নাসির উদ্দিন জর্জ অভিযোগ করেন, ‘ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করা নিয়ে মামলা করার পর, মামলাটি সাজানো ও মিথ্যা বলে প্রমাণ করানোর জন্য আমার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে আসামি। তাছাড়া মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা করা হচ্ছে এবং আমাকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
নাসির উদ্দিন দাবি করেন, ‘ কটূক্তি মামলার আসামি আব্দুল মালেক প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আসামি তার ফেসবুক আইডি এখনও পরিচালনা করছেন। তার এই মামলাটির ন্যায় বিচারের পক্ষে কাজ করায় একজন পুলিশ কর্মকর্তাও (সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার) নাজেহাল হচ্ছেন। এ অবস্থায় তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করতেও সাহস পাচ্ছেন না।’ তিনি বলেন, ‘আব্দুল মালেককে চার সপ্তাহের আগাম জামিনের মেয়াদ পার হয়ে আরও ছয় সপ্তাহ পার হয়েছে। তার অপরাধ প্রমাণিত । অথচ তাকে গ্রেফতার করা হয়নি। তার আইডি ও ব্যবহৃত ডিভাইসও জব্দ করা হয়নি।’ এসব বিষয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।
নাসির উদ্দিন আরও বলেন, ‘যেখানে প্রধাননমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তিকারীকে মামলা দায়েরের পরও পুলিশ গ্রেফতার করছে না, সেখানে তাকে (মামলার বাদী) হুমকির ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করারও সাহস পাচ্ছেন না।’
এদিকে, মামলার প্রতিবেদন বিষয়ে গাজীপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) শাহিদুল ইসলামও সাংবাদিকদের কাছে বিব্রতবোধ করেছেন। তিনি জেলার শ্রীপুর ও কালিয়াকৈর সার্কেলের দায়িত্বে রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট থানার মামলার প্রতিবেদনগুলোতে তিনি স্বাক্ষর করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গাজীপুর ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের ছুটি ও অন্যান্য কারণে মামলাটি তদন্ত করতে বিলম্ব হয়েছে। এখন তিনি পুরোদমে তদন্ত কাজ শুরু করবেন।
প্রসঙ্গত, গত ২০ মে দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ নামের একটি ফেসবুক পোস্টে আসামি আব্দুল মালেক প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করেন। পরে ২৪ মে বৃহস্পতিবার রাতে শ্রীপুর থানায় তা নিয়ে আইসিটি আইনে মামলা দায়ের করেন গাজীপুর জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছা সেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন জর্জ।