যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোয় সর্বনিম্ন স্তরে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক ব্যবস্থায় বাংলাদেশকে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কের স্তরে রাখা হয়েছে। একই ব্যবস্থায় বাংলাদেশের প্রধান কয়েকটি প্রতিযোগী দেশের জন্য সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা জাহেদ উর রহমান একথা বলেন।

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ২৩ জুলাই ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১ অনুযায়ী ৮৬টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৬০টি অর্থনীতির ওপর নতুন শুল্ক ঘোষণা করে। জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দফতরের তদন্তের পর সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।

ওয়াশিংটন সময় ২৪ জুলাই রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে নতুন হার কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করা সব পণ্যের ওপর বিদ্যমান মোস্ট-ফেভার্ড-নেশন শুল্কের অতিরিক্ত হিসেবে ১০ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য হবে। ৮৬ দেশের মধ্যে ১৭টি দেশ এই সর্বনিম্ন স্তরে আছে।

উপদেষ্টা জানান, চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্কের আওতায় থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তুলনামূলক সুবিধা শক্তিশালী হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছরের ট্যারিফ-রেট কোটা বিবেচনা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও বস্ত্র উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি পণ্যে সেকশন ৩০১ শুল্ক মওকুফের সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশের রফতানি আরও প্রতিযোগিতামূলক হতে পারে।