মন্ত্রী বলেন, ‘একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা কোন কোন সুবিধা পাবেন, তা এই পরিচয়পত্রে উল্লেখ থাকবে । এছাড়া, মুজিব বর্ষে ২২ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে বাড়ি করে দেওয়া হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে চিকিৎসার সব ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কিন্তু অনেক মুক্তিযোদ্ধা না জানার কারণে এ সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন না।’
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার পর জাতির পিতা সব প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ করেছিলেন। ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির করও মওকুফ করেছিলেন। সংক্ষিপ্ত সময়ে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান উপহার দিয়েছিলেন। জাতির পিতার সুযোগ্য উত্তরাধিকার সফল রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারও মানুষের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।’
বক্তব্যের শুরুতে মন্ত্রী ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট নিহত সব শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
ঢাকা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আমীর হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) হেলাল মোর্শেদ চৌধুরী ও মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব মুক্তিযোদ্ধা ওসমান আলী। বাসস