বিগত স্বৈরাচারের সহযোগী প্রকাশকরা এখনও বিভিন্ন সুবিধা নিতে পাঁয়তারা করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বৈরাচারবিরোধী সৃজনশীল লেখক, প্রকাশক ও অ্যাক্টিভিস্টরা। এসময় তারা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাকে স্বৈরাচারবিরোধী গ্রহণযোগ্য প্রকাশকদের সঙ্গে অনতিবিলম্বে বসে তাদের কথা শোনার আহ্বান জানান।
বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন তারা।
সংস্কৃতি উপদেষ্টাকে উদ্দেশ করে সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, আপনি সাধারণ প্রকাশকদের সঙ্গে নিয়ে বসবেন, তাদের মুখ থেকে জুলুম-বঞ্চনার কথা শুনবেন। দুর্বৃত্ত-দালাল প্রকাশকরা কীভাবে তাদের দলীয় রাজনীতির বই সরবরাহ করে একচেটিয়া ব্যবসা ও মুনাফা লুটেছে তা জানবেন। শেখ হাসিনা ও তার আমলারা বস্তাপচা বই প্রকাশ করে কীভাবে সরকারের ভাণ্ডার লুট করেছে তার বিচার করবেন। কিন্তু আমাদের আশা হতাশায়, আনন্দ আতঙ্কে পরিণত হয়েছে।
তারা আরও বলেন, আমরা আপনাকে স্বৈরাচারবিরোধী গ্রহণযোগ্য প্রকাশকদের সঙ্গে অনতিবিলম্বে বসে তাদের কথা শোনার আহ্বান জানাই। নতুন রাষ্ট্র সংস্কার ও বিনির্মাণে আমরা প্রকাশকদের জায়গা থেকে সহযোগিতা করতে চাই। পাশাপাশি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, ভবিষ্যতে যদি আপনি গণবিরোধী স্বৈরাচারের দালাল, দুর্নীতিবাজ প্রকাশকদের সঙ্গে নিয়ে বসেন তবে আমরা বইমেলা বয়কটসহ কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো। কেননা, প্রকাশক সমাজ শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করবে না।
প্রতিবাদ সমাবেশে সৃজনশীল প্রকাশকদের পক্ষ থেকে সাঈদ বারী, মিজানুর রহমান সরদার, দেলোয়ার হাসান, মাহাবুব রাহমান, হেলাল উদ্দিন, আবুল বাশার ফিরোজ, শরীফ শাহজি, মহিউদ্দিন কলি, মামুন সারোয়ার, মামুনুর রশীদ, জাহাঙ্গীর আলম, আবু বকর সিদ্দিক, সাইফুল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।