সিলেটের বিশ্বনাথে এক নারীকে (৩৬) অপহরণের পর বাড়িতে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার বিকালে গ্রেফতারের পর ওই ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। একই দিন সকালে চার জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করে বিশ্বনাথ থানায় মামলা করেন ওই নারী।
গ্রেফতার গয়াছ মিয়া ওরফে গেদা (৪৪) মামলাটির ১ নম্বর আসামি। তার বাড়ি বিশ্বনাথ উপজেলার হায়াতেরগাঁও গ্রামে। অন্য আসামিরা হলো- উপজেলার আলমনগর গ্রামের আশিক মিয়া (৩০), হায়াতেরগাঁও গ্রামের সাইদুর রহমান (৩০) ও বটতলা গ্রামের আমির আলী (২৮)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ওই নারী দক্ষিণ সুরমার চণ্ডীপুর এলাকা থেকে ছাতক যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন। অটোরিকশাটির চালক ছিল সাইদুর রহমান। চালক ওই নারীকে গন্তব্যে না নিয়ে কৌশলে আলমনগর গ্রামের মন্তাজ আলীর বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে ওই নারীকে ধর্ষণ করে আসামিরা। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভুক্তভোগী নারী স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। বর্তমানে তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’