রবিবার (৭ জুন) বিকালে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুরের মৃত্যু হয়। নিহত নুর ওই গ্রামের রিয়াজুল বিশ্বাসের ছেলে। এরআগে গত ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের হরিশংকরপুর গ্রামে ওই হমালার ঘটনায় ওই দিনই আলাপ শেখ নামে আরেক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়।
এদিকে মারা যাওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় ভাঙচুর ও লুটপাট। সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামানের নেতৃত্বে শত শত নারী পুরুষ প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এই সময় তারা গরু, ছাগল, আসবাবপত্র, ধান-চাল লুট করে নিয়ে যায়। ওই গ্রামসহ আশেপাশের গ্রাম থেকে লোক এসে এসেও ভাঙচুর চালায়।
এর আগে শুক্রবার (৫ জুন) আলাপ শেখ নিহতের ঘটনায় তার ভাই গোলাপ শেখ বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখ এবং ১০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির নামে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেন। পুলিশ ওই ঘটনায় ছয় জনকে গ্রেফতার করে।
প্রসঙ্গত, আলাপ শেখ ও নুর ইসলামকে ৪ জুন কুপিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা। সাবেক চেয়ারমান ও হরিশংকরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুকুজ্জামান ফরিদ দাবি করেন বর্তমান চেয়ারম্যান মাসুমের সমর্থক বল্টু ও তুফান এই হামলা করেছে। ঘটনার দিন রাতেই হাসপাতালে আলাপ শেখের মৃত্যু হয়। পরে আজ বিকালে (রবিবার) আহত নুরের মৃত্যু হলো।
আরও পড়ুন: ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতাকে গলাকেটে হত্যা