চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২১টি পদের বিপরীতে ৯০ জন প্রার্থী হয়েছেন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম।
শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান পদের জন্য আরও দুই প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন—চট্টগ্রামের সাবেক কৃষক লীগ নেতা খায়রুল ইসলাম এবং নারায়ণ রক্ষিত। বাকিরা সাধারণ সদস্য পদ ও সংরক্ষিত নারী পদের বিপরীতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
তবে শেষ পর্যন্ত কোন পদে কতজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তা জানা যাবে মনোনয়নপত্র, বাছাই, আপিল ও প্রত্যাহারের পর।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। মনোনয়নপত্রের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ভোটগ্রহণ হবে ১৭ অক্টোবর।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। ওই দিন পর্যন্ত সাধারণ সদস্য পদে ১৫টির বিপরীতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৬১ জন এবং সংরক্ষিত নারী পদে পাঁচটির বিপরীতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২৬ জন। তবে সাধারণ সদস্য পদে রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা থেকে একজন করে প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
তারা হলেন—রাউজানে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী আব্দুল ওহাব এবং উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের যুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আবুল কাশেম চিশতি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় তারা দুজনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সদস্যপদে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘১৮ সেপ্টেম্বর জেলা পরিষদ নির্বাচনে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। কতজনের মনোনয়ন টিকছে বাছাইয়ের পর তা জানা যাবে। অবশ্যই যাদের মনোনয়ন বাছাইয়ে বাদ পরবে তারা পরবর্তী সময়ে আপিল করতে পারবেন।’