দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীর চাপ কিছুটা কমেছে। তবে, যানবাহনের চাপ এখনও আছে। সোমবার (২৮ জুন) সকালের দিকে দুই ফেরিতে যাত্রীদের চাপ একটু বেশি ছিল। কিন্তু, এরপরে যাত্রীদের আর তেমন চাপ দেখা যায়নি। অবশ্য লকডাউনের মধ্যেও যানবাহনের চাপ ছিল।
সকাল থেকেই বিভিন্ন ধরনের শতশত যানবাহন শিমুলিয়া ঘাটে ফেরি পারাপারের জন্য অবস্থান নেয়। তবে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের সংখ্যাও কমতে থাকে। ঢাকা-মাওয়া একপ্রেসওয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্ট পার হয়ে এসব যানবাহন ঘাটে পৌঁছায়।
এদিকে, ১৪টি ফেরি দিয়ে যানবাহনের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদেরও পদ্মা নদী পার করা হচ্ছে। কারণ, লঞ্চ, স্পিডবোট ও যাত্রীবাহী ট্রলার বন্ধ আছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান জানান, এই রুটে এখন ১৪টি ফেরি চলছে। সাধারণ যাত্রীদের তেমন কোনও ভিড় নেই। নৌরুটের অবস্থাও বেশ ভালো। নদীর স্রোতও স্বাভাবিক। তাই ফেরি চলাচলে কোনও জটিলতা নেই।
মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবীর জানান, সকালে দুটি ফেরিতে সাধারণ যাত্রীর একটু চাপ ছিল। কিন্তু, এরপর যাত্রীর চাপ কমতে শুরু করেছে। এখন ঘাটের অবস্থা স্বাভাবিক।
মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাকির হোসেন জানান, ছোট গাড়ি তেমন একটা নেই। তবে, ফেরি পারের অপেক্ষায় দেড়শ' পণ্যবাহী ট্রাক আছে। এক্সপ্রেসওয়েতে কয়েকটি চেকপোস্ট আছে। সেখান থেকে শুধু জরুরি পরিষেবার যানবাহন ছাড়া হচ্ছে। সেসব গাড়িই ঘাটে আসছে বলে দাবি করেন তিনি।