বুড়িমারীর লিটন মিয়া (২৮) জুয়েল হত্যা মামলায় ১৭ নম্বর, পুলিশকে মারধর এবং সরকারি কাজে বাধাপ্রদান মামলায় ৩৩ নম্বর ও ইউনিয়ন পরিষদ ভাঙচুর মামলায় ২০ নম্বর ক্রমিকের এজাহার নামীয় আসামি ছিলেন।
মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন কুমার মোহন্ত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
লালমনিরহাট ডিবি পুলিশের ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, ১১তম ধাপে গ্রেফতার লিটন মিয়াকে(২৮) তিনটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে লালমনিরহাট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আমলি আদালত-৩ এ সোপর্দ করার জন্য লালমনিরহাটে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ অক্টোবর লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারীতে বুড়িমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে কোরআন শরিফ অবমাননার গুজব ছড়িয়ে আবু ইউনুস মো. শহিদুন্নবীকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর পৃথক তিনটি মামলা করা হয়। এতে ১১৪ জনকে এজাহার নামীয়সহ অজ্ঞাত শতশত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। এখন পর্যন্ত ৩১ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
দাড়ি ছেঁটে গোঁফ রেখেও শেষরক্ষা হয়নি হোসেনের
জুয়েলকে হত্যা ও লাশ পোড়ানোর ঘটনায় অংশ নেওয়া বেশিরভাগই ‘কিশোর’!
পালিয়ে গেছে হোসেন ডেকোরেটরের মালিক?
কোরআন অবমাননার কোনও প্রমাণ মেলেনি: জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটি
ফোর্স থাকলে দুই জনকেই রেসকিউ করতে পারতাম: পাটগ্রাম ইউএনও
জুয়েলের বিরুদ্ধে কোরআন অবমাননার প্রমাণ মেলেনি: গোয়েন্দা প্রতিবেদন
বুড়িমারীতে জুয়েলকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় তিনটি মামলা (ভিডিও)
‘জুয়েলকে মসজিদের বাইরে আনার পর পরিস্থিতি এমন হবে ভাবিনি’
হত্যার পর পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবি স্বজনদের