নৌযান মালিক ও পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে বরিশালের অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচলও স্বাভাবিক হচ্ছে।
এছাড়াও ধর্মঘটের শুরু থেকেই বরিশাল-ঢাকা রুটের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার সকালে ঢাকা থেকে এমভি সুরভী-৭, টিপু-৭, পারাবত-১২, কীর্তনখোলা-১ সহ ৪টি লঞ্চ বরিশাল নদী বন্দরে পৌঁছে রাতে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে বলে বন্দর কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে।
তবে মালবাহী কার্গো এবং তেলবাহী অয়েল-ট্যাংকার শ্রমিকদের ধর্মঘটে এখনও কোনও ছেদ না-পড়ায় এগুলোর চলাচল পুরোপুরিই বন্ধ রয়েছে। ধর্মঘটের কারণে মালবাহী কার্গোগুলোও কীর্তনখোলা নদীর দক্ষিণপ্রান্তে নোঙর করে অবস্থান করছে। ফলে এ অঞ্চলে জ্বালানি তেল ও বিভিন্ন মালামালের সংকটের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা।
বরিশাল অভ্যন্তরীণ রুটের লঞ্চ মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ মো. আব্দুর রহিম জানান, সকাল থেকে ভোলা ও পাতারহাটসহ একাধিক রুটে চারটি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। সবগুলো রুটেই লঞ্চ স্বাভাবিক হচ্ছে। শ্রমিকদের ধর্মঘটের সঙ্গে যারা নেই, তাদের মাধ্যমে লঞ্চ চালানো হচ্ছে।
অপরদিকে নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি একিন আলী মাস্টার বলেন, প্রশাসনের চাপে ও মালিকরা নিজেদের সম্মান রক্ষার্থে কতিপয় লোক দিয়ে লঞ্চ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে তাদের কোনও শ্রমিক জড়িত নেই। তাদের ১৫ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট নয় কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।
এক প্রশ্নের জবাবে একিন আলী মাস্টার বলেন, আমরা ’ধর্মঘট’ আহ্বান করিনি। আমরা দাবি আদায়ের জন্য ‘কর্মবিরতি’র ডাক দেই। এতে দুই লাখ শ্রমিক স্বতস্ফূর্তভাবে অংশ নিচ্ছে।
আরও পড়ুন:
গুলশান হামলার মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরীসহ তিন জঙ্গি নিহত (ভিডিও)
নারায়ণগঞ্জে একটি বাড়িতে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে পুলিশের অভিযান
/এফএস/