নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে নির্বাচনের ১ নম্বর ওয়ার্ডে দুই সদস্য প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান সমান ভোট পান। পরে লটারির মাধ্যমে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) তাদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য পদে ১৫টি করে ভোট পেয়েছে দুই জন প্রতিদ্বন্দ্বী। তারা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান লড়েছেন ঘুড়ি প্রতীকে। তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাজী আলাউদ্দিন টিউবওয়েল প্রতীকে পেয়েছেন তিন ভোট।
২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য পদে সিলিংফ্যান প্রতীকে ৯৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বন্দর ধামগড় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাসুম আহমেদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহাঙ্গীর আলম তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৮ ভোট।
৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য পদে তালা প্রতীকে ৮৩ ভোট পেয়ে আবু নাঈম ইকবাল জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম হাতি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৯ ভোট।
সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে বই প্রতীকে ১২৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন সাদিয়া আফরিন এবং দোয়াত কলম প্রতীকে ১৩৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন শাহিদা মোশারফ।
প্রিসাইডিং অফিসার ও জেলা শিক্ষা অফিসের গবেষণা কর্মকর্তা নাজমুন্নাহার খানম বলেন, ‘১ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৭টি ভোটের মধ্যে ৩৫টি ভোট কাস্ট হয়। এর মধ্যে একটি ভোট বাতিল হয়। ভোটের হিসেবে দু’জন প্রার্থী সমান ভোট পান। প্রতিদ্বন্দ্বী জাহাঙ্গীর আলম ও মো. মজিবুর রহমান ১৫টি করে ভোট পেয়েছেন, নিয়ম অনুযায়ী তাদের মধ্যে লটারি করে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে। এ বিষয়টি জেলা পরিষদ নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা দেখভাল করছেন। এছাড়া অপর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আলাউদ্দিন তিন ও সায়েম রেজা এক ভোট পেয়েছেন।’
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ী হয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চন্দনশীল। একইভাবে আড়াইহাজার ও রূপগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত জেলা পরিষদের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আনছার আলী ও আলাউদ্দিন।