চট্টগ্রাম থেকে বুধবার দুপুরে রিপোর্ট আসার পর বিকালেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) উত্তম কুমার দাশ।
এনডিসি আরও জানান, ‘জেলা শহরের রিজার্ভ বাজারের প্রবেশপথেই অবস্থিত ১ নম্বর পাথরঘাটা এলাকায় ৯ মাস বয়সী এক শিশুর ও দেবাশীষ নগর এলাকায় ১৯ বছর বয়সী এক যুবক করোনা রোগী হিসেবে শনাক্ত হওয়ায় এলাকা দুটি পুরো লকডাউন করে দেওয়া হয়।
এছাড়া রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের একজন নার্স (৩৮) করোনা আক্রান্ত হওয়ায় হাসপাতাল এলাকার কিছু অংশ এবং হাসপাতালের কাছেই অবস্থিত মোল্লাপাড়ায় একজন ৫০ বছর বয়সী ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ওই পাড়ার কিছু অংশ লকডাউন করা হয়েছে বলে জানান এনডিসি উত্তম।
তিনি বলেন, ‘যে এলাকাগুলো লকডাউন করা হয়েছে, সে এলাকার সবাইকে অবশ্যই লকডাউন মেনে চলতে হবে।’
উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে করোনা রোগী প্রথম শনাক্ত হয়। এরপর ধীরে ধীরে দেশের বাকি ৬৩ জেলায় করোনাভাইরাস রোগী শনাক্ত হয়েছে। সর্বশেষ করোনামুক্ত ছিল পার্বত্য জেলা রাঙামাটি। তবে আজ বুধবার (৬ মে) চট্টগ্রামে নমুনা পরীক্ষায় এই জেলায় চার জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা।
আরও পড়ুন- অবশেষে রাঙামাটিতেও করোনার থাবা