বেলজিয়ান-আমেরিকান কণা পদার্থবিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন ২০২৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন। আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরিতে নির্ণায়ক অবদান এবং মহাজাগতিক উৎসের উচ্চশক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থা এ ঘোষণা দিয়েছে।
রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নির্বাচন করেন। বিজয়ীরা মোট ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার (১২ লাখ ডলার) অর্থ পুরস্কার পান। একাধিক বিজয়ী থাকলে ভাগ করে দেওয়া হয়।
সুইডিশ উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তা আলফ্রেড নোবেলের উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রতিষ্ঠিত হয়। ডিনামাইট উদ্ভাবনের ওপর ভর করেই তার সম্পদ গড়ে উঠেছিল। ১৯০১ সালে প্রথম দেওয়া এই পুরস্কার বিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে কৃতিত্বকে সম্মান জানায়। সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরে এতে অর্থনীতির পুরস্কার যুক্ত করেছে।
নোবেলের উইলে পদার্থবিজ্ঞান বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। এখনও এটি এই শাখার অন্যতম সর্বোচ্চ সম্মান। কয়েক দশক ধরে এই পুরস্কার এমন সব আবিষ্কারকে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা মহাবিশ্ব নিয়ে মানুষের ধারণাকে মৌলিকভাবে বদলে দিয়েছে।
অতীতের বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন বিজ্ঞানের সবচেয়ে বিখ্যাত কিছু নাম, যাদের মধ্যে আলবার্ট আইনস্টাইন, মারি ও পিয়ের কুরি, ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক এবং নিলস বোর রয়েছেন। তাদের কাজ আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি গড়তে সহায়তা করেছে।
এ বছরের নোবেলের মধ্যে এটি দ্বিতীয় ঘোষণা। এর আগে সোমবার চিকিৎসাবিজ্ঞানে পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। বুধবার ঘোষণা করা হবে রসায়নে নোবেল।
১০ ডিসেম্বর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্টকহোমে এক অনুষ্ঠানে সুইডেনের রাজা ষোড়শ কার্ল গুস্তাফ বিজয়ীদের হাতে নোবেল পদক তুলে দেবেন। এরপর স্টকহোম সিটি হলে জমকালো ভোজ আয়োজন করা হবে।
সূত্র: রয়টার্স