গত ২০০ বছরে সাহিত্যে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ বই প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু বই পাঠের ধরন বদলেছে, কিছু বই নতুন সাহিত্যধারা তৈরি করেছে, আবার কিছু বই সমাজ ও সংস্কৃতিতেও প্রভাব ফেলেছে। ‘দ্য সেন্টার ফর ফিকশন’ এমন ২০০টি বইয়ের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে।
‘দ্য সেন্টার ফর ফিকশন’ যুক্তরাষ্ট্রের একটি অলাভজনক সাহিত্য প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি লেখালেখি, পাঠ, আলোচনা, সাহিত্য পুরস্কার ও লেখকদের সহায়তার মাধ্যমে সমকালীন কথাসাহিত্যের বিকাশে কাজ করে।
তালিকাটি ১৮২১ সালে ‘দ্য সেন্টার ফর ফিকশন’ প্রতিষ্ঠার সময় থেকে পরবর্তী ২০০ বছরের সাহিত্যে প্রভাব বিবেচনা করে তৈরি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পাঠক, লেখক ও সংস্কৃতিতে প্রভাব ফেলা ফিকশনকে গুরুত্ব দিয়েছে।
১৮২১–১৮৯৯
১. জেন অস্টেনের ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’
২. এডগার অ্যালান পো-এর ‘দ্য কালেক্টেড ওয়ার্কস অব এডগার অ্যালান পো’
৩. আলেকজান্দ্র দ্যুমার ‘দ্য কাউন্ট অব মন্টে ক্রিস্টো’
৪. শার্লট ব্রন্টির ‘জেন আইর’
৫. এমিলি ব্রন্টির ‘উদারিং হাইটস’
৬. হারম্যান মেলভিলের ‘মবি ডিক’
৭. হ্যারিয়েট বিচার স্টোর ‘আঙ্কল টমস কেবিন’
৮. উইলিয়াম ওয়েলস ব্রাউনের ‘ক্লোটেল: অর, দ্য প্রেসিডেন্টস ডটার’
৯. চার্লস ডিকেন্সের ‘ব্লিক হাউস’
১০. গুস্তাভ ফ্লবেয়ারের ‘মাদাম বোভারি’
১১. হ্যারিয়েট ই. উইলসনের ‘আওয়ার নিগ, অর স্কেচেস ফ্রম দ্য লাইফ অব আ ফ্রি ব্ল্যাক’
১২. জর্জ এলিয়টের ‘দ্য মিল অন দ্য ফ্লস’
১৩. চার্লস ডিকেন্সের ‘গ্রেট এক্সপেকটেশনস’
১৪. ভিক্টর হুগোর ‘লে মিজারেবল’
১৫. ফিওদর দস্তয়েভস্কির ‘ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট’
১৬. জর্জ এলিয়টের ‘ফেলিক্স হল্ট, দ্য র্যাডিক্যাল’
১৭. লুইজা মে অ্যালকটের ‘লিটল উইমেন’
১৮. জর্জ এলিয়টের ‘মিডলমার্চ’
১৯. লিও তলস্তয়ের ‘আনা কারেনিনা’
২০. আনা সিওয়েলের ‘ব্ল্যাক বিউটি’
২১. মার্ক টোয়েনের ‘অ্যাডভেঞ্চারস অব হাকলবেরি ফিন’
২২. অস্কার ওয়াইল্ডের ‘দ্য পিকচার অব ডোরিয়ান গ্রে’
২৩. এমিল জোলার ‘লার্জঁ’
২৪. থমাস হার্ডির ‘টেস অব দ্য ডারবারভিলস’
২৫. ব্রাম স্টোকারের ‘ড্রাকুলা’
২৬. কেট শপ্যাঁর ‘দ্য অ্যাওয়েকেনিং’
১৯০০–১৯২৯
২৭. কোলেটের ‘দ্য ক্লডিন নভেলস’
২৮. এডিথ ওয়ার্টনের ‘হাউস অব মার্থ’
২৯. আপটন সিনক্লেয়ারের ‘দ্য জঙ্গল’
৩০. পি. জি. উডহাউসের ‘লাভ অ্যামং দ্য চিকেনস’
৩১. জি. কে. চেস্টারটনের ‘দ্য ম্যান হু ওয়াজ থার্সডে’
৩২. জে. এম. ব্যারির ‘পিটার অ্যান্ড ওয়েন্ডি’
