র সেন্ট্রাল কমান্ড হামলার খবর নিশ্চিত করার পর তেহরানের কট্টরপন্থিরা একে বড় বিজয় হিসেবে দেখছেন।

দৈনিক হামশাহরি এই হামলাকে একটি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবে উল্লেখ করে লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত থাকলে মার্কিন রণতরিগুলোতে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানবে। পত্রিকাটি আরও সতর্ক করে যে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে মার্কিন নৌবহর এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

অন্যদিকে দৈনিক কুদস লিখেছে, এই উত্তেজনার অর্থ হলো কেবল বাণিজ্যিক বা তেলের ট্যাংকারই নয়, বরং মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোও এখন থেকে ইরানি বাহিনীর সরাসরি লক্ষ্যবস্তু।

গত ১ সেপ্টেম্বর বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দুর্দশার কথা তুলে ধরেছে দৈনিক এতেমাদ। হামলায় স্ত্রীকে হারানো আলি তাহেরি অভিযোগ করেন, স্থানীয় ক্লিনিকে জরুরি অক্সিজেনের অভাবে তার ৪৩ বছর বয়সী স্ত্রী মারা গেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা বেহরোজ মাল্লাহি জানান, জরুরি উদ্ধারকারী দলের অভাবে স্থানীয়রাই আহতদের হাসপাতালে নেন। এছাড়া হামলায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়া শিশুদের চিকিৎসায় উপযুক্ত মনস্তাত্ত্বিক সহায়তার অভাব রয়েছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের বিষয়ে জনগণের মতামত নিতে গণভোটের আহ্বান জানালে কট্টরপন্থিদের তোপের মুখে পড়েন। তিনি বলেন, জনগণ যদি আরও ২০ বছর পরাশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে রাজি থাকে তবে ভালো, কিন্তু তারা অন্য পথ চাইলে তা মেনে নেওয়া উচিত।

রুহানির এই মন্তব্যের পর কাইহান পত্রিকার সম্পাদক হোসেন শরিয়তমাদারি তার বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে রক্ষণশীল আইনপ্রণেতা মাহমুদ নাবাবিয়ান এক্সে লিখেছেন, যেসব কাপুরুষ সুযোগসন্ধানী দেশে যুদ্ধ ও শান্তির মিথ্যা বিভাজন তৈরি করতে চায়, তারা মূলত শক্তিশালী ইরানকে তাদের মার্কিন প্রভুদের কাছে আত্মসমর্পণ করাতে চায়।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

/এএ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
ব্রিকস সম্মেলনে পুতিন, শি ও পেজেশকিয়ানের জন্য নিশ্চিদ্র ব্যবস্থা, থাকবে ৩০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী
‘এইটিজ ভাইব’ যখন রাজনৈতিক লড়াইয়ের হাতিয়ার
যে যে উপায়ে মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে এআই
সর্বশেষ খবর
ব্রিকস সম্মেলনে পুতিন, শি ও পেজেশকিয়ানের জন্য নিশ্চিদ্র ব্যবস্থা, থাকবে ৩০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী
ব্রিকস সম্মেলনে পুতিন, শি ও পেজেশকিয়ানের জন্য নিশ্চিদ্র ব্যবস্থা, থাকবে ৩০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৯২
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৯২
২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে ক্যাসাব্লাঙ্কায়!
২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে ক্যাসাব্লাঙ্কায়!
অবহেলায় মশার প্রজনন হলে জেল-জরিমানাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক
অবহেলায় মশার প্রজনন হলে জেল-জরিমানাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক
সর্বাধিক পঠিত
ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক প্রধানের পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
রয়টার্স এক্সক্লুসিভডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক প্রধানের পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
কোথায় গেলো হাওরের মাছগুলো?
কোথায় গেলো হাওরের মাছগুলো?
এখন সুযোগ পেলে কাকে নায়িকা হিসেবে চান আলমগীর, জানালেন নিজেই
এখন সুযোগ পেলে কাকে নায়িকা হিসেবে চান আলমগীর, জানালেন নিজেই
সন্তানকে ঘিরে যখন পরিবারে আনন্দ, ঠিক তখনই এলো বাবার মৃত্যুর খবর
সন্তানকে ঘিরে যখন পরিবারে আনন্দ, ঠিক তখনই এলো বাবার মৃত্যুর খবর
মান্না-পূর্ণিমা জুটির প্রথম ও শেষ সিনেমা কোনটি
মান্না-পূর্ণিমা জুটির প্রথম ও শেষ সিনেমা কোনটি