সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের যৌথ মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি মূল্যায়ন করে দেখছে সিরিয়া। বাহরাইনে অনুষ্ঠিত মানামা সংলাপে শনিবার এক বক্তব্যে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি এই তথ্য জানান।
শাইবানি বলেন, মক্কা জোটে সিরিয়ার যোগদানের বিষয়টি মূল্যায়ন করতে বর্তমানে আলোচনা চলছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, অঞ্চলে যৌথ প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দামেস্ক আঞ্চলিক নিরাপত্তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, তিনি ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকারের সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানান এবং সব পক্ষকে রাষ্ট্রের ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সমর্থনের আহ্বান জানান।
গত আগস্টে সৌদি আরবের মক্কায় তিন দেশের স্বাক্ষরিত এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ন্যাটোর সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে, যেখানে এক দেশের ওপর হামলাকে সবার ওপর হামলা বলে গণ্য করা হয়। তবে চুক্তির অনুমোদন প্রক্রিয়া চলমান থাকা তুরস্ক জানিয়েছে, রিয়াদকে সহায়তার অংশ হিসেবে ইয়েমেনে তুর্কি সেনা পাঠানো হবে না। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদের পতনের পর ক্ষমতায় আসা প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন সিরীয় সরকারের অন্যতম প্রধান সমর্থক হলো সৌদি আরব।
পৃথকভাবে শাইবানি জানান, দুই বছরেরও কম সময়ে সিরিয়ায় ১হাজারের বেশি হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, যাতে বহু মানুষ নিহত হয়েছে। প্রতিদিন সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমতাবস্থায় কীভাবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র কেবল রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবি যৌক্তিক হতে পারে?
সূত্র: আল জাজিরা
ভ্যান্সের চিঠি গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করেছে ইরান: আরাঘচি
৫৬ বছর বয়সে বিয়ে করলেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী, কে এই পাত্রী?