৩৩. মার্সেল প্রুস্তের ‘ইন সার্চ অব লস্ট টাইম’
৩৪. শেরউড অ্যান্ডারসনের ‘ওয়াইনসবার্গ, ওহাইও’
৩৫. এডিথ ওয়ার্টনের ‘দ্য এজ অব ইনোসেন্স’
৩৬. জেমস জয়েসের ‘ইউলিসিস’
৩৭. হারমান হেসের ‘সিদ্ধার্থ’
৩৮. জিন টুমারের ‘কেন’
৩৯. ভার্জিনিয়া উলফের ‘মিসেস ড্যালোওয়ে’
৪০. এফ. স্কট ফিটজেরাল্ডের ‘দ্য গ্রেট গ্যাটসবি’
৪১. ফ্রানৎস কাফকার ‘দ্য ট্রায়াল’
৪২. হোপ মিরলিসের ‘লুড-ইন-দ্য-মিস্ট’
৪৩. আর্নেস্ট হেমিংওয়ের ‘দ্য সান অলসো রাইজেস’
৪৪. ভার্জিনিয়া উলফের ‘টু দ্য লাইটহাউস’
৪৫. নেলা লারসেনের ‘পাসিং’
১৯৩০–১৯৪৯
৪৬. উইলিয়াম ফকনারের ‘অ্যাজ আই লে ডাইং’
৪৭. নেলি ক্যাম্পোবেলোর ‘কারতুচো’
৪৮. অ্যালডাস হাক্সলির ‘ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড’
৪৯. আগাথা ক্রিস্টির ‘মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস’
৫০. হেনরি মিলারের ‘ট্রপিক অব ক্যান্সার’
৫১. জুনা বার্নসের ‘নাইটউড’
৫২. ইয়ংহিল ক্যাংয়ের ‘ইস্ট গোজ ওয়েস্ট’
৫৩. জোরা নিল হার্স্টনের ‘দেয়ার আইজ ওয়্যার ওয়াচিং গড’
৫৪. ড্যাফনি দ্যু মরিয়ের ‘রেবেকা’
৫৫. জন স্টাইনবেকের ‘দ্য গ্রেপস অব র্যাথ’
৫৬. এইচ. পি. লাভক্রাফটের ‘দ্য আউটসাইডার অ্যান্ড আদার্স’
৫৭. কারসন ম্যাককালার্সের ‘দ্য হার্ট ইজ আ লোনলি হান্টার’
৫৮. রিচার্ড রাইটের ‘নেটিভ সন’
৫৯. আলবেয়ার কামুর ‘দ্য স্ট্রেঞ্জার’
৬০. অ্যান পেট্রির ‘দ্য স্ট্রিট’
৬১. জর্জ অরওয়েলের ‘নাইনটিন এইটি-ফোর’
১৯৫০–১৯৫৯
৬২. জে. ডি. স্যালিঞ্জারের ‘দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই’
৬৩. রালফ এলিসনের ‘ইনভিজিবল ম্যান’
৬৪. প্যাট্রিশিয়া হাইস্মিথের ‘দ্য প্রাইস অব সল্ট’
৬৫. রে ব্র্যাডবেরির ‘ফারেনহাইট ফোর ফিফটি ওয়ান’
৬৬. গোয়েনডোলিন ব্রুকসের ‘মড মার্থা’
৬৭. জে. আর. আর. টলকিনের ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস’
৬৮. ভ্লাদিমির নবোকভের ‘লোলিতা’
৬৯. হুয়ান রুলফোর ‘পেদ্রো পারামো’
৭০. জেমস বাল্ডউইনের ‘জিওভান্নিজ রুম’
৭১. জ্যাক কেরুয়াকের ‘অন দ্য রোড’
৭২. টি. এইচ. হোয়াইটের ‘দ্য ওয়ান্স অ্যান্ড ফিউচার কিং’
৭৩. চিনুয়া আচেবের ‘থিংস ফল অ্যাপার্ট’
৭৪. শার্লি জ্যাকসনের ‘দ্য হন্টিং অব হিল হাউস’
৭৫. রোসারিও কাস্তেয়ানোসের ‘দ্য নাইন গার্ডিয়ানস’
১৯৬০–১৯৬৯
৭৬. হার্পার লির ‘টু কিল আ মকিংবার্ড’
৭৭. জোসেফ হেলারের ‘ক্যাচ-২২’
৭৮. স্তানিসলাভ লেমের ‘সোলারিস’
৭৯. হোর্হে লুইস বোর্হেসের ‘ল্যাবিরিন্থস’
৮০. সিলভিয়া প্লাথের ‘দ্য বেল জার’
৮১. জন ল্য কারের ‘দ্য স্পাই হু কেম ইন ফ্রম দ্য কোল্ড’
৮২. ক্লারিস লিসপেক্টরের ‘দ্য প্যাশন অ্যাকর্ডিং টু জি. এইচ.’
