সীমান্তে মিয়ানমারের সশস্ত্র দুই বাহিনীর গোলাগুলিতে একজন নিহত

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর গোলাগুলিতে একজন নিহত ও দুজন দুজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) উপজেলার  ঘুমধুম ইউপির ২নম্বর ওয়ার্ডের সীমান্তের ওপারে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যরা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান নিলে রোহিঙ্গা সলিডারিটি অরগানাইজেশনের (আরএসও) সদস্যরা গুলি ছোড়ে। এতে উভয় পক্ষের গেলাগুলিতে এক নিহত ও দুজন আহত হন।

বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এই গোলাগুলি হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। এই ঘটনায় নিহত ব্যক্তি হলেন বালুখালী ক্যাম্পের হামিদ উল্লাহ। আহতরা হলেন- টেকনাফের জাদিমুড়া ক্যাম্প ২৬ এর মুহিব উল্লাহ (২৫) ও ঘুমধুম শূন্যরেখার শিশু মোহাম্মদ হোসেন (১২)। 

শূন্যরেখায় অবস্থানরত রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ জানান, সকালে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরসার সদস্যরা ক্যাম্পে অবস্থান নিলে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় আরএসও নামের আরও একটি সশস্ত্র সংগঠন। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে‌ একজন নিহত হয়েছেন।

ঘুমধুম এলাকার ইউপি সদস্য ভুট্টো জানান, সকালে শূন‌্যরেখা এলাকায় গোলাগুলির আওয়াজ শোনা গেছে। তবে হতাহতের বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমেন শর্মা জানান, নাইক্ষ্যংছড়ির শূন‌্যরেখার সীমান্তের ওপারে আরএসও ও আরসার মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নি‌য়ে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত ও দুজন আহত হওয়ার খবর শুনেছি। তবে বিষয়‌টি সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই।

এ বিষয়ে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম বলেন, সীমান্তে গোলাগুলিতে নিহত হামিদ উল্লাহ নামে একজনের লাশ উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে আনা হয়েছে। সেখানে গুলিবিদ্ধ শিশুসহ আহত আরও দুজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছি।