ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি দখলদারিত্ব নিয়ে ইইউ-এর সঙ্গে আলোচনা তুরস্কের

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি দখলদারিত্ব নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে কথা বলেছে তুরস্ক। শনিবার এক ফোনালাপে ইইউ-র পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেপ বোরেল-এর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ।

ফোনালাপে দুই নেতা ফিলিস্তিন ইস্যু ছাড়াও তুর্কি-ইইউ সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন।

তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফোনালাপে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি দখলদারিত্ব ও তাদের জুলুম-নিপীড়নের পরিকল্পনা এবং তুর্কি-ইইউ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে নতুন করে দখলদারিত্ব চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে ইসরায়েল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ডে বলপূর্বক কয়েক হাজার অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। এ ধরনের দখলদারিত্ব বড় ধরনের সংঘাতের জন্ম দেবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকেও দখলকৃত পশ্চিম তীরে নতুন করে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা বাতিল করতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ এ আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘকে নিয়ে গঠিত কথিত মধ্যপ্রাচ্য চতুষ্টয়ের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে ফিলিস্তিনিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ইসরায়েলের নতুন এই অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইফরাত’। এর আওতায় প্রায় সাত হাজার আবাসন ইউনিট তৈরির কথা বলা হয়েছে। ইতোমধ্যেই এতে সমর্থন দিয়েছে ওয়াশিংটন।

জর্ডান উপত্যকার বড় একটি এলাকায় এই ইহুদি বসতি সম্প্রসারিত হলে ভবিষ্যতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। ফিলিস্তিন ইস্যুতে বরাবরই সরব তুরস্ক ইসরায়েলের এ পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করে আসছে।