৮৩. ট্রুম্যান ক্যাপোটের ‘ইন কোল্ড ব্লাড’
৮৪. মিখাইল বুলগাকভের ‘দ্য মাস্টার অ্যান্ড দ্য মার্গারিটা’
৮৫. জিন রিসের ‘ওয়াইড সারগাসো সি’
৮৬. গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের ‘ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ার্স অব সলিটিউড’
৮৭. উইলিয়াম স্টাইরনের ‘দ্য কনফেশন্স অব ন্যাট টার্নার’
৮৮. ফিলিপ কে. ডিকের ‘ডু অ্যান্ড্রয়েডস ড্রিম অব ইলেকট্রিক শিপ?’
৮৯. কার্ট ভনেগাটের ‘স্লটারহাউস-ফাইভ’
৯০. জন ফাওলসের ‘দ্য ফ্রেঞ্চ লেফটেন্যান্টস উম্যান’
৯১. আরসুলা কে. ল্য গুইনের ‘দ্য লেফট হ্যান্ড অব ডার্কনেস’
১৯৭০–১৯৭৯
৯২. জুডি ব্লুমের ‘আর ইউ দেয়ার গড? ইটস মি, মার্গারেট’
৯৩. জোয়ান ডিডিয়নের ‘প্লে ইট অ্যাজ ইট লেজ’
৯৪. টনি মরিসনের ‘দ্য ব্লুয়েস্ট আই’
৯৫. ই. এল. ডক্টরোর ‘দ্য বুক অব ড্যানিয়েল’
৯৬. ই. এম. ফরস্টারের ‘মরিস’
৯৭. ফ্ল্যানারি ও’কনরের ‘দ্য কমপ্লিট স্টোরিজ’
৯৮. ইতালো কালভিনোর ‘ইনভিজিবল সিটিজ’
৯৯. টোভে ইয়ানসনের ‘দ্য সামার বুক’
১০০. ইশমায়েল রিডের ‘মাম্বো জাম্বো’
১০১. গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের ‘ওহোস দে পেরো আসুল’
১০২. টনি মরিসনের ‘সুলা’
১০৩. স্যামুয়েল আর. ডেলানির ‘ডালগ্রেন’
১০৪. নাওয়াল এল সাদাউইর ‘উইম্যান অ্যাট পয়েন্ট জিরো’
১০৫. লেসলি মারমন সিলকোর ‘সেরিমনি’
১০৬. ক্লারিস লিসপেক্টরের ‘দ্য আওয়ার অব দ্য স্টার’
১০৭. টনি মরিসনের ‘সং অব সলোমন’
১০৮. স্টিফেন কিংয়ের ‘দ্য শাইনিং’
১০৯. আইরিস মারডকের ‘দ্য সি, দ্য সি’
১১০. জন চিভারের ‘দ্য স্টোরিজ অব জন চিভার’
১১১. জন আরভিংয়ের ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাকর্ডিং টু গার্প’
১১২. অক্টাভিয়া ই. বাটলারের ‘কাইন্ড্রেড’
১৯৮০–১৯৮৯
১১৩. মেরিলিন রবিনসনের ‘হাউসকিপিং’
১১৪. উমবের্তো একোর ‘দ্য নেম অব দ্য রোজ’
১১৫. সালমান রুশদির ‘মিডনাইটস চিলড্রেন’
১১৬. জয় কোওগাওয়ার ‘ওবাসান’
১১৭. টমাস বার্নহার্ডের ‘কনক্রিট’
১১৮. থেরেসা হাক কিয়ুং চায়ের ‘ডিক্টি’
১১৯. ফার্নান্দো পেসোয়ার ‘দ্য বুক অব ডিসকোয়াইট’
১২০. অ্যালিস ওয়াকারের ‘দ্য কালার পার্পল’
১২১. ইসাবেল আয়েন্দের ‘দ্য হাউস অব দ্য স্পিরিটস’
