তিনি জানিয়েছেন, ‘এটি দ্বিতীয় পরীক্ষার রিপোর্ট। এখন আমরা তৃতীয় পরীক্ষার রিপোর্ট এর জন্য অপেক্ষা করব। তৃতীয় পরীক্ষার প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত চার জনই বর্তমান অবস্থায় থাকবেন।’ উল্লেখ্য, রাঙামাটিকে বলা হচ্ছে করোনা শনাক্ত হওয়া ৬৪তম জেলা।
ডা. মোস্তফা কামাল আরও জানান, ‘প্রথম দফায় গত ২৯ এপ্রিল তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ৬ মে তাদের নমুনায় পজিটিভ পাওয়া যায়। আবার পরবর্তীতে ৭ মে দ্বিতীয় দফার নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো পর ১০ ও ১১ মে চার জনের নমুনার ফলাফল নেগেটিভ আসে। এটাকে অনেকে ভুল রিপোর্ট মনে করছে। মূলত প্রথম ও দ্বিতীয় নমুনার মাঝে আট দিনের ব্যবধান ছিল। এর মধ্যে রোগীরা সুস্থ হয়ে যেতে পারেন। এজন্য রিপোর্ট নেগেটিভ আসতে পারে।’
রাঙামাটি জেলা থেকে এ পর্যন্ত ৪৬২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রিপোর্ট এসেছে ৩০১ টি। এইসব রিপোর্টের চারটি গত ৬ মে পজিটিভ আসে। এর পরদিন দ্বিতীয় নমুনা সংগ্রহ করে পাঠায় রাঙামাটি সিভির সার্জন অফিস। সেই নমুনার রিপোর্টে মধ্যে দুটি, রাঙামাটি সদর হাসপাতালের একজন নার্স এবং হাসপাতাল সংলগ্ন মোল্লাপাড়া এলাকার একজন শ্রমিকের রিপোর্ট রবিবার (১০ মে) নেগেটিভ আসে। পরদিনই (১১ মে) রিজার্ভ বাজারের ১ নম্বর পাথরঘাটার ৯ মাস বয়সী শিশু এবং দেবাশীষ নগরের ১৯ বছর বয়সী তরুণর রিপোর্ট নেগেটিভ আসলো।
আরও পড়ুন-