শুক্রবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টা ৫২ মিনিটে বড়হাটের এই বাড়িতে 'অপারেশন ম্যাক্সিমাস' শুরু হয়েছে। অভিযান চলাকালে জঙ্গি আস্তানার বাইরে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে মনিরুল জানান, ‘ভেতরে খুব জটিল পরিস্থিতি। বাড়ির ভেতর একাধিক কামরায় চার থেকে পাঁচ জঙ্গি রয়েছে। তার মধ্যে একজন বোম্ব এক্সপার্ট রয়েছে বলেও আমাদের ধারণা। ঘেরাও এর সময় থেকেই একাধিক বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তারা। গুলিও করেছে।’ বড়হাটের এই বাড়ির জানালার গ্লাসগুলো শক্তিশালী কাঁচের তৈরি বলেও জানান মনিরুল।
অভিযানের নাম কেন ‘অপারেশন ম্যাক্সিমাস’ এই প্রশ্নের জবাবে মনিরুল বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে জটিলতার ব্যাপকতা বোঝাতে এই নাম রাখা হয়েছে।’
শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে বড়হাটের ওই বাড়ির সামনে পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়। পৌনে ৮টার দিকে সিটিটিসি'র সোয়াট টিমের সদস্যরা সেখানে এসে পৌঁছান। রাতে অভিযান চালানো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে সকালে অভিযান চালানোর সিদ্দান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের সরকার বাজার এলাকার নাসিরপুর গ্রামে একটি জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সোয়াট টিমের ‘অপারেশন হিট ব্যাক’ শেষ হয়। এই অভিযানে এক পুরুষ, দুই নারী ও চার শিশু মারা যায়।
উল্লেখ্য, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) রাত থেকে মৌলভীবাজার পৌরসভার বড়হাট এলাকায় একটি বাড়ি এবং খলিলপুর ইউনিয়নের সরকার বাজার এলাকার নাসিরপুর গ্রামের একটি বাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ ও সিটিটিসি। বুধবার সন্ধ্যায় নাসিরপুরের আস্তানায় অভিযান শুরু করে সোয়াট। পরে আলোর স্বল্পতার কারণে রাতে অভিযান স্থগিত রাখা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার পরে আবার অভিযান শুরু করে সোয়াট। বিকালে অভিযান শেষ হয়।
এদিকে, কুমিল্লার কোটবাড়ীতেও একটি জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। সেই অভিযানের নাম ‘অপারেশন স্ট্রাইক আউট’।
/এফএস/
আরও পড়ুন-
বড়হাটে চলছে 'অপারেশন ম্যাক্সিমাস'
কোটবাড়ীতে শুরু ‘অপারেশন স্ট্রাইক আউট’
পরিস্থিতির জটিলতা বিবেচনায় অভিযানের নাম ‘ম্যাক্সিমাস’: মনিরুল
নাসিরপুরে নিহত পুরুষ জঙ্গি নাইক্ষ্যংছড়ির সোহেল!
সীতাকুণ্ড, ঢাকা বিমানবন্দর ও মৌলভীবাজারে একই বিস্ফোরক
নাসিরপুরে ‘হাইড আউট’ করেছিল জঙ্গিরা