নারী নির্যাতন ও চাঁদাবাজি: সেই পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

পরিদর্শন সালাউদ্দিননারী নির্যাতন ও চাঁদাবাজির অভিযোগে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সালাউদ্দিনকে প্রত্যাহার করে কুমিল্লা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিকালে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আনোয়ারুল হক এ তথ্য জানান।

আনোয়ারুল হক জানান, তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আর সেগুলোর পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ডিএসবির বিল্লাল হোসেনকে নতুন পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, গত ২৮ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর নারী নির্যাতন, যৌতুক,এক ব্যবসায়ীকে থানায় আটকে দেড় কোটি টাকার চেক লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে পৃথক ৩টি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে দুটি মামলা করেছেন তার দুই স্ত্রী, আর অপরটি করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন।

গত ২৮ নভেম্বর তার প্রথম স্ত্রী সুইটি দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। বিচারক আবদুল আউয়াল মামলাটি আমলে নিয়ে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। এই মামলায় নারী নির্যাতন ও যৌতুকের অভিযোগ আনা হয়।
এরপর ১ ডিসেম্বর এক ব্যবসায়ীকে তার হোটেল থেকে উঠিয়ে নিয়ে থানায় আটকে দেড় কোটি টাকার চেক লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সালাউদ্দিন ও তার ব্যবসায়ী পার্টনারের বিরুদ্ধে মামলা করেন কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুরস্থ মহিউদ্দিন।

একইদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর কোর্টে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকার যৌতুক মামলা করেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী তাহমিনা আক্তার পান্না। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মেড্ডা এলাকার সরাফত উল্লাহর মেয়ে। ২০১৪ সালে পান্নাকে ১৫ লাখ টাকার দেনমোহরে বিয়ে করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

 আরও পড়ুন...

পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রথম স্ত্রীর মামলা