সাম্প্রতিক সায়েন্স ফিকশন, ফ্যান্টাসি ও হররের সেরা চার বই

শাহরিয়ার হিরাজ
১০ আগস্ট ২০২৬, ১০:০০আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৬, ১০:০০

দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত লেখক ও সমালোচক লিসা টাটলের সাম্প্রতিক পর্যালোচনায় সায়েন্স ফিকশন, ফ্যান্টাসি ও হররের চারটি আলোচিত নতুন বই উঠে এসেছে।


নাতাশা পুলির 'দ্য সল্ট কিং'

অ্যাভেলিন ব্রোকেন ভ্যাটিকানের একজন প্রশিক্ষণার্থী যাজক। তাকে পূর্ব ইংল্যান্ডের জলাভূমি এলাকায় একটি সম্ভাব্য অলৌকিক ঘটনার তদন্তে পাঠানো হয়। জায়গাটির নাম হ্রিওডওয়াটার। সেখানে লবণের খনি ঘিরে গড়ে উঠেছে আলাদা ভাষা, ধর্ম ও নানা আচার। খনির গভীরে ঘুমিয়ে থাকা এক রহস্যময় রাজার সঙ্গে জড়িয়ে আছে অদ্ভুত ‘লবণ-আলো’। ধীরে ধীরে বোঝা যায়, এই ঘটনা শুধু একটি এলাকার নয়, পুরো সভ্যতার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। বইটিতে লোকজ ভয়, পৃথিবীর ধ্বংসের আশঙ্কা এবং ভালোবাসার গল্প একসঙ্গে আছে।

রবার্ট জ্যাকসন বেনেটের 'এ ট্রেড অব ব্লাড'
রবার্ট জ্যাকসন বেনেটের 'এ ট্রেড অব ব্লাড'

এই গল্পের গোয়েন্দা জুটি আনা ও দিন আবারও একটি রহস্য সমাধানে নামে। এবার সাম্রাজ্যের একটি ধনী পশুপালক পরিবারের মধ্যে খুনের ঘটনা ঘটে। খুনি হাতেনাতে ধরা পড়লেও সে কিছুই মনে করতে পারে না। নিহত ব্যক্তি ছিল তার প্রেমিক। দুই পরিবারও ছিল পরস্পরের শত্রু। গোয়েন্দারা মনে করেন, ঘটনার পেছনে আরও ভয়ংকর কোনো শক্তি কাজ করছে। সেই শক্তির হাতে রয়েছে একটি মারাত্মক অস্ত্র। বইটিতে জাদুর বদলে বিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক নিয়মের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। চমৎকার বিশ্ব নির্মাণ ও রহস্যের কারণে বইটি বেশ আকর্ষণীয়।

জেক আর্নটের ‘নেদারউড’

জেক আর্নটের 'নেদারউড'

লন্ডনে বাড়ির দাম বেশি হওয়ায় শিল্পী অ্যাডাম ও তার সঙ্গী জাস্টিন হেস্টিংসে একটি বাড়ি কেনেন। বাড়ির দেয়ালের পেছনে তারা একটি গোপন গুহা খুঁজে পান। সেখানে ল্যাটিন ভাষায় লেখা, মোমের স্তর এবং একটি সিল করা বোতল পাওয়া যায়। তারা জানতে পারেন, আগের মালিক ছিলেন ‘কেওস ম্যাজিক’-এর অনুসারী। এই ধারার সঙ্গে কুখ্যাত আলিস্টার ক্রাউলিরও সম্পর্ক ছিল। জাস্টিন বাড়িতে এক ভীত মেয়ের অদৃশ্য উপস্থিতি অনুভব করতে শুরু করেন। অন্যদিকে, বাড়িটি অ্যাডামের শিল্পীজীবনকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে। রহস্যময় পরিবেশ ও ভৌতিক ঘটনার কারণে এটি একটি অস্বস্তিকর কিন্তু আকর্ষণীয় হরর উপন্যাস।

সি এন ভাইরের ‘ফন’

সি এন ভাইরের 'ফন'

টেস একজন ডাইনি। ১৯৩৫ সালে প্রাণে বাঁচার জন্য সে শয়তানের কাছে নিজের আত্মা বিক্রি করেছিল। এরপর তার বয়স খুব একটা বাড়েনি। সে জাদু ব্যবহার করে নিজের পরিচয় গোপন রাখে এবং পশুদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র চালায়। একদিন সে একটি হরিণশাবক উদ্ধার করে। কিন্তু শাবকটি স্বাভাবিক নয়। তার দাঁত আছে এবং সে রক্ত পান করতে চায়। টেস তাকে মেরে ফেলতে রাজি হয় না। স্থানীয় পুলিশ ও নতুন আসা এক ধর্মযাজক তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। একই সময় টেসের পুরোনো জাদুও কাজ করা বন্ধ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে তাকে লড়াই করতে হয়। বইটিতে ক্ষমতা, টিকে থাকা এবং নারীর ক্ষোভের বিষয়টি উঠে এসেছে।

/জেড-এস/
সম্পর্কিত
বাংলা একাডেমি লেখক অভিধানে অন্তর্ভুক্তির জন্য তথ্য আহ্বান
বই বাছাইয়ে দ্বিধা? দেখে নিন ৪ প্রকাশনীর সেরা ৫ বই
বয়স বাড়া আনন্দের নয়, বিষণ্নতায় ভুগছেন জর্জ আরআর মার্টিন
সর্বশেষ খবর
২.২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস
২.২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস
পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা
পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা
২০০ দিন শুটিং, দুই সংস্করণ—‘টক্সিক’ নিয়ে মুখ খুললেন যশ
২০০ দিন শুটিং, দুই সংস্করণ—‘টক্সিক’ নিয়ে মুখ খুললেন যশ
পরীক্ষার্থী কমলেও ফেলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৯০ হাজার
পরীক্ষার্থী কমলেও ফেলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৯০ হাজার
সর্বাধিক পঠিত
ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
আগারগাঁওয়ের ভাতের হোটেলের ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেফতার
আগারগাঁওয়ের ভাতের হোটেলের ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেফতার
জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা
জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা
দুই নেতা আলোচনায় বসলে সব সমস্যার সমাধান হবে: ভারতের হাইকমিশনার
দুই নেতা আলোচনায় বসলে সব সমস্যার সমাধান হবে: ভারতের হাইকমিশনার
কেরালার নাম বদলে দিচ্ছে মোদি সরকার
কেরালার নাম বদলে দিচ্ছে মোদি সরকার