১২২. গ্লোরিয়া নেলরের ‘দ্য উইমেন অব ব্রুস্টার প্লেস’
১২৩. রেমন্ড কারভারের ‘ক্যাথেড্রাল’
১২৪. সান্দ্রা সিসনেরোসের ‘দ্য হাউস অন ম্যাঙ্গো স্ট্রিট’
১২৫. লুইস এরড্রিচের ‘লাভ মেডিসিন’
১২৬. উইলিয়াম গিবসনের ‘নিউরোম্যান্সার’
১২৭. অ্যাঞ্জেলা কার্টারের ‘নাইটস অ্যাট দ্য সার্কাস’
১২৮. মার্গারিত দ্যুরাসের ‘দ্য লাভার’
১২৯. মিলান কুন্দেরার ‘দ্য আনবেয়ারেবল লাইটনেস অব বিইং’
১৩০. করম্যাক ম্যাকার্থির ‘ব্লাড মেরিডিয়ান, অর দ্য ইভনিং রেডনেস ইন দ্য ওয়েস্ট’
১৩১. মার্গারেট অ্যাটউডের ‘দ্য হ্যান্ডমেইডস টেল’
১৩২. টনি মরিসনের ‘বিলাভড’
১৩৩. পল অস্টারের ‘দ্য নিউ ইয়র্ক ট্রিলজি’
১৩৪. মেরি গেইটস্কিলের ‘ব্যাড বিহেভিয়ার’
১৩৫. সিতসি দাঙ্গারেম্বগার ‘নার্ভাস কন্ডিশনস’
১৩৬. ডেনিস কুপারের ‘দ্য জর্জ মাইলস সাইকেল’
১৩৭. অ্যামি টানের ‘দ্য জয় লাক ক্লাব’
১৩৮. জিনেট উইন্টারসনের ‘সেক্সিং দ্য চেরি’
১৯৯০–১৯৯৯
১৩৯. হার্ভে গিবেরের ‘টু দ্য ফ্রেন্ড হু ডিড নট সেভ মাই লাইফ’
১৪০. টিম ও’ব্রায়েনের ‘দ্য থিংস দে ক্যারিড’
১৪১. ব্রেট ইস্টন এলিসের ‘আমেরিকান সাইকো’
১৪২. ডরোথি অ্যালিসনের ‘ব্যাস্টার্ড আউট অব ক্যারোলাইনা’
১৪৩. ডেনিস জনসনের ‘জিজাস সন’
১৪৪. ডব্লিউ. জি. জেবাল্ডের ‘দ্য এমিগ্র্যান্টস’
১৪৫. মাইকেল ওন্ডাটজের ‘দ্য ইংলিশ পেশেন্ট’
১৪৬. ডোনা টার্টের ‘দ্য সিক্রেট হিস্ট্রি’
১৪৭. আর্নেস্ট জে. গেইন্সের ‘আ লেসন বিফোর ডায়িং’
১৪৮. অক্টাভিয়া ই. বাটলারের ‘প্যারাবল অব দ্য সোয়ার’
১৪৯. লেসলি ফেইনবার্গের ‘স্টোন বুচ ব্লুজ’
১৫০. অ্যানি প্রুলক্সের ‘দ্য শিপিং নিউজ’
১৫১. জুলিয়া আলভারেজের ‘ইন দ্য টাইম অব দ্য বাটারফ্লাইজ’
১৫২. হারুকি মুরাকামির ‘দ্য উইন্ড-আপ বার্ড ক্রনিকল’
১৫৩. মারি এনদিয়ায়ের ‘দ্যাট টাইম অব ইয়ার’
১৫৪. ডেভিড ফস্টার ওয়ালেসের ‘ইনফিনিট জেস্ট’
১৫৫. ডন ডেলিলোর ‘আন্ডারওয়ার্ল্ড’
১৫৬. ওরহান পামুকের ‘মাই নেম ইজ রেড’
১৫৭. মাইকেল কানিংহামের ‘দ্য আওয়ার্স’
১৫৮. বারবারা কিংসলভারের ‘দ্য পয়জনউড বাইবেল’
১৫৯. ঝুম্পা লাহিড়ীর ‘ইন্টারপ্রেটার অব ম্যালাডিজ’
২০০০–২০০৯
১৬০. মাইকেল শ্যাবনের ‘দ্য অ্যামেজিং অ্যাডভেঞ্চারস অব ক্যাভালিয়ার অ্যান্ড ক্লে’
