ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের সমর্থকদের মধ্যে কয়েক দফা হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২ আগস্ট) হল প্রভোস্টের কার্যালয়ের ভেতরে ও বাইরে এ ঘটনা ঘটে।
হল সংসদের এজিএস ইব্রাহিম খলিলের কক্ষে সমকামিতার অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির বৈঠকে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে এ ঘটনা ঘটে।
ছাত্রদল ও শিবির দুই সংগঠনই বৈঠকের পরিবেশ নষ্ট ও উসকানি দেওয়ার জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে।
হাতাহাতির বিষয়ে শহীদুল্লাহ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাবি শিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক তৌকির হাসান বলেন, ছাত্রদলের দুই নেতা তদন্ত কমিটির বৈঠকে ঢুকে পড়েন। জানতে পেরে শিবিরের কর্মীরা প্রভোস্টের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। পরে ছাত্রদলের কর্মীরা শিবিরের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুললে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে ছাত্রদলের কর্মীরা শিবিরের এক কর্মীকে লাথি মেরে সোফায় ফেলে মারধর করে।
তবে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে সংঘর্ষের জন্য শিবিরকর্মীদের দায়ী করেছেন শহীদুল্লাহ হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোসাদ্দিক আল হক শান্ত। তিনি বলেন, শিবির নেতারা আগে সভা কক্ষে প্রবেশ করেন। ছাত্রদলের কর্মীরা তখন সেখানে গিয়ে এর প্রতিবাদ জানান। পরে শিবির কর্মীরাও সেখানে জড়ো হলে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এতে আমাদের দুই কর্মী আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে ঢাবি প্রক্টর ইসরাফিল রতন সাংবাদিকদের বলেন, হলে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। হল প্রভোস্ট আমাদের বিষয়টি জানানোর পর সহকারী প্রক্টরদের সমন্বয়ে একটি মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে পাঠাই।আমরা মধ্যস্থতা করে পরিস্থিতি শান্ত করেছি।