ইকুয়েডরে ফের ৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্প

ইকুয়েডরে ফের শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭। বাংলাদেশ সময় বুধবার দুপুরে এ ভূমিকম্প হয়। এর আগে এপ্রিলে ভয়াবহ ভূমিকম্পে দেশটিতে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ইকুয়েডরের রোসা জারাটের ৩৪ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তর পশ্চিমে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উত্পত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩২ দশমিক ৪ কিলোমিটার গভীরে।

ইকুয়েডরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির খবর জানতে লোক নিয়োজিত করা হয়েছে। তাদের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

গত ১৬ এপ্রিল ইকুয়েডরের উপকূলে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ইকুয়েডরের মুইজন থেকে ২৩ কি.মি. দক্ষিণ-পূর্বে। স্থানীয় সময় রাত আটটার দিকে পরপর দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪.৮। তবে দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি ছিল খুবই শক্তিশালী। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.৮ এবং গভীরতা ১৯ কিলোমিটার। এরপর ৭শটিরও বেশি আফটার শক অনুভূত হয়। আরও কয়েক সপ্তাহ ধরে এমন আফটার শক অনুভূত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সরকারিভাবে নিহতের সংখ্যা ৬৪৬ জন বলে জানানো হয়েছে।

বিশ্বের বড় ভূমিকম্পগুলোর একটি ঘটেছে এই ইকুয়েডরে। ১৯০৬ সালের ১৩ জানুয়ারি ৮ দশমিক ৮ মাত্রার ভূকম্পন হয় এখানে। ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার সমুদ্র উপকূলে সৃষ্ট এই সুনামিতে মারা যান পাঁচ শতাধিক মানুষ। আহত হন আরও দেড় হাজার। মধ্য আমেরিকা ও সানফ্রান্সিসকোতেও অনুভূত হয় এই ভূমিকম্প। যার প্রভাবে হাওয়াইয়ের নদীগুলো প্লাবিত হয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়েছিল। সূত্র: এনবিসি নিউজ।

আরও পড়ুন: 

 

/এএ/