মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক বাবুল হোসেন জানান, তদন্তের ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবে মসজিদ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। এ সময় মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুল গফুরসহ ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। তাদের মধ্যে স্থানীয় মুসল্লি এবং হতাহতদের স্বজনরাও রয়েছেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মসজিদের ভেতরের বিভিন্ন স্থান পর্যবেক্ষণসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করে সিআইডির এই তদন্ত দল।
গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে এশার নামাজ চলাকালে এই মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যালের শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও পাঁচ জনকে সেখানকার আইসিউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার একদিন পর ৬ সেপ্টেম্বর ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডিকে।
আরও পড়ুন:
তদন্ত বলছে জমে থাকা গ্যাসের কারণেই মসজিদে বিস্ফোরণ
মসজিদে বিস্ফোরণ মামলাটি সিআইডিতে, দায়িত্ব পেয়েই কাজ শুরু
মসজিদে বিস্ফোরণ: যেভাবে কাজ করছে সিআইডি
সেই মসজিদের সামনে ৩৬টি অবৈধ পানির লাইন
গ্যাস পাইপলাইনে ৬টি ছিদ্র, মসজিদ কমিটির ওপর দায় চাপালো তিতাসের তদন্ত কমিটি