১৬১. জ্যাডি স্মিথের ‘হোয়াইট টিথ’
১৬২. ইয়ান ম্যাকইউয়ানের ‘অ্যাটোনমেন্ট’
১৬৩. জোনাথন ফ্রাঞ্জেনের ‘দ্য কারেকশনস’
১৬৪. সারাহ ওয়াটার্সের ‘ফিঙ্গারস্মিথ’
১৬৫. এডওয়ার্ড পি. জোন্সের ‘দ্য নোন ওয়ার্ল্ড’
১৬৬. ডেভিড মিচেলের ‘ক্লাউড অ্যাটলাস’
১৬৭. কলম টোয়িবিনের ‘দ্য মাস্টার’
১৬৮. ফিলিপ রথের ‘দ্য প্লট অ্যাগেইনস্ট আমেরিকা’
১৬৯. কাজুও ইশিগুরোর ‘নেভার লেট মি গো’
১৭০. জুনোট দিয়াজের ‘দ্য ব্রিফ ওয়ান্ড্রাস লাইফ অব অস্কার ওয়াও’
১৭১. কলাম ম্যাককানের ‘লেট দ্য গ্রেট ওয়ার্ল্ড স্পিন’
১৭২. কার্ল ওভে নসগার্ডের ‘মাই স্ট্রাগল’
১৭৩. লিডিয়া ডেভিসের ‘দ্য কালেক্টেড স্টোরিজ অব লিডিয়া ডেভিস’
২০১০–২০২১
১৭৪. জেনিফার ইগানের ‘আ ভিজিট ফ্রম দ্য গুন স্কোয়াড’
১৭৫. রেনে গ্ল্যাডম্যানের ‘ইভেন্ট ফ্যাক্টরি’
১৭৬. এলেনা ফেরান্তের ‘মাই ব্রিলিয়ান্ট ফ্রেন্ড’
১৭৭. জেসমিন ওয়ার্ডের ‘স্যালভেজ দ্য বোনস’
১৭৮. জুলি ওৎসুকার ‘দ্য বুদ্ধা ইন দ্য অ্যাটিক’
১৭৯. ম্যাডেলিন মিলারের ‘দ্য সং অব অ্যাকিলিস’
১৮০. জিলিয়ান ফ্লিনের ‘গন গার্ল’
১৮১. র্যাচেল কাস্কের ‘দ্য আউটলাইন ট্রিলজি’
১৮২. মার্লন জেমসের ‘আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব সেভেন কিলিংস’
১৮৩. ইয়োকো তাওয়াদার ‘দ্য এমিসারি’
১৮৪. পল বিটির ‘দ্য সেলআউট’
১৮৫. এন. কে. জেমিসিনের ‘দ্য ব্রোকেন আর্থ ট্রিলজি’
১৮৬. কলসন হোয়াইটহেডের ‘দ্য আন্ডারগ্রাউন্ড রেলরোড’
১৮৭. অ্যাটিকা লকের ‘ব্লুবার্ড, ব্লুবার্ড’
১৮৮. মোহসিন হামিদের ‘এক্সিট ওয়েস্ট’
১৮৯. কারমেন মারিয়া মাচাদোর ‘হার বডি অ্যান্ড আদার পার্টিজ’
১৯০. কামিলা শামসির ‘হোম ফায়ার’
১৯১. জর্জ সন্ডার্সের ‘লিংকন ইন দ্য বার্ডো’
১৯২. জেসমিন ওয়ার্ডের ‘সিং, আনবারিড, সিং’
১৯৩. অটেসা মোশফেগের ‘মাই ইয়ার অব রেস্ট অ্যান্ড রিল্যাক্সেশন’
১৯৪. স্যালি রুনির ‘নরমাল পিপল’
১৯৫. রেবেকা মাকাইয়ের ‘দ্য গ্রেট বিলিভার্স’
১৯৬. বার্নাডিন এভারিস্তোর ‘গার্ল, ওম্যান, আদার’
১৯৭. ওশান ভুয়ংয়ের ‘অন আর্থ উই আর ব্রিফলি গর্জিয়াস’
১৯৮. লুইস এরড্রিচের ‘দ্য নাইট ওয়াচম্যান’
১৯৯. পার্সিভাল এভারেটের ‘টেলিফোন’
২০০. জেমস ম্যাকব্রাইডের ‘ডিকন কিং কং’