জামালপুরের মার্কেটে চোর-পুলিশ খেলা

লকডাউনে বাইরে থেকে দোকান বন্ধ থাকলেও দোকানের ভেতরে ক্রেতার সমাগম। আবার কোনও কোনও দোকানে অর্ধেক শাটার খোলা রেখে চলছে বিক্রি। পুলিশ ও প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেলেই বন্ধ হয় দোকান, চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আবার শুরু হয় বেচাকেনা। বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) লকডাউনের অষ্টম দিনে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারের এমন কৌশলে ব্যবসা পরিচালনা করতে দেখা যায়।

সরেজমিন দেখা যায়, সকাল থেকে উপজেলার নিত্যবাজার, থানা মোড়, গুঠাইল বাজার, ধর্মকুড়া বাজার, পঁচাবহলা বাজার, উলিয়া বাজার, ডিগ্রিরচর সকাল বাজার, নতুন বাজার, কান্দারচর বাজার, সিরাজাবাদ বাজার, মলমগঞ্জ বাজার ও নাপিতেরচর বাজারসহ প্রায় অধিকাংশ দোকানে এভাবেই চলছে বেচাকেনা।

এভাবে লকডাউনে দোকান খোলা রেখে ব্যবসা করায় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু দোকানিরা বলছেন, অনেকটা বাধ্য হয়েই দোকান খুলছেন তারা। ইসলামপুর নিত্য বাজারের নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী জানান, ‘পর পর তিনটা ঈদ চল গেছে এভাবেই। আমাদের সারাবছরের ব্যবসা হয় দুই ঈদে। এভাবে যদি দোকানপাট বন্ধ থাকে তাহলে দোকান ভাড়া, সংসার খরচের টাকা কোথায় পাবো। তাই বাধ্য হয়েই হাফ শাটার খুলেই ব্যবসা পরিচালনা করছি।’

সালাম মিয়া নামে এক চা বিক্রেতা বলেন, ‘কঠোর লকডাউনে জেলা প্রশাসন দোকানপাট বন্ধ করে দিয়েছে। এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে খুবই কষ্টে আছি। তাই বাধ্য হয়ে গোপনে ব্যবসা পরিচালনা করছি।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। দোকান বন্ধ রাখতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান সব সময় চলমান রয়েছে।’