চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪৬ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৩৪৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। বরাবরের মতোই সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতায়। কিন্তু গবেষণা খাতে কোনও পরিবর্তন আসেনি। 

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) উপাচার্য কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতারের সভাপতিত্বে ৩২তম সিনেট সভায় এ বাজেট ঘোষণা করা হয়। এ সময় বাজেট পেশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান। 

এতে মোট বাজেটের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা বাজেট ছিল ৫১৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা সমন্বয় করে ৩২৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা নিট বরাদ্দসহ এই বাজেট প্রণয়ণ করা হয়। ঘাটতি বাজেট রয়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। একইসঙ্গে গত অর্থবছরের ৩৩৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা সংশোধিত বাজেট ঘোষিত হয়।  

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার২০২০-২১ অর্থবছরের সর্বোচ্চ বাজেট ঘোষিত হয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা খাতে। এতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২২২ কোটি ২০ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ৬৪.১৬ শতাংশ। তবে গবেষণা খাতে গত বছরের মাত্র ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ অপরিবর্তিত রয়েছে। যা মোট বাজেটের মাত্র ১.২১ শতাংশ। যা গত বছরের বাজেটের ১.২৪ শতাংশ ছিল। 

বাজেটে প্রতি শিক্ষার্থীর পেছনে বাৎসরিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩৭ টাকা। এর বিপরীতে আয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪৩৫ টাকা। অন্য গুরুত্বপূর্ণ খাতের মধ্যে চিকিৎসায় ৫৬ লাখ, পরিবহন ২ কোটি ১৫ লাখ, বইপত্র, সংবাদপত্র ও সাময়িকী খাতে ৮৮ লাখ টাকা ও প্রকাশনা খাতে ১৭ লাখ টাকা বাজেট ধরা হয়েছে।

এ সময় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বলেন, আগামী অর্থবছরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দুটি বিষয়কে গুরুত্ব আরোপ করে সকল পরিকল্পনা তৈরি করেছে। তা হচ্ছে গবেষণা ও উন্নয়ন। আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে চবির অবস্থানকে একটি সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য গবেষণা মান ও পরিমাণ বাড়ানোর জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে।  

এ সময় সংসদ সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), প্রক্টর, সিনেট সদস্য, সিন্ডিকেট সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।