বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড়

২৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে গণটিকার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৭ আগস্ট) একদিনের এ কার্যক্রমে খুলনা জেলা ও মহানগরীর ৩০৭টি বুথে টিকা দেওয়া হয়। দিনভর চলা বৃষ্টির মধ্যেই টিকা নিতে কেন্দ্রগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। তবে কোনও কেন্দ্রেই সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনও দৃশ্য দেখা যায়নি। নগরীর ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২৫, ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডসহ এলাকার বিভিন্ন এলাকার টিকাকেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি না মানার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে কেন্দ্রগুলোতে টিকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়। নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের প্রতিটি ওয়ার্ডে তিনটি করে টিকাকেন্দ্র রয়েছে। খুলনায় সকাল থেকে বৃষ্টি থাকার কারণে বিভিন্ন ওয়ার্ডের অধিকাংশ বাসিন্দা ছাতা নিয়ে কেন্দ্রে জড়ো হন। তবে তাদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনও বালাই ছিল না।

টিকা নিতে আসা আব্দুল গফ্ফার বলেন, সকালে টিকাকেন্দ্র্রে এসেছি। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবকদের তেমন আগ্রহ নেই। লাইনে একে অপরের গা ঘেষে রয়েছেন।

টিকা নিতে আসা মো. নিজাম শেখ অভিযোগ করেন, টিকা দেওয়ার কর্মীরা দক্ষ না। আর টিকা দেওয়ার সময় কোনও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। 

পূর্ব বানিয়াখামার জনকল্যাণ সমিতি কেন্দ্রের স্বেচ্ছাসেবক জিহাদুর রহমান জিহাদ জানান, বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানুষ টিকা নিতে আসে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ভিড় বাড়তে থাকে। কিন্তু জনবলের অভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। 

১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান মনি বলেন, গণটিকা কার্যক্রমের পরীক্ষামূলক কাজ হলো আজ। বৃষ্টির কারণে সবাইকে একটি ভবনে আনার ফলে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা যায়নি। পরিকল্পনা নিয়ে ফাঁকা জায়গা দেখেই স্থান নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু বৃষ্টি সব এলোমেলো করে দিলো।